মোঃ সজিব হোসেন স্টাফ রিপোর্টার পাবনা
১১:০৩ এম
পাবনার গণমানুষের প্রিয় মুখ ও জনপ্রতিনিধি এমপি অ্যাডভোকেট শিমুল বিশ্বাস আবারও তার বিনয়ী ও সাধারণ জীবনযাপনের মাধ্যমে সবার নজর কাড়লেন। এত বড় একজন জাতীয় নেতা হয়েও তিনি বিলাসবহুল গাড়ির পরিবর্তে সাধারণ মানুষের মতোই “পাঠাও সার্ভিসে” চড়ে নিজের গন্তব্যে যাত্রা করেন।
সাম্প্রতিক সময়ে তার এমন একটি দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা দেখা যায়। অনেকেই বলেন, “এমন নেতা আজকাল খুব কমই দেখা যায়, যিনি ক্ষমতায় থেকেও অহংকারহীন এবং সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা করেন।”
জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও তাদের সমস্যার কথা শোনার জন্য এমপি শিমুল বিশ্বাস সবসময়ই সহজ-সরল জীবনধারাকে গুরুত্ব দেন বলে জানা গেছে। তার এই ব্যতিক্রমী আচরণ নতুন প্রজন্মের রাজনীতিবিদদের জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ হয়ে উঠছে।
স্থানীয়দের মতে, “জনপ্রতিনিধি মানেই শুধু ক্ষমতা নয়, বরং মানুষের পাশে থাকা—এটা তিনি কাজে প্রমাণ করে যাচ্ছেন।”
এমন মানবিক ও বিনয়ী আচরণের জন্য এমপি অ্যাড. শিমুল বিশ্বাসের প্রতি সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বঙ্গোপসাগরে ১৩ জন জেলে নিয়ে বরগুনার পাথরঘাটার ‘এফবি বরকত’ নামে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। আট জেলেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, পাঁচজন জেলে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। ট্রলার মালিক সমিতি জানিয়েছে, নিখোঁজ জেলেদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে গভীর সমুদ্রে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ডুবে যাওয়া ট্রলারটির মালিক পাথরঘাটার আশরাফ কোম্পানি।
তথ্য অনুসন্ধান করে জানা গেছে, তিন দিন আগে পাথরঘাটা থেকে ১৩ জন জেলে নিয়ে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে গিয়েছিল এফবি বরকত ট্রলারটি। সোমবার বিকেলে সাগরে বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কারণে ট্রলারটি ডুবে যায়।
পরে, ডুবে যাওয়া ট্রলারের নিকটবর্তী থাকা পাথরঘাটার অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা পানিতে ভাসমান ট্রলারের কিছু অংশ দেখতে পান। এরপর তারা সাগরে ভাসতে থাকা আট জেলেকে উদ্ধার করেন এবং বিষয়টি ট্রলারের মালিকপক্ষকে জানান। নিখোঁজ পাঁচ জেলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘এফবি বরকত’ নামে একটি ট্রলার বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়ার খবর তারা অন্য একটি ট্রলারের জেলেদের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। খবর পাওয়ার পর ট্রলার ও জেলেদের উদ্ধারের জন্য ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বঙ্গোপসাগরে একটি ট্রলার পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যের গ্যাটউইক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী একটি ব্যক্তিগত গাড়ি পার্কিংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে অন্তত ১৪০টি গাড়ি পুড়ে গেছে। এই গাড়িগুলোর অধিকাংশই ছিল ছুটিতে যাওয়া যাত্রীদের।
শনিবার রাত ৯টার পর, গ্যাটউইক বিমানবন্দর থেকে প্রায় আট মাইল দূরে, ক্রোলির ক্যালডাইন বিজনেস পার্ক এলাকায় আগুনের সূত্রপাত ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট রাতভর কাজ করে।
অগ্নিকাণ্ডের তীব্রতায় বিদ্যুৎ সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং স্থানীয় ২ হাজার ১৩৩টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়ি বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বেশিরভাগ এলাকায় দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও রবিবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ৬০টি গ্রাহক বিদ্যুৎহীন ছিলেন।
এ ঘটনায়, ছুটিতে যাওয়া বহু যাত্রী তাদের গাড়ির পরিণতি নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। গ্রাহকদের অভিযোগ, ভ্যালেট পার্কিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘স্যাফায়ার পার্কিং’ তাদের পক্ষ থেকে যথাযথ তথ্য প্রদান করছে না এবং যোগাযোগও করা হচ্ছে না।
ভুক্তভোগী জর্জেস স্মিথ বলেন, "পার্কিং এলাকা ঘিরে রাখায় কেউ সেখানে প্রবেশ করতে পারছেন না। অধিকাংশ গাড়ি পুড়ে যাওয়ায় নিজের গাড়ির কী অবস্থা, তা শনাক্ত করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।"
এদিকে, ‘স্যাফায়ার পার্কিং’ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কাউকে ঘটনাস্থলে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না। কর্তৃপক্ষের অনুমতি পাওয়ার পর গাড়িগুলোর ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন করে গ্রাহকদের বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
গ্যাটউইক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুনটি বিমানবন্দরের নিজস্ব কোনো পার্কিংয়ে লাগেনি। এটি ছিল তৃতীয় পক্ষের পরিচালিত একটি পার্কিং এলাকা। ক্ষতিগ্রস্ত বা উদ্বিগ্ন যাত্রীদের স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম এখন ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা হয়েছে, যা সোমবার (২৪ আগস্ট) ছিল ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা।
এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৩ লাখ ৩ হাজার ১৮৭ টাকা হবে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।
যদিও সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ২৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে অবস্থানরত ১৬ দেশের কূটনৈতিক মিশন রোহিঙ্গা সংকটের নয় বছর পূর্তিতে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য উপযুক্ত নয়। কূটনৈতিক মিশনগুলো বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি তাদের গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে, যারা প্রায় এক দশক ধরে ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) যৌথ বিবৃতিটি প্রকাশিত হয়, যেখানে কানাডা, ডেনমার্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, জাপান, কসোভো, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক মিশনগুলো সই করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের গণবাস্তুচ্যুতির পর বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে কঠিন পরিস্থিতিতে বসবাস করছে। দীর্ঘ সময় ধরে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে রোহিঙ্গাদের সহনশীলতা, সাহস ও মর্যাদার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে, বিশাল এ জনগোষ্ঠীকে মানবিক আশ্রয় ও সহায়তা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের উদারতার প্রশংসা করা হয়েছে।
রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার অধিকার রয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। তবে, রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাত ক্রমশ তীব্র হচ্ছে এবং সেখানে মানবিক চাহিদা চরম আকার ধারণ করেছে। ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীনতা, বেসামরিক অবকাঠামোয় বিমান হামলা এবং মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের ত্রাণ ও বাণিজ্যের ওপর কঠোর বিধিনিষেধের কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে।
এই পরিস্থিতিতে নতুন করে অনেক মানুষ বাংলাদেশসহ আশপাশের অঞ্চলে বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে পালানোর সময় বহু রোহিঙ্গার প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। কূটনৈতিক মিশনগুলো জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়।
রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরি করতে দীর্ঘমেয়াদি, কৌশলগত ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ দূর করা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা তৈরি এবং মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা জরুরি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া, রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফিরে গিয়ে নিজেদের বাড়িঘর, জীবিকা ও সামাজিক জীবন পুনর্গঠন করতে সক্ষম করার জন্য তাদের শিক্ষা ও কর্মমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা এবং তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগণের পাশে থাকবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সহায়তা বিতরণ ব্যবস্থার মান উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মানবিক কার্যক্রমে স্থানীয় বাংলাদেশি নেতৃত্ব ও রোহিঙ্গাদের নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়ে মিশনগুলো বলেছে, রোহিঙ্গাদের আত্মনির্ভরশীলতা বাড়াতে হবে। রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের নিজেদের কণ্ঠস্বরকে গুরুত্ব দিতে হবে।
রোহিঙ্গা সংকট দশম বছরে প্রবেশ করতে যাচ্ছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাদের কথা ভুলে না যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। রোহিঙ্গাদের অধিকার ও কণ্ঠস্বর তুলে ধরা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে ১৬ কূটনৈতিক মিশন। একই সঙ্গে, বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখার কথাও জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ