ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

এক রাতেই সাবাড় কষ্টে গড়া বাগানের হাজারো কলাগাছ


এক রাতেই সাবাড় কষ্টে গড়া বাগানের হাজারো কলাগাছ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের চোমরপাথালিয়া গ্রামে দুই কৃষকের বিরুদ্ধে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে এই ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা হলেন- চোমরপাথালিয়া বাজার এলাকার আবুল কালাম ফেলুর ছেলে ফরিদ এবং নজরুল ইসলামের ছেলে মেহেদী হাসান সত্তার। তারা তিন বিঘা জমিতে কলার চারা রোপণ করেছিলেন, যা ঘটনার পর প্রায় সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: চলতি বছরে সারের আমদানি বাড়ানোর ঘোষণা কৃষিমন্ত্রীর

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য অনুসারে, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা বাগানে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গাছগুলো কেটে ফেলে। সকালে জমিতে গিয়ে কৃষকরা দেখতে পান, গাছগুলো কাটা অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছে।

কৃষকরা জানান, তারা কিস্তিতে টাকা তুলে চাষাবাদ করেছিলেন। মাসের পর মাস পরিশ্রম ও অর্থ ব্যয় করে বাগানটি গড়ে তুলেছিলেন। একরাতের মধ্যে তাদের শ্রম ও পুঁজি শেষ হয়ে গেছে। ঋণ নিয়ে চাষ করায় এই ক্ষতি তাদের জন্য সামলে ওঠা কঠিন হবে বলে তারা জানান। কৃষকদের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতা ও প্রতিহিংসার কারণে পরিকল্পিতভাবে এ ক্ষতি করা হয়েছে। তবে এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ ঘটনায় এলাকার অন্যান্য কৃষকেরাও নিজেদের ফসল নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের বিচার এবং ক্ষতিপূরণের দাবি করেছেন।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, "অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।"

আরও পড়ুন: কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য : প্রধানমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেনিস কোর্ট ছেড়ে এবার রিয়াল মাদ্রিদের পরিচালনায় যোগ দিচ্ছেন নাদাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ পি.এম


টেনিস কোর্ট ছেড়ে এবার রিয়াল মাদ্রিদের পরিচালনায় যোগ দিচ্ছেন নাদাল

দীর্ঘ দুই দশক ধরে টেনিস কোর্টে রাজত্ব করে আসছেন রাফায়েল নাদাল। এবার নতুন ভূমিকায় দেখা যেতে পারে স্পেনের এই কিংবদন্তিকে। ২২টি গ্র্যান্ড স্লামজয়ী সাবেক টেনিস তারকা রিয়াল মাদ্রিদের পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হতে যাচ্ছেন। ক্লাবটির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ নাদালকে পর্ষদের সদস্য করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। তবে নিয়োগ চূড়ান্ত করতে আগামী ২১ নভেম্বর ক্লাবের সদস্যদের সাধারণ সভায় অনুমোদন প্রয়োজন।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রিয়াল মাদ্রিদ এক বিবৃতিতে জানায়, সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের প্রস্তাবের ভিত্তিতে নাদালকে পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্লাবটির মতে, খেলাধুলায় নাদালের অসাধারণ সাফল্য, ব্যক্তিত্ব ও মূল্যবোধ রিয়াল মাদ্রিদের আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

নাদালও প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘আমাকে রিয়াল মাদ্রিদের পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার জন্য সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ ও বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাই। অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে এই প্রস্তাব গ্রহণ করেছি। শেখার আগ্রহ নিয়ে ক্লাবের জন্য নিজের সামর্থ্যের সবটুকু অবদান রাখতে চাই।’

রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে নাদালের সম্পর্ক নতুন নয়। তিনি ছোটবেলা থেকেই ক্লাবটির একনিষ্ঠ সমর্থক। ২০১১ সালে তাঁকে রিয়াল মাদ্রিদের সম্মানসূচক সদস্য করা হয়। বিভিন্ন সময়ে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর গ্যালারিতে বসে প্রিয় দলের খেলাও উপভোগ করেছেন এই কিংবদন্তি।

সমর্থক হিসেবে নয়, ভবিষ্যতে ক্লাবটির নেতৃত্ব দেওয়ার স্বপ্নও দেখেছেন নাদাল। ২০২৩ সালে এক সাক্ষাৎকারে রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি হওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। তবে চলতি বছরের সভাপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার গুঞ্জন থেকে নিজেকে দূরে রাখেন সাবেক এই টেনিস তারকা।

টেনিস ইতিহাসের অন্যতম সফল খেলোয়াড় নাদাল ক্যারিয়ারে জিতেছেন ২২টি গ্র্যান্ড স্লাম এককের শিরোপা। এর মধ্যে ফ্রেঞ্চ ওপেনেই রেকর্ড ১৪ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তিনি। এছাড়া দুটি অলিম্পিক স্বর্ণপদক ও স্পেনের হয়ে পাঁচটি ডেভিস কাপ জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে তাঁর। দীর্ঘ সময় বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষেও ছিলেন তিনি। ২০২৪ সালের নভেম্বরে পেশাদার টেনিসকে বিদায় জানান নাদাল।

আগামী ২১ নভেম্বর সদস্যদের অনুমোদন মিললে রিয়াল মাদ্রিদের প্রশাসনিক কাঠামোয় আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হবেন বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম পরিচিত এই মুখ। তবে ক্লাব পরিচালনা ও নীতিনির্ধারণে তাঁর দায়িত্বের পরিধি কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিষেধাজ্ঞায় খুলনা বিভাগের ওপেনার এনামুল হক বিজয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ পি.এম


নিষেধাজ্ঞায় খুলনা বিভাগের ওপেনার এনামুল হক বিজয়

জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) পঞ্চম রাউন্ডে খুলনা বিভাগের ওপেনার এনামুল হক বিজয়কে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে হয়েছে শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে। এই শাস্তির কারণ হলো, তিনি প্রতিপক্ষ দলের ক্রিকেটার মাহফিজুল ইসলাম রবিনের দিকে ব্যাট উঁচিয়ে তেড়ে গিয়েছিলেন।

মঙ্গলবার খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শেষ দিনে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা খুলনার ব্যাটার আজিজুল হাকিমকে স্লেজিং করছিলেন ময়মনসিংহের ফিল্ডার রবিন। বিজয়, যিনি অন্য প্রান্তে ছিলেন, বিষয়টি ভালোভাবে নেননি। একপর্যায়ে, তিনি মেজাজ হারিয়ে ব্যাট হাতে রবিনের দিকে তেড়ে যান।

ময়মনসিংহের অন্যান্য ফিল্ডাররা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও, কিছুক্ষণ পর বিজয় আবারও রবিনের দিকে ছুটে যান। এ সময় তার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে।

ম্যাচ অফিসিয়ালরা ঘটনাটিকে আচরণবিধির ২.১.৩ ধারার লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করেন। শুনানি শেষে বিজয়ের নামের পাশে যোগ হয় চারটি ডিমেরিট পয়েন্ট। এর ফলে, এনসিএলের পরবর্তী রাউন্ডে খেলতে পারবেন না খুলনার এই ওপেনার।

অন্যদিকে, একই ঘটনায় জড়িত ময়মনসিংহের ক্রিকেটার মাহফিজুল ইসলাম রবিনকেও শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাকে ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে, যা ১৫ হাজার টাকার সমান।

এছাড়া, ম্যাচটিতে ভিন্ন ঘটনায় খুলনার অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনসহ আরও দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ আনেন ম্যাচ রেফারি সৈয়দ আদিল আহমেদ।

উল্লেখ্য, বিতর্কিত এই ঘটনার ম্যাচে খুলনা বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগকে ৮ উইকেটে পরাজিত করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন ড. মঈন খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ পি.এম


হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন ড. মঈন খান

চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে তিনি বাসায় ফিরে আসেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, মঈন খান আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, তাকে আরো কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর মঈন খান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। সেদিন রাতে তাকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এরপর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীসহ দলের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতা তাকে হাসপাতালে দেখতে যান। মঈন খান এভারকেয়ার হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোবোটিক সার্জারিতে অধ্যাপক ডা. রফিকূল ইসলামের সনদপত্র হস্তান্তর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ পি.এম


রোবোটিক সার্জারিতে অধ্যাপক ডা. রফিকূল ইসলামের সনদপত্র হস্তান্তর

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম চীনের সাংহাইয়ে অবস্থিত পুডং গংলি হাসপাতালে রোবোটিক সার্জারির ওপর বিশেষ উচ্চতর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে দেশে ফিরেছেন।

২৫ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে তিনি রোবোটিক সার্জারির আধুনিক প্রযুক্তি, ব্যবহারিক প্রয়োগ ও উন্নত অস্ত্রোপচার পদ্ধতি সম্পর্কে উচ্চতর জ্ঞান ও হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করায় পুডং গংলি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রশিক্ষণের আনুষ্ঠানিক সনদপত্র বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। এরই ধারাবাহিকতায় অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলামের হাতে প্রশিক্ষণের সনদপত্র তুলে দিতে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সনদপত্র হস্তান্তর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, "আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে নতুন নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ এবং তার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।" তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন উদ্ভাবন যুক্ত হচ্ছে। বিশেষ করে রোবোটিক সার্জারি আধুনিক অস্ত্রোপচার চিকিৎসায় এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। এ প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে আরও সূক্ষ্ম, নির্ভুল ও আধুনিক অস্ত্রোপচারের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। তাই আমাদের চিকিৎসাব্যবস্থাকেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক করে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশে রোবোটিক সার্জারির যাত্রা শুরু হয়েছে, যা আমাদের চিকিৎসাব্যবস্থার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।" তবে তিনি সতর্ক করেন যে, শুধু অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করলেই হবে না, এসব প্রযুক্তি পরিচালনা ও ব্যবহারের জন্য দক্ষ জনবল তৈরি করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ, হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জন এবং উন্নত বিশ্বের চিকিৎসাপদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলামের মতো অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণ অর্জন নিঃসন্দেহে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

উপাচার্য আশা প্রকাশ করে বলেন, "আমরা চাই বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় শুধু চিকিৎসাসেবা প্রদানেই নয়, বরং আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তির প্রয়োগেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করুক।" তিনি উল্লেখ করেন, রোবোটিক সার্জারির মতো উন্নত প্রযুক্তিতে দক্ষ চিকিৎসক তৈরি করতে হলে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে। চীনের পুডং গংলি হাসপাতালের সঙ্গে এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও জ্ঞান বিনিময়ের উদ্যোগ ভবিষ্যতে দুই দেশের চিকিৎসা ও চিকিৎসাশিক্ষা খাতের সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করতে পারে। তিনি আশা করেন, এ প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও রোবোটিক সার্জারির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম তার প্রশিক্ষণ অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি এবং সনদপত্র হস্তান্তরের আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অর্জিত এ অভিজ্ঞতা দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও আধুনিক অস্ত্রোপচার চিকিৎসার উন্নয়নে কাজে লাগাতে আমি আগ্রহী।"

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. ইরতেকা রহমানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক ও শিক্ষকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%