ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দক্ষিণ কোরিয়ায় ৪ মরদেহ উদ্ধারে উন্মোচিত বড় পুলিশি কেলেঙ্কারি, দেশজুড়ে ক্ষোভ


দক্ষিণ কোরিয়ায় ৪ মরদেহ উদ্ধারে উন্মোচিত বড় পুলিশি কেলেঙ্কারি, দেশজুড়ে ক্ষোভ

দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু দ্বীপে তিন দিনের মধ্যে চারজন নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনার পর পুলিশের বিরুদ্ধে নথি জালিয়াতির একটি বড় কেলেঙ্কারি প্রকাশ পেয়েছে।

বিশাল এই পুলিশি কেলেঙ্কারির কারণে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

দেশটির একটি জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চারজন নিখোঁজ মানুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

তদন্তে জানা গেছে, এক পুলিশ কর্মকর্তা প্রায় ২৯৮টি নিখোঁজ ডায়েরি মিথ্যা তথ্য দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছিলেন, কোনো ধরনের খোঁজখবর না নিয়ে।

ওই কর্মকর্তা দাবি করেছিলেন যে, তিনি নিখোঁজ ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেছেন, কিন্তু বাস্তবে এর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

পুলিশের এই দায়িত্বহীনতা ও অসদাচরণের কারণে দক্ষিণ কোরিয়াজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তাদের প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ুং পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রমে বড় ধরনের সংস্কার আনার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও, দেশব্যাপী নিখোঁজ ডায়েরিগুলোর রেকর্ড পুনরায় পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

 

আরও পড়ুন: লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরছেন ১৭২ বাংলাদেশি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা কারাগারে

সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা কারাগারে

রাজধানীর গুলশান থানার প্রতারণা মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মরহুম হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা এরশাদকে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালত এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ গোলাম মুর্তুজা ইবনে ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার বল হাতে চমক দেখালেন সূর্যবংশী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


এবার বল হাতে চমক দেখালেন সূর্যবংশী

ব্যাট হাতে বিধ্বংসী পারফরম্যান্সে ইতোমধ্যেই ক্রিকেটবিশ্বের নজর কেড়েছেন ভারতের তরুণ ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশী। এবার বল হাতেও নিজের প্রতিভার ঝলক দেখালেন ১৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। দলীপ ট্রফিতে পূর্বাঞ্চলের হয়ে বাঁহাতি স্পিনে মাত্র চার বলের ব্যবধানে তুলে নেন দুটি উইকেট।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জোনের বিপক্ষে ম্যাচে ব্যাট হাতে বড় কিছু করতে না পারলেও বল হাতে দ্রুতই ম্যাচে প্রভাব ফেলেন সূর্যবংশী। তার প্রথম শিকার কিশান লিনডো। একটু ফুলার লেংথের বল খেলতে গিয়ে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে বড় শটের চেষ্টা করেন তিনি। তবে ব্যাটে ঠিকমতো সংযোগ না হওয়ায় বল উঠে যায় পয়েন্টে, যেখানে সহজ ক্যাচ নেন ফিল্ডার।

এর মাত্র তিন বল পরই আবার সাফল্যের দেখা পান সূর্যবংশী। তুলনামূলক দ্রুতগতির একটি বলে প্রতিপক্ষ ব্যাটারকে চাপে ফেলেন তিনি। ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটকিপার ঈশান কিশানের হাতে। পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা কিশান সেটি নিরাপদে তালুবন্দি করলে একই ওভারে নিজের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন তরুণ এই স্পিনার।

এর আগে পূর্বাঞ্চলের হয়ে ইনিংসের শুরুতে ব্যাট করতে নেমেছিলেন সূর্যবংশী। শুরুটাও ছিল আগ্রাসী। মাত্র ছয় বলে ৮ রান করেন তিনি, যেখানে ছিল দুটি বাউন্ডারি। তবে ভালো শুরু পেলেও ইনিংসটি বড় করতে পারেননি।

নতুন মৌসুমের শুরুতেই দলীপ ট্রফির মতো দীর্ঘ ফরম্যাটের ক্রিকেটে খেলছেন সূর্যবংশী। টি-টোয়েন্টির দ্রুতগতির ক্রিকেট থেকে লাল বলের ক্রিকেটে তার এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এর পাশাপাশি মাত্র ১৫ বছর বয়সেই পূর্বাঞ্চল দলের সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি, যা তার প্রতি দলের আস্থারই প্রমাণ।

আইপিএল ও ভারতের হয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে আলোচনায় উঠে এসেছেন সূর্যবংশী। এবার বল হাতে এক ওভারে দুই উইকেট নিয়ে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, তার প্রতিভা শুধু ব্যাটিংয়েই সীমাবদ্ধ নয়।

বোলিং ভবিষ্যতে তার নিয়মিত অস্ত্র হয়ে উঠবে কি না, তা এখনই বলার সময় হয়নি। তবে দলীপ ট্রফিতে বল হাতে এই ঝলক দেখিয়ে ১৫ বছর বয়সী সূর্যবংশী যে নিজের ক্রিকেটীয় দক্ষতার নতুন একটি দিক তুলে ধরলেন, তা বলাই যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিকের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে বড় সুখবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


প্রাথমিকের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে বড় সুখবর

প্রাথমিকের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে বড় সুখবর

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজারের বেশি শূন্য প্রধান শিক্ষক পদ পূরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা কাটিয়ে উঠেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মাঠ পর্যায়ে গ্রেডেশন তালিকা তৈরির কাজ বর্তমানে চলছে।

 

তালিকা যাচাই-বাছাই ও অভিযোগ নিষ্পত্তির পর তা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) পাঠানো হবে। পিএসসির অনুমোদন পাওয়া গেলে সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে এ প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক মীর আব্দুল আউয়াল আল মেহেদী বলেন, ‘মামলার জটিলতা ছিল।

 

সেই মামলার জটিলতা নিষ্পত্তি হয়েছে। এখন মাঠ পর্যায়ে পদোন্নতির জন্য গ্রেডেশন তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। বাকি কাজ শিগগিরই শেষ হবে।’

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে দীর্ঘদিন ধরে বড় ধরনের শূন্যতা বিদ্যমান রয়েছে।

 

জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে এসব পদে বড় পরিসরে পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না।

২০১৩ সালে সারাদেশে বিপুলসংখ্যক বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সরকারি চাকরিতে অন্তর্ভুক্ত করার পর তাদের চাকরিকাল, জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। এসংক্রান্ত বিধিমালার জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতির বিধান চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা হলে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া আটকে যায়।

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর চলতি বছরের ২ জুলাই আপিল বিভাগ জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি সংক্রান্ত বিধানের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করেন।

 

এর ফলে হাইকোর্টের রায়ের কারণে তৈরি হওয়া আইনি জটিলতার অবসান ঘটে এবং প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির পথ খুলে যায়।

তবে আদালতের রায়ের পর সরাসরি পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে না। প্রথমে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে গ্রেডেশন তালিকা তৈরি করা হবে। এরপর তালিকা নিয়ে কোনো আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে তা নিষ্পত্তির সুযোগ দেওয়া হবে।

মীর আব্দুল আউয়াল আল মেহেদী বলেন, ‘গ্রেডেশন তালিকা আমরা অনলাইনে উন্মুক্ত করে দিয়েছি। এখন বিভিন্ন ইউনিটে এটি প্রস্তুত করা হচ্ছে। তালিকা তৈরির পর একটি নোটিশ দেওয়া হবে।’

তিনি জানান, তালিকা নিয়ে অভিযোগ জানানোর জন্য ৩০ কর্মদিবস সময় দেওয়া হবে। এ সময়ের মধ্যে কোনো অভিযোগ না এলে তালিকাটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে। এরপর মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তা পিএসসিতে পাঠানো হবে। পিএসসির অনুমোদন পাওয়া গেলে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া যাবে।

বর্তমান নিয়োগবিধি অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদের ৮০ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে এবং ২০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করার বিধান রয়েছে। পদোন্নতির ক্ষেত্রে সহকারী শিক্ষক পদে অন্তত ১২ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতাসহ নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণের শর্ত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে চার খুন : আদালতে সীমান্তের জবানবন্দি, নজরদারিতে শ্মশানকর্মী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৫২ পি.এম


রংপুরে চার খুন : আদালতে সীমান্তের জবানবন্দি, নজরদারিতে শ্মশানকর্মী

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামির বন্ধু সীমান্ত চন্দ্র দাস আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় রংপুরের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

সীমান্ত চন্দ্র দাস নগরের মাছুয়াপাড়া এলাকার সুবাস চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি এ মামলায় গ্রেফতার প্রধান দুই আসামি মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের বন্ধু।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের ওসি জিন্নত আলী বলেন, মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে সাক্ষী সীমান্তের জবানবন্দির মিল রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রাতে আসামিরা সীমান্তের বাসায় গিয়ে মাদক সেবন করেছিল বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। সীমান্তও আদালতে একই তথ্য জানিয়েছেন। তার জবানবন্দি রেকর্ড করার পর তাকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।

এর আগে, মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেফতারের পর সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার আবদুল মাবুদ জানিয়েছিলেন, হত্যাকাণ্ডের রাতে ওই দুই আসামি সীমান্তের বাসায় গিয়ে মাদক সেবন করেছিল।

এদিকে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য নগরীর দখিগঞ্জ শ্মশানের এক কর্মীর ওপর নজরদারি রাখা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ। মামলার তদন্তের স্বার্থে আপাতত ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়নি।

তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নত আলী বলেন, শ্মশানকর্মীকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। মামলার বিষয়ে তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রস্তুতি চলছে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে পুলিশ বাড়ির তালা ভেঙে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫২), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করে। গণপতি চক্রবর্তীর মরদেহ ছিল ছাদে, প্রীতিলতার মরদেহ সিঁড়িতে, মেয়ের মরদেহ সিঁড়ির কাছে এবং ছেলে প্রিয়মের মরদেহ দোতলার শোয়ার ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় পরদিন রবিবার ভোরে মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে ও নগরীর সিটি বাজারের মাছের দোকানের কর্মচারী মুগ্ধ দাস (২৩) এবং বিনয় চন্দ্র দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) গ্রেফতার করে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%