ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

স্ত্রী ইকরার স্মৃতি আজও কাঁদায় জাহের আলভীকে


স্ত্রী ইকরার স্মৃতি আজও কাঁদায় জাহের আলভীকে

দীর্ঘ ১৬ বছরের সংসারজীবন অতিবাহিত হয়েছে। স্ত্রী ইকরার সঙ্গে কাটানো অসংখ্য মুহূর্ত আজও আলভীর স্মৃতিতে অমলিন রয়েছে। কিন্তু সেই সুন্দর স্মৃতিগুলো এখন অভিনেতা জাহের আলভীর মনে কষ্টের জন্ম দেয়। প্রিয় মানুষকে হারানোর শোক বুকে নিয়ে নতুন করে জীবন গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে, নিজের জীবনের কঠিন সময় এবং স্ত্রীকে হারানোর বেদনা নিয়ে আলভী কথা বলেন। তিনি জানান, ইকরার সঙ্গে কাটানো পুরোনো স্মৃতিগুলো মনে পড়লে এখনো কষ্ট অনুভব করেন। তবে তিনি এসব স্মৃতি ভুলে যেতে চান না। বরং সবসময় অনুভব করতে চান, যেন ইকরা তাদের সঙ্গেই আছেন এবং সন্তানের মা হিসেবে দূর থেকে আশীর্বাদ করছেন।

স্ত্রীকে হারানোর পর, তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ এখন একমাত্র সন্তান। ছেলেকে নেতিবাচক পরিবেশ ও ক্ষতিকর মানুষের প্রভাব থেকে দূরে রেখে সুন্দরভাবে বড় করার লক্ষ্য তার প্রধান। শুটিংয়ের ব্যস্ততার মধ্যেও সন্তানের কাছে ফিরে যাওয়ার তাগিদ অনুভব করেন তিনি। দীর্ঘ সময় ছেলের কাছ থেকে দূরে থাকাও এখন তার জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন: শাহরুখ নিজেকে বকতে বলেছিলেন, জানালেন ফারাহ

সন্তানের মানসিক অবস্থার বিষয়েও আলভী সতর্ক রয়েছেন। চিকিৎসক ও শিশু বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে, ছেলেকে কোনো কিছু জোর করে বোঝানোর চেষ্টা করছেন না। স্বাভাবিকভাবে যেন সে পরিস্থিতি বুঝতে পারে এবং শোক কাটিয়ে উঠতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সময় দিচ্ছেন তারা।

নিজের কঠিন সময়ের কথা বলতে গিয়ে আলভী জানান, একপর্যায়ে প্রবল অস্থিরতা ও শ্বাসকষ্টের মতো অনুভূতি হচ্ছিল তার। কিন্তু সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরার পর মনে হয়েছে, তিনি এখনো বেঁচে আছেন এবং ছেলের জন্য তাকে বেঁচে থাকতে হবে। আপাতত ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় কোনো পরিকল্পনা নেই, বাবা-ছেলের একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়া এবং নিজের অভিনয়জীবন নিয়েই ভাবছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত জীবনের নানা জটিলতা, কারাবাস ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে, প্রায় সাত মাস বিরতি দিয়ে অক্টোবরের মাঝামাঝি আবারও নাটকের শুটিংয়ে ফেরেন জাহের আলভী। নতুন করে কাজ শুরু করে অভিনয়জগতে নিজের অবস্থান ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছেন এই অভিনেতা।

আরও পড়ুন: বরবাদ নির্মাতার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে দিঘীর মন্তব্য

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কে গুলির ঘটনায় নিহত ৮, হামলাকারী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


তুরস্কে গুলির ঘটনায় নিহত ৮, হামলাকারী গ্রেপ্তার

পশ্চিম তুরস্কের আফিওনকারাহিসার প্রদেশে গুলির ঘটনায় আটজন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিভিন্ন স্থানে এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ পাশের এসকিশেহির প্রদেশ থেকে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, হামলার পর বিভিন্ন স্থান থেকে তিনটি আলাদা গাড়িতে করে হতাহতদের উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর হামলাকারী পালিয়ে গেলে তাকে ধরার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করে।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, আয়াজিনি গ্রামের কাছে তিনজন এবং কিয়ির গ্রামের কাছে আরও তিনজন নিহত হন। এছাড়া ইউকারিতানদির গ্রামে দুই নারীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে পরে তাদের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে দুজন শিক্ষক রয়েছেন।

তুর্কি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজে কালো জ্যাকেট, সাদা প্যান্ট ও চশমা পরা এক ব্যক্তিকে একটি লাল মিনিভ্যানের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তার হাতে একটি লম্বা আগ্নেয়াস্ত্র ছিল।

দৈনিক মিলিয়েতের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলাকারীর ব্যবহৃত একটি গাড়ি কাদায় আটকে পড়ে। পরে গাড়িটি ফেলে রেখে তিনি পায়ে হেঁটে পালিয়ে যান। এ ঘটনার পর পুলিশ ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলোর প্রবেশপথ বন্ধ করে দিয়ে সন্দেহভাজনকে ধরতে অভিযান জোরদার করে। পরে তাকে এসকিশেহির প্রদেশ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আফিওনকারাহিসার গভর্নরেট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করেছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আটঘরিয়ায় শিমের বেচাকেনা জমজমাট, তবে লোকসানে আড়তদার ও কৃষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


আটঘরিয়ায় শিমের বেচাকেনা জমজমাট, তবে লোকসানে আড়তদার ও কৃষক

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার চাঁদভা ইউনিয়নের সড়াবাড়িয়া আড়তে প্রতিদিন শিমের বেচাকেনা জমে উঠছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে আড়তে শিম কেনাবেচায় কৃষক ও আড়তদাররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আশপাশের প্রায় ১০টি গ্রামের কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত শিম নিয়ে আসেন এ আড়তে।

আড়তদারদের মাধ্যমে এসব শিম বস্তাবন্দী করে প্রতিদিন ট্রাকযোগে পাঠানো হয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে। তবে গত এক সপ্তাহ ধরে আড়তদাররা লাভের মুখ দেখছেন না। অন্যদিকে, উৎপাদন খরচের তুলনায় বিক্রয়মূল্য কম হওয়ায় কৃষকরাও লোকসানের আশঙ্কায় রয়েছেন।

সড়াবাড়িয়া আড়তের আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শিমের কেনাবেচা চলে। আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা তাঁদের জমি থেকে সংগ্রহ করা শিম নিয়ে আসেন এ আড়তে। পরে দরদাম করে কৃষকদের কাছ থেকে শিম কিনে বস্তাবন্দী করা হয়। প্রতিদিন এক ট্রাক শিম ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়।

এক আড়তদার জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে শিমের ব্যবসায় লাভ হচ্ছে না। কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি শিম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে কিনতে হচ্ছে। পরিবহন ও অন্যান্য খরচ যুক্ত করে ঢাকার বাজারে বিক্রি করতে গিয়ে লোকসান গুনতে হচ্ছে।

প্রতি কেজি শিম ৩৬ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রি করেও খরচ বাদে কোনো লাভ থাকছে না। এসব শিম ঢাকার যাত্রাবাড়ী, চৌরাস্তা ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করা হয়।

অন্যদিকে, উৎপাদিত শিমের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় হতাশ কৃষকেরাও। তাঁদের অভিযোগ, সারসহ কৃষি উপকরণের দাম বেশি হওয়ায় শিম উৎপাদনে খরচ বেড়েছে। অথচ বাজারে সেই অনুপাতে দাম পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে তাঁদের।

এ বিষয়ে আটঘরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা মোতামাইন্না বলেন, উপজেলায় সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। শিম উৎপাদনকারী কৃষকেরা মাজপাড়া, চাঁদভা ও পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন ডিলার পয়েন্ট থেকে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার কিনতে পারছেন।

ক্যাশ মেমোর মাধ্যমে সরকারি নির্ধারিত দামে সার বিক্রি হচ্ছে কি না, তা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সরাসরি বাজার তদারকির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করছেন।

স্থানীয় কৃষক ও আড়তদারদের প্রত্যাশা, উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিমের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং বাজারজাতকরণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে তাঁদের লোকসানের চাপ কমবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেকর্ড পরিমাণ আয় করেও ৪৩ মিলিয়ন পাউন্ড লোকসানে ইউনাইটেড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


রেকর্ড পরিমাণ আয় করেও ৪৩ মিলিয়ন পাউন্ড লোকসানে ইউনাইটেড

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আর্থিক সংকট কাটছে না, যদিও তারা রেকর্ড পরিমাণ আয় করেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ক্লাবটির আয় ৬৭৭.৬ মিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছেছে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তবুও, ইংলিশ জায়ান্টরা বছর শেষে ৪৩ মিলিয়ন পাউন্ড লোকসান গুনেছে। ফলে, ওল্ড ট্রাফোর্ডের ক্লাবটি টানা সাত অর্থবছর ধরে লোকসানে রয়েছে। একই সঙ্গে, তাদের ঋণের পরিমাণ বেড়ে প্রায় ৭৭৯ মিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছেছে।

দ্য অ্যাথলেটিকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৩০ জুন পর্যন্ত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ঋণের পরিমাণ ছিল ৬৮৯ মিলিয়ন পাউন্ড। পরবর্তী কয়েক মাসে প্রায় ৯০ মিলিয়ন পাউন্ড ঋণ নেওয়ার ফলে সেপ্টেম্বর নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৭৯ মিলিয়ন পাউন্ডে। তবে, এই হিসাবের মধ্যে খেলোয়াড় কেনাবেচার বকেয়া অর্থ অন্তর্ভুক্ত নয়। বিবিসি স্পোর্টসের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ক্লাবটির সামগ্রিক আর্থিক দায় ছিল প্রায় ১.১৫ বিলিয়ন পাউন্ড।

সংখ্যালঘু অংশীদার স্যার জিম র‍্যাটক্লিফের অধীনে ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু লোকসানের ধারা থামছে না। ক্লাবটির বেতন ব্যয় ৩.৬ শতাংশ কমেছে এবং পরিচালনাগত কার্যক্রমে উন্নতি হয়েছে। কিন্তু প্রায় ৬৯ মিলিয়ন পাউন্ডের অর্থায়ন ব্যয় সেই অগ্রগতিকে ম্লান করে দিয়েছে। রুবেন আমোরিমের বিদায়সংক্রান্ত বিশেষ ব্যয়ও সর্বশেষ লোকসানের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। ২০১৯ সাল থেকে ইউনাইটেডের মোট লোকসানের পরিমাণ প্রায় ৪৪৪ মিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছেছে।

২০০৫ সাল থেকে গ্লেজার পরিবার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পরবর্তী সময়ে র‍্যাটক্লিফ সংখ্যালঘু অংশীদার হিসেবে যুক্ত হন। বর্তমানে, আইএনইওএসের মাধ্যমে ক্লাবটির ফুটবল পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে তাঁর প্রতিষ্ঠান। তবে, রেকর্ড আয় সত্ত্বেও ধারাবাহিক লোকসান এবং ক্রমবর্ধমান ঋণ গ্লেজার পরিবারের মালিকানা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

২০২৬-২৭ মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরার সুবাদে ইউনাইটেডের আয় আরও বাড়বে বলে আশা করছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তাদের প্রাক্কলন অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরে আয় ৭৪০ থেকে ৭৬০ মিলিয়ন পাউন্ড হতে পারে। তবে, এই বাড়তি আয় শেষ পর্যন্ত লোকসানের ধারায় ছেদ টানতে পারে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ নভেম্বর বায়তুল মোকাররমে কোরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


৭ নভেম্বর বায়তুল মোকাররমে কোরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পবিত্র কোরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। এ অনুষ্ঠানটি শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ বারান্দায় অনুষ্ঠিত হবে।

আজ শুক্রবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বিনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী উপস্থিত থাকবেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির সমন্বয় বিভাগের পরিচালক (প্রতিভূ) মো. আব্দুল হামিদ খান উপস্থিত থাকবেন।

এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ। পবিত্র কোরআন খতমের পর বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%