বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৬ এম
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনকে ন্যায্য ও যৌক্তিক হিসেবে অভিহিত করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার ভুলভাবে আন্দোলনকে মোকাবিলা করার ফলে দেশের পরিস্থিতি এই অবস্থায় পৌঁছেছে। সরকার আন্দোলনের প্রতি কর্ণপাত না করে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে তা থামানোর চেষ্টা করছে।
বুধবার রাতে গাজীপুরে জাতীয় শ্রমিক শক্তির গায়েবানা জানাজায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পিটুনিতে আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে এসে তিনি এসব মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, আন্দোলন শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ পর মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিন পর সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা সরকারের অবহেলার বিষয়টি স্পষ্ট করে।
বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন, ‘এটি কোনো শ্রমিক আন্দোলনই নয়।’ অর্থাৎ সরকার এখনো পর্যন্ত এই আন্দোলনকে ন্যায্য ও গণতান্ত্রিক দাবির আন্দোলন হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে না। বরং ষড়যন্ত্র তত্ত্বের মাধ্যমে আন্দোলনকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, এই আন্দোলনে সহিংসতা শুরু করেছে বিএনপি নিজেই। শ্রমিকদের ওপর রাষ্ট্রীয় সহিংসতা ঘটেছে। সরকারদলীয় সহিংসতা ও নিপীড়নও অব্যাহত রয়েছে। বিএনপির সদস্যদের হকিস্টিক ও স্ট্যাম্প হাতে রাস্তায় নামানো হয়েছে। তারা শ্রমিকদের পেটানোর জন্য রাস্তায় নেমেছেন। তাদের মাঠে নামার দায়িত্ব কে দিয়েছে? দলীয় সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ ও দমনের চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পোশাকশ্রমিক তৌফিককে হত্যা করা হয়েছে। তার স্মরণে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে পুলিশ, বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ন্যক্কারজনকভাবে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় শ্রমিক শক্তির আহ্বায়কসহ নারী-পুরুষ মিলিয়ে প্রায় ১৭ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে যেকোনো আন্দোলনে জামায়াত-শিবিরের ভূত দেখানো হতো। এখন বিএনপি যেকোনো আন্দোলনে আওয়ামী লীগের ভূত দেখছে। এভাবে আন্দোলনের ন্যায্যতাকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকার সম্পূর্ণভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হামের টিকা কেনা ও বিতরণে বিলম্ব, অনিয়ম এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগের তদন্তের জন্য সরকার অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিশন গঠন করেছে। এই কমিশনের সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারপতি মামুন রহমান। কমিশনকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশন ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ের ঘটনা পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায় চিহ্নিত করবে।
তদন্তের স্বার্থে কমিশন দেশের যেকোনো স্থানে পরিদর্শন করতে পারবে, যেকোনো ব্যক্তিকে তলব এবং জিজ্ঞাসাবাদ করার ক্ষমতা থাকবে। কমিশন খতিয়ে দেখবে, টিকা কেনা ও বিতরণে সময়ক্ষেপণের কারণ কী ছিল, কোথায় অনিয়ম ঘটেছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দায়িত্বশীলদের ভূমিকা কী ছিল। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশও কমিশন করবে।
আজ বুধবার রাতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। ‘কমিশন অব ইনকোয়ারি অ্যাক্ট, ১৯৫৬’ অনুযায়ী এই কমিশন গঠন করা হয়েছে।
কমিশনের অন্য দুই সদস্য হলেন- বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনসের (বিসিপিএস) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এন এম মইনুল ইসলাম।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, হামের টিকা ক্রয় ও বিতরণে বিলম্ব, অনিয়ম ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে জনস্বাস্থ্যের ওপর সৃষ্ট বিরূপ প্রভাবের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের দায়-দায়িত্ব নির্ধারণের লক্ষ্যে এ তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে।
কমিশনের কার্যপরিধিতে তিনটি বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথমত, হামের টিকা কেনা ও বিতরণে সময়ক্ষেপণ, অনিয়ম ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান এবং সংশ্লিষ্টদের দায়-দায়িত্ব চিহ্নিত করা। দ্বিতীয়ত, ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ দেওয়া। তৃতীয়ত, কমিশনের বিবেচনায় এ-সংক্রান্ত অন্য কোনো সুপারিশ থাকলে তা প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা।
কমিশনের তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সচিবিক সহায়তা দেবে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। এ ছাড়া কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী তদন্তের ব্যয় নির্বাহ এবং প্রয়োজনীয় জনবল সরবরাহ করবে বিভাগটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার জন্য তেহরানের সঙ্গে সমন্বয় করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, "ইরানের নির্দেশনা না মেনে কোনো দেশের পক্ষে এই নৌপথ দিয়ে নিরাপদে জ্বালানি পরিবহন সম্ভব নয়।"
তিনি বুধবার ঢাকায় ইরান দূতাবাসে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। রাষ্ট্রদূত আরও জানান, প্রতিদিনই হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল করছে। তবে ইরানের নির্দেশনা না মানার কারণে কিছু ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, "এই পথ দিয়ে যেতে হলে ইরানের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।"
বাংলাদেশের কোনো জ্বালানিবাহী জাহাজ ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে তিনি জানান, এ-বিষয়ক তথ্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে রয়েছে। তিনি বলেন, "বিষয়টি গোপনীয় হওয়ায় এ নিয়ে তাঁর কিছু বলার নেই।" তবে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা দুদেশের সুসম্পর্কের প্রমাণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী জাহাজ যাতে নিরাপদে প্রণালি পার হতে পারে, সে জন্য তিনি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, এ নিয়ে ইরান, কাতার এবং ওমানের কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়টি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের সঙ্গে জড়িত। তিনি জানান, "মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের শর্ত জানানো হয়েছে।" এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া এবং ভবিষ্যতে ইরানে হামলা না করার নিশ্চয়তা।
সশস্ত্র রোহিঙ্গাদের ইরান সমর্থন করবে কিনা– এমন প্রশ্নের জবাবে জলিল রহিমি বলেন, "রোহিঙ্গা মুসলমানরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে তাদের সমর্থন দেবে তেহরান।"
সংবাদ সম্মেলনে সুন্নি মুসলমানদের প্রতি ইরানের সমর্থনের কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরার পর রাষ্ট্রদূত বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "দুপক্ষের সদিচ্ছা থাকলেই আলোচনায় অগ্রগতি সম্ভব।" তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কয়েক দফা আলোচনা হয়েছিল এবং একটি বড় চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছিল দুটি দেশ। ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনা চলছিল। হামলার আগের রাতেও ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলোচনায় অগ্রগতির কথা জানিয়েছিলেন।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি আশাবাদী নন। রাষ্ট্রদূতের ধারণা, দুদেশের মধ্যে তৃতীয় দফা যুদ্ধ শুরু হতে পারে এবং এ জন্য ইরান প্রস্তুত। তিনি জানান, তেহরান বন্ধু রাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইরানে সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে রাষ্ট্রদূত বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র অতীতে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে। ভবিষ্যতেও এমন হামলা চালাতে পারে।" তিনি আরও বলেন, "ইরানে পারমাণবিক হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সমানুপাতিক জবাব দেওয়া হবে।"
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের প্রতি ওয়াশিংটনের নীতিতে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা আছে কিনা– জানতে চাইলে জলিল রহিমি বলেন, "তেহরান এমন কোনো সম্ভাবনা দেখছে না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ও সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে। বুধবার (৪ অক্টোবর) রাতে ডিবি কর্তৃপক্ষ তার গ্রেফতারের খবর প্রকাশ করে।
এর আগে, একইদিন দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির অফিস থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। একই সময়ে ডিবিসির বিশেষ প্রতিনিধি রাজীব ঘোষকেও ডিবি পুলিশ আটক করে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ডিবিসিতে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির উদ্ভব হওয়ায় ইকবাল সোবহানসহ দুজনকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তবে রাত সাড়ে ১২টায় শফিকুল ইসলাম জানান, ইকবাল সোবহান চৌধুরীর বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের হত্যা মামলার অভিযোগ রয়েছে। এই মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, রাজীব ঘোষের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছেন দুইজন বিশ বছর বয়সী রাজনীতিবিদ, যারা কংগ্রেসের ইতিহাসে অন্যতম কনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে পরিচিত। তাদের এই বিজয় জাতীয় রাজনীতিতে নতুন প্রজন্মের কণ্ঠস্বরকে তুলে ধরেছে।
উইসকনসিনের সপ্তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে রিপাবলিকান দলের ২৬ বছর বয়সী মাইকেল আলফোনসো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ফ্রেড ক্লার্ককে পরাজিত করেছেন। এই বিজয়ের মাধ্যমে তিনি প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) সর্বকনিষ্ঠ সদস্য এবং ২০০০-এর দশকে জন্মগ্রহণকারী প্রথম ব্যক্তি হিসেবে কংগ্রেসে প্রবেশের নজির স্থাপন করেছেন।
রাজনীতির নতুন মুখ হিসেবে পরিচিত আলফোনসো, যিনি পরিবহন সচিব শন ডাফির জামাতা, নির্বাচনে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ (আমেরিকা সবার আগে) এজেন্ডা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শক্তিশালী সমর্থক হিসেবে পরিচিত। তার নির্বাচনি প্রচারণায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মতো রক্ষণশীল অগ্রাধিকারগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, কলোরাডোর প্রথম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে ২৯ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী মেলাত কিরোস জয়ী হয়েছেন। ইথিওপিয়ায় জন্মগ্রহণকারী এই আইনজীবী ও গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী (ডেমোক্র্যাটিক সোশালিস্ট) কংগ্রেসের প্রথম ‘জেন জেড’ নারী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পূর্বে দলীয় প্রাইমারি নির্বাচনে দীর্ঘদিনের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি ডায়ানা ডিগেটকে পরাজিত করেছিলেন।
কিরোস, যিনি গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানের কঠোর সমালোচক, ইসরাইলের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন; তিনি গাজার যুদ্ধকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এছাড়াও, তিনি সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা এবং সর্বজনীন শিশুযত্ন ব্যবস্থার সমর্থক।
আলফোনসো ও কিরোসের আগে, ফ্লোরিডার ডেমোক্র্যাট নেতা ২৯ বছর বয়সী ম্যাক্সওয়েল ফ্রস্ট ২০২২ সালে নির্বাচিত হয়ে কংগ্রেসের প্রথম ‘জেন জেড’ সদস্য হিসেবে পরিচিত হন। ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের সমর্থক ফ্রস্ট ২০২৬ সালের নির্বাচনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়াই পুনরায় জয়ী হয়েছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ