প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিয়া গোয়েল চেতন চৌধুরীর সঙ্গে প্রেম করতেন। কিন্তু তার পরিবার বিয়ের জন্য ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে তার বিয়ের আয়োজন করেছিল। পরিবার মনমতো না থাকলেও সিয়ার সাহস ছিল না ‘না’ বলার। তাই বাগদান ও বিয়ের আয়োজন চলছে বলে দেখা যাচ্ছিল। তবে এই সমস্তের পেছনে তার মনে ছিল ভয়াবহ একটি পরিকল্পনা।
পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে বরকে হত্যা করার চিন্তাই সিয়ার কাছে ছিল সহজ। পনেরো দিন আগে, অর্থাৎ গত ১৮ জুন, প্রেমিক চেতন চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে কেতনকে হত্যা করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন সিয়া। তারা পুনের লোহাগড় দুর্গে কেতনকে ধাক্কা দিয়ে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে দিতে সক্ষম হন।
এদিকে, চেতন চৌধুরী সিয়ার কাছে বিয়ের জন্য ৩ বছরের সময় চেয়েছিলেন, যাতে ব্যবসা গুছিয়ে নিতে পারেন। সিয়ার পরিকল্পনা ছিল, যদি কেতন দুর্ঘটনায় মারা যান, তাহলে তাদের প্রেমের মাঝে কোনো বাঁধা থাকবে না। তার পরিবার শোকে কাতর হয়ে গিয়ে আর সিয়ার বিয়ের কথা তুলবেন না। এভাবে চেতন তার ব্যবসা গোছাতেন এবং সিয়াও নিজের বেকারির ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে যেতেন। তাদের বিশ্বাস ছিল, তিন বছরে তারা সংসার শুরু করার জন্য প্রস্তুত হবে।
কেতন আগরওয়াল পুনের একটি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী পরিবারের সদস্য ছিলেন। তিনি সাকসেস গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা বিশাল আগরওয়ালের পুত্র ছিলেন। বিদেশে পড়াশোনা শেষে ভারতে ফিরে এসে তিনি বাবার ব্যবসায় সহায়তা করার পাশাপাশি সাকসেস গ্রুপের পরিচালক এবং চিফ মার্কেটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ফেব্রুয়ারিতে সিয়া ও কেতনের বাগদান হয় এবং নভেম্বরের জন্য জয়পুরে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল। বিয়ের জন্য ১৭ কোটি রুপিতে একটি প্রাসাদ বুক করা হয়েছিল। কেতন সিয়ার জন্য ১ কোটি রুপি শপিংয়ের জন্য দিয়েছেন, কিন্তু সে পুরো টাকাই প্রেমিক চেতন চৌধুরীর হাতে তুলে দেয়। সিয়া এই টাকায় চেতনের ব্যবসা বড় করার পরিকল্পনায় ছিল।
কিন্তু তাদের নিখুঁত পরিকল্পনার পরও পরিস্থিতি তাদের পক্ষে নেই। কেতনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে এবং সিয়া ও চেতন এখন পুলিশ রিমান্ডে আছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন