মোঃ তুহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৯:৪৯ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর সার্কেল অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন করেছেন জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।
তিনি পরিদর্শনের সময় সার্কেল অফিসের সার্বিক কার্যক্রম, রেকর্ডপত্র, মামলার তদন্তের অগ্রগতি, অভিযোগ নিষ্পত্তি, বার্ষিক কর্মসম্পাদন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। এ সময়, তিনি সার্কেলের আওতাধীন থানাগুলোর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী রাখা, অপরাধ দমন, মাদক ও জুয়া নির্মূল, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ এবং জনবান্ধব পুলিশিং সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবাবগঞ্জ সার্কেল) ও অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত গোমস্তাপুর সার্কেলের কর্মকর্তা মোঃ ইয়াসির আরাফাত উপস্থিত ছিলেন।
গোমস্তাপুর সার্কেল অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন শেষ করার পর, পুলিশ সুপার আকস্মিকভাবে গোমস্তাপুর থানা এবং রহণপুর তদন্তকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেই সময় তিনি থানা ও তদন্তকেন্দ্রের সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি জনগণকে আরও দ্রুত, কার্যকর ও মানসম্মত পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় অবৈধভাবে বালু ভরাটের দায়ে এক ব্যক্তিকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ কর্মসূচি মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত উপজেলার মালখানগর ইউনিয়নের নাটেশ্বর এলাকার নাইশিং এলাকায় পরিচালিত হয় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর অধীনে।
অভিযানকালে অবৈধভাবে বালু ভরাটে ব্যবহৃত লোহার পাইপসমূহ বিনষ্ট করা হয়। পাশাপাশি, অনুমোদনবিহীনভাবে বালু ভরাটের অপরাধে এক ব্যক্তিকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালনা করেন সিরাজদিখান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিনথিয়া হোসেন।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবেশ রক্ষা ও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যদি পুলিশি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তাহলে আবারও ভারতজুড়ে তীব্র প্রতিবাদের ডাক দেয়ার হুমকি দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। টানা দুই দিনের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো কেন্দ্র সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল দলের নেতৃত্ব।
সাম্প্রতিক সময়ে সুপ্রিম কোর্ট পুলিশকে পূর্ববর্তী এফআইআরগুলোর তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। ফলে প্রশাসন এই সুযোগ নিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর নতুন করে হয়রানি চালিয়ে যেতে পারে বলেও তীব্র আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তারা।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলেছিল দায়ের হওয়া বেশ কিছু আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছিল, শান্তিকামী কোনো আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না। দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ নির্দেশ দেন, যেসব শিক্ষার্থীর কোনো পূর্ব অপরাধমূলক রেকর্ড নেই, তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। যদিও একই নির্দেশনায় আদালত উল্লেখ করে যে, নিবন্ধিত যে এফআইআরগুলো রয়েছে, সেগুলোর তদন্ত প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে পুলিশ, তবে কোনো শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।
আদালতের এই পর্যবেক্ষণের পর সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার বক্তব্য, কেন্দ্র সরকারের এই অবস্থান শিক্ষার্থীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতির সম্পূর্ণ বরখেলাপ। তিনি জানান, গত ২৫ জুলাই সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল যে আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া সমস্ত এফআইআর তুলে নেওয়া হবে এবং কোনো আন্দোলনকারীকে নিশানা করা হবে না। সেই সুনির্দিষ্ট আশ্বাসের ওপর আস্থা রেখেই সিজেপি তাদের দেশব্যাপী বিক্ষোভ প্রত্যাহার করেছিল।
সিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, আদালতের শুনানির সময় সরকারি আইনজীবীরা এই চুক্তি বা আশ্বাসের বিষয়ে কোনো আপত্তি জানাননি, যা অত্যন্ত সন্দেহজনক। সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পার হওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে যদি শিক্ষার্থীদের হয়রানি অব্যাহত রাখা হয়, তাহলে রাজপথকেই আবারও আন্দোলনের মূল হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক স্ত্রী ও অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারির বিরুদ্ধে রাজা চৌধুরী নতুন করে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে, তিনি তাদের অতীত বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে কথা বলেছেন এবং বলিউড অভিনেত্রী মেয়ে পলক তিওয়ারির সঙ্গে সম্পর্কের দূরত্ব নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করেছেন।
রাজা অভিযোগ তুলেছেন যে বিয়ের সময় তাকে ‘বিনা বেতনের গৃহকর্মী’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও, তিনি বলেছেন যে মানসিকভাবে নিজেকে শান্ত রাখতে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের মেয়ে পলককেও ব্লক করে রেখেছেন।
একটি সাক্ষাৎকারে রাজা বলেছেন, তাদের দাম্পত্যজীবনের শুরুর দিকে উপার্জন মূলত শ্বেতার ওপর ছিল, এবং ঘরের যাবতীয় ব্যবস্থাপনা তার দায়িত্বে ছিল। রাজার মতে, শ্বেতা প্রচুর অর্থ উপার্জন করতেন এবং তিনি একজন সাধারণ ম্যানেজারের মতো কাজ করতেন, যার কোনো মূল্যায়ন ছিল না। বিচ্ছেদের জন্য শ্বেতার মায়ের হস্তক্ষেপকে দায়ী করেছেন রাজা। তাঁর দাবি, শ্বেতার মা-ই তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করেছেন এবং শ্বেতাকে বোঝাতেন যে রাজার জীবনে কোনো প্রয়োজন নেই।
বিচ্ছেদের পর রাজা জানান, জীবন কতটা কঠিন হয়ে পড়েছিল। তিনি তীব্র মানসিক অবসাদে ভুগেছেন এবং মেয়েকে দেখতে না পাওয়ার যন্ত্রণার কারণে অতিরিক্ত মদ্যপানে আসক্ত হয়ে পড়েন। পরে তাকে রিহ্যাবে চিকিৎসা নিতে হতে হয়। পলকের আট বছর বয়স পর্যন্ত তিনি তাকে প্রতিপালন করেছিলেন, কিন্তু গত ১৮ বছরে তাদের মধ্যে মাত্র দুই থেকে তিনবার কথাও হয়েছে। পুরোনো স্মৃতির কষ্ট এড়াতে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েকে ব্লক করে রেখেছেন, যাতে পলকের কোনো ছবি বা ভিডিও তার সামনে না আসে।
পলক তিয়াওয়ারির ব্যক্তিগত জীবন এবং ইব্রাহিম আলি খানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রাজা উদাসীন মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি জানান, পলকের জীবনে তিনি এখন কেবল একজন ‘বায়োলজিক্যাল ফাদার’ বা জন্মদাতা বাবা। তাই তাই পলকের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তার কোনো মাথা ব্যথা নেই।
তবে এত দূরত্ব এবং বিবাদের পরেও রাজা চৌধুরী মেয়ের প্রতি তার দায়িত্ব থেকে পিছিয়ে যাননি। তিনি জানান, পলক যদি কখনো তার প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি দ্বিধা না করে পাশে দাঁড়াবেন। গভীর রাতেও যদি পলক বিপদে পড়ে তাকে ফোন করে, তবে তিনি সব কিছু ছেড়ে মেয়ের পাশে উপস্থিত হবেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে শ্বেতা তিওয়ারি ও রাজা চৌধুরীর বিয়ে হয় এবং ২০০৭ সালে তারা আলাদা হয়ে যান। পরে ২০১২ সালে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। ২০২৩ সালে সালমান খানের ‘কিসি কা ভাই কিসি কি জান’ ছবির মাধ্যমে পলক তিওয়ারি রুপালি পর্দায় পা রাখেন এবং পরবর্তীতে ‘রোমিও এস৩’, ‘দ্য ভূতনি’ ছবিগুলোতে অভিনয় করেন। সম্প্রতি, তাকে অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওর ‘লুকখে’ নামক জনপ্রিয় মিউজিক্যাল থ্রিলার ওয়েব সিরিজে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সারাওয়াক রাজ্যের মধ্যে কৃষি খাতে সহযোগিতা জোরদার করার জন্য আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে কৃষি প্রযুক্তি ও খাদ্য নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়গুলো নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু করার লক্ষ্যে আলোচনা করা হয়েছে।
বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার মোসাম্মৎ শাহানারা মনিকার নেতৃত্বে বাংলাদেশ হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধিদল সারাওয়াকের খাদ্য শিল্প, পণ্য ও আঞ্চলিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের (এম-পিকোর্ড) স্থায়ী সচিব দাতু সিরাই আনাক দাহার সঙ্গে এক বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। এই বৈঠক সম্পর্কে একটি বার্তা জানানো হয়েছে।
বৈঠকে দুই পক্ষ কৃষি সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন। বিশেষ করে অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও প্রযুক্তির বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ধান উৎপাদন এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ে সহযোগিতার উপায়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ ও সারাওয়াকের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিভিন্ন উপায় খোঁজার ওপরও কথা হয়েছে।
গবেষণা ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য একটি কাঠামো তৈরির উদ্দেশ্যে কৃষি সহযোগিতা বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) প্রণয়নের প্রক্রিয়াও আলোচনা হয়। বৈঠকে এ-পিঢোর্ডের স্থায়ী সচিব বাংলাদেশকে আসন্ন সারাওয়াক অ্যাগ্রোফেস্ট ২০২৬-এ অতিথি হিসেবে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান। সারাওয়াক সরকারের কৃষি, ভেটেরিনারি সেবা, ভূমি উন্নয়ন, কৃষক সংগঠন, রাবার ও সাগো উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ও সারাওয়াকের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এর পূর্বে সারাওয়াকের গভর্নর, প্রিমিয়ার এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিদল ল্যাবএশিয়া বোর্নিও এডিশন ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেয় এবং আয়োজিত বিভিন্ন প্রদর্শনী পরিদর্শন করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ