ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পুলিশ ক্যাম্পের পানিতে 'বিষ মেশানোর' অভিযোগে ৪৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা


পুলিশ ক্যাম্পের পানিতে

সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর এলাকার পুলিশ ক্যাম্পের খাওয়ার পানিতে 'বিষ মেশানোর' অভিযোগের ফলে ৪৯ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে পুলিশ বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় এই মামলাটি করেছে। মামলায় ৩৪ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

রোববার সকালে জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর এলাকায় পুলিশ ক্যাম্পের দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা পানি পান করতে গিয়ে দুর্গন্ধ এবং পানিতে সাদা ফেনা দেখতে পান। তাদের সন্দেহ হওয়ায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে পানি পান করা থেকে বিরত থাকেন। পরে পানির সরবরাহ লাইনের ট্যাংক খুলে সেখানেও ফেনা দেখতে পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: বিদ্যালয়ের পাশেই ঝুঁকিপূর্ণ জরাজীর্ণ সেতু, শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

পানির সরবরাহ লাইনের কাছাকাছি এলাকা থেকে বিষের একটি খালি কৌটাও উদ্ধার করা হয়। সেই সঙ্গে ওই পানি পান করে তিন পুলিশ সদস্য অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে সন্দেহজনক পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র এই নাশকতামূলক ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।

সীতাকুণ্ড থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম জানান, জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ ক্যাম্পের খাবারের পানিতে বিষ মেশানোর ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। তদন্তে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামালগঞ্জে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধের লক্ষ্য নিয়ে উঠান বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ এম


জামালগঞ্জে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধের লক্ষ্য নিয়ে উঠান বৈঠক

“সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে নারী শান্তি সহায়কদের প্ল্যাটফর্ম (ওয়েভ), জামালগঞ্জের উদ্যোগে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক একটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের ঘাগটিয়া গ্রামে এ উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়। উপরোক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়েভ সদস্য ও জামালগঞ্জ পিএফজির পিস অ্যাম্বাসেডর আলেয়া বেগম। অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন ওয়েভের যুগ্ম সমন্বয়কারী সানিয়া আখি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভীমখালী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বাবুল মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পিএফজি সদস্য ও জাতীয় পার্টির উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের কুদরত পাশা।

বক্তারা আলোচনার সময় বলেন, দেশে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিদিন ধর্ষণ, যৌন হয়রানি, বাল্যবিবাহ, গার্হস্থ্য সহিংসতা এবং শিশু নির্যাতনের খবর সমাজকে উদ্বিগ্ন করছে। বক্তারা বলেন, নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও সামাজিক অবক্ষয়, অনলাইন হয়রানি, মাদকাসক্তি, পারিবারিক সহিংসতা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি নারী ও শিশুদের ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

এছাড়া বক্তারা আরও বলেন, যদি ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হয়, তাহলে অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হয়। দীর্ঘসূত্রতা, প্রভাবশালীদের চাপ এবং সামাজিক লজ্জার কারণে অর্ধেকেরও বেশি ভুক্তভোগী বিচার থেকে বঞ্চিত হন। এর ফলে অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটে। নারী ও কন্যাশিশুর নিরাপত্তা কেবল নারীর বিষয় নয়, এটি মানবাধিকার এবং একটি উন্নত রাষ্ট্র গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাবুল মিয়া বলেন, নারীরা এখনও বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা শিকার হলেও আশার বিষয় হলো সরকার নারীর ক্ষমতায়ন ও মর্যাদা বৃদ্ধিতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছে। তিনি জানান, অচিরেই ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের জন্য নতুন জরিপ শুরু হবে। এ কার্যক্রমে পরিবারের নারী সদস্যের নামে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে এবং সরকারি সহায়তার অর্থ সরাসরি নারীর কাছে পৌঁছাবে। এতে পরিবারে নারীর মর্যাদা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি সকলকে জরিপকারীদের কাছে সঠিক তথ্য প্রদান করার জন্য আহ্বান জানান, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা সরকারি সুবিধা পেতে পারেন।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন সুমাইয়া আক্তার, সালমা খাতুন, রুমেনা আক্তার, জোসনা বেগম, রওশন আরা, কুলসুমা, রাশিয়া, আখি আলম, হেপি আক্তারসহ স্থানীয় নারী নেত্রী ও ওয়েভ সদস্যরা। বৈঠকে বক্তারা নারীর প্রতি সকল ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা, পারিবারিক মূল্যবোধ জোরদার করা এবং নারী ও কন্যাশিশুর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোনো শিশু যেন বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে পিছিয়ে না থাকে: ববি হাজ্জাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ এম


কোনো শিশু যেন বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে পিছিয়ে না থাকে: ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, "প্রাথমিক শিক্ষার মূল লক্ষ্য হলো প্রতিটি শিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করা।

বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে কোনো শিক্ষার্থী যেন পিছিয়ে না থাকে, সে বিষয়ে শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

একই সঙ্গে ধর্মীয়, পারিবারিক ও নাগরিক মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।"

সোমবার সুনামগঞ্জের প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং কর্মসূচি’ প্রকল্পের কার্যক্রম বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নবিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, "সিলেট বিভাগে শিক্ষক সংকট তুলনামূলক বেশি। এ সংকট দূর করতে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি পিটিআইগুলোকে আধুনিক ও কার্যকর প্রশিক্ষণকেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কোনো শিক্ষক যাতে প্রশিক্ষণ ছাড়া শ্রেণিকক্ষে পাঠদান না করেন, সে লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।"

তিনি আরও বলেন, "শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, পদমর্যাদা ও পেশাগত উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। খুব শিগগিরই নতুন শিক্ষক নীতিমালা ও প্রধান শিক্ষক নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।

শিক্ষকদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দায়িত্ব ও জবাবদিহিতাও আরও বৃদ্ধি পাবে।"

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, "বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার মান নিশ্চিত করে অভিভাবকদের আস্থা অর্জন করতে হবে।

অবকাঠামো উন্নয়ন, খেলাধুলার মাঠ নির্মাণ এবং হাওরাঞ্চলের মতো বিশেষ এলাকার উপযোগী শিক্ষা অবকাঠামো গড়ে তুলতে মাঠপর্যায়ের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।"

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, "শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।

খাদ্যের মান যাচাই, আকস্মিক কারখানা পরিদর্শন, মাদার্স কমিটির মাধ্যমে খাদ্য গ্রহণ এবং প্রয়োজনে পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

তিনি আরও বলেন, "সরকারি বিদ্যালয়ের উন্নয়নে কমিউনিটি সম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি শ্রেণিতে অভিভাবকদের নিয়ে 'প্যারেন্ট সার্কেল' এবং প্রতিটি বিদ্যালয়ে 'স্কুল বন্ধু রেজিস্টার' গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এর মাধ্যমে বিদ্যালয় পরিচালনায় স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং শিক্ষা কার্যক্রমের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গুণগত মান আরও শক্তিশালী হবে।"

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য এডভোকেট নুরুল ইসলামনূরুল, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং কর্মসূচি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল আলিম এবং পুলিশ সুপার এ বি এম জাকির হোসেন। এ সময় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং জেলার ছাতক ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হুথির নতুন খেলায় সৌদি জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ এম


হুথির নতুন খেলায় সৌদি জব্দ

চারপাশে ধ্বংসের হুঙ্কার আর বারুদের উৎকট গন্ধ ধীরে ধীরে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে-বাতাসে যেন একটি শব্দই প্রতিধ্বনিত হচ্ছে, সেটি হল যুদ্ধ। এমন উত্তাল পরিস্থিতিতে ইয়েমেনের হুথিরা একটি অভাবনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা পুরো আরব উপদ্বীপকে নতুন করে ভয়ানক সংঘাতের মুখে ঠেলে দিয়েছে। লোহিত সাগরের কৌশলগত জলপথ বাবেল মান্দেব এখন চরম হুমকির মুখে রয়েছে, এবং এই উত্তেজনার কেন্দ্রে সৌদি আরব অবস্থিত।

ঘটনাটি শুরু হয়েছিল যখন রিয়াদ ইয়েমেনের সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বোমা হামলা চালিয়েছিল। মূলত, সানার ওই বিমানবন্দরটি সরাসরি ইরানি ফ্লাইটের পুনরায় চালুর প্রস্তুতির জন্য ছিল, যা সৌদি আরব এবং তাদের মিত্রদের জন্য ছিল একটি রেডলাইন। কিন্তু হুথিরা প্রতিশোধের আগুনে জ্বলে ওঠে এবং সরাসরি সৌদি আরবের গভীরে মিসাইল নিক্ষেপ করে। এই আকস্মিক সংঘাতে মুহূর্তের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঠাণ্ডা লড়াইয়ের পরিস্থিতি ভেঙে পড়ে।

অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালি ইতিমধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায়, সৌদি আরব তাদের মোট তেল রপ্তানির প্রায় সত্তর শতাংশকে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরের দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছিল। তবে হুথিদের নতুন নৌ-অবরোধের হুমকি সৌদি আরবের এই বিকল্প তেল রুটকেও নিরাপত্তাহীনতার মুখে ফেলেছে। এটি একটি গভীর কূটকৌশল, যেখানে হরমুজের পর এবার দ্বিতীয় প্রধান তেল রুটও চরম বিপদের মুখে রয়েছে।

বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের সম্প্রসারণ এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির চুক্তি ভঙ্গের পর এই নাটকীয় পটপরিবর্তন ঘটেছে। হরমুজ প্রণালি যখন উত্তাল, তখন বাবেল মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ হুথির কাছ থেকে ব্যবহার করে ওয়াশিংটন ও রিয়াদ উভয়ের ওপর তারা অভাবনীয় মনস্তাত্ত্বিক ও অর্থনৈতিক চাপ তৈরির চেষ্টা করছে। তারা বিশ্ববাজারে অর্থনৈতিক সংকটের খাঁড়া ঝুলিয়ে দিয়ে নিজেদের ক্ষমতা প্রদর্শন করছে।

সৌদি আরব এখনও পরিস্থিতি সামাল দিতে চেষ্টা করছে এবং রক্তক্ষয়ী সংঘাত থেকে বিরত থাকতে চাচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সৌদি সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রশ্ন উঠলে রিয়াদ নিশ্চুপ হয়ে থাকবে না, কারণ তাদের শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা রয়েছে। সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যের এই নতুন যুদ্ধক্ষেত্রে তেলের পাইপলাইন ও জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে খেলা শুরু হয়ে গেছে, যা পুরো অঞ্চলকে একটি অনিশ্চিত ও ভয়াবহ ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাগেশ্বরীতে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও এসআইএর বিরুদ্ধে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪৭ এম


নাগেশ্বরীতে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও এসআইএর বিরুদ্ধে মানববন্ধন

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থানার এসআই ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে। সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১টায় নাগেশ্বরী থানা গেটের সামনে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। পরে “ঘুষখোর ইদ্রিস আলীর প্রত্যাহার চাই” শ্লোগানে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদে চলে যায় মানববন্ধনকারীরা। এ সময় তারা মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানায়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর দুটি আলাদা স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। মানববন্ধনকারীদের অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলার কালীগঞ্জ ইউনিয়নের মাধাইখার কুমরিয়ারপাড় এলাকার ভেতর দিয়ে সাবেক একটি রাস্তা দিয়ে অনেক দিন ধরে এলাকার কয়েকশ পরিবার যাতায়াত করে আসছিল। हाल हीতে ইউনিয়ন পরিষদ রাস্তাটি পাকা করতে মাপামাপি শুরু করলে স্থানীয় খলিল উদ্দিনের ছেলে হাফিজুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, মুকুল মিয়া মেইন রাস্তা থেকে প্রায় ৮০ ফুট রাস্তা বাঁশ বেধে বন্ধ করে দেয়। এই কারণে এলাকার হাজারও মানুষ ভোগান্তিতে পড়ে। স্থানীয়রা একাধিকবার রাস্তা খুলে দেওয়ার জন্য তাদের সাথে বৈঠক করেছে, কিন্তু তারা রাস্তাটি খুলে না দিলে নিরুপায় হয়ে পাশ দিয়ে বিকল্প রাস্তা বের করে চলাচল করতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ১৭ মে এলাকার এমদাদদুল হক, শামছুল হক, হাবিবুল ইসলাম ও আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তার অভিযোগ ছিল যে, রাস্তা থেকে প্রায় আড়াই লাখ টাকার গাছ কেটেছেন বিবাদীরা। এছাড়াও ১৩ জুন দুই বিঘা জমির প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকার পাট ক্ষেত নষ্ট করার দাবী জানিয়ে এমদাদুল হক, শামছুল আলম, রেজাউল করিম ও আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগগুলো তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয় নাগেশ্বরী থানার এসআই ইদ্রিস আলীর ওপর। কিন্তু জানা যায় যে, এসআই ইদ্রিস তদন্ত না করে মামলা দুটি রেকর্ড করেন। মামলায় উল্লেখিত স্বাক্ষী এছাব উদ্দিনের ছেলে উকিল আমিনের দাবী, তিনি মামলার ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না এবং ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তার স্বাক্ষীত্ব দেওয়া নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, এসআই ইদ্রিস আলী মোটা অংকের ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে এলাকার লোকজনকে হয়রানি করে যাচ্ছেন এবং আদালতের মাধ্যমে নোটিশ জারি করে তা গোপন রেখে আসামীদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন। এ অবস্থার কারণে মামলার ভয়ে অনেকেই স্ত্রী ও সন্তানছাড়া হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এ সময় তারা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং এসআই ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মামলাকারী হাফিজুল ইসলামের শাস্তির দাবি জানান। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুর রহমান স্বপন, স্থানীয় উকিল আমিনসহ অনেকে। বহু মানুষের অভিযোগ, এসআই ইদ্রিস আলী অত্যন্ত ভয়ঙ্কর ঘুষখোর পুলিশ সদস্য। টাকা পেলেও তিনি দিনকে রাত বানিয়ে ফেলেন। দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে এরকম অসংখ্য অভিযোগ উঠে আসছে। নাগেশ্বরী থানার এসআই ইদ্রিস আলী বলেন, আমি দুই মাস আগে আদালতে প্রসিকিউশন দিয়েছি। আদালত ওয়ারেন্ট জারি করেছে। আমি তিনজনকে ধরে কোর্টে পাঠিয়েছি। এখানে আমার কী করার আছে? আমি কোন ভুল করি নাই। উনি অপরাধ করেছে এবং মানুষের গাছপালা কাটছে। উনি আদালতে প্রমাণ করুক যে এই ঘটনা মিথ্যা। থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহিল জামান জানান, এসআই ইদ্রিসের বিরুদ্ধে যে মানববন্ধন হয়েছে তা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এবং ইর্ষান্বিত হয়ে করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে, যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয় তবে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%