প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকার রায়েবাগের জোড়াখাম্বা এলাকার একটি মাদরাসার বাথরুম থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে একটি শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ। নিহত শিশুটির নাম মো. নাঈম শেখ, বয়স ১২ বছর। স্বজনদের ভাষ্য, তাকে বেত দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে রওজাতুল হাফিজিয়া মাদরাসার তৃতীয় তলার বাথরুম থেকে এই শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাদ্দাম হোসেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, খবর পাওয়া মাত্র দুপুর ২টার দিকে পুলিশ রায়েবাগ জোড়াখাম্বা রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদরাসার তৃতীয় তলার একটি ওয়াশরুম থেকে শিশুটির মরদেহ শোয়ানো অবস্থায় উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে তার শরীরে বেতের আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
এসআই আরও বলেন, ‘মাদরাসা থেকে বলা হয়েছে শিশুটি ওয়াশরুমে শাওয়ারের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে তার শরীরে বেতের দাগও ছিল। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে আমরা তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে এসেছি, রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।’
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের স্ট্রেচারে শায়িত শিশুটির মরদেহ ঘিরে আহাজারি করছিলেন তার মা নাজমা বেগমসহ অন্যান্য স্বজনরা। এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে একজন স্বজন অভিযোগ করেন, ‘ওরে হুজুররা পিডায়া মারছে।’
শিশুটির মা নাজমা বেগম সন্তানের হাঁটুর নিচের আঘাতের দাগ দেখিয়ে দাবি করেন, তার ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না। তিনি বলেন, ‘ফাঁসি দিলে এক জায়গায় দাগ থাকত, সারা শরীরে না। আমার সন্তান হত্যার বিচার চাই।’
নিহতের মামা সুমন সাংবাদিকদের অভিযোগ করেন, ‘আমার ভাগিনা হেফজ পড়ত। গতকাল হুজুররা তাকে বেত দিয়ে মারধর করেছিলেন। ওই আঘাত সহ্য করতে না পেরে সে গলায় ফাঁস নিয়েছে।’
নাঈমের পিতা বাবু শেখ রিকশা চালান। নাঈম দুই ভাইয়ের মধ্যে বড়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন