রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০৪ পি.এম
দেশের অন্যতম কুরিয়ার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্টেডফাস্ট নতুন ব্র্যান্ড পরিচিতি উন্মোচন করেছে। ১৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের সেবার মান আরো সমৃদ্ধ ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন লোগো উন্মোচন করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্টেডফাস্টের নতুন ব্র্যান্ড পরিচিতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এম রিদওয়ানুল বারী জিয়ন। পরে ই-কমার্স উদ্যোক্তা, মার্চেন্ট ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নতুন লোগো উন্মোচন করেন স্টেডফাস্টের চেয়ারম্যান জোয়াইরিয়া মোস্তারি। নতুন ব্র্যান্ড পরিচিতির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট, মার্চেন্ট অ্যাপ ও গ্রাহক অ্যাপের নতুন সংস্করণও উন্মুক্ত করা হচ্ছে।
স্টেডফাস্টের নতুন লোগোর কেন্দ্রে রয়েছে ‘ঘুড়ি’। প্রতিষ্ঠানের ভাষ্য, ঘুড়ি আকাশে উড়লেও এর সুতো থাকে হাতে। একইভাবে মার্চেন্টের পণ্য দেশের যে প্রান্তেই পৌঁছাক, এর নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োজনীয় তথ্য মার্চেন্টের হাতেই থাকবে— এই ধারণা থেকেই নতুন ব্র্যান্ড ট্যাগলাইন নির্ধারণ করা হয়েছে ‘আস্থার ঘুড়ি, আপনার হাতে’। তবে প্রতিষ্ঠানের পুরোনো স্লোগান ‘সবার আগে, সবখানে’ অপরিবর্তিত থাকছে।
স্টেডফাস্ট জানিয়েছে, নতুন পরিচিতির সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য ডিজিটাল অটোমেশন বাড়ানো, পার্সেলের ট্রেসেবিলিটি উন্নত করা, দেশজুড়ে কাভারেজ বাড়ানো, দ্রুত ও নিরাপদে পার্সেল পৌঁছে দেওয়া এবং পেমেন্ট প্রক্রিয়াকে আরও ডিজিটাল করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
বর্তমানে তিন লাখের বেশি ই-কমার্স উদ্যোক্তা ডেলিভারি সেবার জন্য স্টেডফাস্টের ওপর নির্ভর করছেন। কয়েক হাজার ডেলিভারি রাইডার দেশের বিভিন্ন এলাকায় সেবা দিচ্ছেন। দেশের প্রতিটি ইউনিয়নসহ প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকায় হোম ডেলিভারি সেবা দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের উদ্যোক্তারাও সারা দেশে পণ্য পাঠানোর সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি ক্রস-বর্ডার ই-কমার্সের ক্ষেত্রেও কাজ করছে, যার মাধ্যমে উদ্যোক্তারা দেশের বাইরে বিভিন্ন দেশে পণ্য পাঠাতে পারছেন।
ব্র্যান্ড পরিচিতি পরিবর্তন হলেও মার্চেন্টদের জন্য বিদ্যমান সেবার শর্তগুলো অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে স্টেডফাস্ট। এর মধ্যে ডেলিভারি চার্জ, পরের দিনের পেমেন্ট, রাইডার সেবা ও কাভারেজ আগের মতোই থাকবে।
অনুষ্ঠানে স্টেডফাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এম রিদওয়ানুল বারী জিয়ন বলেন, ‘দশ বছর আগে আমরা কয়েকজন মিলে শুরু করেছিলাম। আজ দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে আমাদের রাইডাররা পৌঁছে যাচ্ছেন। আমাদের কাজটা বদলায়নি, কিন্তু আমাদের সামর্থ্য বদলেছে। আজকের স্টেডফাস্ট শুধু দ্রুত নয়, প্রযুক্তিনির্ভর। নতুন লোগো সেই পরিবর্তনকেই স্বীকৃতি দিল।‘
স্টেডফাস্টের চেয়ারম্যান জোয়াইরিয়া মোস্তারি বলেন, ‘ঘুড়িটা আমাদের, সুতো আর নাটাইটা আমাদের মার্চেন্টদের। আগামী দিনে প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও মানুষে বিনিয়োগ করে আমরা সেই আস্থার জায়গাটা আরও শক্ত করতে চাই।’
অনুষ্ঠানে স্টেডফাস্টের দশ বছরের পথচলা নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যে কাজটিকে আপনি আপনার স্বপ্নের গন্তব্য হিসেবে মনে করেন না, সেখানে হয়তো গ্ল্যামার বা জাঁকজমক নেই। তবে নিজের পথ বেছে নিয়ে যেকোনো কাজ করার মধ্যে একটি শক্তি ও মর্যাদা নিহিত রয়েছে।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন একটি ভিডিও ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। কেএফসিতে কর্মরত এক তরুণী ভিডিওতে কাজের ফাঁকে বার্গার খাচ্ছেন। সেই ফুটেজের ওপর একটি ছোট কিন্তু শক্তিশালী বার্তা ভেসে উঠছে: ‘স্বপ্নের কাজ না পাওয়া পর্যন্ত যেকোনো কাজই শুরু করে দিন। মনে রাখবেন, অহংকার কখনো আপনার ব্যাংক বিল বা খরচ মেটাবে না।’
নিজের অ্যাকাউন্টে এই বার্তার মাধ্যমে তিনি কম বয়সী তরুণীদের স্বাবলম্বী হতে, নিজের উপার্জনে দাঁড়াতে এবং সৎ কোনো কাজ করতে লজ্জা না পাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। সত্যি বলতে, তার এই একটি বাক্যই অনেক কিছু বোঝাতে সক্ষম।
ভিডিওটি এমন কোনো ভান করছে না যে, প্রতিটি মানুষের স্বপ্নই কোনো ফাস্টফুড কাউন্টারের পেছনে কাজ করা। বরং এটি একটি সহজ সত্যকে সামনে এনেছে—কখনো কখনো আপনার এখনই অর্থের প্রয়োজন হতে পারে, এবং আপনার কাঙ্ক্ষিত ‘স্বপ্নের ক্যারিয়ার’ হয়তো কিছু সময় পরেই শুরু হতে পারে।
নিখুঁত ও সেরা সুযোগের অপেক্ষায় বসে না থেকে, হাতের কাছে থাকা কাজটিতে যোগ দেওয়াটা অনেক বুদ্ধিমানের কাজ। এতে অন্তত দৈনন্দিন খরচ চলে, নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি হয় এবং নিজের কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছানোর লড়াইয়ে আপনি এক ধাপ এগিয়ে থাকেন।
তরুণীর এই বার্তাটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের হৃদয়ে গভীরভাবে সাড়া ফেলেছে। ভিডিওর কমেন্ট বক্সে শুভেচ্ছা ও প্রশংসার জোয়ার ভেসে যাচ্ছে।
একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘একদম ঠিক বলেছ রানি! সবাইকে কথাটা শুনিয়ে দাও।’ আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ইদানিং শোনা সবচেয়ে খাঁটি কথা এটা।’ অনেকেই তাকে ভালোবাসার ইমোজি দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছেন, আবার কেউ কেউ বলেছেন—তিনি ইতোমধ্যেই একজন সফল নারী হয়ে ওঠার পথ তৈরি করে ফেলেছেন। আরও একজন লিখেছেন, ‘তোমাকে নিয়ে আমরা ভীষণ গর্বিত!’
দর্শকদের এই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে, সমাজের চোখ এখন কতটা বদলাচ্ছে। যেসব কাজকে একসময় অস্থায়ী বা কারও মেধার তুলনায় ‘ছোট’ বলে তুচ্ছ করা হতো, সেগুলোকে মানুষ এখন ভিন্ন নজরে দেখতে শুরু করেছে। কারণ, সততার সঙ্গে নিজের রুটি-রুজি উপার্জনের মধ্যে কোনো লজ্জা বা অপমান থাকতে পারে না।
বরং কখনো কখনো...
এটি কেবল সেই সাধারণ একটি কাজ, যা আপনার কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছানোর ভ্রমণের খরচ জুগিয়ে যাচ্ছে।
আর ঠিক যেমনটি সেই তরুণীর ভিডিওতে বলা হয়েছে—অহংকার কখনো আপনার ব্যাংক বিল পরিশোধ করবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সিগারেট, ওষুধ এবং মোবাইল ফোনসহ ১১টি খাতের জন্য অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার নির্দেশনা জারি করেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এনবিআরের ভ্যাট অনুবিভাগ শাখা থেকে এই আদেশটি প্রকাশিত হয়েছে।
অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য বাধ্যতামূলক খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে- সিগারেট, মোবাইল ফোন, এমএস পণ্য, ওষুধ, পানীয়, সিমেন্ট, টাইলস, রং ও বার্নিশ, বীমা, ব্যাংকিং ও নন-ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী খাত এবং মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী খাত।
এ বিষয়ে এনবিআরের জারি করা আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৬৪ এর উপধারা (৫) এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধি ১১৮(ক) এর অধীনে উল্লিখিত খাতগুলোর উৎপাদনকারীদের এবং সেবা খাতের সরবরাহকারীদের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-ভ্যাট পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে দাখিলপত্র প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
যদি কোনো নিবন্ধিত ব্যক্তি উপরোল্লিখিত পণ্য বা সেবার পাশাপাশি অন্য কোনো পণ্য বা সেবা সরবরাহের কার্যক্রমে জড়িত হন, তবে এই আদেশ তার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
আদেশে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পূর্বে জারি করা অনলাইনে দাখিলপত্র পেশ বাধ্যতামূলক সংক্রান্ত আদেশগুলো এই নতুন আদেশ জারির পর বাতিল বলে গণ্য হবে। এছাড়া, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এই আদেশে উল্লেখিত খাতগুলোর তালিকায় যেকোনো সময় পরিবর্তন করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের নারী দল এশিয়ান গেমসে হকি ইভেন্টে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করছে। তবে তাদের অভিষেকটি সুখকর হয়নি। পুল ‘এ’তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ চারবারের এশিয়ান গেমসের স্বর্ণজয়ী চীনের কাছে ১৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জাপানের কাওয়াসাকি জুকো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে চীন গোলের খাতা খুলে দেয়। এরপর পুরো ম্যাচ জুড়ে চীনের গোলের বন্যা অব্যাহত থাকে। ৫৭তম মিনিটে চীনের শেষ গোলটি আসে।
চীন প্রথম ও তৃতীয় কোয়ার্টারে চারটি করে গোল করে, দ্বিতীয় কোয়ার্টারে তিনটি এবং শেষ কোয়ার্টারে আরও দুটি গোল করে।
ঝং জিয়াকি চীনের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি গোল করেন। জৌ মেইরং, চেন ইয়াং ও চেন ই দুটি করে গোল করেন। এছাড়া লি হং, মা নিং, ঝ্যাং ইয়াং ও ইয়ান লুই একটি করে গোল করেন।
এশিয়ান গেমসে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে খেলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের সকল শ্রেণি-পেশার নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, কর আইনজীবীসহ পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে এগিয়ে আসার জন্য।
রাষ্ট্রপতি মন্তব্য করেন, "আজকাল সমাজে অপরাধ প্রবণতা খুব বেড়ে গেছে, কারণ নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।" তিনি উল্লেখ করেন, শিশু হত্যার মতো ঘটনার উদাহরণ দিয়ে বলেন, "এটা খুবই দুঃখজনক যে, গোটা একটা পরিবার ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।" রাষ্ট্রপতি বলেন, "দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সমাজের প্রত্যেকটা মানুষকে এসকল অপরাধকে প্রতিরোধ এবং নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ রক্ষায় সোচ্চার হতে হবে।"
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঢাকা ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ ট্যাক্স ল’ইয়ার্স এসোসিয়েশনের ২৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, "দীর্ঘদিন পরে দেশ পুনরায় গণতন্ত্রের ধারায় ফিরে এসেছে। নাগরিক হিসেবে আমাদের সকলের দায়িত্ব এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাটাকে রক্ষা করা।" তিনি সতর্ক করে বলেন, "আমরা যেন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা থেকে আবার সরে না যাই।"
তিনি যোগ করেন, "ব্যক্তিনির্ভর শাসন কাঠামো থেকে সরে এসে একটি টেকসই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নির্বাচিত সরকারকে সময় দিতে হবে।"
সাক্ষাৎকালে ঢাকা ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন খান রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন, বার এসোসিয়েশনের নিজস্ব ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে জমি বরাদ্দের জন্য।
সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল মতিন দেশের কর আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ, সমস্যা ও সুবিধাদি দেখার জন্য ট্যাক্সেস বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
প্রতিনিধিদলের সদস্য বাংলাদেশ ট্যাক্স ল’ইয়ার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি রমিজউদ্দিন আহমেদ রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান, দেশের ৪২ হাজার কর আইনজীবীর পক্ষ থেকে। তিনি রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন, কর আইনজীবীদের ফোরামকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী করতে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, "দেশের রাজস্ব আহরণে কর আইনজীবীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি বলেন, "এ সময় যারা আয়কর দেওয়ার যোগ্য তারা যেন আয়কর দেন তা নিশ্চিত করতে হবে।" রাষ্ট্রপতি কর আইনজীবীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ