ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যেকোনো ধরনের অবৈধ পুশইন ও পুশব্যাকের বিরোধী আমরা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


যেকোনো ধরনের অবৈধ পুশইন ও পুশব্যাকের বিরোধী আমরা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, সীমান্তে সকল ধরনের অবৈধ পুশইন ও পুশব্যাকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কথা। মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই মন্তব্যটি করেন।

মন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ব্যাপক পুশইন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাইলে তিনি জানান, বর্ডারে আমাদের বিজিবি অ্যালার্ট অবস্থায় আছে। আমরা নিশ্চিত করছি যে, আমরা যে কোনো রকমের অবৈধ পুশইন ও পুশব্যাকের বিপক্ষে অবস্থান নিচ্ছি। যদি কোনো কারণে বাংলাদেশি নাগরিক ওই দেশে গিয়ে থাকে, তাদের ন্যাশনাল আইডি ভেরিফিকেশন করা হলে আমরা এটাকে ন্যাশনাল আইডি ভেরিফিকেশন বলব। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে যদি আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সেরকম কোনো তালিকা প্রেরণ করা হয়, তাহলে তারা আইনানুগভাবে রিপ্যাট্রিয়েশন প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করবে। তবে বর্তমানে আমাদের কাছে এরকম কোনো বিষয় পেন্ডিং অবস্থায় নেই।

এ সময়ে জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের নির্মূলের জন্য বিশেষ অভিযানের প্রশ্ন এসে তার কাছে জানতে চাওয়া হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের পরিকল্পনা এখনই ফাঁস করতে চাই না। কারণ তথ্য ফাঁস হলে আমাদের রেসকিউ অভিযান ও অপারেশনে বিশাল অসুবিধা হতে পারে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, যারা জঙ্গল সলিমপুরে বসবাস করছেন, তারা সরকারি খাস জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে বসতি স্থাপন করেছেন এবং আমরা বলেছি তাদের উচ্ছেদ করা হবে না। যদি সেখানে কোনো সরকারি স্থাপনা গড়ে ওঠে, তখন পরিস্থিতি অনুযায়ী তাদের পুনর্বাসন করা হবে। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই সেখানে সন্ত্রাসীদের আস্তানা থাকতে দেওয়া হবে না এবং তা নির্মূল করা হবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের সমস্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মোহাম্মদপুরের এই সমস্যা দীর্ঘদিনের। ওই এলাকা এখন অপরাধপ্রবণ হয়ে পড়েছে। রাতারাতি এটি নির্মূল করা সম্ভব নয়, কিন্তু আমরা পরিকল্পনার ভিত্তিতে এগোচ্ছি। সেখানে আমাদের বিশেষ নজর রয়েছে। মাদকের বিস্তারও সেখানে বেশি হচ্ছে, আমরা মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনও সংস্কার করছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সন্দেহে মেহেরপুরে নারী-পুরুষকে গাছে বেঁধে মারধর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সন্দেহে মেহেরপুরে নারী-পুরুষকে গাছে বেঁধে মারধর

মেহেরপুরে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগে একটি গৃহবধূ এবং এক যুবককে রশি দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১ জুন) সকাল নয়টার দিকে সদর উপজেলার রাজনগর গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

নির্যাতনের শিকার নারী একজন প্রবাসীর স্ত্রী এবং তাঁর চার বছর বয়সী একটি সন্তান আছে। যুবকটি একই এলাকার বাসিন্দা ও পেশায় একজন ব্যবসায়ী।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গৃহবধূ এবং ব্যবসায়ীর মধ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক আছে এমন অভিযোগ তুলে সোমবার সকাল ৯টার সময় গ্রামের একদল লোক তাঁদের দুজনকে ধরে নিয়ে আসেন। এরপর গ্রামের একটি পেয়ারাগাছের সঙ্গে তাঁদের হাত বেঁধে রাখা হয়। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ৫ মিনিট ২১ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, গাছের সঙ্গে অসহায় অবস্থায় বাঁধা ওই দুই ব্যক্তিকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে বেশ কয়েকজন মারধর করছেন। অনেকেই তাঁদের চড়-থাপ্পড় মারছিলেন। এ সময় তাঁরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বাঁচার আকুতি জানান। কিন্তু কেউ তাঁদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেনি। তখন অনেককে দাঁড়িয়ে মুঠোফোনে এই দৃশ্য ধারণ করতে দেখা যায়।

অন্য একটি স্থানীয় গৃহবধূ দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, নির্যাতনের সময় ভুক্তভোগী নারী তাঁর শিশু সন্তানটিকে জড়িয়ে ধরেছিল। নির্যাতনের শিকার নারী দৈনিক ইনকিলাবকে জানান, বকেয়া টাকা নিতে ওই যুবক এসেছিল। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাঁদের ঘর থেকে টেনে বের করে আনে। ঘর থেকে বের করার সময় তাঁদের মুখে ও ঘাড়ে চড়-থাপ্পড় মারা হয়েছে। লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়েছে। মারধরের সময় যুবকেরা আনন্দ করছিল। এখন শুনছি এলাকার মাতবরেরা সালিশ করে বিচার করবে আমাদের।

নির্যাতনের শিকার যুবক এই ঘটনার পর ভয়ে এলাকার বাইরে অবস্থান করছেন বলেও জানান তাঁর চাচাতো ভাই। তিনি বলেন, যেভাবে তাঁদের মারধর করা হয়েছে, তা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে হার মানায়। এগুলো পরিকল্পিতভাবে সামাজিকভাবে হেয় করতে ও অর্থদণ্ড আদায়ের জন্য করা হয়েছে। যদি আইনের শাসন থাকত, তবে এসব করার চিন্তাও কেউ করতে পারত না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। ঘটনাটি অত্যন্ত বর্বর ও অমানবিক। খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে এই নির্যাতনের সঙ্গে যারা জড়িত, তাঁদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামী ব্যাংক চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


ইসলামী ব্যাংক চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন

চট্টগ্রামে গ্রাহকেরা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নগরের আগ্রাবাদে ইসলামী ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গ্রাহকেরা অভিযোগ করেছেন, ব্যাংকের বর্তমান পরিচালনা ব্যবস্থা এবং গ্রাহকদের স্বার্থের কথা চিন্তা করে চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে অপসারণ করা প্রয়োজন। এই অবস্থায় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, ইসলামী ব্যাংকে সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্রাহকদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। ব্যাংকের স্বার্থ এবং আমানতকারীদের প্রত্যাশা হচ্ছে যে দ্রুত চেয়ারম্যানকে অপসারণ করা হবে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কর্মসূচিতে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের নেতৃবৃন্দ ছাড়া আরও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গ্রাহক অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ডবলমুরিং থানার পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। পরে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলে আন্দোলনকারীরা স্থান ত্যাগ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন চেয়ারম্যান অপসারণের দাবিতে রাজশাহীতে ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


নতুন চেয়ারম্যান অপসারণের দাবিতে রাজশাহীতে ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

রাজশাহীতে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।  এটি ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর আলুপট্টি মোড়ে এই মানববন্ধন কর্মসূচিটি পালন করা হয়। মানববন্ধনে ব্যাংকের গ্রাহক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ইসলামী ব্যাংকে গ্রাহকদের আস্থা ও স্বার্থকে উপেক্ষা করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বক্তারা দাবি করেন, নতুন চেয়ারম্যানকে অপসারণ করে ব্যাংককে প্রকৃত অর্থে জনগণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, রাতারাতি ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তন করে দায়িত্ব পাওয়া এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অতীতে আর্থিক অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এই কারণে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে নিজেদের আমানতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এছাড়া বক্তারা বলেন, আমরা ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক। আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ এই ব্যাংকে গচ্ছিত রয়েছে। অতীত বিতর্কিতদের হাতে ব্যাংকের দায়িত্ব তুলে দিলে গ্রাহকদের স্বার্থ হুমকির মুখে পড়বে। এ আমরা এ নিয়োগ বাতিল করে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানাই। তারা আরো বলেন, বর্তমান দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। গ্রাহকদের আমানত রক্ষা ও ব্যাংকের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলারও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন অধ্যাপক সারওয়ার জাহান প্রিন্স, মাওলানা নুরুজ্জামান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, কামরুজ্জামান সোহেল ও ফরিদ উদ্দিন আখতার সহ অন্যান্য বক্তাগণ। মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা তাদের দাবির পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং ইসলামী ব্যাংকের সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবাননে শান্তিরক্ষী সদস্য রাখা অপরিহার্য: গুতেরেস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩০ পি.এম


লেবাননে শান্তিরক্ষী সদস্য রাখা অপরিহার্য: গুতেরেস

জাতিসংঘ প্রধান আন্তোনিও গুতেরেস সোমবার বলেছেন, লেবাননে চলতি বছর জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনের মেয়াদ শেষ হলেও দেশটিতে শান্তিরক্ষী সদস্যদের উপস্থিতি বজায় রাখা অপরিহার্য। তবে এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের চাপে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সিদ্ধান্ত নেয় যে লেবাননে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনীর (ইউনিফিল) মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। তবে একই সঙ্গে নিরাপত্তা পরিষদ গুতেরেসকে ১ জুনের মধ্যে এমন কিছু বিকল্প প্রস্তাব দেওয়ার অনুরোধ জানায়, যাতে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীরা লেবাননে থেকে যেতে পারেন। বিশেষ করে, ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘ব্লু লাইন’ পর্যবেক্ষণের জন্য শান্তিরক্ষী বাহিনীর উপস্থিতি জরুরি বলে উল্লেখ করা হয়।

লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যকার প্রকৃত সীমারেখা হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চল বর্তমানে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে সোমবার এএফপির জানায়, গুতেরেস তিনটি বিকল্প প্রস্তাব তুলে ধরেছেন। এ সব প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ ও লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীকে সহায়তার জন্য প্রায় ২ হাজার থেকে সাড়ে ৫ হাজারের বেশি জাতিসংঘ সদস্য মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রস্তাবিত সব বিকল্পের ক্ষেত্রেই উত্তেজনা প্রশমিত করা, সংলাপ, যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদার করা এবং লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীকে সহায়তা দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী সদস্যদের উপস্থিতি প্রয়োজন হবে। দীর্ঘমেয়াদে সংঘাতের স্থায়ী সমাধান অর্জনের লক্ষ্যেই এই উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শান্তিরক্ষী প্রত্যাহার নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারণ বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী কিছু এলাকা এখনো ইসরাইলি সেনাদের দখলে রয়েছে। একই সময়ে কয়েক দশকের বৈরিতা অবসানের লক্ষ্যে ইসরাইল ও লেবানন সরাসরি আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

বর্তমানে ইউনিফিলে প্রায় ৫০টি দেশের সাড়ে ৭ হাজার শান্তিরক্ষী সদস্য রয়েছেন। তারা দক্ষিণ লেবাননে ব্লু লাইনের কাছাকাছি এলাকায় মোতায়েন রয়েছে। ১৯৭৮ সাল থেকে ইউনিফিল লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে শান্তি বজায় রাখার জন্য কাজ করে আসছে। তবে তাদের উপস্থিতি সত্ত্বেও দুই পক্ষের মধ্যে বিভিন্ন সময় সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে।

লেবাননের একাধিক সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া বৈরুত সরকার ইউনিফিলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশটিতে জাতিসংঘের উপস্থিতি বজায় রাখার পক্ষে। জাতিসংঘে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত আহমদ আরাফা বলেন, ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতি লেবাননের জন্য জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে, একদিকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার নিশ্চিত করা ও অন্যদিকে পুরো ভূখণ্ডে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য এই সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।’ এ সময় তিনি গুতেরেসের প্রতিবেদনের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান।

জাতিসংঘে চীনের রাষ্ট্রদূত ফু কং বলেছেন, ‘ইউনিফিলের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে, তাই নিরাপত্তা পরিষদের উচিত দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নেওয়া, যাতে লেবাননে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর উপস্থিতি অব্যাহত থাকে এবং কোনো নিরাপত্তা শূন্যতা তৈরি না হয়।’ অন্যদিকে, গত আগস্টে ইউনিফিলের মেয়াদ বাতিলের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরাইল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%