১২:৩১ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সম্পর্কে আপত্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদানের অভিযোগে এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইনি নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। এর সাথে সাথে ঢাবির গবেষণা তহবিলে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে জমা দেয়ার জন্যও দাবি জানানো হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৩৩তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী তন্ময় কুমার সাহা নোটিশটি পাঠিয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১ জুলাই ডাকসু কার্যালয়ে আয়োজিত ‘বাঙালি মুসলমানের জাগরণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে অবমাননাকর, বিদ্বেষপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য করেছেন।
আরও পড়ুন: সৌদি এয়ারলাইনসের যাত্রীদের লাগেজ হারানোর অভিযোগ দাখিলের আহ্বান
তিনি অভিযোগ করেছেন, গত ৫০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের অবদান প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন, তাদের জাতীয় ক্ষতির জন্য দায়ী করে দেখিয়েছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশে বিদ্বেষমূলক ও বিভাজন সৃষ্টিকারী বক্তব্য প্রদান করেছেন। এসব বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, নোটিশে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে ফুয়াদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি এবি পার্টির মহাসচিবকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার বিতর্কিত বক্তব্য নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার করে মূলধারার ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করার জন্য বলা হয়েছে।
এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার দায়ে দৃষ্টান্তমূলক ও শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০০ কোটি টাকা ঢাবি গবেষণা তহবিলে জমা দেয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। যাতে এই অর্থ একাডেমিক উন্নয়ন ও জাতীয় সমৃদ্ধির কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে জনস্বার্থে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন (পিআইএল) দায়ের করা হবে।
আরও পড়ুন: বিসর্জনে শুধু সনাতনীদেরই প্রতিমা ছোঁয়ার নির্দেশ, অস্পৃশ্যতা ফেরানোর অভিযোগ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন