০৯:০৪ পি.এম
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের চোমরপাথালিয়া গ্রামে দুই কৃষকের বিরুদ্ধে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে এই ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা হলেন- চোমরপাথালিয়া বাজার এলাকার আবুল কালাম ফেলুর ছেলে ফরিদ এবং নজরুল ইসলামের ছেলে মেহেদী হাসান সত্তার। তারা তিন বিঘা জমিতে কলার চারা রোপণ করেছিলেন, যা ঘটনার পর প্রায় সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে গেছে।
আরও পড়ুন: চলতি বছরে সারের আমদানি বাড়ানোর ঘোষণা কৃষিমন্ত্রীর
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য অনুসারে, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা বাগানে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গাছগুলো কেটে ফেলে। সকালে জমিতে গিয়ে কৃষকরা দেখতে পান, গাছগুলো কাটা অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছে।
কৃষকরা জানান, তারা কিস্তিতে টাকা তুলে চাষাবাদ করেছিলেন। মাসের পর মাস পরিশ্রম ও অর্থ ব্যয় করে বাগানটি গড়ে তুলেছিলেন। একরাতের মধ্যে তাদের শ্রম ও পুঁজি শেষ হয়ে গেছে। ঋণ নিয়ে চাষ করায় এই ক্ষতি তাদের জন্য সামলে ওঠা কঠিন হবে বলে তারা জানান। কৃষকদের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতা ও প্রতিহিংসার কারণে পরিকল্পিতভাবে এ ক্ষতি করা হয়েছে। তবে এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ ঘটনায় এলাকার অন্যান্য কৃষকেরাও নিজেদের ফসল নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের বিচার এবং ক্ষতিপূরণের দাবি করেছেন।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, "অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।"
আরও পড়ুন: কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য : প্রধানমন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন