ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনের লক্ষ্যে খুলনায় মঙ্গলবার একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত


জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনের লক্ষ্যে খুলনায় মঙ্গলবার একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

যথাযোগ্য মর্যাদায় আগামী ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আজ মঙ্গলবার একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল।

সভায় জানানো হয়, দিবসটি উপলক্ষে ৫ আগস্ট সকাল নয়টায় নগরীর শিববাড়ি মোড়ে জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সুবিধাজনক সময়ে মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন: আদা-রসুনের ঝাঁজ বেড়েছে, অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম আগের মতোই

সুবিধাজনক সময়ে নগরীসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যেমন শিববাড়ি মোড়, শহিদ হাদিস পার্ক, ময়লাপোতা মোড়, জোড়াগেট, গল্লামারী খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা, জিরোপয়েন্ট, কুয়েট সংলগ্ন এলাকা, রূপসা মোড়, নতুন রাস্তাসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করা হবে। দুপুরের সময় হাসপাতাল, জেলখানা, বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানা, ডে-কেয়ার, শিশু বিকাশ কেন্দ্র, শিশু পরিবার, পথশিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানগুলিতে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হবে।

শিক্ষার্থীদের জন্য চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।

এছাড়া বেলা ১১টায় খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে নিহত শহিদ পরিবারের সদস্য, আহত ছাত্র-জনতা ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা, জুলাই স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ ইমরান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মমিনুর রহমান, অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) অমিত কুমার বর্মন, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার (রুটিন দায়িত্ব) মো. মেহেদী হাসান এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জুলাই যোদ্ধা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন: নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পলাশ গ্রেফতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় রাতের ঢাকায় কমেছে ছিনতাই-ডাকাতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


বিশ্বকাপ উন্মাদনায় রাতের ঢাকায় কমেছে ছিনতাই-ডাকাতি

ঢাকায় গভীর রাত একসময় ছিল ছিনতাই, চুরি অথবা হামলার আতঙ্ক। বিশেষ করে মোহাম্মদপুর, আদাবর, মিরপুর ও কামরাঙ্গীরচরের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চলাচল কমে যেত, এবং অপরাধের শঙ্কা বাড়ত। তবে চলমান ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে রাজধানীতে দেখা গেছে এক নতুন দৃশ্য। রাতের খেলা দেখতে মানুষের উপস্থিতি বেড়েছে, আর এর ফলে রাস্তার অপরাধও কমেছে।

পুলিশ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি, হামলা এবং ডাকাতির অভিযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। কিছু থানার কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, জুন মাসে তাদের এলাকায় ছিনতাই কিংবা ডাকাতির কোনো মামলা হয়নি।

বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো অধিকাংশ সময় গভীর রাতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা বিভিন্ন এলাকার মধ্যে বড় পর্দায় খেলা দেখার ব্যবস্থা করেছে। এসব স্থানে রাতভর মানুষের ভিড় রয়েছে। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও টহল জোরদার করেছে। ফলে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সুযোগ কমিয়ে দিয়েছে।

মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, “আগে রাত ১২টার পর বের হতে ভয় লাগত। এখন দেখি ভোর ৪টা পর্যন্ত মানুষ চায়ের দোকানে, মাঠে বা বড় পর্দার সামনে খেলা দেখছে। রাস্তাও অনেক বেশি সচল মনে হয়।”

আদাবরের এক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের সময় এলাকায় মানুষের আনাগোনা এত বেশি যে অপরাধীদের জন্য সুযোগ তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, “অপরাধীরা সাধারণত নির্জন জায়গা খোঁজে। এখন রাতেও তেমন নির্জনতা নেই।”

আরো অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে শুধু দর্শকের ভিড়ই নয়, বিভিন্ন জায়গায় পুলিশি নজরদারিও বৃদ্ধি পেয়েছে। খেলা দেখার ভেন্যুগুলোতে এবং আশপাশের এলাকায় নিয়মিত টহল দেওয়া হচ্ছে। অনেক সময় স্থানীয় বাসিন্দারাও স্বেচ্ছায় নিরাপত্তা নজরদারিতে যুক্ত হচ্ছেন।

তবে এই পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কতাও রয়েছে। অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে অপরাধ কমার চিত্রটি বিশ্বকাপ-নির্ভর একটি সাময়িক প্রবণতা হয়ে থাকতে পারে। কারণ, সংঘবদ্ধ অপরাধীরা পরিস্থিতি বুঝে তাদের কার্যক্রমের সময় ও কৌশল পরিবর্তন করতে পারে।

একজন নিরাপত্তা বিশ্লেষক মন্তব্য করেন, “মানুষের উপস্থিতি এবং পুলিশের দৃশ্যমান টহল অপরাধ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। বিশ্বকাপ সেটি প্রমাণ করেছে। কিন্তু টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর যদি একই মাত্রার নজরদারি ও জনসম্পৃক্ততা না থাকে, তাহলে পুরোনো অবস্থায় ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।”

পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, বিশ্বকাপ চলাকালে পাওয়া অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে। জনসমাগম, কমিউনিটি নজরদারি এবং নিয়মিত টহল একসঙ্গে কাজ করলে নগর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ভালো ফলাফল হতে পারে।

বিশ্বকাপের উন্মাদনা শেষ হলে অপরাধের চিত্র কেমন দাঁড়াবে, সেটি এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে আপাতত ফুটবলের রাতগুলো রাজধানীর অনেক বাসিন্দার কাছে শুধুমাত্র বিনোদনের নয়, বরং নিরাপত্তার নতুন এক অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকির সতর্কবার্তা ব্রাজিলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকির সতর্কবার্তা ব্রাজিলের

ব্রাজিলের দুটি বড় অপরাধী চক্রকে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করায় দেশটিতে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকি বেড়েছে বলে ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো ভিয়েইরা সতর্ক করেছেন। সোমবার এএফপি’র হাতে আসা কংগ্রেসে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি এ সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

গত মে মাসের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র 'রেড কমান্ড' (সিভি) এবং 'ফার্স্ট ক্যাপিটাল কমান্ড' (পিসিসি)-কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে নেওয়া এ পদক্ষেপের কারণে বামপন্থি প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার সরকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

ব্রাসিলিয়া থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে। গত বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো ভিয়েইরা চিঠিতে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা এ তালিকাভুক্তিকে ব্রাজিলের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে, বিশেষ করে আর্থিক, অভিবাসন এবং অপরাধ দমন সংক্রান্ত ক্ষেত্রে, দেশের সীমানার বাইরে পদক্ষেপ নেওয়ার যৌক্তিকতা হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘এ ছাড়া ব্রাজিলের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি ব্যবহারের ঝুঁকিও রয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্তির ঘোষণা দেওয়ার সময় সিভি ও পিসিসিকে ‘ব্রাজিলের সবচেয়ে সহিংস দুটি অপরাধী সংগঠন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘তাদের প্রভাব ও অবৈধ নেটওয়ার্ক শুধু ব্রাজিলেই সীমাবদ্ধ নয়। তা পুরো অঞ্চলজুড়ে ও আমাদের দেশেও বিস্তৃত।’

ব্রাজিলে ডানপন্থি বিরোধীরা ওয়াশিংটনের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারকে অপরাধ দমনে নমনীয় থাকার অভিযোগ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ওয়াশিংটন মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন সংগঠনকেও সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।

শুল্ক ইস্যুতেও দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। কথিত অন্যায্য বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অভিযোগে তদন্তের পর ট্রাম্প প্রশাসন আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ব্রাজিলের বিভিন্ন পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেবে। তবে ব্রাজিল সরকার আনীত এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহিপুর থানাকে প্রশাসনিক উপজেলা ঘোষণার প্রস্তুতির খবরে উপকূলে উৎসবের আমেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৪ পি.এম


মহিপুর থানাকে প্রশাসনিক উপজেলা ঘোষণার প্রস্তুতির খবরে উপকূলে উৎসবের আমেজ

পটুয়াখালীর মহিপুর থানাকে প্রশাসনিক উপজেলা হিসেবে ঘোষণার প্রস্তুতির খবর আসার পর কুয়াকাটা উপকূলের সাধারন মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

জানা গেছে, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে মহিপুরকে উপজেলা ঘোষণা করার বিষয়ে কথা বলেছেন।

নির্বাচনের পর, ৫ জুন, স্থানীয় সাংসদ প্রধানমন্ত্রী বরাবর মহিপুর থানাকে প্রশাসনিক উপজেলা হিসেবে ঘোষণার জন্য আবেদন করেন। এরপর, ৭ জুন, প্রধানমন্ত্রীর এসাইনমেন্ট অফিসার-১ মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল স্বাক্ষরিত একটি পত্রে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এর ফলস্বরূপ, কলাপাড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত হতে যাচ্ছে প্রশাসনিক মহিপুর উপজেলা।

প্রসঙ্গত, মহিপুর দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। ২০১৬ সালে থানা প্রতিষ্ঠার পর থেকে এলাকার প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। এখানে দেশের অন্যতম বৃহত্তম মৎস্য বন্দর, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, ব্যাংক, বীমা, কারখানা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন রয়েছে।

এছাড়া, কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রের মহিপুর থানা এলাকায়। কুয়াকাটায় খাসজমি নেই বললে চলে, যা কিছু আছে তাহার সরকারি রেট অনেক বেশি। কিন্তু মহিপুর প্রচুর খাসজমি রয়েছে, যেখানে উপজেলার সকল সরকারি দপ্তর প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে।

যদি প্রয়োজন হয়, তাহলেও সরকারি রেট অনেক কম। পর্যটন কেন্দ্র ও মৎস্য বন্দর কেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় মহিপুরকে প্রশাসনিক উপজেলা ঘোষণা করা এখন সময়ের দাবি।

মহিপুর থানা পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশাসনিক থানা। ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি মূলত কলাপাড়া উপজেলার দক্ষিণাংশে অবস্থিত কুয়াকাটা পর্যটন এলাকা এবং তৎসংলগ্ন ইউনিয়নগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত।

ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো হেদায়েত উল্লাহ বলেন, মহিপুর উপজেলা হলে আমাদের ইউনিয়নের বহু উন্নয়ন হবে। এই স্থানটি সকল ইউনিয়ন ও কুয়াকাটা পৌরসভার মাঝখানে, আমাদের ইউনিয়নের কাছে। সকল ইউনিয়নের দাপ্তরিক কাজ সারতে অনেক সুবিধা হবে।

ধুলাসার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফেজ আ: রহিম বলেন, কলাপাড়া উপজেলা আমাদের ইউনিয়ন থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরত্ব আর মহিপুর ৫ কিলোমিটার। গ্রামের মানুষ হেটে গিয়েও সরকারি দাপ্তরিক কাজ সারতে পারবে। মহিপুর উপজেলা হলে আমাদের ইউনিয়নের অবকাঠামোগত অনেক উন্নয়ন হবে।

লতাচাপলী ইউপি চেয়ারম্যান মো মিজানুর রহমান বলেন, মহিপুর-আলিপুর (লতাচাপলী ইউপি) নদীর এপার ওপার, এই দুটি মৎস্য বন্দর। আমাদের জনগণের বেশি সুবিধা হবে মহিপুরকে উপজেলা করা হলে। আমরা ব্রিজ পার হলেই উপজেলা পরিষদ। কুয়াকাটা একটি সাইডে, দেশের দক্ষিণের শেষ সীমায় এবং আলিপুর থেকে অনেক দূরত্বে।

সদর মহিপুর ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, মহিপুর বন্দর ভৌগোলিক সীমানায় এই থানার মধ্যে রয়েছে। এটি অনেক পুরনো মৎস্য বন্দর। এই স্থানটি কুয়াকাটা পৌরসভা, ধুলাসার ইউনিয়ন, ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন, লতাচাপলী ইউনিয়নের মধ্যিখানে মহিপুর থানা। মহিপুর থানাকে উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হলে এলাকার মানুষ অনেক উপকৃত হবে।

মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড, শাহজাহান পারভেজ বলেন, মহিপুর থানাটি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা আমাদের জাতীয় সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি সাহেবের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। জনগণ আমাদের সেইভাবেই ভোট দিয়েছে। কলাপাড়া উপজেলা শহর মহিপুর থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরত্বে। তাই মহিপুর থানার সকল ইউনিয়ন ও পৌরসভার জনস্বার্থে মহিপুরকে উপজেলায় বাস্তবায়ন করা খুবই জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এআই থেকে ‘ঘাতক রোবট’: বৈশ্বিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গড়ার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৪ পি.এম


এআই থেকে ‘ঘাতক রোবট’: বৈশ্বিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গড়ার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির প্রেক্ষাপটে এর বৈশ্বিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

তিনি সতর্ক করে বলেছেন, বেসামরিক ব্যবহারের জন্য তৈরি ক্রমবর্ধমান শক্তিশালী এআই চিপ এখন যুদ্ধক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ‘ঘাতক রোবট’ ইতোমধ্যেই বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে।

নিউইয়র্ক থেকে জাতিসংঘ জানায়, সোমবার (৬ জুলাই) জেনেভায় অনুষ্ঠিত প্রথম ‘জাতিসংঘ গ্লোবাল ডায়ালগ অন এআই গভর্ন্যান্স’-এ বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের জন্য এআই প্রযুক্তির সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি হতে হবে ‘বৈশ্বিক আস্থার উপযোগী’। যেখানে নিরাপত্তা, বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা, সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে, যাতে তারা ডিজিটাল কারসাজি ও অপব্যবহার থেকে সুরক্ষিত থাকে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি আনালেনা বেয়ারবকও একই আহ্বান জানিয়ে বলেন, এআইয়ের ‘অশুভ’ দিক মোকাবিলায় সম্মিলিত পদক্ষেপ প্রয়োজন।

তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ডিপফেক কনটেন্টের ৯৯ শতাংশই যৌন প্রকৃতির এবং এর ৯৬ শতাংশ নারী ও কিশোরীদের লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়।

গুতেরেস বলেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এআই প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা বৈশ্বিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার অন্যতম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সব এআই ডেটা সেন্টারকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিচালিত করারও আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, এআই ‘আমাদের সবার ভবিষ্যতের কেন্দ্রবিন্দুতে’ অবস্থান করছে। তবে এমন ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে ‘যন্ত্র তথ্য দিতে পারে, কিন্তু সিদ্ধান্ত নেবে এবং জবাবদিহি করবে মানুষ।’

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০১৭ সালেই তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এআই নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন। এরপর গত তিন বছরে এআই অর্থনীতি ও সমাজে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে, ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয়ভাবেই।

এই প্রেক্ষাপটে এআই নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে জাতিসংঘ সোমবার জেনেভায় প্রথম ‘গ্লোবাল ডায়ালগ অন এআই গভর্ন্যান্স’ আয়োজন করে। এতে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, গবেষক, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং শিল্পীরাও অংশ নেন। পরবর্তী বৈশ্বিক সংলাপ ২০২৭ সালের মে মাসে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

জাতিসংঘের ডিজিটাল ও উদীয়মান প্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ দূত আমানদীপ সিং গিল বলেন, ‘এআই এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, এটি কয়েকজনের হাতে গড়ে ওঠা উচিত নয়। আমাদের এমন একটি বৈশ্বিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও তথ্যভিত্তিক আলোচনা প্রয়োজন।’

এআইবিষয়ক স্বাধীন আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্যানেলের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইয়োশুয়া বেনজিও বলেন, প্রযুক্তিটির উন্নয়নের গতি কমার কোনো লক্ষণ নেই।

তিনি সতর্ক করে বলেন, সাম্প্রতিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, অত্যাধুনিক এআই মডেল মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতে পারে এবং কখন তাদের পরীক্ষা করা হচ্ছে, সেটিও বুঝতে সক্ষম।

তার ভাষায়, ‘এটি শুনতে বিজ্ঞান কল্পকাহিনির মতো মনে হলেও এটি বাস্তব সম্ভাবনা। এটি এমনভাবে বিশ্বকে বদলে দিতে পারে, যার পরিণতি আমরা এখনো পুরোপুরি বুঝতে পারিনি।’

সূত্র: এএফপি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%