০৮:৫২ পি.এম
পিছিয়ে থেকেও ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ গোলে পরাজিত করেছে পর্তুগাল। এই গুরুত্বপূর্ণ জয়ে তারা শেষ ১৬-তে প্রবেশ করে। দলের হয়ে দুটি গোলের মধ্যে একটি করেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও অন্যটি গনসালো রামোস।
ম্যাচের ৬৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে রোনালদো রেকর্ড বইয়ে নিজের নাম লেখাতে সক্ষম হয়েছেন। এটি ছিল তার বিশ্বকাপে ষষ্ঠ আসরে নকআউট পর্বে প্রথম গোল।
বিশ্বের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ৪১ বছর বয়সে রোনালদো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে অংশগ্রহণ করেছেন।
আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে
৪১ বছর ১৪৭ দিন বয়সে বিশ্বমঞ্চে গোল করে নতুন একটি রেকর্ড তৈরী করেছেন রোনালদো। এই বয়সে নকআউটে গোল করার কীর্তি এখন রোনালদোরই।
চলতি আসরে রোনালদো মোট তিনটি গোল করেছেন। এটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে তার এক আসরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোল। ২০১৮ আসরে রাশিয়া বিশ্বকাপে তার গোল সংখ্যা ছিল চারটি।
পেনাল্টি থেকে তিনি বিশ্বকাপে চতুর্থ গোল করার মাধ্যমে লিওনেল মেসি ও গাব্রিয়েল বাতিস্তুতার রেকর্ড স্পর্শ করতে সক্ষম হয়েছেন। এদিকে, ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন বিশ্বকাপে পেনাল্টি থেকে সবচেয়ে বেশি পাঁচ গোল করেছেন। আর্জেন্টিনার মেসি এবং বাতিস্তুতা, পর্তুগালের ইউসেবিও এবং নেদারল্যান্ডসের রব রেনসেনব্রিঙ্ক করেছেন চারটি করে গোল।
রোনালদো বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে ২৫ গোলের বেশি করার কৃতিত্ব প্রথম খেলোয়াড় হিসাবে অর্জন করেছেন।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
বিশ্বকাপের চারটি ভিন্ন ভিন্ন আসরে গোল করা ষষ্ঠ খেলোয়াড় পেরিসিচ। রোনালদোর ছয়টি আসরে গোল করার রেকর্ড রয়েছে। অন্যদিকে, পাঁচ আসরে গোল করেছেন মেসি, মিরোস্লাভ ক্লোসা, উয়ি সিলার এবং পেলে।
ক্রোয়েশিয়ার হয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বয়সী গোলদাতা পেরিসিচ বর্তমানে। ৩৭ বছর ১৫০ দিন বয়সে গোল করে ইভিচা ওলিচকে টপকে গেছেন তিনি, যিনি ৩৪ বছর ২৭৭ দিনে গোল করেছিলেন।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই ম্যাচে ২০টির বেশি ম্যাচ খেলা তিনজন খেলোয়াড় অংশ নিয়েছেন। এ তিনজন হলেন রোনালদো, মদ্রিচ এবং পেরিসিচ। রোনালদো ২৬ ম্যাচ, মদ্রিচ ২৩ ম্যাচ এবং পেরিসিচ ২১ ম্যাচ খেলেছেন।
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন