ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফরিদপুরে শিশু সাব্বির হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড


ফরিদপুরে শিশু সাব্বির হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড

ফরিদপুরে ১৪ বছর বয়সী শিশু সাব্বিরের হত্যা মামলায় আরফিন মোল্লা (৩৫) নামের এক যুবককে আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) শরিফ উদ্দিন এ রায়টি ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আরফিন মোল্লা পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

আরও পড়ুন: রাবিতে ডেঙ্গু সচেতনতায় হাল্ট প্রাইজের নতুন কর্মসূচি

মামলার এজাহারের সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলি এলাকায় নাজমা বেগম তার ছেলে সাব্বিরকে নিয়ে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। একই বাড়িতে আরেক ভাড়াটিয়া ছিলেন আরফিন মোল্লা, যিনি মাদকাসক্ত ছিলেন।

একপর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আরফিনের বাসায় অভিযান চালালে, সে সন্দেহ করতে থাকে, সাব্বির পুলিশকে তার মাদক সেবনের তথ্য জানিয়েছে।

এই ঘটনার ফলে ২০২০ সালের ১৭ আগস্ট আরফিন মোল্লা সাব্বিরকে খাবার খাওয়ানোর কথা বলে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে তিনি ঝিলটুলি এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের ১২ তলায় সাব্বিরকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর তার মরদেহ সেখানে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।

এ ঘটনার পরদিন সকালে নির্মাণাধীন ভবনের শ্রমিকরা কাজ করতে গিয়ে সাব্বিরের মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় নিহতের মা নাজমা বেগম ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে সাজসজ্জায় দেবালয়ের পরেই কৈলাশ পূজামণ্ডপ

দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ এবং শুনানি শেষে আজ সোমবার আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) এস এম আজিজুর রহমান বিকু জানিয়েছেন, শিশু সাব্বির হত্যা মামলায় আদালত আসামি আরফিন মোল্লাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তুষ্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাহাড়িদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক প্রকল্প নেওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ পি.এম


পাহাড়িদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক প্রকল্প নেওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মন্তব্য করেছেন, অহেতুক প্রকল্প গ্রহণ না করে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

সোমবার রাজধানীর বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স ভবনের সভাকক্ষে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চলমান এবং ‘সবুজ পাতা’য় অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পসমূহের পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেছেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি হিসেবে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের কৃষি ও জনজীবনে পানির সংকট অন্যতম প্রধান সমস্যা। রাঙ্গামাটির দুর্গম এলাকায় স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে নারীদের প্রায় ১২০০ ফুট নিচে নেমে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হতো। এই বিষয়টি জানার পর তিনি রাঙ্গামাটির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের অবসান ঘটেছে।

তিনি অতীতে প্রকল্প গ্রহণ করেও অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর বাস্তবায়ন হয়নি উল্লেখ করে বলেন, স্থানীয় জনগণের প্রয়োজন ও বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে উন্নয়নের সুফল নিশ্চিত করতে হবে।

পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য কৃষি ও ফল প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সম্প্রসারণ, অর্গানিক ফলের বাগান বৃদ্ধি, কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ এবং ড্রাই ফ্রুটস প্রসেসিংয়ের উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রতিমন্ত্রী। এসব উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

শিক্ষার উন্নয়নে তিনি সেন্ট্রাল স্যাটেলাইটভিত্তিক মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালুর প্রস্তাবও তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, রেকর্ড করা পাঠের মাধ্যমে দুর্গম এলাকায় গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষকের সংকট অনেকাংশে দূর করা সম্ভব হবে। এ ধরনের উদ্যোগ ‘সবুজ পাতা’ কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য জেলা পর্যায়ের পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়েও খেলার মাঠ বা স্টেডিয়াম নির্মাণ এবং খেলোয়াড়দের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলে কোল্ড স্টোরেজ, স্বাস্থ্যসেবা, সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে সংশ্লিষ্টদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্তত পাঁচটি নতুন প্রকল্প প্রস্তাব করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, অতুল সরকার ও কাজী তোফায়েল হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, পার্বত্য তিন জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদরাসার বাথরুমে শিশুর মরদেহ, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ পি.এম


মাদরাসার বাথরুমে শিশুর মরদেহ, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

ঢাকার রায়েবাগের জোড়াখাম্বা এলাকার একটি মাদরাসার বাথরুম থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে একটি শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ। নিহত শিশুটির নাম মো. নাঈম শেখ, বয়স ১২ বছর। স্বজনদের ভাষ্য, তাকে বেত দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে রওজাতুল হাফিজিয়া মাদরাসার তৃতীয় তলার বাথরুম থেকে এই শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাদ্দাম হোসেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, খবর পাওয়া মাত্র দুপুর ২টার দিকে পুলিশ রায়েবাগ জোড়াখাম্বা রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদরাসার তৃতীয় তলার একটি ওয়াশরুম থেকে শিশুটির মরদেহ শোয়ানো অবস্থায় উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে তার শরীরে বেতের আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।

এসআই আরও বলেন, ‘মাদরাসা থেকে বলা হয়েছে শিশুটি ওয়াশরুমে শাওয়ারের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে তার শরীরে বেতের দাগও ছিল। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে আমরা তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে এসেছি, রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।’

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের স্ট্রেচারে শায়িত শিশুটির মরদেহ ঘিরে আহাজারি করছিলেন তার মা নাজমা বেগমসহ অন্যান্য স্বজনরা। এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে একজন স্বজন অভিযোগ করেন, ‘ওরে হুজুররা পিডায়া মারছে।’

শিশুটির মা নাজমা বেগম সন্তানের হাঁটুর নিচের আঘাতের দাগ দেখিয়ে দাবি করেন, তার ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না। তিনি বলেন, ‘ফাঁসি দিলে এক জায়গায় দাগ থাকত, সারা শরীরে না। আমার সন্তান হত্যার বিচার চাই।’

নিহতের মামা সুমন সাংবাদিকদের অভিযোগ করেন, ‘আমার ভাগিনা হেফজ পড়ত। গতকাল হুজুররা তাকে বেত দিয়ে মারধর করেছিলেন। ওই আঘাত সহ্য করতে না পেরে সে গলায় ফাঁস নিয়েছে।’

নাঈমের পিতা বাবু শেখ রিকশা চালান। নাঈম দুই ভাইয়ের মধ্যে বড়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দলে দলে ইসরাইল ছাড়ছেন নাগরিকরা, তিন বছরে দেশ ছেড়েছেন ২ লাখ ৭০ হাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ পি.এম


দলে দলে ইসরাইল ছাড়ছেন নাগরিকরা, তিন বছরে দেশ ছেড়েছেন ২ লাখ ৭০ হাজার

গত তিন বছরে প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার ইসরাইলি দেশ ছেড়েছে। ২০২৩ সাল থেকে শুরু হওয়া এই দেশত্যাগের প্রবণতা গত বছর রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছায়। নতুন এক সীমাক্ষার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ইসরাইলের প্রভাবশালী দৈনিক ইয়েদিওথ আহরোনোথ।

প্রতিবেদন মতে, তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালে অন্তত তিন মাস বা তার বেশি সময়ের জন্য ৮৬ হাজার ৫০৯ জন, ২০২৪ সালে ৯১ হাজার ৪৯৯ জন এবং ২০২৫ সালে ৯০ হাজার ৯২২ জন ইসরাইল ছেড়েছেন।

গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মোট প্রায় ২ লাখ ৬৯ হাজার ইসরাইলি দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশ ছেড়েছেন। অর্থাৎ, বছরে গড়ে প্রায় ৯০ হাজার মানুষ দেশত্যাগ করেছেন। অথচ ২০১০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে এই গড় ছিল বছরে প্রায় ৬০ হাজার।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদে দেশত্যাগকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ৮৩ হাজার ২১৯ জন, যা সাম্প্রতিক বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলার স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের অধ্যাপক ইতাই আটের বলেন, দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশ ছেড়ে যাওয়া ইসরাইলিদের সংখ্যা ‘গভীর উদ্বেগের বিষয়’। তার ভাষায়, ‘সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং দেশত্যাগের সংখ্যা বর্তমান পর্যায়ে স্থির না রেখে আরও বাড়তে থাকা।’

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের তুলনামূলক স্থিতিশীল অভিবাসন পরিস্থিতির পর এখন ভারসাম্যে স্পষ্ট পরিবর্তন এসেছে এবং দেশ ছেড়ে যাওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ইয়েদিওথ আহরোনোথ তাদের আগের একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে চিকিৎসক, পিএইচডি ডিগ্রিধারী, প্রকৌশলী, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও উচ্চ আয়ের পেশাজীবীদের দেশত্যাগও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

পত্রিকাটি বলেছে, ইসরাইলের অর্থনীতি প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নয়, বরং উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন মানবসম্পদ, বিশেষ করে হাই-টেক খাত এবং জ্ঞানভিত্তিক শিল্পের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। ফলে দক্ষ জনশক্তির দেশত্যাগ অর্থনীতির জন্য দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

এই গবেষণা এমন সময় প্রকাশিত হলো, যখন ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় চলমান যুদ্ধের পাশাপাশি লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন ও ইরানেও ইসরাইলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজা যুদ্ধে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯৬৬ জন ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছেন। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে ইসরাইলের মোট জনসংখ্যা এক কোটির বেশি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল হুন্ডি ও জুয়া: ফ্রিজ হচ্ছে আরও ১৪ হাজার এমএফএস অ্যাকাউন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ পি.এম


ডিজিটাল হুন্ডি ও জুয়া: ফ্রিজ হচ্ছে আরও ১৪ হাজার এমএফএস অ্যাকাউন্ট

অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল হুন্ডির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) নতুন করে প্রায় ১৪ হাজার মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিএফআইইউর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, গত এক মাসে প্রায় ১০ হাজার এমএফএস অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। এই ছাড়া একটি সংস্থার দেওয়া প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নতুন করে আরও ১৪ হাজার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এসব অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। বিএফআইইউ কর্মকর্তা বলেছেন, এমএফএস অ্যাকাউন্ট খোলা সহজ হওয়ায় চক্রগুলো দ্রুত সক্রিয় হয়ে উঠছে। তারা জানিয়েছেন যে, ইতোমধ্যে এসব চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে তথ্য পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে যেসব অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হচ্ছে, সেসব অ্যাকাউন্টধারীদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে যাতে ভবিষ্যতে নতুন কোনো এমএফএস অ্যাকাউন্ট খোলা না যায়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, গত ২৫ জুন জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছিলেন, অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল হুন্ডির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৫৫ হাজার এমএফএস অ্যাকাউন্টের লেনদেন স্থগিত বা ফ্রিজ করেছে বিএফআইইউ।

অনলাইন জুয়া বন্ধে সরকার গত ১০ এপ্রিল সাইবার সিকিউরিটি আইন, ২০২৬ জারি করে। ওই আইনের ২০ ধারায় অনলাইন জুয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য কোনো পোর্টাল, অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি বা পরিচালনা করা, অনলাইন জুয়ায় অংশ নেওয়া, এ ধরনের কার্যক্রমে সহায়তা বা উৎসাহ দেওয়া, জুয়ার বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়া এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জুয়া-সংশ্লিষ্ট প্রচার বা বিপণন করা হবে অপরাধ হিসেবে গণ্য।

এসব অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%