ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘বেগুন ভর্তা’ খাওয়ার পর ৩ বোনের রহস্যজনক মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ


‘বেগুন ভর্তা’ খাওয়ার পর ৩ বোনের রহস্যজনক মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

ভারতের মধ্যপ্রদেশের ছাতারপুর জেলায় তিন নাবালিকা বোনের রহস্যজনক মৃত্যু ঘটেছে। পুলিশকে অবহিত না করে তারা তড়িঘড়ি করে মরদেহগুলোকে দাফন করার পর ঘটনাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন কাজ শুরু করেছে।

নিহত শিশুদের আসল মৃত্যুর কারণ উন্মোচনের জন্য তাদের মরদেহ কবর থেকে তোলা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। খবরটি এনডিটিভির।

শনিবার (২২ আগস্ট) জেলার ঈশানগর থানা এলাকার পিপোরা খুর্দ গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত তিন শিশু ঐ গ্রামের বাসিন্দা বালমুকুন্দ কুশওয়াহার কন্যা।

আরও পড়ুন: ট্রাম্প: ইউক্রেনকে বিপুল সহায়তা দিয়েও কিছু পায়নি যুক্তরাষ্ট্র

তাদের নাম হলো- পুনম (৭), মনীষা (৩) এবং নয় মাস বয়সী শিশু চাহত।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতের খাওয়ার আগে ওই তিন শিশু বেগুন ভর্তা ও রুটি খেয়েছিল। তবে এই খাবারের সাথে মৃত্যুর সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।

পুলিশ এবং স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শিশুদের মৃত্যুর পর তাদের পরিবারের স্বজনেরা পুলিশকে অবহিত না করে এবং ময়নাতদন্ত ছাড়াই অবশ্যই গোপনে মৃতদেহগুলো দাফন করে দেয়।

পরে যখন বিষয়টি স্থানীয় পুলিশ ও চিকিৎসকদের কাছে পৌঁছায়, তারা একটি দল নিয়ে গ্রামে গিয়ে দাফনের স্থান পরিদর্শন করে।

আরও পড়ুন: ভারতীয় পর্যটকেরা বলছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে পূজার পরিবেশ ভালো: রিজভী

ছাতারপুরের মুখ্য চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (সিএমও) আর পি গুপ্তা বার্তা সংস্থা আইএএনএসকে জানিয়েছেন, ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে তিনি পূর্ণ দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পাশাপাশি পুলিশের সাথে রাজস্ব বিভাগ এবং ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির (এফএসএল) দলকেও খবর দেওয়া হয়।

তিনি আরো জানিয়েছেন, ঠিক কোন পরিস্থিতিতে এবং কী কারণে শিশুদের মৃত্যু হয়েছে, তা বের করতে কাজ করছে বিভিন্ন টিম। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং কবর থেকে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ তুলে পাঠানো হবে।

ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ পরিষ্কার হয়ে যাবে।

মৃত্যুর আগে এবং পরে ঘটনাগুলো সম্পর্কে জানতে পরিবারটির সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন কর্মকর্তারা। পাশাপাশি আলামত সংগ্রহের জন্য ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের নিয়োজিত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত এবং ফরেনসিক রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ভোটের পাঁচ দিন আগে বাইশিমাস নির্বাচন স্থগিত, প্রার্থীদের প্রতিবাদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণজয়ী সিফাতকে সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৩৬ পি.এম


সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণজয়ী সিফাতকে সংবর্ধনা

দশম সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে জুনিয়র ৭৬ কেজি কুমিতে ইভেন্টে স্বর্ণ জিতেছেন মুন্সীগঞ্জের কৃতী কারাতেকার সিফাত হোসেন। অসাধারণ এই অর্জনে তাকে জেলা ক্রীড়া সংস্থা ফুলেল সংবর্ধনা দিয়েছে।

রবিবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সিফাতের হাতে ফুল ও উপহার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি সৈয়দা নুরমহল আশ্রাফী এবং মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান উপস্থিত থেকে তাকে অভিনন্দন জানান।

এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক এ. কে. এম. ইরাদত এবং জেলা ক্রীড়া অফিসার খাদিজা পারভিনসহ সংশ্লিষ্টরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা সিফাতের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি আরও সাফল্য আনবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে তার খেলার বিকাশে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেয় জেলা ক্রীড়া সংস্থা।

সিফাত হোসেনের সাফল্যে মুন্সীগঞ্জের ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দ ও উৎসবের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। এই অর্জন জেলার তরুণ অ্যাথলেটদের অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় গৃহবধূ হত্যা, শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৩৮ পি.এম


কুমিল্লায় গৃহবধূ হত্যা, শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ছুপুয়া গ্রামের গৃহবধূ মরিয়ম বেগম হত্যা মামলায় শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবরসহ মোট তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে আদালতের পক্ষ থেকে। একই সঙ্গে প্রত্যেকের জন্য ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদেরকে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

রোববার কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. শামছুল আলম এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন মরিয়মের শ্বশুর আবদুল মমিন, শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ও দেবর মো. নিজাম। মামলার অপর আসামী এবং মরিয়মের স্বামী আবদুল মতিনকে আদালত বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

মামলার বিবরণ তুলে ধরা হলে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে পারিবারিক বিরোধের কারণে নাঙ্গলকোট উপজেলার ছুপুয়া গ্রামে গৃহবধূ মরিয়ম বেগমকে গলা টিপে হত্যা করা হয়। পরদিন নিহত মরিয়মের বাবা সোলেমান বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর আদালত রোববার এ রায় প্রদান করেন। রায়ে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ডের জন্য অনাদায়ে তাদের আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই মামলায় মরিয়মের স্বামী আবদুল মতিনকে আদালত বেকসুর খালাস দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইলিয়াস আলী গুমের মামলায় উইং কমান্ডার সাইফুরকে গ্রেপ্তার দেখাল ট্রাইব্যুনাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ পি.এম


ইলিয়াস আলী গুমের মামলায় উইং কমান্ডার সাইফুরকে গ্রেপ্তার দেখাল ট্রাইব্যুনাল

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এম ইলিয়াস আলীকে গুমের ঘটনায় ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনাল উইং কমান্ডার সাইফুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে। একইসঙ্গে, পরবর্তী শুনানির জন্য ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দিয়েছে। বিচারপতি গোলাম মর্তুযার মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এই ট্রাইব্যুনালে অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

আজ সকালে সাইফুর রহমানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। দুপুর ২ টার পর তাকে আদালতে তোলা হয়। এরপর চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, সাইফুরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণের আবেদন করেন। আবেদনটিকে মঞ্জুর করে ট্রাইব্যুনাল। পরবর্তী শুনানির জন্য ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়।

এর আগে গত ৯ আগস্ট প্রসিকিউটশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, দেড় দশক আগে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে অপহরণের প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে দ্বিতীয় চেষ্টায় তাকে তুলে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় সাইফুরের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

ওই সময় বিমান বাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার সাইফুর রহমান র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত ছিলেন। আর তখনকার লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান ছিলেন র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক।

সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের জামাতা সাইফুর সর্বশেষ বিমান সদর দপ্তরের ডিরেক্টরেট তাব এয়ার ট্রেনিং ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

গত ২১ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার ইমরুল কায়েসের জবানবন্দিতে ইলিয়াস আলীর গুম ও হত্যার ঘটনায় সাইফুর রহমানের নাম আসে। এই মামলায় বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান কারাগারে রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুদাম ভেঙে ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেল বিক্ষুব্ধ কৃষকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ পি.এম


গুদাম ভেঙে ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেল বিক্ষুব্ধ কৃষকরা

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার না পেয়ে কৃষকেরা জোট বেধে একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তায় প্রায় ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে যায়।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এই ঘটনা ঘটে। গুদাম থেকে সারের জন্য অপেক্ষায় থাকা কৃষকদের তৎপরতায় পুলিশ এসে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে, ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্স এর মালিক তাইফুর রহমান মুকুলের কাছে পর্যাপ্ত সার বরাদ্দ ছিল, তবে তিনি কৃষকদের দেওয়া বিষয়টি নিয়ে গড়িমসি করেন। তার মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা সার, কিন্তু গুদামে মজুদ ছিল মাত্র ৩৪০ বস্তা সার।

সকালের দিকে, তার ডিলার পয়েন্টে দুই শতাধিক কৃষক সারের জন্য জড়ো হন। দীর্ঘসময় ধরে অপেক্ষার পরও ডিলার পয়েন্ট খুলতে না দেখে কৃষকেরা গুদামের দরজা ভেঙে ১৯০ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে চলে যান।

পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিমুদ্দিন জানিয়েছেন, ওই ইউনিয়নে সারের চাহিদা ছিল প্রায় ৪ হাজার বস্তা, কিন্তু মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা। উত্তোলন আরও কম ছিল। ফলে কৃষকরা সার না পাওয়ার কারণে গুদাম থেকে সার নিয়ে যান। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এই ঘটনার মধ্যে ১৯৭ বস্তা সার কৃষকরা নিয়ে গেছে। পরে পুলিশের মাধ্যমে ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা ফেরত দিয়েছেন। বাকিগুলোর উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারকে ফোন করা হলে তিনি জানান, তিনি পরে কথা বলবেন। ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ বলেন, "আমি সারাদিন জেলা মিটিং-এ ছিলাম, তাই আমি বিষয়টি জানি না।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%