১০:২১ পি.এম
ঢাকা ওয়াসার কর্মকর্তাদের জন্য ‘প্রারম্ভিক শৈশবের বিকাশ এবং পেশাদার শিশু পরিচর্যা ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক ছয় দিনব্যাপী পেশাগত প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে দুটি পেশাদার দিবাযত্ন কেন্দ্রে এক দিনের ব্যবহারিক শিক্ষা পরিদর্শনের আয়োজনও করা হয়।
বুধবার (১৯ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ‘নার্চার৩৬০’ আয়োজিত এই প্রশিক্ষণের লক্ষ্য ছিল ঢাকা ওয়াসার বিদ্যমান দিবাযত্ন সেবা পরিচালনা ও উন্নয়নে কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বাড়ানো। পাশাপাশি প্রারম্ভিক শৈশবের বিকাশ (ইসিডি), সংবেদনশীল পরিচর্যা, শিশু সুরক্ষা, খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা এবং পেশাদার শিশু পরিচর্যা ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা গভীর করা।
প্রশিক্ষণে ঢাকা ওয়াসার বিভিন্ন পর্যায়ের ২২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে সিনিয়র মেডিকেল অফিসার, নির্বাহী প্রকৌশলী, শ্রম ও কল্যাণ বিভাগের উপসচিব, নার্স, শিশু পরিচর্যা শিক্ষক ও পরিচর্যাকারী ছিলেন।
আরও পড়ুন: ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিতের আহ্বান
প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন নার্চার৩৬০-এর লিড কনসালটেন্ট সামিয়া তাসমিন, প্রারম্ভিক শৈশব শিক্ষা ও শিশু পরিচর্যায় বিশেষজ্ঞ রতন সরকার এবং লিনজা দীপা মণ্ডল। অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদ তুলে দেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে ঢাকা পরিবেশগতভাবে টেকসই পানি সরবরাহ প্রকল্পের সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার ও প্রকল্প পরিচালক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম মুরাদসহ ঢাকা ওয়াসার অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
‘ঢাকা পরিবেশগতভাবে টেকসই পানি সরবরাহ প্রকল্প’-এর আওতায় এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এ প্রশিক্ষণে অর্থায়ন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক (ইআইবি) এবং এজেন্স ফ্রঁসেজ দে ডেভেলপমেন্ট (এএফডি)। প্রশিক্ষণে ব্যবহারিক প্রদর্শন, দলীয় কার্যক্রম, কেস আলোচনা, প্রতিফলনমূলক অনুশীলন ও হাতে-কলমে শেখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কর্মশালায় জানানো হয় যে, মানসম্মত দিবাযত্ন নিশ্চিত করতে শুধু তত্ত্বাবধান ও সাধারণ পরিচর্যা যথেষ্ট নয়। এজন্য প্রয়োজন প্রশিক্ষিত পরিচর্যাকারী, নিরাপদ ও যত্নশীল পরিবেশ, শিশুর বিকাশ উপযোগী কার্যক্রম, সংবেদনশীল মিথস্ক্রিয়া, কার্যকর রুটিন ও পদ্ধতি এবং প্রতিটি শিশুর ব্যক্তিগত চাহিদার প্রতি নিবিড় মনোযোগ।
এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ঢাকা ওয়াসার দিবাযত্ন সেবার সক্ষমতা আরো শক্তিশালী হবে এবং শিশুদের যত্ন ও বিকাশে পেশাদার ও শিশুকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
আরও পড়ুন: শিক্ষকদের সাংবাদিকতা করার অনুমতি নেই: প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন