০৯:৩২ এম
জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জয়লাভ করেছে। সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর বাংলাদেশ টানা দুই ম্যাচ জিতে সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে। অন্যদিকে, একাধিক ক্যাচ মিসের কারণে জিম্বাবুয়ে একটি সিরিজ হেরেছে, যা তারা সহজেই জেতার অবস্থায় ছিল।
ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামা জিম্বাবুয়েকে বাংলাদেশ ১৪৩ রানে থামাতে সক্ষম হয়েছে। বোলার ও ফিল্ডারদের অসাধারণ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে টাইগাররা জিম্বাবুয়েকে দেড়শর আগে रोकতে পারে। বাংলাদেশের জবাব দিতে নেমে, তানজিদ হাসান তামিমের অসাধারণ ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ জয়ের পথে ছিল। তিনি দুর্দান্ত এক ফিফটি করেছিলেন। তবে শেষ ওভারে কয়েকটি উইকেট হারানোর কারণে দল চাপে পড়ে যায়। কিন্তু শেখ মেহেদী হাসানের চারে আরেকটি অবিশ্বাস্য জয় নিয়ে আসে টাইগাররা।
দ্বিতীয় ম্যাচে প্রায় ৭-৮টি ক্যাচ মিস করেছিল জিম্বাবুয়ে, যেখানে সাইফ হাসান ৫টি ক্যাচ মিস করেছিলেন। সাইফ পরে ফিফটিও করেন তবে জিম্বাবুয়ে ম্যাচটি হারে। সিরিজ শেষে জিম্বাবুয়ের প্রধান কোচ জাস্টিন স্যামন্স ফিল্ডিং নিয়েই বেশি আফসোস প্রকাশ করেছেন।
আরও পড়ুন: ইসলামে ব্যবসার ১০টি মূলনীতি: সততা, মিথ্যা ও প্রতারণার নিষেধ
সংবাদ সম্মেলনে স্যামন্স বলেছেন, ‘শুরুতে তো ফিল্ডিংয়ের কথা বলতে হবে। এত এত ক্যাচ ড্রপ। সিরিজজুড়ে যদি আপনি এত ক্যাচ ড্রপ করেন তাহলে আসলে সিরিজ জেতাটা আপনি ডিজার্ভ করেন না। এটাই আসল কথা। সুযোগ পেলে সেগুলো কাজে লাগাতে হবে। বোলাররা দুর্দান্ত খেলেছে সিরিজজুড়ে। তারা অনেক সুযোগ সৃষ্টি করেই গিয়েছে। তাদের দোষ নেই। ফিল্ডিংয়ে আমাদের আরও ভালো হতে হবে। ব্যাটিংয়ে আমাদের সেই আগুনটা ছিল না। ডিয়ন আজ ভালো করেছে। বেনেট সেদিন ভালো করল। তবে ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে ভালো করতে পারিনি। যেদিন ১৭০ রান করলাম, সেদিনও আরও রান করার সুযোগ ছিল। আজকেও পারের চেয়ে কম রান করেছি। ১৬০ রান করা দরকার ছিল অন্তত। বোলিংয়ে বিশ্বাস ছিল ডিফেন্ড করতে পারব হয়ত। তবে শেষ ৫ ওভারে ৩৪ রান নিয়েছি। ফিনিশিংয়ে আরও ভালো করতে হবে আমাদের।’
ফর্ম নিয়ে ধুঁকতে থাকা মিল্টন শুম্বাকে নিয়ে স্যামন্স বলেছেন, ‘আমরা তার উপর আস্থা রাখি দেখেই এই ম্যাচে খেলেছি। বিশ্বাস আছে তার উপর। কঠিন ম্যাচ। ভুল তো হবেই। তবে সে চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরা তাকে বিশ্বাস করছি। তাই খেলিয়ে যাচ্ছি।’
জিম্বাবুয়ের প্রধান কোচ আরও বলেছেন, ‘যে কেউ চাইলে দায়িত্ব নিতে পারে। লড়াই করে খেলতে হবে। আমি এটাই দেখতে চাই। আমি চাই না কেউ দায়িত্ব এড়িয়ে যাক। বিশ্বাস নিয়ে দায়িত্ব নিতে হবে। যেকোনো বলেই লড়াই করতে হবে। ১১ জনকেই লড়াই করে যেতে হবে।’
ম্যাচে হারের ব্যাপারে স্যামন্স আরও বলেছেন, ‘খুবই ফ্রাস্ট্রেটিং। এই ম্যাচ অবশ্যই জেতা দরকার ছিল। নিজেদেরকেই দোষ দিতে হবে। আগের ম্যাচে ৮টি ক্যাচ মিস করেছি। ৮ ক্যাচ নিলে খেলা আগেই শেষ হয়ে যেত। আজকেও হারা উচিত হয়নি। জিম্বাবুয়েতে এসব ব্যাপার (গ্রাউন্ড, কন্ডিশন) সামলেই এগোতে হবে। কোনো অজুহাত নেই। গ্রাউন্ড কঠিন হলেও পথ খুঁজে বের করতে হবে। সেরাটা দিতে না পারলেও কোনো না কোনো উপায় বের করতে হবেই।’
আরও পড়ুন: ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-১ ব্যবধানে বাংলাদেশ জিতলেও, একই ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল জিম্বাবুয়ে। তার আগে একমাত্র টেস্ট ম্যাচেও জিতেছিল জিম্বাবুয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন