রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৮ পি.এম
বরিশাল মহানগর বিএনপি প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছে, যা পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশের অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে, নগরীর সদর রোডে টাউন হল সংলগ্ন জেলা ও মহানগর বিএনপি কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে মহানগর বিএনপি একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশালের নগর প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুখ এবং সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এরপর, নেতৃবৃন্দ সহ মহানগর বিএনপি’র একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
থানা পুলিশ খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেনকে আটক করেছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে পৌরসভার সরল গ্রামের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাড়ির এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ২০২৪ সালের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন উপজেলার গদাইপুর গ্রামের মৃত কাজী আব্দুল আজিজের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পাইকগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
পাইকগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মঞ্জুর আলম জানান, শনিবার দিবাগত রাতে কাজী জাহাঙ্গীর হোসেনকে আটক করা হয়েছে। মামলার আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার তাকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তরপ্রদেশের লখনৌতে একটি হিন্দু জাগরণ অনুষ্ঠানের সময় 'জয় শ্রী রাম' স্লোগান দিতে অস্বীকার করায় ১২ বছর বয়সী মুসলিম কিশোর এবং তার চাচার ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ উঠেছে। ২১ সেপ্টেম্বর রাতে লখনৌর চক এলাকার থানাধীন বড়ি কালী মন্দিরের নিকটবর্তী স্থানে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবারটি ওই এলাকার ১,০০০-১,২০০টি হিন্দু পরিবারের মধ্যে একমাত্র মুসলিম পরিবার হিসেবে বসবাস করে আসছে। ঘটনার রাতে ব্যবসায়ী মো. সুফিয়ান, যিনি ৩৩ বছর বয়সী, এবং তার ভাতিজা উভয়ই মাথায় গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হন। সুফিয়ানের মাথায় আটটি সেলাই দিতে হয়েছে।
সুফিয়ান জানান, ঘটনার রাতে তার ১২ বছরের ভাতিজা ঘরের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র (চা-পাতা ও চিনি) কিনতে বের হয়। পথে কিছু পরিচিত হিন্দু যুবক তাকে থামিয়ে প্রথমে সিগারেট আনতে বলে, কিন্তু সে রাজি না হলে তাকে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে চাপ দেওয়া হয়। পুনরায় অস্বীকার করার পর তারা তাকে মারধর করে এবং একটি লোহার বালা (কড়া) দিয়ে মাথায় আঘাত করে।
কিশোরটি রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়িতে পালিয়ে গেলে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ জনের একটি উন্মত্ত জনতা তাদের বাড়ি এবং সংলগ্ন একটি মসজিদে পাথর নিক্ষেপ শুরু করে। বারান্দায় থাকা সুফিয়ানের বোনও পাথরের আঘাতে আহত হন। খবর পেয়ে সুফিয়ান তড়িঘড়ি করে বাড়ি ফিরলে জনতা তাকে ঘিরে ধরে মাটিতে ফেলে লাথি মেরে গুরুতর জখম করে।
সুফিয়ানের অভিযোগের ভিত্তিতে চক থানা পুলিশ আশু, বিকাশ, আশিশ, আনন্দ ও মোহিত নামে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং ২০০-৩০০ জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-এর বিভিন্ন ধারায় (দাঙ্গা, আঘাত, অপরাধমূলক হুমকি ও হামলা) মামলা রুজু করেছে।
তবে পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ অভিযুক্তদের বাঁচাতে শিথিল ও হালকা ধারা প্রয়োগ করেছে, অথচ এটি একটি স্পষ্ট পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা ছিল। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি, বরং আহত অবস্থায় সুফিয়ানকেই জবানবন্দি দিতে বারবার থানায় ডাকছে বলে অভিযোগ করা হয়।
পরিবারটি জানায়, ওই এলাকায় বসবাসকারী বিপুলসংখ্যক হিন্দু প্রতিবেশীদের সঙ্গে এতদিন তাদের শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তবে সম্প্রতি তাদের পরিবার কর্তৃক পরিচালিত ১৯২০ সালের একটি পুরোনো মসজিদকে কেন্দ্র করে কিছু বহিরাগত দাবি তোলে যে এটি মন্দিরের জমিতে নির্মিত। সুফিয়ানের মতে, সেই পুরোনো ক্ষোভের জের ধরেও এমন হামলা হয়ে থাকতে পারে।
ঘটনায় গভীর আতঙ্ক প্রকাশ করে সুফিয়ান বলেন, "শারীরিক আঘাতের চেয়ে বেশি কষ্ট লেগেছে এটা দেখে যে, যাদের সঙ্গে বহু বছর ধরে একসঙ্গে বড় হয়েছি, তারাই রাতারাতি শত্রু হয়ে গেল। হামলায় সময় পরিচিত প্রতিবেশী দের কেউ আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেনি।"
২৪ সেপ্টেম্বর ‘অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন’ (এআইএমআইএম)-এর একটি প্রতিনিধিদল ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে দেখা করে এবং ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের শাস্তি ও পরিবারটিকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়ার দাবি জানায়। পেশায় আগরবাতি ও আতর বিক্রেতা সুফিয়ান বর্তমানে শারীরিক আঘাত ও আতঙ্কের কারণে কাজে যেতে পারছেন না, ফলে অনিশ্চয়তায় পড়েছে তার জীবিকাও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আগামী ছয় মাসের জন্য গঠন করা হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ১১ সদস্যের আংশিক কমিটি।
শনিবার রাতে গোপালগঞ্জ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক বাঁধন মিয়া, সদস্য সচিব ফেরদৌস আমিনা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল মোল্লা শুভ এই কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।
এই কমিটিতে শাহিদ আলমকে আহ্বায়ক হিসেবে এবং সোহেল সরদারকে সদস্য সচিব হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।
গোপালগঞ্জ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক বাঁধন মিয়া জানান, "আগামী ছয় মাসের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির টুঙ্গিপাড়া উপজেলা শাখার আংশিক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, শুধুমাত্র টুঙ্গিপাড়া নয়, জাতীয় নাগরিক পার্টিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গোপালগঞ্জের অন্যান্য চারটি উপজেলাতেও কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ