ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জেনেভায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বরাবর ফ্রান্স বিএনপির স্বারকলিপি প্রদান


জেনেভায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বরাবর ফ্রান্স বিএনপির স্বারকলিপি প্রদান

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে ফ্রান্স বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল।

প্রবাসীদের পক্ষ থেকে ঢাকা-প্যারিস সরাসরি ফ্লাইট চালু করাসহ মোট ১৮টি দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তারা স্বারকলিপি প্রদান করেছে।

জেনেভায় ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা গত ৩১ মে শুরু হয়েছে এবং চলবে ১২ জুন পর্যন্ত। আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলন হলো জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম, যা প্রতি বছর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত হয়। একে প্রায়শই ‘শ্রমের আন্তর্জাতিক সংসদ’ বলা হয়।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের স্বার্থে জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে জোর দিচ্ছেন : হুমায়ুন কবীর

এই সম্মেলনে যোগ দেয়ার লক্ষ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী গত শনিবার রাত ১০টায় জেনেভায় এয়ারপোর্টে পৌঁছান। এ সময় ফ্রান্স বিএনপির নেতৃবৃন্দ ফুলের তোড়া দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

এরপর প্রতিনিধি দল স্থানীয় একটি হোটেলে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রবাসীদের কল‍্যাণে বেশ কয়েকটি দাবি সম্বলিত একটি স্বারকলিপি মন্ত্রীকে প্রদান করেন। ঐ সময় ফ্রান্স বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম রাঙ্গা ও সহযোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বারকলিপি গ্রহণ করার পর মন্ত্রী তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আলোচনা সাপেক্ষে এসব দাবি বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: জাপান বাংলাদেশে টেক সিটি গড়তে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যাত্রী ছাউনিটি এখন আওয়ামীপন্থি সাবেক চেয়ারম্যানের বৈঠকখানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


যাত্রী ছাউনিটি এখন আওয়ামীপন্থি সাবেক চেয়ারম্যানের বৈঠকখানা

ঢাকার ধামরাইয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কের পাশে নির্মিত যাত্রী ছাউনির নির্মাণে অনিয়ম ও স্থান নির্বাচনে ত্রুটি নিয়ে সরকারি অর্থের অপচয়ের অভিযোগ উঠেছে। কারণ, যাত্রী ছাউনিটি অপরিকল্পিত স্থানে নির্মিত হওয়ায় এটি সাধারণ যাত্রীদের কোন কাজে আসছে না। স্থানীয়দের দাবি, এই ছাউনিটি এখন সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আউলাদ হোসেনের বৈঠকখানা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যেই সড়কটিতে বাস চলাচল করে না, সেখানে তিন চাকার অটোরিকশার দাপট রয়েছে। সেই সড়কের পাশেই যাত্রী ছাউনিটি নির্মিত হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের স্বেচ্ছাচারিতায় তার বাড়ির সামনে ভুল স্থানে যাত্রী ছাউনিটি নির্মাণ করা হয়েছে এবং এর ফলে সরকারি অর্থের অপচয় সংগঠিত হয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ মন্তব্য করেন, এটি পথচারীদের বিশ্রাম বা অপেক্ষমাণ যাত্রীদের সুবিধার জন্য নয়, বরং চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত বৈঠকখানা হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তার বাড়ির সামনের পুকুরপাড়ে নির্মাণ করা হয়েছে। তবে ৫ আগস্টের পর হত্যা মামলায় চেয়ারম্যান পলাতক থাকায়, এটি পুরোপুরি বৈঠকখানায় রূপ নেয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমানে রাতে সেখানে মাদকসেবীদের আড্ডা বসে। সরকারি তদারকির অভাবেই এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি তাদের।

সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ধামরাই বাজার থেকে কালামপুর বাজার হয়ে সাটুরিয়া পর্যন্ত সড়কটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনস্থ। সেখানে কালামপুর থেকে ধামরাই বাজার পর্যন্ত কোন যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে না। এ সড়কে চলাচলকারী মানুষ সাধারনত সুবিধাজনক স্থান থেকেই তিন চাকার যানবাহনে গন্তব্যে পৌঁছান। এরপরও, যাত্রী ছাউনির প্রয়োজন না থাকলেও সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোয়ালদী গ্রামের আউলাদ হোসেন ২০২২-২৩ অর্থবছরে ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সহায়তা তহবিল থেকে কৌশলে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ নেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও যাত্রী ছাউনিটি নির্মাণ করা হয়নি।

পরে সাংবাদিকদের চাপের মুখে প্রায় আট মাস আগে চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে যাত্রী ছাউনিটি নির্মাণ করা হয়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরিকল্পিতভাবে এটি নির্মাণ করে সরকারের অর্থের অপচয় করাটাই হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আউলাদ হোসেনের বাড়ির সামনে পুকুরের পূর্বপাশের কোণায় যাত্রী ছাউনিটি নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে কোন সাইনবোর্ড নেই এবং এটি দেখে মনে হয় যে এই স্থানটি যাত্রী ছাউনি নয়; বরং এটি পুকুরপাড়ের সৌন্দর্যবর্ধন বা পারিবারিক আড্ডার স্থান বলেই মনে হচ্ছে। সাধারণত সড়কমুখী করে যাত্রী ছাউনিটি নির্মাণ করা হলেও এটি পুকুরমুখী করে নির্মাণ করা হয়েছে। ফলস্বরূপ, সড়কের পাশে অবস্থান করলেও এটি যাত্রীদের কাজে আসছে না।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ওই স্থানে যাত্রী ছাউনির প্রয়োজনই ছিল না। অথচ এর প্রায় ১০০ গজ পূর্বদিকে তিন রাস্তার মোড়ে যাত্রীরা অটোরিকশার জন্য অপেক্ষা করেন।

স্থানীয়রা জানান, সাধারণত রোদ-বৃষ্টি থেকে যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা যায়। কিন্তু এই ছাউনিটি বাস্তবে কোনো কাজে আসছে না। তাঁদের মতে, সরকারি অর্থের অপচয়ের একটি উদাহরণ এটি। অনেকে এটিকে চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত বৈঠকখানা বলেও মন্তব্য করেছেন।

স্থানীয়দের মধ্যে আনোয়ার হোসেন, আব্দুল জলিল ও নিয়ামত আলীসহ অনেকেই অভিযোগ করেন যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবেই সরকারি অর্থ অপচয় হয়েছে।

পলাতক সাবেক চেয়ারম্যান আউলাদ হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন বলেন, বিষয়টি জেনে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মামির সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা ভাগনে, তারপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ পি.এম


মামির সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা ভাগনে, তারপর...

ভারতের বিহারের বৈশালী জেলার রোহুয়া গ্রামে এক গৃহবধূ ও তার ভাগনের কথিত পরকীয়ার ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, অন্তরঙ্গ অবস্থায় দুজনকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন গৃহবধূর স্বামী এবং স্থানীয়রা। পরে তাদের মারধরের পর স্থানীয় একটি মন্দিরে বিয়ে দেওয়া হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঘটনাটি ঠিক কবে ঘটেছে, সেটা ভিডিও থেকে স্পষ্ট নয়। তবে ভিডিওটি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, এক তরুণ ও এক গৃহবধূকে ঘিরে রেখেছেন স্থানীয় কয়েকজন। তরুণকে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, আর গৃহবধূকে কান্নারত অবস্থায় দেখা যায়। ভিডিওতে ঐ দুজনকে নিয়ে কটূক্তি ও মারধরের ঘটনাও ফুটে ওঠে। দাবি করা হয়, ওই নারী ও তরুণ মামি-ভাগনে এবং তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখার পর স্থানীয়দের উদ্যোগে একটি মন্দিরে বিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, দুজনের সম্মতিতেই এই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

ভিডিওটি ‘ঘর কা কলেশ’ নামে একটি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। এরপর সেটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে। ভিডিওটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, কেউ ঘটনার সমালোচনা করেছেন, আবার কেউ রসিকতাও করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেইমারের ছেলের আক্রমণভাগে মেসি-রোনালদো-এমবাপ্পেও!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


নেইমারের ছেলের আক্রমণভাগে মেসি-রোনালদো-এমবাপ্পেও!

নেইমার জুনিয়রকে নিয়ে আক্ষেপের অনুভূতি তাঁর ভক্ত ও সমর্থকদের মধ্যে খুব প্রবল। সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলারের তকমা নিয়ে তিনি ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। এখনও তিনি দলের পরিবর্তনের ইতিহাসে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার হিসেবেই পরিচিত।

কিন্তু, নেইমার কি নিজের প্রতি সুবিচার করেছেন? সদ্য উত্তর এসেছে — না। ব্রাজিলের এই ফুটবল খেলোয়াড়, যে এক সময় ফুটবল জগতে শাসক ছিল, তাঁর পতন নিশ্চিত ভাবেই মৌজুরিয়া থেকে ‘হেক্সা’র আকাঙ্খা পর্যন্ত দীর্ঘ দুই দশক ধরে চলে আসছে। সেখানে কি নেইমারের কিছু দোষ নেই?

মাঠের বাইরের জীবনটি সব সময়ই তাঁর জন্য চমৎকার, একজন সামাজিক হিসেবে তিনি আমুদে। কিন্তু, মাঠে যখন তাঁকে দেখা যায়, সেখানে অধিকাংশ সময়ই লুকায়িত থাকে বেদনা, অপূর্ণতা এবং হাহাকার।

সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও লিওনেল মেসি কিংবা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর মতো পর্যায়ে নিজেকে নিয়ে যেতে পারেননি নেইমার। ব্যালন ডি’অর কিংবা ফিফা দ্য বেস্ট পুরস্কার পেতে পারেননি। বিশ্বকাপ ট্রফি না জেতার বিষয়টি তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় অপূর্ণতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তবে, নেইমার সব সময় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেছেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। কারণ, যে ৩৪ বছর বয়সের এই ফরোয়ার্ড, তিনি এখনও ব্রাজিলের একটি বড় ভরসার নাম। তাঁর বেপরোয়া জীবন, আনন্দ, আড্ডা, নারী আসক্তি ও চোট — এসব কাহিনী একে একে তাঁকে আবারও খবরের শিরোনাম বানিয়ে দেয়।

বর্তমানে নেইমার জুনিয়র চোট থেকে সেরে ওঠার জন্য সংগ্রামে রয়েছেন। ক্যারিয়ারের প্রায় ১৪০০ দিন তিনি মাঠের বাইরে ছিলেন। প্রায় তিন বছর পর এবারের বিশ্বকাপে অংশ নিতে গিয়েছে ব্রাজিল স্কোয়াডে জায়গা পেয়ে। তবে, যদি কার্লো আনচেলোত্তি তাঁর প্রতি আস্থা না রাখতেন, তাহলে এ লেখাটি লেখা সম্ভবপর হতো না।

সাম্প্রতিক সময়ে একটি সাক্ষাৎকারে নেইমার জানিয়েছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপ হবে তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। তিনি অবধারিতভাবে সাফল্য অর্জনের আকাঙ্ক্ষা বোঝাতে চান।

কিন্তু, যদি এমন কিছু ঘটে না, তাহলে পরিণতি কি হবে? কি মানুষ নেইমারকে চিরকাল মনে রাখবে, অথবা তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ তখনও তাঁকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করবে?

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পুত্র ক্রিস্তিয়ানো জুনিয়র কিংবা মেসির তিন পুত্র থিয়াগো, মাতেও এবং চিরো ফুটবলে মনোনিবেশ করেছে। যেভাবে তারা এগিয়ে যাচ্ছে, ফুটবলপ্রেমীরা তাঁদের মধ্যে পরবর্তী রোনালদো এবং মেসিকে দেখার প্রত্যাশা করছেন।

কিন্তু, নেইমারের একমাত্র ছেলে দাভি লুকা ফুটবলে পুরোপুরি মনোনিবেশ করেননি। এই ১৫ বছর বয়সী কিশোর বাবার খেলা দেখতে মাঠে আসে, উৎসাহ দেয়; তবে, বন্ধুদের সাথে খেলার মাঝেই সীমাবদ্ধ।

নেইমার সামাজিকভাবে দাভির উপর প্রতিভাসের চাপ প্রয়োগ করেননি। ফিফাকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আমার ছেলে খেলাধুলা ভালোবাসে। সে তাঁর বন্ধুদের সাথে ফুটবল খেলতে পছন্দ করে। তবে, সে আমার থেকে আলাদা। ফুটবলের প্রতি ওর খুব বেশি আগ্রহ নেই। সে মেসি, এমবাপ্পে এবং ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে পছন্দ করে। সত্যি বলতে, ভিডিও গেম খেলার সময় ওর টিমে থাকে মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পে এবং আমি।’

নেইমারের আরও তিন সন্তান রয়েছে। তিন শিশুকন্যা মাভি, যে অক্টোবর ২০২৩ সালে জন্মগ্রহণ করেছে, হেলেনা, যে জুলাই ২০২৪ সালে এবং মেল, যে জুলাই ২০২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেছে। অবশ্যই, ফুটবলের সম্পর্কে তাদের ‘ফ’ বোঝার বয়সও হয়নি।

কিন্তু, নেইমার মনে করেন, কন্যাসন্তানদের জন্ম তাঁর জীবন পরিবর্তন করেছে। তাঁকে দায়িত্বশীল হতে শিখিয়েছে, নারী আসক্তি থেকে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করেছে এবং এক নারীর প্রতি গভীর হওয়ার চিন্তা তৈরি করেছে।

নেইমারের জীবনের প্রথম প্রেম ছিলেন কারোলিনা দান্তাস। তাঁদের ভালোবাসার ফলস্বরূপ ২০১১ সালে জন্ম নেয় পুত্রসন্তান দাভি লুকা। তখন নেইমারের বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর! দাভির জন্মের কিছুদিন পরেই প্রথম প্রেমকে ভুলে যান নেইমার। তিনি ইনফ্লুয়েন্সার দান্তাসের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এরপর তাঁর জীবনে এসেছেন অনেক সুন্দরী তরুণী, যাদের মধ্যে কেউ মডেল, কেউ অভিনেত্রী, সংগীতশিল্পী এবং কেউ বা রিয়ালিটি শোর তারকা।

নেইমারের জীবনে দুটি ব্রুনা এসেছিলেন। একজন ব্রুনা মার্কেজিন এবং অন্যজন ব্রুনা বিয়ানকার্দি। মার্কেজিনের সাথে সম্পর্ক ভেঙে গেছে অনেক আগে। বর্তমানে বিয়ানকার্দির সাথে তাঁর প্রেমের বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য। বিয়ানকার্দি একাধিক সন্তানের মা, যার মধ্যে দুটি কন্যাসন্তান মাভি ও মেল রয়েছে।

বিস্তারিতভাবে বললে, মাঝে বিয়ানকার্দিকে ধোঁকা দিয়ে আমান্দা কিম্বার্লির সাথে প্রেমে জড়িয়ে পড়েছিলেন। নেইমারের তৃতীয় সন্তান তথা দ্বিতীয় কন্যাসন্তান হেলেনাকে কিম্বার্লি জন্ম দেন। খবরটি শোনার পর বিয়ানকার্দির সাথে তাঁর সম্পর্ক প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। যদিও পরে ক্ষমা চেয়ে ভরসা পুনরুদ্ধার করেছেন।

জীবন সত্যিই বড় অদ্ভুত। যে নেইমার ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে একমাত্র ছেলে লুকাকে সাথে নিয়ে এসেছিলেন, সেই নেইমার চার বছরের মধ্যে তাঁর চতুর্থ এবং সম্ভবত শেষ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন চার সন্তানের গর্বিত বাবা হিসেবে! এখন তিনি অনেকটা স্থিতিশীল, দায়িত্বশীল এবং আরও ধৈর্যশীল। নাহলে কি আর নিজেকে বিশ্বকাপে খেলার মতো ফিট প্রমাণ করে আনচেলোত্তির স্কোয়াডে জায়গা করে নিতে পারেন?

নেইমার জুনিয়রের বাবা নেইমার সান্তোস সিনিয়র নিজেও একজন ফুটবলার ছিলেন। তিনি ব্রাজিলের নিচু স্তরের লিগে খেলে ছিলেন। মাঠে খুব একটা সফল হননি নেইমার সিনিয়র। ফলে, তিনি খেলতে পারার পর ছেলের তত্ত্বাবধায়ক ও এজেন্ট হয়েছেন। যা তিনি নিজে পারেননি, সেই স্বপ্ন তাঁর ছেলের মারফত পূরণ করতে চান।

ব্রাজিলের সমর্থকরা নেইমারের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখার অপেক্ষা করছেন। তিনি সম্ভাবনার সামনে রয়েছেন। তাঁর সামনে স্বপ্নপূরণের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, ‘হেক্সা’ জিতিয়ে ব্রাজিলকে ষষ্ঠ স্বর্গে নিয়ে যাওয়ার। তবে, নেইমার কি পারবেন? সময় সেটাই বলে দেবে। কে জানে, বাবার হাতে বিশ্বকাপ দেখা পর, ছেলে লুকার মন কেমন পরিবর্তিত হতে পারে। পেশাদার ফুটবলের প্রতি ছেলের আগ্রহ জন্মাবে কি না। ব্রাজিলের সমর্থক এবং নেইমারভক্তরা সেটার অপেক্ষা করছেন।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, যদি লুকা সেই চাওয়া পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে নেইমারের উত্তরসূরি হিসেবে কে সামনে আসবে?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্রীড়া কূটনীতির মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


ক্রীড়া কূটনীতির মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা আর্মি স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় টিম বনাম ডিপ্লোম্যাটিক কোর টিমের মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) অনুষ্ঠিত এই বিশেষ ম্যাচে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক নিজে মাঠে নেমে খেলায় অংশগ্রহণ করেন। বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে তুলে ধরা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এই প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। প্রীতি ম্যাচটিতে বাংলাদেশে কর্মরত তিউনিশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ইটালি, সুইডেন ও ইরানের কূটনীতিকরা অংশ নেন। তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে মাঠে লড়েন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকারা ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ।

খেলা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, বর্তমানে সামাজিক মূল্যবোধ, নীতি-নৈতিকতা ও সচেতনতামূলক বিষয়গুলো আমাদের তরুণ প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপ ফুটবল দরজায় কড়া নাড়ছে। আমরা বিশ্বের কাছে জানান দিতে চাই যে, আমরা একটি ফুটবলপ্রেমী জাতি। স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসির (ক্রীড়া কূটনীতি) মাধ্যমে আমরা বিশ্বমঞ্চে একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক যোগসূত্র স্থাপন করতে চাই।

আসন্ন বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশ না নিলেও দেশের মানুষের মাঝে ফুটবল নিয়ে উন্মাদনার কোনো কমতি নেই উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করছে না, তবুও আমাদের উদ্দীপনার কোনো ঘাটতি নেই। বর্তমান সরকার ক্রীড়া খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। আমরা দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে শূন্য থেকে শুরু করতে চাই। আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। রাতারাতি রাতারাতি বড় পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে সকলের সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা দেশের খেলাধুলার সার্বিক উন্নয়ন করব।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্রীড়া কূটনীতিকে আরও বেগবান করতে সরকারের নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়ে মো. আমিনুল হক বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি ডেডিকেটেড ‘স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসি উইং’ খোলা হয়েছে এবং এর কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। এই উইংয়ের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে ক্রীড়া বিনিময় কর্মসূচি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%