১০:৫৯ এম
গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইরান আর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে কোনো হামলা চালায়নি। কিন্তু লেবাননে ইসরায়েলের ধারাবাহিক সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে বলে মনে করা হচ্ছে যে, তেহরান তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে। স্থানীয় সময় রবিবার দিবাগত রাতে, ইসরায়েলের একটি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান।
এর জবাবে, ইসরায়েল ইরানের রাজধানী তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহানে ‘আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। ইসরায়েলের এই পাল্টা অভিযান শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরই, ইয়েমেন থেকেও ইসরায়েলের দিকে মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই, মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে তার পর পরই, দেশটির আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না
এদিকে, ইরানের হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলকে পাল্টা হামলা না চালানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। ইরানের সঙ্গে স্থায়ীভাবে সংঘাত বন্ধের বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে, এই কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আশা করি ইসরায়েল পাল্টা জবাব দেবে না। যদি নেতানিয়াহু পাল্টা আঘাত করেন, তাহলে গত ৪৭ বছর কিংবা গত ৩ হাজার বছরের মতো সংঘাত চলতেই থাকবে।
যদিও ট্রাম্পের এই আহ্বানে সাড়া দেননি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলের পাল্টা হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইতার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ইরান আজ ইসরায়েলের দিকে ১১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র শত শত মানুষের জীবন কেড়ে নিতে পারতো। আত্মসম্মানবোধ আছে এমন কোনো দেশ এই ধরনের আক্রমণ মেনে নেবে না, এবং ইসরায়েলও মেনে নেয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন