শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:২০ এম
ইসরাইলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন শহরের উপকণ্ঠে গোলাবর্ষণ করেছে।
এ তথ্য লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) প্রকাশ করেছে।
সংস্থাটি জানায়, নাবাতিয়েহ জেলার মায়ফাদুন ও জাওতার আশ-শারকিয়াহ শহরের নিকটবর্তী এলাকায় থেমে থেমে গোলাবর্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া, ইসরাইল সীমান্তের কাছাকাছি দক্ষিণাঞ্চলের বারাআচিট ও ওয়াদি আল-সালুকি শহরের আশপাশেও গোলা নিক্ষেপ করেছে ইসরাইলি বাহিনী।
এর আগে বারাআচিট ও হাদাথা শহরে হামলার ঘটনা ঘটেছিল বলে এনএনএ জানিয়েছে।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, খিয়াম শহরে ইসরাইলি বাহিনী তল্লাশি অভিযানকে জোরদার করেছে। এসব ঘটনার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ইতালি দেশটিতে সব ধরনের ভ্রমণ স্থগিত রাখতে নাগরিকদের জন্য একটি কড়া সতর্কতা জারি করেছে। একই সঙ্গে, সৌদি আরবের বিমানবন্দর ব্যবহার না করে প্রতিবেশী দেশগুলোর বিমানবন্দর ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার হালনাগাদ করা এক ভ্রমণ সতর্কবার্তায় ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাগরিকদের সৌদি আরবে সব ধরনের ভ্রমণ পিছিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি, সৌদি আরবের ভূখণ্ডে অবস্থিত বিমানবন্দরগুলো এড়িয়ে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সৌদি আরবের ভেতরে বা দেশটির সীমান্ত পেরিয়ে জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করতে হলে আকাশপথের বিকল্প পরিবহন ব্যবহার করা উচিত।
ইতালির যেসব নাগরিক ইতোমধ্যে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন, তাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে যেখানে আছেন, সেখানেই নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া, ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাগরিকদের সামরিক ও নিরাপত্তা স্থাপনার কাছাকাছি না যেতে সতর্ক করেছে। জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামো এবং সামরিক তৎপরতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোও এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাজান, নাজরান ও আসির প্রদেশে ভ্রমণের বিরুদ্ধেও ইতালি কঠোর সতর্কতা জারি করেছে। বিশেষ করে ইয়েমেন সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে যাতায়াত না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এক শতাব্দীরও বেশি সময় আগে, যখন ইসলাম এবং মুসলিম বিশ্বের জীবনযাত্রা জাপানের মানুষের কাছে ছিল অনেকটাই অজানা, তখন কয়েকজন জাপানি ধর্মীয় বিশ্বাস, জ্ঞান এবং অনুসন্ধিৎসা নিয়ে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য নাম হলো ওমর ইয়ামাওকা এবং শোতারো নোদা। ১৯০৯ সালে পবিত্র মক্কায় হজ পালনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে ইয়ামাওকা ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নেন।
ঐতিহাসিক নথি অনুযায়ী, ১৮৯১ সালে ইস্তাম্বুলে ইসলাম গ্রহণ করে শোতারো নোদা জাপানের প্রথম নথিভুক্ত মুসলিম হিসেবে পরিচিত হন।
১৯০৯ সালে জাপান থেকে পবিত্র মক্কার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন ওমর ইয়ামাওকা। ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হজ পালন করার উদ্দেশ্যে তিনি এই সফর শুরু করেন। তাঁকে প্রথম জাপানি হজযাত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই সফরটি জাপান ও মুসলিম বিশ্বের ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। সে সময় জাপানের মানুষের কাছে ইসলাম সম্পর্কে জানার সুযোগ ছিল তুলনামূলকভাবে সীমিত।
মুসলিম বিশ্বের ধর্মীয় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং জীবনযাত্রা সম্পর্কে অনেকেরই প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ছিল না। এই পরিস্থিতিতে ইয়ামাওকার হজযাত্রা ছিল ভৌগোলিক দূরত্ব অতিক্রম করে একটি ভিন্ন ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক জগতের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
হজ শেষে ১৯১০ সালে জাপানে ফিরে আসেন ইয়ামাওকা। পরে ১৯১২ সালে তিনি তাঁর ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে জাপানি ভাষায় একটি বই রচনা করেন। এই বইয়ের মাধ্যমে জাপানি পাঠকরা তাঁর সফর, আরব অঞ্চল এবং পবিত্র স্থানগুলো সম্পর্কে জানার সুযোগ পান।
সে সময় বিদেশি ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক জীবন সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বিবরণ পাঠকদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করত। ইয়ামাওকার ভ্রমণবৃত্তান্তও জাপানি সমাজের কাছে মুসলিম বিশ্বের পরিচিতি তুলে ধরার ক্ষেত্রে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।
জাপান ও মুসলিম বিশ্বের সম্পর্ক তখন ধীরে ধীরে বিস্তৃত হচ্ছিল। বিভিন্ন দেশের ভ্রমণকারী, ইসলামী পণ্ডিত এবং ইসলাম গ্রহণকারী ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা ও লেখালেখি জাপানের মানুষের সামনে ইসলামের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য তুলে ধরতে সাহায্য করে। ইয়ামাওকার হজযাত্রা এবং পরবর্তী সময়ে তাঁর ভ্রমণবৃত্তান্ত প্রকাশ এই ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যদিও ওমর ইয়ামাওকা প্রথম জাপানি হজযাত্রী হিসেবে পরিচিত, তবে জাপানের প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী ব্যক্তি হিসেবে তাঁর নাম উল্লেখ করা হয় না। ঐতিহাসিক নথিপত্রের ভিত্তিতে পরিচালিত গবেষণা অনুযায়ী, শোতারো নোদার নাম এই ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নোদা ছিলেন একজন জাপানি সাংবাদিক।
১৮৯১ সালে তিনি অটোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী ইস্তাম্বুলে যান। সেখানে অবস্থানকালে তিনি তুর্কি ভাষা, অটোমান ইতিহাস এবং ইসলাম সম্পর্কে অধ্যয়ন করেন। ঐতিহাসিক বিবরণ অনুযায়ী, একই বছর তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং আব্দুলহালিম নাম ধারণ করেন।
এক শতাব্দীরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁদের জীবনকাহিনি জাপান ও মুসলিম বিশ্বের ঐতিহাসিক সম্পর্ক বোঝার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্গাপূজার বিসর্জনের সময় শুধুমাত্র ‘সনাতন ধর্মে’ বিশ্বাসী ব্যক্তিরা প্রতিমা স্পর্শ করার অনুমতি পাবেন। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই নির্দেশের ফলে রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক এবং সামাজিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীরা অভিযোগ করেছে যে, এর মাধ্যমে রাজ্যে অস্পৃশ্যতা বা ছোঁয়াছুঁয়ির প্রথা পুনরায় চালু করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
টাইমস অফ ইন্ডিয়া সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার হুগলি নদীর তীরে বাবুঘাট পরিদর্শনের সময় মুখ্যমন্ত্রী এই নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি দাবি করেছেন যে, এই নির্দেশের পেছনে কোনো সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্য নেই এবং বিসর্জনের আচার-অনুষ্ঠানের পবিত্রতা রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যে, প্রতিমা বিসর্জনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের একটি রেকর্ড রাখা হবে। তিনি বলেন, ‘যারা সনাতন ধর্মে বিশ্বাস করেন, কেবল তারাই প্রতিমা স্পর্শ করবেন। আমি সিপি-কে বলেছি যারা এখানে আসছেন, তাদের নাম রেকর্ড করতে হবে। তাদের পরিচয়ও নিশ্চিত করতে হবে।’
মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘পবিত্রতা রক্ষায় আমাদের হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসা ঐতিহ্য, শাস্ত্র ও নিয়ম মেনে চলতে হবে।’ এই মন্তব্যের ফলে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধী দলের নেতারা তার বিরুদ্ধে ধর্মীয় বিভাজন তৈরি এবং সাংবিধানিক নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন।
সিপিএমের সাবেক সংসদ সদস্য বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য প্রশ্ন তুলেছেন, ‘তার (অধিকারী) কাছে কি কোনো তালিকা আছে কে সনাতনী আর কে নন? তিনি কি ব্যাখ্যা করতে পারবেন কীভাবে কেউ সনাতনী হয়ে ওঠেন? তার কাছে কোনো উত্তর নেই।’ তিনি আরো অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি আরএসএসের এজেন্ডা বাস্তবায়নের পথে হাঁটছেন।
পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা সুমন রায় চৌধুরী মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি ভারতের বহুত্ববাদের সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেছেন, ‘এতটা সংকীর্ণ কিন্তু হিন্দুধর্ম নয়, হিন্দুধর্ম উদার। আপনি কি ধর্ম দেখে দেখে, জাতপাত দেখে দেখে, দেখতে যাবেন, এ ছোঁবে, এ ছোঁবে না। শ্রীরামকৃষ্ণ এ কথা বলে যাননি। স্বামী বিবেকানন্দ এই হিন্দুত্ব দেখিয়ে যাননি। শ্রী চৈতন্য দেব এই হিন্দুত্ব দেখিয়ে যাননি।’
এর আগে ঐতিহ্য বজায় রাখার কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন যে বিসর্জনে ক্রেন ব্যবহার করা হবে না, পরিবর্তে ট্রলি ব্যবহার করা হবে এবং ডিজে গান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।
তবে এই নির্দেশনা কলকাতার দুর্গাপূজার মণ্ডপ ও বিসর্জন ঘাটগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে বজায় থাকা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং দরিদ্র দিনমজুরদের জীবিকার ওপর বড় আঘাত হয়ে আসতে পারে। প্রতিবছর প্রতিমা তৈরি, মণ্ডপ নির্মাণ থেকে শুরু করে বিশেষ করে ভারী প্রতিমা বহন এবং গঙ্গায় বিসর্জনের কাজে যুক্ত থাকেন হাজার হাজার দিনমজুর। বিসর্জন ঘাটগুলোতে এই ভারী প্রতিমা কাঁধে নেওয়া ও নদীতে নামানোর কাজে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া বহু মুসলিম ধর্মাবলম্বী দিনমজুরের পাশাপাশি আদিবাসী ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত অ-সনাতনী শ্রমিকেরা কাজ করে থাকেন। পারিশ্রমিকের বিনিময়ে বংশপরম্পরায় এই শ্রম দিয়ে পরিবার চালান তারা।
কলকাতা পৌর করপোরেশনের (কেএমসি) তথ্য অনুযায়ী, শহরের বিভিন্ন বিসর্জন ঘাটে এই শ্রমিকেরাই প্রতিবছর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পূজা আয়োজক কমিটিগুলো যদি মুখ্যমন্ত্রীর এই সামাজিক নির্দেশ মেনে চলে, তবে এই শ্রমিকদের একটি বিশাল অংশ বিসর্জনের কাজে অংশ নিতে পারবে না। ফলে উৎসবের মৌসুমে তাদের নিশ্চিত উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাবে।
ইতোমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে কলকাতা পৌর করপোরেশন ও স্থানীয় প্রশাসনের অন্দরে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। অ-সনাতনী এই দিনমজুরেরা যদি কাজ হারান, তবে বিসর্জনের ঘাটে তাদের বিকল্প হিসেবে কাদের নিয়োগ দেওয়া হবে কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের জীবিকার বিষয়ে সরকারের নীতি কী হবে সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ১০ অক্টোবর হামলার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সৌদি এয়ারলাইনসের যাত্রীদের মধ্যে যারা এখনো তাদের লাগেজ পায়নি, তাদের জন্য অনলাইনে হারানো লাগেজের অভিযোগ দাখিলের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট যাত্রীরা সৌদি এয়ারলাইন্সের নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করে হারানো লাগেজের অভিযোগ দাখিল করতে পারবেন।
যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা রয়েছে যে, তারা https://mybag.aero/baggage/#/pax/saudia/en-gb/main-menu লিংকে প্রবেশ করে ‘লস্ট ব্যাগেজ ক্লেম’ বা হারানো লাগেজের অভিযোগ জমা দিতে হবে।
বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য এয়ারলাইন্সের যাত্রীদের লাগেজ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেলে তা যথাসময়ে জানানো হবে।
এদিকে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে। দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৩, ২৪ ও ২৫ অক্টোবর ঢাকা–দাম্মাম রুটের ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
সেই সাথে চলমান হামলার পরিস্থিতি বিবেচনায় ঢাকা–রিয়াদ রুটের সব ফ্লাইট আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সটি।
বৃহস্পতিবার রাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২১ অক্টোবর রাতে সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পর যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দাম্মামগামী ফ্লাইটগুলো স্থগিত করা হয়েছে। একই কারণে রিয়াদগামী ফ্লাইটও ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্থগিত ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও সংশোধিত সময়সূচি যথাসময়ে জানানো হবে। তবে, ঢাকা থেকে সৌদি আরবের জেদ্দা ও মদিনাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলবে।
জরুরি প্রয়োজনে দাম্মাম ও রিয়াদগামী যাত্রীরা আসন খালি থাকা সাপেক্ষে জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যেতে পারবেন। একইভাবে এসব বিমানবন্দর দিয়ে দেশে ফিরতেও পারবেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ