ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

প্রধানমন্ত্রী খুলনা ও বাগেরহাট যাচ্ছেন আজ


প্রধানমন্ত্রী খুলনা ও বাগেরহাট যাচ্ছেন আজ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন। তিনি আজ সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে প্রথমে হেলিকপ্টারে বাগেরহাটের মোংলায় যাবেন। এরপর সেখান থেকে সড়কপথে খুলনায় পৌঁছাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মোংলায় দুটি এবং খুলনায় একটি নির্ধারিত কর্মসূচি রয়েছে। এছাড়া তিনি বাগেরহাট জেলা সদরে হজরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন। মোংলার কর্মসূচি শেষ করার পর সড়কপথে প্রধানমন্ত্রী খুলনায় যাবেন। খুলনা স্টেডিয়ামে নুতন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন করবেন তিনি। সারা দেশে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।’

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও লজিস্টিকস কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চার হাজার ৬৮ কোটি ২৩ লাখ টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। আজ মোংলা বন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি ‘মোংলা বন্দরের সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

আরও পড়ুন: টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গুলিতে আহত সেনাসদস্য মো. তিতাস শেখের মৃত্যু

এ প্রকল্পটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ (এমপিএ) বাস্তবায়ন করছে। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) সহযোগী প্রতিষ্ঠান চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি) প্রকল্পটির ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন (ইপিসি) ঠিকাদার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের পণ্য ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে দেশের সামুদ্রিক বাণিজ্য, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায় নতুন গতি সঞ্চার হবে। বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্পায়ন, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে চীন সরকার এক্সিম ব্যাংক অব চায়নার মাধ্যমে প্রায় ৩৩৫.৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সফট লোন সহায়তা দিচ্ছে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের প্রতিনিধি, সিআরসিসি ও সিসিইসিসির প্রতিনিধি, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পের আওতায় ৩৬৮ মিটার সম্মিলিত দৈর্ঘ্যের ১০ ও ১১ নম্বর দুটি আধুনিক কনটেইনার জেটি নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় সহায়ক অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নতুন স্থাপনাগুলোর মাধ্যমে বছরে প্রায় তিন লাখ ৯৪ হাজার টিইইউ (টোয়েন্টি ফিট ইকুইভ্যালেন্ট ইউনিট) কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া প্রকল্পের আওতায় ৮৭ হাজার ৬০০ বর্গমিটার আয়তনের লোডেড কনটেইনার ইয়ার্ড, ৩৪ হাজার ১৭০ বর্গমিটার আয়তনের খালি কনটেইনার ইয়ার্ড এবং চার হাজার ২৬০ বর্গমিটার আয়তনের বিপজ্জনক পণ্য হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড নির্মাণ করা হবে।

মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও যোগাযোগ বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা জোরদার এবং জাতীয় অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়নে মোংলা বন্দর আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আরও পড়ুন: টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গুলি বিনিময়ে সেনাসদস্য আহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলোচনা সভায় বক্তারা: বাঁকখালী নদী পুনরুদ্ধারে দরকার আদালতের নির্দেশনার বাস্তবায়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ এম


আলোচনা সভায় বক্তারা: বাঁকখালী নদী পুনরুদ্ধারে দরকার আদালতের নির্দেশনার বাস্তবায়ন

কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালীর অবদান বহুমাত্রিক। উপকূলীয় বনের সবুজ বেষ্টনী নদীর দু’পারে অবস্থিত জনবসতিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে আসছিল। একসময় এ নদীতে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের প্রচুর পরিমাণে উপস্থিতি ছিল। কিন্তু দখল ও দূষণের কারণে নদীটি অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। তাই বাকঁখালী নদীকে এ সংকট থেকে পুনরুদ্ধারের জন্য উচ্চ আদালতের নির্দেশনার বাস্তবায়নের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সদিচ্ছার প্রয়োজন রয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) কক্সবাজার শহরের প্রধান নদী বাঁকখালীকে দখল ও দূষণের কবল থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) আয়োজিত ‘দখল ও দূষণে বিপর্যস্ত বাঁকখালী নদী: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী খোকা।

সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. বিমল কুমার প্রামাণিক, কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী পরাক্রম চাকমা, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আতিকুল রহমান, এবং কক্সবাজার সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মশিউর রহমান। এছাড়া নদী ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, সাংবাদিক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বেলার লিগ্যাল কোঅর্ডিনেটর এস. হাসানুল বান্না।

সভায় পরিবেশকর্মী শান্তনূর মন্তব্য করেন, বাকঁখালী নদীর কস্তুরা ঘাটে প্যারাবন কেটে দখল হওয়া জায়গা দখলমুক্ত করা সম্ভব হলেও, প্যারাবন আর ফিরে আসেনি। তিনি প্যারাবন ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের কক্সবাজার প্রতিনিধি সুনীল বড়ুয়া জানান, বাঁকখালী নদীর রামু চেংরাঘাটা অংশে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন হচ্ছে। তিনি তামাক চাষও চলছে উল্লেখ করে বালু উত্তোলন ও তামাক চাষ বন্ধের অনুরোধ জানান।

সংবাদকর্মী সৌরভ দেব বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অবৈধ দখলদারদের বৈধতা দেয়। তিনি অবৈধ দখলদারদের বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান এবং এসিল্যান্ড অফিস কর্তৃক খাজনা নেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. বিমল কুমার প্রামাণিক বলেন, বাঁকখালী নদীর সব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে, নাহলে সমস্যাগুলো সমাধানের অযোগ্য হয়ে যাবে। তিনি নদীর দূষণমুক্ত পানি মানুষের প্রয়োজন এবং ফসল উৎপাদনের জন্যও প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, বাকঁখালী নদীতে ৩৫ প্রজাতির মাছ ও ১০ প্রজাতির অন্যান্য জলজ প্রাণী রয়েছে। নদীকে দূষণমুক্ত না করতে পারলে এসব মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তরল বর্জ্য নদীর পানিতে মিশে দূষিত করছে, যার প্রভাব খাদ্য শৃঙ্খলেও পড়ছে। তিনি নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান।

সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মশিউর রহমান কক্সবাজারে বালু উত্তোলন, পাহাড় কাটা এবং নদী দখল-দূষণ নিয়ে সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় করে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আলোকপাত করেন। তিনি পরিবেশ বিধ্বংসী কাজের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করার জন্য সাংবাদিকদের আহ্বান জানান।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা বলেন, মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের জ্বলন্ত উদাহরণ হলো এ নদী। নদী রক্ষায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় যে প্রকল্প গ্রহণ করেছে, সে বিষয়ে জনপরিসরে ব্যাপক আলোচনা হওয়া উচিত। তিনি যেসব জায়গা দখলমুক্ত করা হয়েছিল, সেগুলো যথাযথ সংরক্ষণের তাগিদ দেন। বাঁকখালী নদী দখলমুক্ত না হলে শহরে জলাবদ্ধতার মতো নানা রকম ঝুঁকির আশঙ্কা করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই জাদুঘরের সামনে ফের ককটেল বিস্ফোরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ এম


জুলাই জাদুঘরের সামনে ফের ককটেল বিস্ফোরণ

রাজধানীর জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে আবারও একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে দুর্বৃত্তরা একটি ককটেল নিক্ষেপ করে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার ইবনে মিজান সমকালকে জানান, ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়েছে। ফুটেজে দেখা যায়, আসাদ গেটের দিক থেকে একটি অটোরিকশা এসে জুলাই জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং পরে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। তিনি আরও জানান, জড়িতদের শনাক্ত করার জন্য আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

এর আগে, ১৪ অক্টোবর জুলাই জাদুঘরের ১ নম্বর গেটের সামনে দুর্বৃত্তরা পরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করেছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রমিক আন্দোলন যৌক্তিক, সরকারের বলপ্রয়োগে পরিস্থিতির অবনতি: নাহিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ এম


শ্রমিক আন্দোলন যৌক্তিক, সরকারের বলপ্রয়োগে পরিস্থিতির অবনতি: নাহিদ

ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনকে ন্যায্য ও যৌক্তিক হিসেবে অভিহিত করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার ভুলভাবে আন্দোলনকে মোকাবিলা করার ফলে দেশের পরিস্থিতি এই অবস্থায় পৌঁছেছে। সরকার আন্দোলনের প্রতি কর্ণপাত না করে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে তা থামানোর চেষ্টা করছে।

বুধবার রাতে গাজীপুরে জাতীয় শ্রমিক শক্তির গায়েবানা জানাজায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পিটুনিতে আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে এসে তিনি এসব মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, আন্দোলন শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ পর মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিন পর সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা সরকারের অবহেলার বিষয়টি স্পষ্ট করে।

বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন, ‘এটি কোনো শ্রমিক আন্দোলনই নয়।’ অর্থাৎ সরকার এখনো পর্যন্ত এই আন্দোলনকে ন্যায্য ও গণতান্ত্রিক দাবির আন্দোলন হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে না। বরং ষড়যন্ত্র তত্ত্বের মাধ্যমে আন্দোলনকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, এই আন্দোলনে সহিংসতা শুরু করেছে বিএনপি নিজেই। শ্রমিকদের ওপর রাষ্ট্রীয় সহিংসতা ঘটেছে। সরকারদলীয় সহিংসতা ও নিপীড়নও অব্যাহত রয়েছে। বিএনপির সদস্যদের হকিস্টিক ও স্ট্যাম্প হাতে রাস্তায় নামানো হয়েছে। তারা শ্রমিকদের পেটানোর জন্য রাস্তায় নেমেছেন। তাদের মাঠে নামার দায়িত্ব কে দিয়েছে? দলীয় সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ ও দমনের চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, পোশাকশ্রমিক তৌফিককে হত্যা করা হয়েছে। তার স্মরণে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে পুলিশ, বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ন্যক্কারজনকভাবে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় শ্রমিক শক্তির আহ্বায়কসহ নারী-পুরুষ মিলিয়ে প্রায় ১৭ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে যেকোনো আন্দোলনে জামায়াত-শিবিরের ভূত দেখানো হতো। এখন বিএনপি যেকোনো আন্দোলনে আওয়ামী লীগের ভূত দেখছে। এভাবে আন্দোলনের ন্যায্যতাকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকার সম্পূর্ণভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের টিকা বিতরণে অনিয়মের তদন্তে কমিশন গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ এম


হামের টিকা বিতরণে অনিয়মের তদন্তে কমিশন গঠন

হামের টিকা কেনা ও বিতরণে বিলম্ব, অনিয়ম এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগের তদন্তের জন্য সরকার অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিশন গঠন করেছে। এই কমিশনের সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারপতি মামুন রহমান। কমিশনকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশন ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ের ঘটনা পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায় চিহ্নিত করবে।

তদন্তের স্বার্থে কমিশন দেশের যেকোনো স্থানে পরিদর্শন করতে পারবে, যেকোনো ব্যক্তিকে তলব এবং জিজ্ঞাসাবাদ করার ক্ষমতা থাকবে। কমিশন খতিয়ে দেখবে, টিকা কেনা ও বিতরণে সময়ক্ষেপণের কারণ কী ছিল, কোথায় অনিয়ম ঘটেছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দায়িত্বশীলদের ভূমিকা কী ছিল। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশও কমিশন করবে।

আজ বুধবার রাতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। ‘কমিশন অব ইনকোয়ারি অ্যাক্ট, ১৯৫৬’ অনুযায়ী এই কমিশন গঠন করা হয়েছে।

কমিশনের অন্য দুই সদস্য হলেন- বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনসের (বিসিপিএস) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এন এম মইনুল ইসলাম।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, হামের টিকা ক্রয় ও বিতরণে বিলম্ব, অনিয়ম ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে জনস্বাস্থ্যের ওপর সৃষ্ট বিরূপ প্রভাবের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের দায়-দায়িত্ব নির্ধারণের লক্ষ্যে এ তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে।

কমিশনের কার্যপরিধিতে তিনটি বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথমত, হামের টিকা কেনা ও বিতরণে সময়ক্ষেপণ, অনিয়ম ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান এবং সংশ্লিষ্টদের দায়-দায়িত্ব চিহ্নিত করা। দ্বিতীয়ত, ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ দেওয়া। তৃতীয়ত, কমিশনের বিবেচনায় এ-সংক্রান্ত অন্য কোনো সুপারিশ থাকলে তা প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা।

কমিশনের তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সচিবিক সহায়তা দেবে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। এ ছাড়া কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী তদন্তের ব্যয় নির্বাহ এবং প্রয়োজনীয় জনবল সরবরাহ করবে বিভাগটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%