সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:০৩ পি.এম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন নরসিংদী জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ বিল্লাল হোসেন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি যুবদলের সর্বস্তরের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। একই সঙ্গে সংগঠনের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, গৌরবোজ্জ্বল আদর্শ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল এবং বেগবান করার দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
শুভেচ্ছা বার্তায় মোঃ বিল্লাল হোসেন নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, "বর্তমান প্রেক্ষাপটে যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে ইস্পাতকঠিন ঐক্য বজায় রাখতে হবে।" তিনি সংগঠনের সাংগঠনিক শক্তিকে আরও সুসংহত করার আহ্বান জানান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দলের আদর্শ ও মূল লক্ষ্যকে সামনে রেখে গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে যুবদল সর্বদা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও যেকোনো রাজপথের লড়াইয়ে ও সাধারণ মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে দাঁড়াতে যুবদল প্রস্তুত থাকবে।
সংগঠনের অভ্যন্তরীণ ভিত্তি মজবুত করার তাগিদ দিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, যুবদলের নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সুদৃঢ় ঐক্য বজায় রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। পাশাপাশি দেশ ও জনগণের কল্যাণে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সংগঠনের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভক্ষণে নরসিংদী জেলা যুবদলের এই নেতা যুবদলের উত্তরোত্তর সাফল্য, রাজনৈতিক সমৃদ্ধি এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় সরকারি রাস্তার পাশের বন বিভাগের গাছ অবৈধভাবে কেটে বিক্রির মামলায় ১ নম্বর আসামি মো. হাবিবুর রহমান ডাকুয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে উপজেলার উত্তর ভিটাবাড়িয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হাবিবুর রহমান ডাকুয়া উত্তর ভিটাবাড়িয়া গ্রামের মৃত সুলতান ডাকুয়ার ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, উত্তর ভিটাবাড়িয়া এলাকায় সরকারি রাস্তার পাশের বন বিভাগের ১৩টি গাছ অবৈধভাবে বিক্রি ও কেটে নেওয়ার অভিযোগে ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আল মাসুদ বাদী হয়ে ভাণ্ডারিয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় হাবিবুর রহমান ডাকুয়া, বেলাল হোসেন আকন, মো. হালিম ও আঃ আলিম কে আসামি করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, আসামিরা গাছগুলো আব্দুল আলিম নামের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন। গত বুধবার (২১ অক্টোবর) গাছ কাটার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসান অভিযান চালিয়ে কাটা গাছগুলো জব্দ করেন। এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক ছিলেন।
ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, সরকারি গাছ কাটার মামলায় এক নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মোঃ তরিকুল ইসলাম
ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর।
০১৭১০০২০৩৮২
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের শ্রীবরদীর শালমারা গ্রামে দাফনের জন্য আলাদা জায়গা না থাকায় বসতঘরের ভেতরেই কবর দেওয়া হয়েছে ৭০ বছর বয়সী করিম মিয়াকে। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে মারা যান তিনি। আজ সোমবার সকাল ১০টায় জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হয়। এখন ওই ঘরের এক পাশে তাঁর কবর, অন্য পাশে বসবাস করছেন স্ত্রী সাজেদা খাতুন (৬০)।
করিম মিয়া শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার তাতিহাটি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শালমারা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বড় মেয়ে কোতুলী বেগম জানান, তাঁর বাবা দীর্ঘদিন পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়ে ঘরে পড়ে ছিলেন। চিকিৎসার খরচ জোগাতে বাবার থাকার ঘরসহ তিন শতাংশ জমি ফুফুর কাছ থেকে কিনে নেন তিনি। জমিটি কেনার পরও ঘরটি তাঁর বাবা-মায়ের বসতবাড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
কোতুলী বেগম বলেন, ‘আমরা দুই ভাই-বোন ঢাকায় বাসাবাড়িতে কাজ করি। বাবাকে কবর দেওয়ার মতো কোনো জায়গাজমি আমাদের নেই। তাই বাধ্য হয়ে ঘরের ভেতরে কবর দিতে হয়েছে। সরকারি কবরস্থান থাকলে সেখানে দাফন করতে পারতাম। কিন্তু আমাদের এখানে সেই ব্যবস্থা নেই।’
স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ মিয়া জানান, একসময় করিম মিয়ার জায়গাজমি ও প্রতিপত্তি ছিল। অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার খরচ জোগাতে তাঁকে জমি বিক্রি করতে হয়।
করিম মিয়ার দুই মেয়ে ও এক ছেলে। এক মেয়ে ও ছেলে ঢাকায় থাকেন, অন্য মেয়ে থাকেন স্বামীর বাড়িতে। তাঁর স্ত্রী সাজেদা খাতুন এখনো ওই ঘরেই বসবাস করছেন। ঘরের এক পাশে স্বামীর কবর, অন্য পাশে তাঁর থাকার জায়গা।
পরিবারের ভাষ্য, এলাকায় সরকারি কবরস্থানের ব্যবস্থা থাকলে করিম মিয়াকে সেখানে দাফন করা সম্ভব হতো।
‘কাকে ভোট দিলাম’ বলে লাইভে ক্ষোভ, সেই নারী কারাগারে ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর সদর উপজেলার কানাশাখোলা বাজার এলাকা থেকে একটি দেশি কড়ি কাইট্টা উদ্ধার করায় সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম রাজুর মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা রিশাকে পুরস্কৃত করলেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। ২৬ অক্টোবর সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে তিনি এ পুরস্কার প্রদান করেন।শেরপুর বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন্ এর নির্বাহী পরিচালক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. মুগনিউর রহমান মনি বলেন, প্রকৃতি ও পরিবেশ বন্ধু এবং মানবিক জেলা প্রশাসক রিশার মহৎ কাজের জন্য যে প্রশংসা পুরস্কারটি দিলেন তা এ ধরণের ভালো কাজে এগিয়ে আসতে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করবে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে সবসময় সাধ্যমতো এ ধরণের ভালো কাজের পাশে দাড়ানো উচিত। ছোট ছোট পায়ে আমরা এভাবেই একদিন লক্ষ্যে পৌছতে পারবো। প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশের বন্ধু এবং মানবিক জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, আমার মধ্যেও রিশার মতো ছোট্ট একটা শিশু বাস করে। রিশার মতো শিশুরা আমাদের প্রেরণা হয়ে উঠুক। সমাজে রিশার মতো আরো অনেক শিশুর জন্ম হোক। অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী রিশার প্রাণ ও প্রকৃতির প্রতি প্রেম, দায়িত্ব এবং সচেতনতাবোধ আমাকে আপ্লুত ও বিস্মিত করেছে। যদিও রিশা আরো বড়ো পুরস্কার পাওয়ার দাবীদার। কিন্তু আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এরপরেও তাকে এবং সমাজের অন্য সবাইকেই প্রাণ ও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা এবং সহমর্মিতার বিষয়ে আরো উদ্বুদ্ধ করতেই তাকে ডেকে এনে আমরা তার কাজের প্রশংসা করেছি এবং ছোট্ট হলেও একটি পুরস্কার দিতে পেরেছি, এটি করতে পেরে আমাদের ভালো লেগেছে। উল্লেখ্য, ২৪ অক্টোবর শনিবার রাতে রিশা তাদের বাড়ি যাওয়ার রাস্তায় দেশি কড়ি কাইট্টাটিকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে রিশার বাবা সাংবাদিক রাজু বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ ও পরিবেশবাদী সংগঠনের কর্মকর্তাদের খবর দিলে তাঁরা ঘটনাস্থলে এসে তা জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে একটি চিঠি দিয়েছেন এক নারী, যেখানে তিনি স্বামীর জন্য একটি ভালো চাকরি এবং মানসিক শান্তি কামনা করেছেন। ওই চিঠিতে স্বামীর কর্মসংস্থান এবং মানসিক প্রশান্তির জন্য প্রার্থনা করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে মাজারের দানবাক্স ও ডেকচির টাকা পঞ্চমবারের মতো গণনা করা হয়। এ সময় টাকা ও বৈদেশিক মুদ্রার পাশাপাশি ভক্তদের লেখা বিভিন্ন চিঠি পাওয়া যায়। এসব চিঠিতে অনেকেই তাদের ব্যক্তিগত দুঃখ-কষ্ট, প্রার্থনা ও শুভকামনা তুলে ধরেছেন।
এক নারীর চিঠিতে স্বামীর চাকরি ও মানসিক শান্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, ‘হে শাহজালাল রহমাতুল্লাহি আলাইহি, আপনার উছিলায় আমার আহাল (স্বামী)-উনাকে একটা ভালো চাকরি দিন এবং উনার মানসিক শান্তি দান করুন।’
চিঠিতে ওই নারী তার নাম বা ঠিকানা উল্লেখ করেননি। স্বামীর পরিচয় কিংবা চাকরির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যও পাওয়া যায়নি।
এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর, মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে গঠিত কমিটির সভায় দানের অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দানের অর্থের ৩৫ শতাংশ মাজারের উন্নয়নকাজে ব্যয় করা হবে। বাকি ৬৫ শতাংশ ব্যবহার করা হবে দৈনন্দিন খরচ ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ