ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইলিয়াস আলী গুমের মামলায় উইং কমান্ডার সাইফুরকে গ্রেপ্তার দেখাল ট্রাইব্যুনাল


ইলিয়াস আলী গুমের মামলায় উইং কমান্ডার সাইফুরকে গ্রেপ্তার দেখাল ট্রাইব্যুনাল

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এম ইলিয়াস আলীকে গুমের ঘটনায় ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনাল উইং কমান্ডার সাইফুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে। একইসঙ্গে, পরবর্তী শুনানির জন্য ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দিয়েছে। বিচারপতি গোলাম মর্তুযার মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এই ট্রাইব্যুনালে অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

আজ সকালে সাইফুর রহমানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। দুপুর ২ টার পর তাকে আদালতে তোলা হয়। এরপর চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, সাইফুরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণের আবেদন করেন। আবেদনটিকে মঞ্জুর করে ট্রাইব্যুনাল। পরবর্তী শুনানির জন্য ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়।

আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় নয়: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু

এর আগে গত ৯ আগস্ট প্রসিকিউটশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, দেড় দশক আগে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে অপহরণের প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে দ্বিতীয় চেষ্টায় তাকে তুলে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় সাইফুরের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

ওই সময় বিমান বাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার সাইফুর রহমান র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত ছিলেন। আর তখনকার লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান ছিলেন র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক।

সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের জামাতা সাইফুর সর্বশেষ বিমান সদর দপ্তরের ডিরেক্টরেট তাব এয়ার ট্রেনিং ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ভারতীয় পর্যটকেরা বলছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে পূজার পরিবেশ ভালো: রিজভী

গত ২১ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার ইমরুল কায়েসের জবানবন্দিতে ইলিয়াস আলীর গুম ও হত্যার ঘটনায় সাইফুর রহমানের নাম আসে। এই মামলায় বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান কারাগারে রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুদাম ভেঙে ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেল বিক্ষুব্ধ কৃষকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ পি.এম


গুদাম ভেঙে ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেল বিক্ষুব্ধ কৃষকরা

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার না পেয়ে কৃষকেরা জোট বেধে একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তায় প্রায় ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে যায়।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এই ঘটনা ঘটে। গুদাম থেকে সারের জন্য অপেক্ষায় থাকা কৃষকদের তৎপরতায় পুলিশ এসে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে, ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্স এর মালিক তাইফুর রহমান মুকুলের কাছে পর্যাপ্ত সার বরাদ্দ ছিল, তবে তিনি কৃষকদের দেওয়া বিষয়টি নিয়ে গড়িমসি করেন। তার মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা সার, কিন্তু গুদামে মজুদ ছিল মাত্র ৩৪০ বস্তা সার।

সকালের দিকে, তার ডিলার পয়েন্টে দুই শতাধিক কৃষক সারের জন্য জড়ো হন। দীর্ঘসময় ধরে অপেক্ষার পরও ডিলার পয়েন্ট খুলতে না দেখে কৃষকেরা গুদামের দরজা ভেঙে ১৯০ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে চলে যান।

পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিমুদ্দিন জানিয়েছেন, ওই ইউনিয়নে সারের চাহিদা ছিল প্রায় ৪ হাজার বস্তা, কিন্তু মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা। উত্তোলন আরও কম ছিল। ফলে কৃষকরা সার না পাওয়ার কারণে গুদাম থেকে সার নিয়ে যান। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এই ঘটনার মধ্যে ১৯৭ বস্তা সার কৃষকরা নিয়ে গেছে। পরে পুলিশের মাধ্যমে ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা ফেরত দিয়েছেন। বাকিগুলোর উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারকে ফোন করা হলে তিনি জানান, তিনি পরে কথা বলবেন। ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ বলেন, "আমি সারাদিন জেলা মিটিং-এ ছিলাম, তাই আমি বিষয়টি জানি না।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘাস কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


ঘাস কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু

নোয়াখালীর সেনবাগে গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নূর জামান (৬৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে উপজেলার ৯ নম্বর নবীপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব দেবিসিংহপুর গ্রামের সুলতান বাপের বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় রোববার সকালে নিজ বাড়িতে গরুর জন্য ঘাস কাটার কাজ করছিলে নূর জামান। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুতস্পৃষ্টে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারের প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে স্বজনদের মধ্যে চলছে শোকের মাতম। স্বজন ও প্রতিবেশীদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম সরকার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ না থানায় মরদেহ ময়না তদন্ত ছাড়া পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।  

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডা. আসাদুর রহমানের ওপর হামলা, মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


ডা. আসাদুর রহমানের ওপর হামলা, মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ২

চিকিৎসক অধ্যাপক আসাদুর রহমানের ওপর হামলার ঘটনায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী বিভাগ আরো দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- সানি সাহা (৩৮) ও ফাতিন ইসরাক লাবিব (২০)। ডিবি জানায় যে, শনিবার রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া ও খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। অধ্যাপক আসাদুর রহমানের ওপর হামলা চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, গত ১৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখা শেষে বাসায় ফেরার সময় অধ্যাপক আসাদুর রহমানের ওপর হামলা হয়।

রাতে পৌনে ১১টার দিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার সময় জীবন ওরফে আদিলসহ কয়েকজন তার পথরোধ করেন। ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাওয়ার পর তাকে সিএনজি থেকে টেনে নামিয়ে মারধর শুরু করা হয়।

এক পর্যায়ে জীবন ওরফে আদিল তার ডান চোখে আঘাত করে এবং অন্যরা তার মাথা, দুই চোখের ওপর ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।

হামলার সময় তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে হুমকিও দেওয়া হয়। পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দিলে পল্টন মডেল থানার পুলিশ এসে জীবন ওরফে আদিলকে আটক করে। কিন্তু বাকিরা পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় অধ্যাপক আসাদুর রহমান বাদী হয়ে জীবন ওরফে আদিলসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে পল্টন মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ঘটনার কয়েক দিন আগে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে তার কাছে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।

মামলার তদন্তে হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে ডিবি। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার রাত ১২টা ২০ মিনিটে যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়ার গোয়ালপাড়া-কদমতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে সানি সাহাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এটাও জানানো হয়েছে যে, রাতে আড়াইটার দিকে খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ-২ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফাতিন ইসরাক লাবিবকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে সানি সাহা জানিয়েছেন, ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে, সিঙ্গাপুরের একটি ইন্টেরিয়র ডিজাইন প্রতিষ্ঠানে প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করার সময় জান্নাত আলমগীর হোসেন নামের একজনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সেই ব্যক্তি পরে তাকে মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের প্রস্তাব দেন। একাধিকবার ওই ব্যবসায় পাঁচ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হন বলে জানিয়েছেন ডিবিকে।

ডিবির ভাষ্য মতে, ২০২৪ সালের আগস্টে দেশে ফেরার পর ভাটারা থানার এলাকায় জান্নাত আলমগীর হোসেনের সঙ্গে সানি সাহার দেখা হয় এবং তখন সমাজের উচ্চবিত্ত ব্যক্তিদের বাসার ঠিকানা, গাড়ির নম্বর, পেশা, চলাফেরা ও আর্থিক বিষয়সহ ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়।

ডিবির দাবি, সব তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি অধ্যাপক এ কে এম আমিনুল হক ও অধ্যাপক আসাদুর রহমানকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বড় অঙ্কের অর্থ আদায়ের পরিকল্পনা করা হয়। পরে অধ্যাপক আসাদুর রহমানের ওপর হামলার জন্য ফাতিন ইসরাক লাবিবকে লোক সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে লাবিব জানিয়েছেন, ঘটনার প্রায় আড়াই মাস আগে ফুড ডেলিভারির মাধ্যমে সানি সাহার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তাদের সরাসরি সাক্ষাৎ হয়। এরপর অধ্যাপক আসাদুর রহমানের ওপর হামলার জন্য আবু বকর (১৮), রাতুল (১৯), ইবান (২২), জীবন (২১) ও সাব্বির (১৮)—এই পাঁচজনকে এক লাখ টাকার বিনিময়ে কাজে যুক্ত করার প্রস্তাব দেন।

ডিবি জানায়, পরে তারা অধ্যাপক আসাদুর রহমানের ওপর হামলা করার জন্য বের হন। এ ঘটনায় ইবান ও জীবন গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে আছেন।

গ্রেপ্তার সানি সাহা ও ফাতিন ইসরাক লাবিবের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে ভাটারা থানায় পৃথক মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

এখন আহত অধ্যাপক আসাদুর রহমান বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বানারীপাড়ায় বাইশারীর কচুয়া গ্রামে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বানারীপাড়া প্রতিনিধি

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


বানারীপাড়ায় বাইশারীর কচুয়া গ্রামে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক
 
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুইজনকে আটক করেছে বানারীপাড়া থানা পুলিশ।
 
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২৩ আগস্ট (রবিবার) সকাল ৬টা ২০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বানারীপাড়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মোঃ আব্দুল বারেক (নিরস্ত্র) সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মাদকদ্রব্যসহ দুইজনকে আটক করা হয়।
 
আটকরা হলেন—কচুয়া গ্রামের মোঃ রত্তন সরদার ওরফে রতন সরদারের ছেলে মোঃ সোলায়মান সরদার (২৯) এবং একই বাড়ির হেমায়েত সরদারের ছেলে মোঃ অলিউল্লাহ (২৬)।
 
পুলিশের দাবি, আটক সোলায়মান সরদারের কাছ থেকে ১৯৫ পিস ইয়াবা ও ২৫০ গ্রাম গাঁজা এবং অলিউল্লাহর কাছ থেকে ৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
 
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোলায়মান সরদার দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর কেউ কেউ তাকে এলাকায় ‘মাদক সম্রাট’ হিসেবেও অভিহিত করেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
 
এ ঘটনায় আটক দুইজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%