ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

একদিনে ৩১ হাজারের বেশি স্কাইডাইভ, গড়ল নতুন বিশ্বরেকর্ড


একদিনে ৩১ হাজারের বেশি স্কাইডাইভ, গড়ল নতুন বিশ্বরেকর্ড

বিশ্ব স্কাইডাইভিং দিবস উপলক্ষে বিশ্বের ৪৩টি দেশে একদিনে ৩১ হাজারের বেশি সমন্বিত স্কাইডাইভ সম্পন্ন করে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়া হয়েছে।

একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক নথিভুক্ত স্কাইডাইভের এ রেকর্ডকে স্কাইডাইভিং ইতিহাসের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। শনিবার (১৮ জুলাই) আয়োজিত এ বৈশ্বিক কর্মসূচির আয়োজন করে ইউনাইটেড স্টেটস প্যারাস্যুট অ্যাসোসিয়েশন (ইউএসপিএ), অস্ট্রেলিয়ান প্যারাস্যুট ফেডারেশন, ব্রিটিশ স্কাইডাইভিং এবং কানাডিয়ান স্পোর্ট প্যারাস্যুটিং অ্যাসোসিয়েশন।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, একদিনে মোট ৩১ হাজার ৭৫টি স্কাইডাইভ সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে ২০২৪ সালে গড়া ৩০ হাজার ৩৫১টি স্কাইডাইভের আগের বিশ্বরেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ

এ আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞ স্কাইডাইভারদের পাশাপাশি নতুন অংশগ্রহণকারীরাও অংশ নেন। বিশেষ করে, অনেকেই জীবনে প্রথমবারের মতো প্রশিক্ষকের সঙ্গে ট্যান্ডেম স্কাইডাইভ সম্পন্ন করেন।

ইউনাইটেড স্টেটস প্যারাস্যুট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক অ্যালবার্ট বের্খটোল্ড বলেন, রেকর্ড গড়ার জন্যই তৈরি হয়, আর তা ভাঙার জন্যই নতুন চ্যালেঞ্জ আসে। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো মানুষ নির্ধারিত ড্রপ জোনে এসে এই ক্রীড়ার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন, যা অত্যন্ত আনন্দের।

তিনি আরও বলেন, নতুন এই বিশ্বরেকর্ড স্কাইডাইভিংয়ের জনপ্রিয়তা ও বিস্তারেরই প্রতিফলন। এটি যেমন নতুন অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করবে, তেমনি দীর্ঘদিন ধরে এই ক্রীড়ার সঙ্গে যুক্ত অভিজ্ঞ স্কাইডাইভারদের নিষ্ঠা ও প্রতিশ্রুতিরও স্বীকৃতি।

আয়োজকদের মতে, বিশ্ব স্কাইডাইভিং দিবসের এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল আরও বেশি মানুষকে এই রোমাঞ্চকর ক্রীড়ার সঙ্গে পরিচিত করা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্কাইডাইভিং সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য ও অংশগ্রহণ বাড়ানো।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজার ৬৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ এম


ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজার ৬৯

গত মাসে ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৬৯ জনে পৌঁছেছে। একই ঘটনায় আহত হয়েছে ১৬ হাজার ৭৪০ জন।

দেশটির জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ এই তথ্য জানিয়েছেন শুক্রবার (১৭ জুলাই)।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ করেছেন।

রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ১ লাখ ২৮ হাজার ৩২৪টি পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্রয়ের জন্য ১০৬টি অস্থায়ী শিবির স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে বর্তমানে ২১ হাজার ২৩৫ জন অবস্থান করছেন। তবে, এখনও ১৭ হাজার ৯০৭ জন স্থায়ী আবাসনের বাইরে রয়েছেন।

রদ্রিগেজ আরও উল্লেখ করেছেন, শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৮৫৬টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৯০টি ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে, ফলে অনেক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।

ভেনেজুয়েলায় গত ২৪ জুন কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর ফলে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে।

ভেনেজুয়ান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। দুর্গত এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র নিরূপণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

সূত্র: আনাদলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ১৪, জানাজার শোভাযাত্রাতেও ড্রোন হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ এম


গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ১৪, জানাজার শোভাযাত্রাতেও ড্রোন হামলা

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এই নিহতদের মধ্যে আটজন একটি জানাজার শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন। এই হামলার ফলে আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৭ জুলাই) গাজার মধ্যাঞ্চলের নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের আল-বালাতা বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে, যা গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থা এবং আল-আওদা হাসপাতালের বরাতে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আহমাদ ইয়াসিন মসজিদের বাইরে স্থানীয় বাসিন্দারা একটি জানাজার শোভাযাত্রা শুরু হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন এবং এ সময় একটি ইসরাইলি ড্রোন সেখানে হামলা চালায়। নিহত ব্যক্তিরা এর আগে একই এলাকায় পৃথক এক হামলায় নিহত এক ফিলিস্তিনির জানাজায় অংশ নিতে গিয়েছিলেন। ইসরাইলি সেনাবাহিনী হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, মধ্য গাজায় একটি 'সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে' লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল। তবে তারা জানিয়েছে, হামলায় নিরীহ মানুষ হতাহত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হামলার নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস। তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকার পরও ইসরাইল ধারাবাহিকভাবে তা লঙ্ঘন করছে এবং বেসামরিক মানুষকে হত্যা ও আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। এছাড়া, গাজার উত্তরাঞ্চলের বেইত লাহিয়া শহরে একটি স্কুলের কাছে ইসরাইলি ড্রোন থেকে ফেলা বোমায় ৫২ বছর বয়সি এক নারী নিহত হয়েছেন। মধ্য গাজার আজ-জাওয়াইদা এলাকার আরেকটি হামলায় একজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। নুসেইরাতের পশ্চিমে আল-সাওয়ারহা এলাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়স্থলে হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, গাজা সিটির একটি আবাসিক ভবনে ড্রোন হামলায় একজন নিহত এবং কয়েকজন, যার মধ্যে শিশুও রয়েছে, আহত হয়েছেন। খান ইউনিসের দক্ষিণ-পশ্চিমে ইসরাইলি গুলিতে আহত এক নারীরও মৃত্যু হয়েছে। যদিও গত অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, তবুও গাজায় প্রায় প্রতিদিনই ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। গবেষণা সংস্থা আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা জানিয়েছে, মে মাসের পর থেকে হামলার সংখ্যা বেড়ে গেছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে ৪০টির বেশি হামলা ঘটেছে, যা যুদ্ধবিরতি শুরুর পর সর্বোচ্চ। ইসরাইলি দৈনিক হারেটজ দাবি করেছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে গাজায় ২৭৪ শিশু নিহত হয়েছে, অর্থাৎ গড়ে প্রতিদিন একজন শিশুর প্রাণহানি ঘটছে। পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়ে গেছে, তবে গাজায় সহিংসতা থামার কোনো লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাবানলের ধোঁয়ার জন্য কানাডাকে দায়ী করলেন ট্রাম্প, শুল্ক বাড়ানোর হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৪ এম


দাবানলের ধোঁয়ার জন্য কানাডাকে দায়ী করলেন ট্রাম্প, শুল্ক বাড়ানোর হুঁশিয়ারি

কানাডার ভয়াবহ দাবানলের ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, এ দূষণ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের যে বিপুল ব্যয় হচ্ছে, তা কানাডার পণ্যের ওপর বিদ্যমান শুল্কের (ট্যারিফ) সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, কানাডা তাদের বনভূমির যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করছে না। ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে দূষিত, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা বাতাসের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, এটি ইচ্ছাকৃত অবহেলা। প্রতিবছর এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, যার কারণে যুক্তরাষ্ট্রকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে। এই দূষণের হিসাব কানাডার ওপর আরোপিত শুল্কের সঙ্গে যোগ করা উচিত।

কানাডার শত শত দাবানলের ধোঁয়ায় গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। পরিস্থিতির কারণে বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

ট্রাম্প জানান, তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে কথা বলবেন এবং এ ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তার সরকারের পরিকল্পনা জানতে চাইবেন।

তবে জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্পের অভিযোগের সঙ্গে একমত নন। তাদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে বনভূমি আরও শুষ্ক হয়ে পড়ছে এবং দাবানলের ঝুঁকি বাড়ছে। ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার থম্পসন রিভার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইক ফ্ল্যানিগান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গরম, শুষ্ক ও ঝোড়ো আবহাওয়া বাড়ছে, ফলে দাবানলও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এদিকে কানাডার অন্টারিও প্রদেশে চলতি বছর প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার একর বনভূমি আগুনে পুড়ে গেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি। হাজারো মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম অন্টারিওর কলিন্স ফার্স্ট নেশন সম্প্রদায়ের পুরো বসতি আগুনে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড দাবানল মোকাবিলায় ১১টি নতুন বিমান কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রেও গড়ের চেয়ে বেশি দাবানল হয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩৭ লাখ একর ভূমি পুড়ে গেছে, যা গত ১০ বছরের গড়ের তুলনায় অনেক বেশি।

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উগান্ডায় বাস দুর্ঘটনায় ২০ শিক্ষার্থীসহ প্রাণ গেল ২১ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ এম


উগান্ডায় বাস দুর্ঘটনায় ২০ শিক্ষার্থীসহ প্রাণ গেল ২১ জনের

উগান্ডার পূর্বাঞ্চলে শিক্ষাসফর শেষে ফেরার পথে ঘটে যাওয়া একটি বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২০ জনই স্কুলশিক্ষার্থী। দুর্ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় শুক্রবার উগান্ডা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাজধানী কাম্পালার কিং ডেভিড জুনিয়র স্কুলের শিক্ষার্থীরা কাপচোরওয়া জেলার সিপি ফলস এলাকায় শিক্ষাসফর শেষ করে ফিরছিলেন। পথে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে একটি বড় পাথরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এর ফলে ঘটনাস্থলেই ২০ শিক্ষার্থী ও একজন প্রাপ্তবয়স্ক নিহত হন।

দুর্ঘটনায় আহত কয়েকজন শিক্ষার্থী এবং প্রাপ্তবয়স্ককে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তের সময় পুলিশের ধারণা, চালক বাসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তবে এতে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি উপস্থিত ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

দুর্ঘটনার পর বাসটির দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া ছবি উগান্ডা পুলিশ প্রকাশ করেছে। এসব ছবি দেশটির সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতির দুর্বল দিকটি আবারও সামনে এনেছে।

পূর্ব আফ্রিকার দেশ উগান্ডায় সড়ক দুর্ঘটনাবিষয়ক একটি বড় সমস্যা রয়েছে। অপর্যাপ্ত সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন এবং অতিরিক্ত গতির কারণে প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে।

গত বছরের অক্টোবরে দেশটির একটি মহাসড়কে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪৬ জন নিহত হয়েছিলেন। আর ২০২৪ সালের সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ওই বছর উগান্ডায় ৪ হাজার ৪৩৪টি প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ হাজার ১৪৪ জনের মৃত্যু ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%