সিরাজুল ইসলাম, জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার
০৮:৪৫ পি.এম
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কক্সবাজারের চকরিয়ায় আলোচনা সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চকরিয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক।
বক্তব্যে তিনি মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
কর্মসূচিতে চকরিয়া উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে একটি র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নতুন শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি স্কুল ড্রেস, জুতা, মোজা ও ব্যাগ দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। শিক্ষার্থীপ্রতি বছরে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৫০ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে স্কুল ড্রেসের জন্য ৬০০ টাকা, ব্যাগের জন্য ৬০০ টাকা, জুতার জন্য ৭০০ টাকা এবং মোজার জন্য ৫০ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ যুগান্তরকে এসব তথ্য জানান।
পোশাক ও অন্যান্য উপকরণের জন্য শিক্ষার্থীপ্রতি ১ হাজার ৯৫০ টাকা বরাদ্দের হিসাবটি এক বছরের জন্য প্রযোজ্য। তবে এই কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে পাঁচ বছর মেয়াদি প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) প্রকল্পের আওতায়। এটি সম্ভাব্য সর্বোচ্চ ব্যয় হিসেব করা হয়েছে; প্রকৃত ব্যয় দরপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। পিইডিপি-৫ প্রকল্পের মোট ব্যয় ৪১ হাজার ৯০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের অর্থায়ন ৩৩ হাজার ২০৩ কোটি এবং বৈদেশিক অর্থায়ন ৭ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা।
পিইডিপি-৫ প্রকল্পের ব্যয় সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথমে প্রকল্পটির ব্যয় ৪৭ হাজার কোটি টাকার বেশি ধরা হয়েছিল, পরে বিভিন্ন খাত পর্যালোচনা ও সংশোধনের মাধ্যমে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা কমানো হয়েছে। পিইডিপি-৪ গত জুনে শেষ হয়েছে। এরপর জুলাই থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি পিইডিপি-৫ চালুর পরিকল্পনা ছিল। প্রকল্পের কিছু খাত বাদ দেওয়া এবং অন্য প্রকল্পের আওতায় নেওয়ার ফলে ব্যয় কমেছে।
নতুন শিক্ষক নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে, যেখানে শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, পদোন্নতি, বদলি ও মূল্যায়ন—এই পাঁচ বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী ১৭ নভেম্বর এর তৃতীয় খসড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। একই দিনে মাঠপর্যায়ের মনিটরিং কর্মকর্তাদের জন্যও পৃথক নীতিমালার তৃতীয় খসড়া জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে তিন হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। বিদ্যালয় ও শিক্ষার কার্যক্রম তদারকিতে নিয়োজিত এসব কর্মকর্তার কাজের মূল্যায়ন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষার সমস্যা চিহ্নিত করতে গত দুই মাসে ১ হাজার ৭০০-এর বেশি মনিটরিং কর্মকর্তা এবং ১ হাজার ৫০০-এর বেশি প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তাদের মতামত ও পরামর্শ শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজে লাগানো হচ্ছে।
এছাড়া স্মার্ট ক্লাসরুম, বিদ্যালয়ে ওয়াইফাই, শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি এবং ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কার্যক্রম নিয়েও কাজ চলছে। ২০২৭ সালে শিক্ষক-ট্যাব কার্যক্রমে বড় অগ্রগতির লক্ষ্য রয়েছে। তবে একসঙ্গে সবাইকে ট্যাব না দিয়ে পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়ন করা হবে।
জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষক বদলি বন্ধ
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জাতীয় পর্যায়ের বদলি আপাতত বন্ধ রয়েছে। তবে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম চলছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পর্যায়ে বদলি পুনরায় চালুর আগে আরও যৌক্তিক ও অনলাইনভিত্তিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন শিক্ষক নীতিমালায় বদলি ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও কার্যকর করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়া, ৮ নভেম্বর, ২০২৬ : ‘করবো সমবায়, গড়বো দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবসটি নানা আয়োজনের মাধ্যমে পালিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে আজ জেলা প্রশাসন এবং জেলা সমবায় কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে র্যালি, আলোচনা সভা ও দিনব্যাপী সমবায় পণ্যমেলার আয়োজন করা হয়।
রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
পরে, জাতীয় ও সমবায় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের মূল কর্মসূচি শুরু হয়। দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ ‘করতোয়া’-তে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. রেজাউল করিম বাদশা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আসাদুজ্জামান এবং সমবায় ব্যাংক লি. বগুড়ার সভাপতি ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এইচ. এস. মাফতুন আহম্মেদ খান রুবেল।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সমবায় কার্যক্রমের ওপর একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শিত হয়।
এরপর সমবায়ীদের পক্ষে বক্তৃতা করেন বগুড়া প্লাস্টিক শিল্প ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লি.-এর সভাপতি এস. এম. নজরুল ইসলাম।
আলোচনা সভা শেষে বগুড়া জেলার সমবায় অঙ্গনে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ১০টি সমবায় সমিতিকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
দিনব্যাপী আয়োজিত এই সমবায় পণ্যমেলায় বিভিন্ন সমবায় সমিতির উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শনী ও বিক্রির জন্য প্রদর্শন করা হয়, যা দেখতে সাধারণ মানুষের মাঝে বেশ উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ ও নির্বাহী আদেশের অধীনে মোট ২৯ দিন সরকারি ছুটি থাকবে, যার মধ্যে ৭ দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পড়েছে। তাই কার্যকর সরকারি ছুটি থাকবে ২২ দিন। এছাড়া, সরকারি কর্মচারীরা ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বছরে সর্বোচ্চ ৩ দিন ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করতে পারবেন, যা কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।
সাধারণ ছুটি
২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ৫ মার্চ জুমাতুল বিদা, ১০ মার্চ ঈদুল ফিতর, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি, ১ মে মে দিবস, ১৭ মে ঈদুল আজহা, ২০ মে বুদ্ধপূর্ণিমা (বৈশাখী পূর্ণিমা), ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস, ১৫ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), ২৫ আগস্ট জন্মাষ্টমী, ১০ অক্টোবর দুর্গাপূজা (বিজয়া দশমী), ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিন (বড়দিন)।
নির্বাহী আদেশে ছুটি
২৪ জানুয়ারি শবেবরাত, ৭ মার্চ শবেকদর, ৮ ও ৯ মার্চ এবং ১১ ও ১২ মার্চ ঈদুল ফিতরের আগে দুই ও পরে দুদিনসহ মোট চারদিন, ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ, ঈদুল আজহার আগে ১৫ ও ১৬ মে দুদিন এবং পরে ১৮ থেকে ২০ মে পর্যন্ত তিনদিনসহ মোট পাঁচদিন, ১৬ জুন আশুরা এবং ৯ অক্টোবর দুর্গাপূজার মহানবমীর দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে।
ঐচ্ছিক ছুটি
ঐচ্ছিক ছুটির মুসলিম পর্বের মধ্যে রয়েছে- ৬ জানুয়ারি শবে মেরাজ, ১৩ মার্চ ঈদুল ফিতরের পরের তৃতীয় দিন, ২১ ঈদুল আজহার পরের চতুর্থ দিন, ২৮ জুলাই আখেরি চাহার শোম্বা, ১৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম এবং ২৬ ডিসেম্বর শবে মেরাজ।
হিন্দু পর্বের ঐচ্ছিক ছুটির দিনগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১১ ফেব্রুয়ারি সরস্বতী পূজা, ৬ মার্চ শিবরাত্রী ব্রত, ২২ মার্চ দোলযাত্রা, ৪ এপ্রিল হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, ৩০ সেপ্টেম্বর মহালয়া, ৭ ও ৮ অক্টোবর দুর্গাপূজা (সপ্তমী ও অষ্টমী), ১৪ অক্টোবর লক্ষ্মীপূজা এবং ২৮ অক্টোবর শ্যামাপূজা।
এ ছাড়া ১ জানুয়ারি ইংরেজি নববর্ষ, ১০ ফেব্রুয়ারি ভস্ম বুধবার, ২৫ মার্চ পূণ্য বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ পূণ্য শুক্রবার, ২৭ মার্চ পূণ্য শনিবার, ২৮ মার্চ ইস্টার সানডে এবং ২৪ ও ২৬ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মোৎসব (বড়দিনের আগে ও পরের দিন) হচ্ছে খ্রিস্টান পর্বের ঐচ্ছিক ছুটি।
ঐচ্ছিক ছুটির বৌদ্ধ পর্বের মধ্যে রয়েছে- ২০ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমা, ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি (তিনটি পার্বত্য জেলা ছাড়া দেশের অন্যত্র সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য প্রযোজ্য), ১৯ ও ২১ মে বুদ্ধ পূর্ণিমা (পূর্বের ও পরের দিন), ১৮ জুলাই আষাঢ়ী পূর্ণিমা, ১৫ সেপ্টেম্বর মধু পূর্ণিমা এবং ১৪ অক্টোবর প্রবারণা পূর্ণিমা (আশ্বিনী পূর্ণিমা)।
২০২৭ সালের টানা ছুটির সুযোগ কত বার?
জানুয়ারি : ১ জানুয়ারি (শুক্রবার) খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের ইংরেজি নববর্ষ এবং ৬ জানুয়ারি (বুধবার) মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র শবে মিরাজ উপলক্ষে ঐচ্ছিক ছুটি রয়েছে।
ফেব্রুয়ারি : ১০ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) খ্রিষ্টানদের ভস্ম বুধবার এবং ১১ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সরস্বতী পূজা। ১১ ফেব্রুয়ারি ছুটি নিলে পরবর্তী দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটিসহ (শুক্র ও শনি) টানা ৩ দিন ছুটি কাটানো যাবে। এ ছাড়া ২০ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মাঘী পূর্ণিমা (সাপ্তাহিক ছুটির দিন)।
মার্চ : ৬ মার্চ (শনিবার) শিবরাত্রি ব্রত এবং ১৩ মার্চ (শনিবার) পবিত্র ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিন (উভয় দিনই সাপ্তাহিক ছুটির অন্তর্ভুক্ত)। ২২ মার্চ (সোমবার) সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দোলযাত্রা।
খ্রিষ্টানদের জন্য ২৫ মার্চ (বৃহস্পতিবার) পুণ্য বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ (শুক্রবার) পুণ্য শুক্রবার (স্বাধীনতা দিবসের সাধারণ ছুটি), ২৭ মার্চ (শনিবার) পুণ্য শনিবার এবং ২৮ মার্চ (রবিবার) ইস্টার সানডে। ২৫ ও ২৮ মার্চ ঐচ্ছিক ছুটি নিলে সাধারণ ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা ৪ দিন ছুটির সুযোগ রয়েছে।
এপ্রিল : ৪ এপ্রিল (রবিবার) হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ঐচ্ছিক ছুটি নিলে আগের দুদিনের সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৩ দিন ছুটি কাটানো সম্ভব।
বৈসাবি ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উৎসব উপলক্ষে ১২ এপ্রিল (সোমবার) ও ১৫ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) ঐচ্ছিক ছুটি রয়েছে। ১৩ এপ্রিল (মঙ্গলবার) চৈত্রসংক্রান্তি উপলক্ষে (তিন পার্বত্য জেলা ব্যতীত) দেশের অন্য অঞ্চলে ছুটি প্রযোজ্য।
মে : ১৯ মে (বুধবার) ও ২১ মে (শুক্রবার) বৌদ্ধদের বুদ্ধপূর্ণিমার আগে ও পরের দিনের ঐচ্ছিক ছুটি। ১৭ মে (সোমবার, চাঁদ সাপেক্ষে) ঈদুল আজহার চতুর্থ দিন ২১ মে (শুক্রবার, সাপ্তাহিক ছুটির দিন) মুসলিমদের ঐচ্ছিক ছুটি রয়েছে।
জুন : এই মাসে কোনো ঐচ্ছিক ছুটি নেই।
জুলাই : ১৮ জুলাই (রবিবার, সম্ভাব্য) বৌদ্ধদের আষাঢ়ী পূর্ণিমা। ছুটি নিলে আগের সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৩ দিন ছুটি পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ২৮ জুলাই (বুধবার) মুসলিমদের আখেরি চাহার শোম্বা।
আগস্ট : এই মাসে কোনো ঐচ্ছিক ছুটি নেই।
সেপ্টেম্বর : ১৩ সেপ্টেম্বর (সোমবার, চাঁদ সাপেক্ষে) ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম। ১৫ সেপ্টেম্বর (বুধবার) বৌদ্ধদের মধু পূর্ণিমা (সম্ভাব্য)। ৩০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) মহালয়া। ছুটি নিলে পরের দুদিনের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা টানা ৩ দিন ছুটি কাটাতে পারবেন।
অক্টোবর : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৭ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সপ্তমী ও ৮ অক্টোবর (শুক্রবার) অষ্টমী উপলক্ষে ঐচ্ছিক ছুটি। ৯ অক্টোবর (শনিবার) নবমীর নির্বাহী ছুটি এবং ১০ অক্টোবর (রবিবার) বিজয়া দশমীর সাধারণ ছুটি মিলিয়ে টানা ৪ দিন ছুটির সুযোগ রয়েছে।
১৪ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) লক্ষ্মীপূজা ও বৌদ্ধদের প্রবারণা পূর্ণিমা (সম্ভাব্য)। ছুটি নিলে পরের দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৩ দিন ছুটি মিলবে।
২৮ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) শ্যামাপূজা। ছুটি নিলে পরের দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৩ দিন ছুটির সুযোগ থাকবে।
নভেম্বর : এই মাসে কোনো ঐচ্ছিক ছুটি নেই।
ডিসেম্বর : ২৫ ডিসেম্বর (শনিবার) বড়দিন উপলক্ষে ২৪ ডিসেম্বর (শুক্রবার) এবং ২৬ ডিসেম্বর (রবিবার) খ্রিষ্টানদের ঐচ্ছিক ছুটি। ২৬ ডিসেম্বর ছুটি নিলে সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৩ দিন অবকাশ সম্ভব।
২৬ ডিসেম্বর (রবিবার, চাঁদ সাপেক্ষে) পবিত্র শবে মিরাজ। এই দিন ঐচ্ছিক ছুটি নিলে মুসলিম কর্মচারীরাও আগের দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা ৩ দিন ছুটি কাটাতে পারবেন।
ঐচ্ছিক ছুটি গ্রহণের নিয়মাবলি
কোনো কর্মচারী বছরে নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৩ দিন ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করতে পারবেন। এই ছুটির জন্য বছরের শুরুতেই উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। অনুমোদন সাপেক্ষে ঐচ্ছিক ছুটি সাধারণ ছুটি, নির্বাহী আদেশের ছুটি এবং সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত করে ভোগ করা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ নভেম্বর, ২০২৬ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে। প্রতি দিন বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে সংসদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে, তবে সরকারি ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার বাদ থাকবে।
আজ রোববার জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির পঞ্চম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
এ বৈঠকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে আলোচনা হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশনের কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সময় বরাদ্দ ও অধিবেশনের স্থায়িত্বকাল নিয়ে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৮ নভেম্বর এ অধিবেশন শেষ হবে। তবে প্রয়োজন হলে স্পিকারকে অধিবেশনের সময় ও কার্যদিবস পরিবর্তনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে জানানো হয়, এ অধিবেশনে উত্থাপনের জন্য একটি সরকারি বিল পাওয়া গেছে। তাছাড়া, তৃতীয় অধিবেশনের পর এবং চতুর্থ অধিবেশনের আগে তিনটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এগুলো হলো—পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬; মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ এবং বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬। এসব অধ্যাদেশ অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।
এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ১৭৪টি এবং অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৩ হাজার ৫৭৭টি প্রশ্নসহ মোট ৩ হাজার ৭৫১টি প্রশ্ন জমা পড়েছে। এছাড়া, বিধি-৭১ অনুযায়ী মনোযোগ আকর্ষণের ৯২টি নোটিশ এবং বিধি-১৩১ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের ২৮১টি নোটিশও পাওয়া গেছে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদ চত্বরকে ধূমপানমুক্ত এলাকা ঘোষণার প্রস্তাব করলে উপস্থিত সদস্যরা তা স্বতঃস্ফূর্তভাবে গ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী সংসদের সাউন্ড সিস্টেমের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে সংসদ সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া জানান, আগামীকাল বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে সাউন্ড সিস্টেম উদ্বোধন করা হবে।
জাতীয় সংসদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট উপকমিটির আহ্বায়ক ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, সৌরবিদ্যুৎ থেকে সাত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। সংসদের বিদ্যুতের চাহিদা চলাকালে প্রায় ছয় মেগাওয়াট। ফলে চাহিদা মেটানোর পর অবশিষ্ট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ সংরক্ষণাগারের সুবিধা রেখেই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের নির্দেশনা দেন।
বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, এ টি এম আজহারুল ইসলাম এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া, ডেপুটি স্পিকার ই-পার্লামেন্ট কার্যক্রম এবং জাতীয় সংসদে শূন্য পদে জনবল নিয়োগের সর্বশেষ অগ্রগতি কমিটিকে অবহিত করেন।
সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া বৈঠকে সাচিবিক দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ