প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর, রাজধানী তেহরানের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব আগত ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে অনির্দিষ্টকালের জন্য।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, তারা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগামী সব ফ্লাইট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এদিকে, ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তেহরান অঞ্চলের দুটি প্রধান বিমানবন্দরের একটি। কিছু সপ্তাহের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে এটি বন্ধ থাকার পর চলতি বছরের এপ্রিলে পুনরায় চালু করা হয়েছিল। সন্তোষজনকভাবে, সাম্প্রতিক ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর, দেশটির আকাশপথ ও বিমান চলাচল নিয়ে একটি নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র হামলাটির জবাবে পশ্চিম ও মধ্য ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু করেছে। এই হামলার আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ইরানের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা না চালানোর অনুরোধ করেছিল বলে একাধিক সংবাদমাধ্যম জানায়।
ফক্স নিউজের রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রাম্প ইরানকে বার্তা দিয়েছেন, 'এবার যথেষ্ট হয়েছে।' ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে প্রতিহত করা হয়েছে।
এর আগে রবিবার, ইসরায়েল লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাংশে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। এর পর ইরান তাদের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুমকি দেয় এবং তাই দু-এক ঘণ্টার মধ্যেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের প্রধান উদ্বেগ হলো, ইসরায়েলের পাল্টা হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনাকে ভেস্তে দিতে পারে। বর্তমানে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, এবং নতুন সামরিক উত্তেজনা সেই প্রচেষ্টাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনাক্রমে মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা বেড়ে গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন