ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

লখনৌতে একটি বাড়িতে নৃ-শং-স হা-ম-লার অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এলাকায় এই ঘটনায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনা তদন্ত করছে বলে জানা গেছে


লখনৌতে একটি বাড়িতে নৃ-শং-স হা-ম-লার অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এলাকায় এই ঘটনায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনা তদন্ত করছে বলে জানা গেছে

উত্তরপ্রদেশের লখনৌতে একটি হিন্দু জাগরণ অনুষ্ঠানের সময় 'জয় শ্রী রাম' স্লোগান দিতে অস্বীকার করায় ১২ বছর বয়সী মুসলিম কিশোর এবং তার চাচার ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ উঠেছে। ২১ সেপ্টেম্বর রাতে লখনৌর চক এলাকার থানাধীন বড়ি কালী মন্দিরের নিকটবর্তী স্থানে এই ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবারটি ওই এলাকার ১,০০০-১,২০০টি হিন্দু পরিবারের মধ্যে একমাত্র মুসলিম পরিবার হিসেবে বসবাস করে আসছে। ঘটনার রাতে ব্যবসায়ী মো. সুফিয়ান, যিনি ৩৩ বছর বয়সী, এবং তার ভাতিজা উভয়ই মাথায় গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হন। সুফিয়ানের মাথায় আটটি সেলাই দিতে হয়েছে।

সুফিয়ান জানান, ঘটনার রাতে তার ১২ বছরের ভাতিজা ঘরের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র (চা-পাতা ও চিনি) কিনতে বের হয়। পথে কিছু পরিচিত হিন্দু যুবক তাকে থামিয়ে প্রথমে সিগারেট আনতে বলে, কিন্তু সে রাজি না হলে তাকে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে চাপ দেওয়া হয়। পুনরায় অস্বীকার করার পর তারা তাকে মারধর করে এবং একটি লোহার বালা (কড়া) দিয়ে মাথায় আঘাত করে।

আরও পড়ুন: মিসিসিপির সিনেট নির্বাচনে উত্তেজনা এখনও বাকি

কিশোরটি রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়িতে পালিয়ে গেলে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ জনের একটি উন্মত্ত জনতা তাদের বাড়ি এবং সংলগ্ন একটি মসজিদে পাথর নিক্ষেপ শুরু করে। বারান্দায় থাকা সুফিয়ানের বোনও পাথরের আঘাতে আহত হন। খবর পেয়ে সুফিয়ান তড়িঘড়ি করে বাড়ি ফিরলে জনতা তাকে ঘিরে ধরে মাটিতে ফেলে লাথি মেরে গুরুতর জখম করে।

সুফিয়ানের অভিযোগের ভিত্তিতে চক থানা পুলিশ আশু, বিকাশ, আশিশ, আনন্দ ও মোহিত নামে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং ২০০-৩০০ জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-এর বিভিন্ন ধারায় (দাঙ্গা, আঘাত, অপরাধমূলক হুমকি ও হামলা) মামলা রুজু করেছে।

তবে পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ অভিযুক্তদের বাঁচাতে শিথিল ও হালকা ধারা প্রয়োগ করেছে, অথচ এটি একটি স্পষ্ট পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা ছিল। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি, বরং আহত অবস্থায় সুফিয়ানকেই জবানবন্দি দিতে বারবার থানায় ডাকছে বলে অভিযোগ করা হয়।

পরিবারটি জানায়, ওই এলাকায় বসবাসকারী বিপুলসংখ্যক হিন্দু প্রতিবেশীদের সঙ্গে এতদিন তাদের শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তবে সম্প্রতি তাদের পরিবার কর্তৃক পরিচালিত ১৯২০ সালের একটি পুরোনো মসজিদকে কেন্দ্র করে কিছু বহিরাগত দাবি তোলে যে এটি মন্দিরের জমিতে নির্মিত। সুফিয়ানের মতে, সেই পুরোনো ক্ষোভের জের ধরেও এমন হামলা হয়ে থাকতে পারে।

আরও পড়ুন: তুরস্কের আফিয়নকারাহিসারে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৮, আহত ১

ঘটনায় গভীর আতঙ্ক প্রকাশ করে সুফিয়ান বলেন, "শারীরিক আঘাতের চেয়ে বেশি কষ্ট লেগেছে এটা দেখে যে, যাদের সঙ্গে বহু বছর ধরে একসঙ্গে বড় হয়েছি, তারাই রাতারাতি শত্রু হয়ে গেল। হামলায় সময় পরিচিত প্রতিবেশী দের কেউ আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেনি।"

২৪ সেপ্টেম্বর ‘অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন’ (এআইএমআইএম)-এর একটি প্রতিনিধিদল ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে দেখা করে এবং ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের শাস্তি ও পরিবারটিকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়ার দাবি জানায়। পেশায় আগরবাতি ও আতর বিক্রেতা সুফিয়ান বর্তমানে শারীরিক আঘাত ও আতঙ্কের কারণে কাজে যেতে পারছেন না, ফলে অনিশ্চয়তায় পড়েছে তার জীবিকাও।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টুঙ্গিপাড়ায় এনসিপির ১১ সদস্যের আংশিক কমিটি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


টুঙ্গিপাড়ায় এনসিপির ১১ সদস্যের আংশিক কমিটি গঠন

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আগামী ছয় মাসের জন্য গঠন করা হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ১১ সদস্যের আংশিক কমিটি।

শনিবার রাতে গোপালগঞ্জ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক বাঁধন মিয়া, সদস্য সচিব ফেরদৌস আমিনা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল মোল্লা শুভ এই কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।

এই কমিটিতে শাহিদ আলমকে আহ্বায়ক হিসেবে এবং সোহেল সরদারকে সদস্য সচিব হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক বাঁধন মিয়া জানান, "আগামী ছয় মাসের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির টুঙ্গিপাড়া উপজেলা শাখার আংশিক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, শুধুমাত্র টুঙ্গিপাড়া নয়, জাতীয় নাগরিক পার্টিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গোপালগঞ্জের অন্যান্য চারটি উপজেলাতেও কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
জলমহাল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ

কিশোরগঞ্জে ছাত্রদল নেতার হাতে চাইনিজ কুড়াল, ভিডিও ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


কিশোরগঞ্জে ছাত্রদল নেতার হাতে চাইনিজ কুড়াল, ভিডিও ভাইরাল

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে জলমহালের নিয়ন্ত্রণ এবং মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ তাওকিরের হাতে চাইনিজ কুড়াল থাকা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওটি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের আখড়া বাজার এলাকায় বিলমাকসা জলমহালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম শাহিনের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সংঘর্ষের সময় ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদের ছেলে ও উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ তাওকির ঘটনাস্থলে চাইনিজ কুড়াল হাতে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

সৈয়দ তাওকির কুড়াল হাতে থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেননি। তিনি বলেছেন, "সংঘর্ষ থামানোর জন্য অন্য একজনের হাত থেকে কুড়ালটি কেড়ে নিয়েছিলাম। কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে আমি কুড়ালটি হাতে নিইনি।"

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাফিউল ইসলাম নওশাদ জানিয়েছেন, বিষয়টি তিনি এখনো জানেন না। বিষয়টি জানার পর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে জলমহালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় সৈয়দ তাওকিরের বাবা ও অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদকে শোকজ করেছে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী নগরীতে জুয়াড়ি, হেরোইন, ইয়াবা, গাঁজা ও নগদ অর্থ সহ গ্রেফতার ২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


রাজশাহী নগরীতে জুয়াড়ি,  হেরোইন, ইয়াবা, গাঁজা ও নগদ অর্থ সহ গ্রেফতার ২৫

রাজশাহী নগরীতে অনলাইন জুয়া ও পৃথক অভিযানে ২৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুজন, মাদকসংক্রান্ত ঘটনায় ১০ জন এবং বিভিন্ন মামলায় আরও ১৩ জন রয়েছেন। অভিযানে হেরোইন, ইয়াবা, গাঁজা, ফেয়ারডিল সিরাপ, চোলাইমদ, অনলাইন জুয়ায় ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে।
রবিবার দুপুরে নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, শনিবার রাতে বোয়ালিয়ার হাদির মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাজু (৩৭) ও সানাউল্লাহ (৩০)কে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন ও ৯৮০ টাকা জব্দ করা হয়। ফোন দুটিতে মোট ১৩টি অনলাইন জুয়া ও বেটিং অ্যাপ পাওয়া যায়।
একই দিন মতিহার থানার চরশ্যামপুর এলাকায় অভিযানে ডিটল (৪৮), শাহজামাল (৫৪) ও মাইনুলকে (৪৭) গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে এবং এক পলাতক ব্যক্তির ফেলে যাওয়া ৩৮ গ্রাম গাঁজা ও ১ হাজার ৪৬৫ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে হাদির মোড় এলাকায় গাঁজা সেবনের অভিযোগে হালিম আলী (৪০) ও শহিদুল ইসলামকে (৩৮) গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে কাশিয়াডাঙ্গা থেকে দুই নারীকে হেরোইন ও ইয়াবাসহ, কাটাখালী থেকে একজনকে ফেয়ারডিল সিরাপসহ, চন্দ্রিমা থেকে একজনকে গাঁজা, চোলাইমদ ও নগদ টাকাসহ এবং কাশিয়াডাঙ্গা থেকে আরও একজনকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা হয়েছে। এ ছাড়া মহানগরীর বিভিন্ন থানা ও ডিবি পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত দুইজন, মাদক মামলায় সাতজন ও অন্যান্য মামলায় চারজনসহ আরও ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে পৃথক অভিযানে ২৫ জন গ্রেফতার করা হয়েছেন।
রবিবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।#

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যায় আসামিকে আইনজীবী সমিতির সহায়তা নয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪২ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যায় আসামিকে আইনজীবী সমিতির সহায়তা নয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৭ বছরের শিশু মাহিদা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া তার চাচা জাহিদুল ইসলামের (২০) পক্ষে কোনো আইনি সহায়তা প্রদান না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা আইনজীবী সমিতি।

রোববার দুপুরে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ মফিজুর রহমান বাবুল এ বিষয়ে কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, "ইতোপূর্বেও এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার আসামির পাশে আইনজীবীরা দাঁড়াননি। শিশু মাহিদাকে ধর্ষণ ও হত্যার মতো নৃশংস ঘটনার আসামির পক্ষে দাঁড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। আমাদের কোনো আইনজীবী আসামি জাহিদুল ইসলামের পক্ষে দাঁড়িয়ে তাকে আইনি সহায়তা দেবেন না। বরং মাহিদার ধর্ষণ ও হত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে সব আইনজীবী কাজ করবেন।"

এর আগে নিহত শিশু মাহিদার মা মনিরা আক্তারসহ পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় গ্রামবাসী জেলা আইনজীবী সমিতিতে গিয়ে ঘাতক জাহিদুলের পক্ষে মামলা পরিচালনা না করার জন্য লিখিত অনুরোধ জানান। পরে মাহিদার স্বজন ও বিক্ষোভকারীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালত চত্বরের বিভিন্ন স্থানে আসামি জাহিদুলের ফাঁসির দাবিতে স্লোগান দেন।

এদিকে, মাহিদাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় গ্রেফতার জাহিদুল ইসলাম ১৬৪ ধারায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ৫ম আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে জাহিদুল স্বীকার করেন, তিনি মাহিদাকে ধর্ষণের পর বালিশচাপা দিয়ে ও গলা টিপে হত্যা করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের পরিদর্শক মো. হাবিবুল্লাহ সরকার জানান, ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি শেষে জাহিদুল ইসলামকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করেছেন।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার দুপুরে জাহিদুল মাহিদাকে পানি খাওয়ানোর কথা বলে একটি বসতঘরে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয় বলে মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে। পরে মাহিদার মা মনিরা বেগম মেয়ের খোঁজ না পেয়ে সন্দেহবশত জাহিদুলের ঘরে প্রবেশ করে মেয়েকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে মাহিদাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন জাহিদুলকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%