০৮:২৯ এম
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মনে হচ্ছে শনিবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষের ম্যাচে নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড বলেছেন, এই ম্যাচের সমস্ত চাপই ইংল্যান্ডের ওপর। হাস্যরসের মাধ্যমে তিনি সংবাদমাধ্যমকে আহ্বান জানিয়েছেন, থমাস টুখেলের দলের ওপর যতটা সম্ভব চাপ তৈরি করতে। ১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করছে নরওয়ে। তারা গ্রুপ ‘আই’-এ দ্বিতীয় হয়ে নকআউট পর্বে গিয়েছে এবং ঐতিহাসিকভাবে প্রথমবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে আইভরি কোস্ট এবং ব্রাজিলকে হারিয়ে। অন্যদিকে, ইংল্যান্ড টানা তিনটি পুরুষ বিশ্বকাপেই অন্তত কোয়ার্টার ফাইনালে পার করেছে। ১৯৬৬ সালে একমাত্র শিরোপা জয়ের পর তারা আর কখনো ফাইনালে উঠতে পারে নি। সব চাপ কি ইংল্যান্ডের ওপর—এমন প্রশ্নের জবাবে ম্যানচেস্টার সিটির এই স্ট্রাইকার বলেন, “হ্যাঁ, অবশ্যই। এই টুর্নামেন্টে কয়েকটি দল পরিষ্কারভাবে ফেভারিট, ইংল্যান্ড তাদের একটি।” সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, “আপনারা সবাই ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের ওপর যতটা সম্ভব চাপ দিন। তাদের সমর্থকদের পরের পর্বে ওঠার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হওয়াই স্বাভাবিক। কারণ, এটা ইংল্যান্ড।” ২৫ বছর বয়সী হালান্ড নরওয়ের হয়ে টানা ১৪টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করেছেন। শনিবার মায়ামিতে (বাংলাদেশ সময় রাত ৩টা) জন্মভূমি ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান তিনি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি তার জন্য বিশেষও। লিডসে জন্ম নেওয়া এই ফরোয়ার্ডের বাবা আলফ-ইঙ্গে হাল্যান্ড তখন ইংলিশ ক্লাব ফুটবলে খেলতেন। গত বছর টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, নরওয়ের বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ‘শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ’। তবে চার ম্যাচে তার সাত গোল—যার মধ্যে শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোলও রয়েছে—নরওয়েকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছে। হালান্ড বলেন, ‘আমি এটা আশা করিনি। সত্যি বলতে, নরওয়েকে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে দেখতে পেয়ে আমিও বিস্মিত।’ ব্রাজিলকে হারানোর স্মৃতি মনে করে তিনি বলেন, ‘ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলাটাই আমাদের নরওয়েজিয়ানদের জন্য এক ধরনের পাগলামি ছিল। আর তাদের হারানোর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়া সত্যিই বিশেষ কিছু।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন