ঢাকা সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে সফর, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ইং ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩২বাং

নীরবে লিভারের ক্ষতি ডেকে আনে যেসব অভ্যাস


নীরবে লিভারের ক্ষতি ডেকে আনে যেসব অভ্যাস

বর্তমানে ফ্যাটি লিভার একটি খুব সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা বলে বিবেচিত হচ্ছে। অনেক মানুষ মনে করেন যে, শুধুমাত্র মদ্যপান করলেই ফ্যাটি লিভার হবে। কিন্তু বাস্তবে, যারা কখনও অ্যালকোহল পান করেন না, তাদেরও এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং স্থূলতা এটিকে ঘটানোর মধ্যে অন্যতম প্রধান কারণ।

ফ্যাটি লিভার হিসেবে পরিচিত একটি অবস্থা হলো, যখন লিভারের কোষের ভেতর অতিরিক্ত চর্বি জমতে শুরু করে। সাধারণত লিভারে সামান্য চর্বি থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু যদি লিভারের মোট ওজনের ৫ শতাংশের বেশি চর্বি জমে, তখন তাকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়।

ফ্যাটি লিভার হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো:

আরও পড়ুন: তিন কনফেডারেশনের চিঠিতে সমালোচনার মুখে ইনফান্তিনো

১. অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা: যাদের ওজন বেশি বা পেটের মেদ বেশি, তাদের ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি অনেক বেশি। শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমা লিভারের ওপরেও প্রভাব ফেলে।

২. অতিরিক্ত চিনি ও জাঙ্ক ফুড খাওয়া: কোমল পানীয়, মিষ্টি, কেক, বিস্কুট, ফাস্টফুড এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার সেবনে লিভারে চর্বি জমার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

৩. ডায়াবেটিস: বিশেষ করে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ফ্যাটি লিভার অনেক বেশি দেখা যায়। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে না থাকার ফলে ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পায়।

৪. রক্তে কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ বেশি: রক্তে ক্ষতিকর চর্বির মাত্রা বাড়লে তা লিভারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন: ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে ট্রাম্প!

৫. নিয়মিত ব্যায়াম না করা: অলস জীবনযাপন এবং দীর্ঘ সময় বসে থাকার অভ্যাসও ফ্যাটি লিভারের প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

৬. অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান: নিয়মিতভাবে অতিরিক্ত মদ্যপান লিভারের কোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং ফলে অ্যালকোহলজনিত ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

৭. কিছু ওষুধ এবং অন্যান্য রোগ: দীর্ঘকালীন কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ সেবন, দ্রুত ওজন কমে যাওয়া, অপুষ্টি বা কিছু হরমোনজনিত সমস্যা থেকেও ফ্যাটি লিভার হওয়ার কারণ হতে পারে।

কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে? প্রাথমিক অবস্থায় অনেকের মধ্যে কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। তবে ধীরে ধীরে কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যেমন—

আরও পড়ুন: প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আমেরিকান ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল

১. ডান পাশে উপরের পেটে অস্বস্তি বা ব্যথা হচ্ছে।

২. অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভব হচ্ছে।

৩. দুর্বলতা অনুভূত হচ্ছে।

৪. ক্ষুধামন্দা দেখা দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: এবার এসএসসি পাস করলেন সেই ‘ফারহানা’

৫. গুরুতর ক্ষেত্রে ওজন কমে যাচ্ছে।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন? এ বিষয়ে কিছু টিপস হলো:

১. স্বাস্থ্যকর এবং সুষম খাবার খান।

২. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন।

আরও পড়ুন: ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রুশ নভোচারীদের বিশেষ শুভেচ্ছা

৩. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।

৪. কোমল পানীয় এবং অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলুন।

৫. ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্ত চাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

৬. অ্যালকোহল পান করলে তা পরিহার বা সীমিত রাখার চেষ্টা করুন।

আরও পড়ুন: ব্যাংক কার্ডেই বিদেশে পড়াশোনার খরচ পাঠানো যাবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাতার থেকে ফিরছে সিলেটের ৫ প্রবাসীর মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


কাতার থেকে ফিরছে সিলেটের ৫ প্রবাসীর মরদেহ

কাতারে একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার পাঁচ প্রবাসী যুবকের মরদেহ আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) দেশে পৌঁছাবে। স্থানীয় সময় সোমবার রাতের বিশেষ ফ্লাইটে মরদেহগুলো পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহগুলো পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝিংগাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বকর। তিনি জানান, বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণের জন্য নিহতদের স্বজন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন। এ সময় সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মাওলানা আবুল হাসানও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন হলে মঙ্গলবার যোহরের নামাজের পর দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের আকুনি মাদরাসা মাঠে নিহত এই পাঁচ প্রবাসীর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাদের নিজ নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হবে।

উল্লেখ্য, গত রবিবার (২১ জুন) কাতারের শাহানিয়া এলাকায় সংঘটিত ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত হন। তাদের মধ্যে পাঁচজন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার বাসিন্দা হওয়ায় পুরো উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতরা হলেন- ঝিংগাবাড়ী ইউনিয়নের আমরপুর গ্রামের মৃত আব্দুন নূরের ছেলে জিবাল উদ্দিন, মাঝতালুক গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে জসিম উদ্দিন, আগতালুক গ্রামের সেলিম আহমদের ছেলে মস্তাক আহমদ, একই গ্রামের মৃত মড়া মিয়ার ছেলে জুবায়ের আহমদ এবং দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের নিজ গাছবাড়ী গ্রামের বাহার উদ্দিনের ছেলে কাদের আহমদ।

বিদেশের মাটিতে জীবিকার সন্ধানে যাওয়া এসব তরুণের অকাল মৃত্যুতে স্বজনদের আহাজারি এবং শোকাহত মানুষের কান্নায় কানাইঘাটের আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধবিরতির পর গাজায় ফের ইসরাইলি হামলা, নিহত-আহতের সংখ্যা বৃদ্ধি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


যুদ্ধবিরতির পর গাজায় ফের ইসরাইলি হামলা, নিহত-আহতের সংখ্যা বৃদ্ধি

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ইসরাইলি হামলা থেমে যাচ্ছে না। মধ্য গাজার মাঘাজি শরণার্থী শিবিরে হামলায় তিন ফিলিস্তিনি পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এর পাশাপাশি, উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ায় একটি আশ্রয়কেন্দ্রের কাছে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরেকজন।

যুদ্ধবিরতির এই সময়েও গাজার মাঘাজি শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি বিমান হামলায় উপত্যকার তিন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছিলেন। স্থানীয় সময় রোববার (২৮ জুন) ইসরাইলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, নিহতরা তাদের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছিলেন। এই কারণে তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল।

উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ায় উম্ম আল-ফাহম স্কুলের কাছে অবস্থানরত একদল বেসামরিক মানুষের ওপর ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, ওই স্কুলটিতে শত শত বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বেশ কয়েকজনের।

গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা এক বিবৃতিতে বলেন, পুলিশ সদস্যদের হত্যা প্রমাণ করে গাজায় ইসরাইল পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা চায়। তারা যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারী দেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ইসরাইলকে হামলা বন্ধে কার্যকর চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানায়।

এদিকে, দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান ইসরাইলের সামরিক অভিযানে গাজার মানবিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং প্রায় ১ লাখ ৭৩ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে এবং পুনর্গঠনে প্রয়োজন হতে পারে প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিয়া ও চেতনের জীবন সাজানোর পরিকল্পনা ছিল কেতনের টাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


সিয়া ও চেতনের জীবন সাজানোর পরিকল্পনা ছিল কেতনের টাকায়

সিয়া গোয়েল চেতন চৌধুরীর সঙ্গে প্রেম করতেন। কিন্তু তার পরিবার বিয়ের জন্য ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে তার বিয়ের আয়োজন করেছিল। পরিবার মনমতো না থাকলেও সিয়ার সাহস ছিল না ‘না’ বলার। তাই বাগদান ও বিয়ের আয়োজন চলছে বলে দেখা যাচ্ছিল। তবে এই সমস্তের পেছনে তার মনে ছিল ভয়াবহ একটি পরিকল্পনা।

পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে বরকে হত্যা করার চিন্তাই সিয়ার কাছে ছিল সহজ। পনেরো দিন আগে, অর্থাৎ গত ১৮ জুন, প্রেমিক চেতন চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে কেতনকে হত্যা করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন সিয়া। তারা পুনের লোহাগড় দুর্গে কেতনকে ধাক্কা দিয়ে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে দিতে সক্ষম হন।

এদিকে, চেতন চৌধুরী সিয়ার কাছে বিয়ের জন্য ৩ বছরের সময় চেয়েছিলেন, যাতে ব্যবসা গুছিয়ে নিতে পারেন। সিয়ার পরিকল্পনা ছিল, যদি কেতন দুর্ঘটনায় মারা যান, তাহলে তাদের প্রেমের মাঝে কোনো বাঁধা থাকবে না। তার পরিবার শোকে কাতর হয়ে গিয়ে আর সিয়ার বিয়ের কথা তুলবেন না। এভাবে চেতন তার ব্যবসা গোছাতেন এবং সিয়াও নিজের বেকারির ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে যেতেন। তাদের বিশ্বাস ছিল, তিন বছরে তারা সংসার শুরু করার জন্য প্রস্তুত হবে।

কেতন আগরওয়াল পুনের একটি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী পরিবারের সদস্য ছিলেন। তিনি সাকসেস গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা বিশাল আগরওয়ালের পুত্র ছিলেন। বিদেশে পড়াশোনা শেষে ভারতে ফিরে এসে তিনি বাবার ব্যবসায় সহায়তা করার পাশাপাশি সাকসেস গ্রুপের পরিচালক এবং চিফ মার্কেটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ফেব্রুয়ারিতে সিয়া ও কেতনের বাগদান হয় এবং নভেম্বরের জন্য জয়পুরে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল। বিয়ের জন্য ১৭ কোটি রুপিতে একটি প্রাসাদ বুক করা হয়েছিল। কেতন সিয়ার জন্য ১ কোটি রুপি শপিংয়ের জন্য দিয়েছেন, কিন্তু সে পুরো টাকাই প্রেমিক চেতন চৌধুরীর হাতে তুলে দেয়। সিয়া এই টাকায় চেতনের ব্যবসা বড় করার পরিকল্পনায় ছিল।

কিন্তু তাদের নিখুঁত পরিকল্পনার পরও পরিস্থিতি তাদের পক্ষে নেই। কেতনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে এবং সিয়া ও চেতন এখন পুলিশ রিমান্ডে আছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে উদ্যোগী: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


সরকার প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে উদ্যোগী: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, সরকার প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত উন্নয়নে কার্যকর অংশীদারির ভিত্তিতে এনজিওগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে চায়। সরকারের উদ্যোগ একার নয়, বরং সরকার ও উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব।

তিনি সোমবার (২৯ জুন) ঢাকার ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত ‘জিও-এনজিও কোলাবোরেশন ডায়ালগ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘শিক্ষা সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো লার্নিং আউটকাম বৃদ্ধি। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার কারিকুলাম, শিক্ষক, প্রশাসন, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি—এই পাঁচটি বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এই ক্ষেত্রগুলোকে কেন্দ্র করেই ভবিষ্যতের শিক্ষা সংস্কার বাস্তবায়ন করা হবে।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষাকে আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। এর মধ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার, নিয়োগ ও বদলি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা সম্প্রসারণ অন্তর্ভুক্ত।’

ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে পরিবর্তন আনতে হলে বাস্তবসম্মত ও টেকসই উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে এনজিওগুলোর মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী মডেল কাজে লাগাতে চায় সরকার।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘প্রতিবন্ধী শিশু, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, নন-ফরমাল শিক্ষা, শহরমুখী অভিবাসী শিশু, চা-বাগান এলাকার শিশু এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে।’

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে সফর, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:১১
জোহর ১২:০৫
আসর ০৪:৪০
মাগরিব ০৬:৩৬
ইশা ০৭:৫২
সূর্যোদয় : ০৫:৩২ সূর্যাস্ত : ০৬:৩৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%