ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিরল রোগে আক্রান্ত অভিনেত্রী জেসমিন, ভর্তি হাসপাতালে


বিরল রোগে আক্রান্ত অভিনেত্রী জেসমিন, ভর্তি হাসপাতালে

ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী জেসমিন ভাসিন হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

দুবাই সফরের সময় তীব্র পেটের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসকেরা তার ক্ষুদ্রান্তরের (মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রের দীর্ঘতম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা পাকস্থলী এবং বৃহদন্ত্রের মধ্যে অবস্থান করে) শেষ অংশে একটি সংক্রমণ ধরা পড়ার কথা জানান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়টি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে।

জেসমিনের অসুস্থতার পর চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই ধরনের অন্ত্রের সংক্রমণ কোন আলাদা রোগ নয়। এর পিছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে।

আরও পড়ুন: ৩০ সেকেন্ডের অভ্যাসে মানসিক চাপ কমানো সম্ভব

Web-Image1

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের অন্ত্রের সংক্রমণজনিত রোগ, ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ, কিছু ভাইরাস, দীর্ঘ সময় ব্যথানাশক ওষুধ সেবন, যক্ষ্মা, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সমস্যা কিংবা বিরল পরিস্থিতিতে ক্যানসারের কারণে এই সংক্রমণ হতে পারে।

এই সমস্যার সাধারণ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে তলপেটের ডান পাশে তীব্র ব্যথা, ডায়রিয়া, বমি, বমি বমি ভাব, জ্বর, দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, ওজন কমে যাওয়া এবং কখনও মলের সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোগের সঠিক কারণ জানতে রক্ত পরীক্ষা, মল পরীক্ষা, অন্ত্র পরীক্ষা, বিশেষ কিছু স্ক্যান এবং প্রয়োজন হলে টিস্যু পরীক্ষা করা হয়।

আরও পড়ুন: খালি পেটে গরম পানির সঙ্গে মধু খেলে কী উপকারিতা হয়?

কারণ শনাক্ত হওয়ার পরেই চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়। যদি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে এই প্রদাহ হয়ে থাকে, তাহলে ওষুধে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে দীর্ঘমেয়াদি অন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগে নিয়মিত চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হতে পারে। জটিল পরিস্থিতিতে অস্ত্রোপচারও লাগতে পারে।

চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা হলো, সময়মতো চিকিৎসা না নিলে অন্ত্রে স্থায়ী ক্ষতি, পুষ্টির ঘাটতি, রক্তস্বল্পতা, ওজন কমে যাওয়া, অন্ত্রে বাধা সৃষ্টি বা অন্যান্য গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে।

তাই যদি কয়েকদিন ধরে তীব্র পেটব্যথা, ডায়রিয়া, বারবার বমি, জ্বর, মলে রক্ত, অস্বাভাবিকভাবে ওজন কমে যাওয়া বা পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন: যমুনার বুকে চায়না বাঁধের রূপালী উপাখ্যান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবৈধ অভিবাসীদের দেশ ছাড়ার সময়সীমার শেষ দিনে দক্ষিণ আফ্রিকাজুড়ে বিক্ষোভ, নিহত অন্তত ৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১০ এম


অবৈধ অভিবাসীদের দেশ ছাড়ার সময়সীমার শেষ দিনে দক্ষিণ আফ্রিকাজুড়ে বিক্ষোভ, নিহত অন্তত ৪

অবৈধ অভিবাসীদের দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বের হওয়ার জন্য বেঁধে দেওয়া সময়সীমার শেষ দিনে দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করেছেন অভিবাসীবিরোধী আন্দোলনের সমর্থকেরা।

মঙ্গলবারের এসব মিছিলে দেখা গেছে, অনেকের হাতে কাঠের লাঠি ও অন্যান্য অস্ত্র ছিল। বহু বিক্ষোভকারী জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। বিভিন্ন অঞ্চলে মিছিলকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, লুটপাট ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন দেশের বহু নাগরিক দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়ে চলে গেছেন। কয়েক মাস ধরে চলমান উত্তেজনা ও সহিংসতার কারণে হামলার আশঙ্কায় অনেক দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে বহু বিদেশি শ্রমিকও কাজে যাননি। সহিংসতায় অন্তত চারজন নিহত হওয়ার খবর এসেছে। এছাড়া হাজারো বিদেশি নাগরিককে নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছে এবং তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সম্পত্তিতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে।

অভিবাসীবিরোধী আন্দোলনের নেতারা জানিয়েছেন, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে বিক্ষোভ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে। বন্দরনগরী ডারবানের ‘মার্চ অ্যান্ড মার্চ’ সংগঠনের নেতা জাসিন্তা নগোবেসে বলেছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের সম্পদ ব্যবহার করে সব অবৈধ অভিবাসীকে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বের করে দিতে হবে। তার মতে, ভবন থেকে ভবন ঘুরে তাদের বের করে দেওয়া উচিত এবং তাদের দেশ ত্যাগ করতে হবে।

ডারবানের বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী ৩১ বছর বয়সী সিলিন্ডিলে খাবার বলেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার অনেক মানুষ কাজ পাচ্ছেন না। তার অভিযোগ, অবৈধ বিদেশিরা চাকরি নিয়ে নিচ্ছেন, যা ন্যায্য নয়।

আগামী নভেম্বরের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের আগে ভোট পাওয়ার জন্য কিছু রাজনীতিক বিদেশিবিদ্বেষকে উসকে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিবাসীরা এই সময়সীমাকে নিজেদের জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছেন। যদিও অনেক বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল, তবে বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্ন সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, লুটপাটের অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু তাদের পরিচয় বা মামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। দেশটির প্রধান বাণিজ্যিক শহর জোহানেসবার্গের উত্তরের উপশহর থেম্বিসায় দাঙ্গাকারীরা পুলিশ এবং সন্দেহভাজন অভিবাসীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়েছে। শহরের কেন্দ্রীয় ব্যবসা এলাকার কাছাকাছি কয়েকটি স্থানে গুলির শব্দও শোনা যায়। জাতীয় দৈনিক 'ডেইলি ম্যাভেরিক' জানিয়েছে, জোহানেসবার্গের পূর্বাঞ্চলের বেনোনিতে প্রায় ৫০০ বিক্ষোভকারী পুলিশের দিকে এগিয়ে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কিছু যান মোতায়েন করা হয়। পরে পুলিশ গুলি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ বিষয়ে পুলিশের একজন মুখপাত্রের কাছে মন্তব্য চাওয়া হলেও তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেননি। জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম এসএবিসি জানিয়েছে, সোয়েটো এলাকায় বিক্ষোভকারীরা বিদেশি নাগরিকদের অস্থায়ী বসতিতে লুটপাট চালিয়েছে। একইসাথে ডারবানের কাছে পিটারম্যারিটজবার্গে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ডারবান ও জোহানেসবার্গে অনেক বাড়ির মালিক হামলার আশঙ্কায় বিদেশি ভাড়াটিয়াদের বাধ্য করেছেন বাসা ছাড়তে। রয়টার্সের একজন প্রতিবেদক জানিয়েছেন, প্রায় ১০০ কঙ্গোর নাগরিক ডারবানের রাস্তায় রাত কাটাচ্ছিলেন। তাদের নেতা অভিযোগ করেন, তাদের জোরপূর্বক বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। ২০০৮ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় মাঝেমধ্যে অভিবাসীদের ওপর এমন হামলার ঘটনা ঘটছে। এসব হামলায় বৈধ ও অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য করা হয় না। তবে ‘মার্চ অ্যান্ড মার্চ’ সংগঠন বলছে, সাধারণ মানুষের হঠাৎ করে চালানো সহিংস হামলার দায় তাদের নয়। দুই সপ্তাহ আগে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংগঠনটির নেতা জাসিন্তা নগোবেসে বলেছেন, প্রতিটি এলাকায় গিয়ে মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

এই বিক্ষোভে মূলত দরিদ্র ও বেকার কয়েক হাজার দক্ষিণ আফ্রিকান অংশ নিচ্ছেন। তারা নিজেদের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সংকটের জন্য বিদেশিদের দায়ী করছেন। একজন সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাজার হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অভিবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে বলে সমালোচকদের অভিযোগ। তাদের মতে, এ কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দক্ষিণ আফ্রিকার ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। نেলসন م্যান্ডেলার সময় মানবাধিকার রক্ষাকারী দেশ হিসেবে যে সুনাম তৈরি হয়েছিল, সেটা এখন প্রশ্নের মুখে পড়েছে। আফ্রিকার অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা চাকরি নিয়ে নিচ্ছেন, অপরাধ বাড়াচ্ছেন এবং সরকারি সেবার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছেন। তবে সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, এসব অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বর্ণবাদ নীতির অবসানের তিন দশক পরও দক্ষিণ আফ্রিকায় বৈষম্য রয়ে গেছে। দেশটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ বেকার। তবুও আফ্রিকার সবচেয়ে বড় অর্থনীতি হওয়ায় কাজের আশায় প্রতিবছর বহু মানুষ সেখানে অভিবাসন করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পরিসংখ্যান সংস্থা স্ট্যাটসএসএর তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে প্রায় ৩০ লাখ অভিবাসী রয়েছেন। যা মোট জনসংখ্যার প্রায় চার শতাংশ। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এই হার খুব বেশি নয়।

পুলিশিং বিভাগের উপ-জাতীয় কমিশনার তেবেলো মোসিকিলি জানিয়েছেন, মার্চ মাস থেকে বিদেশিবিরোধী স্বঘোষিত রক্ষীবাহিনী সদস্যদের বিরুদ্ধে ১০৩টি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কিছু রাজনীতিবিদ সহিংসতার নিন্দা জানালেও বিক্ষোভকারীদের উদ্বেগকে সমর্থন করেছেন। সোমবার দেওয়া একটি বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বলেছেন, অবৈধ অভিবাসন নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষের উদ্বেগ বাস্তব এবং তাদের কথা শোনা উচিত। তবে তিনি আরো যোগ করেন যে, বিক্ষোভ করার অধিকার কাউকে অন্যকে ভয় দেখানো, হুমকি দেওয়া, ভাঙচুর করা বা সহিংসতা চালানোর অনুমতি দেয় না।

দক্ষিণ আফ্রিকার কর্মকর্তাদের মতে, অবৈধ অভিবাসনের ইস্যুতে পশ্চিমা অনেক দেশও একই ধরনের উত্তেজনার মুখে রয়েছে। বিভাজনমূলক রাজনীতি এবং ভুল তথ্যের প্রচার এই পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনা কমাতে কাতারে আমেরিকার গোপন চেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১১ এম


হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনা কমাতে কাতারে আমেরিকার গোপন চেষ্টা

হরমুজ প্রণালি সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান একটি বড় উত্তেজনা বিদ্যমান রয়েছে। এই উত্তেজনা কমিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে আমেরিকার প্রতিনিধি দল কাতারের রাজধানী দোহায় ইরানের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনা শুরু করেছে। যদিও সরাসরি কোনো বৈঠক হচ্ছেনা, তাদের চেষ্টা হচ্ছে পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং সিআইএ-র সাবেক কর্মকর্তা স্কট উইলিঙ্গার জানিয়েছেন, ভবিষ্যৎ সংকট এড়াতে যুক্তরাষ্ট্র এই কারিগরি আলোচনাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।

বর্তমানে ইরান কূটনৈতিক কৌশলে হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এখন চুক্তির মাধ্যমে প্রণালিতে ইরানের আসল ভূমিকা পরিষ্কার করার চেষ্টা করছে। ওয়াশিংটন আশা প্রকাশ করছে যে, কাতার ও অন্যান্য আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিলিত হয়ে একটি নতুন জোট গঠন সম্ভব হবে, যা এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করবে।

ইরানের প্রধান আলোচক এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ স্পষ্ট জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্ব অটুট থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তিতে জলপথের সেবামূল্যের ওপর ৬০ দিনের একটি সাময়িক ছাড় দেওয়া হয়েছে।

গালিবাফ বলেন, ‘এটি আমাদের নিজস্ব জলসীমা। যুক্তরাষ্ট্র যাতে দাবির মাধ্যমে না পারে যে ইরান এই জলপথকে সামরিকীকরণ করেছে, আমরা তাদের সেই সুযোগ দেব না।’

তিনি এটাও বলেছেন যে, কোনও অবস্থাতেই এই অবস্থান থেকে পিছু হটার ঘোষণা দেননি। তিনি এই জলপথকে সৃষ্টিকর্তার দেওয়া একটি উপহার এবং ইরানের ‘শক্তির সবচেয়ে বড় হাতিয়ার’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

উল্লেখযোগ্য যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গত মাসে হওয়া চুক্তিতে হরমুজ প্রণালি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। চুক্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ৬০ দিন এই পথ দিয়ে নিরাপদ এবং খরচ ছাড়াই বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করতে পারবে। জাহাজ চলাচলের সুবিধার জন্য আগামী ৩০ দিনের মধ্যে ইরান নিজ দায়িত্বে এই পথ থেকে সমস্ত মাইন বা বিস্ফোরক সরিয়ে ফেলবে। এছাড়া ভবিষ্যতে এই জলপথ কীভাবে পরিচালিত হবে, তা ঠিক করতে ইরান প্রতিবেশী ওমানসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারদের ইনজুরি, ব্রাজিল কোচের কপালে চিন্তার ভাঁজ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১২ এম


গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারদের ইনজুরি, ব্রাজিল কোচের কপালে চিন্তার ভাঁজ!

জাপানের বিপক্ষে জেতার পরও এবং জয়লাভ করলেও, ব্রাজিল কোচ কার্লো অ্যানচেলত্তি স্বস্তিতে নেই। নতুন করে ইনজুরিতে পড়েছেন ক্যাসেমিরো এবং লুকাস পাকেতা। এর পরেও, প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও প্রতিক্রিয়া দিতে পছন্দ করেন ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড। সেলেসাওদের উজ্জ্বীবিত করতে, প্রতি ম্যাচে গ্যালারিতে উপস্থিত থাকছেন দেশটির সাবেক তারকা ফুটবলারেরা। রোনালদো, কাফু ও অন্যান্যরা কুনিয়া এবং ভিনিদের নানা পরামর্শ দিচ্ছেন।

জাপানের বিপক্ষে জয়লাভের পরেও, ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়রা নির্ভার হতে পারছে না। রাউন্ড অব থার্টি টু-এর যে বাধা রয়েছে সেটি পেরোতে, সেলেসাওদের অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। সামনের পথটি যে সহজ নয়, সে বিষয়ে যথেষ্ট সতর্কতা দেখানো প্রয়োজন। গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারের ইনজুরির কারণে, কার্লো অ্যানচেলত্তির কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

আগে থেকেই সেরা কম্বিনেশন তৈরি করার জন্য কোচকে খুব কষ্ট করতে হচ্ছে। বারবার প্লেয়ারদের পজিশন পরিবর্তন করে গেম প্ল্যান সামাল দিতে হচ্ছে। ম্যাচ বাই ম্যাচ তো বটেই, এটা নিশ্চিত যে, একটি ম্যাচ চলাকালীনও ফুটবলারের পজিশন বদলে ফাইন টিউন করতে হয়েছে। ইনজুরির সাথে এবার যোগ হয়েছে নতুন সমস্যা।

হাফ-ফিট নেইমারকে নিয়ে হেক্সা মিশনে এগিয়ে যাচ্ছে ব্রাজিল। পোস্টার বয়ের কাছ থেকে পুরনো সেই সার্ভিস আশা করা বিভ্রান্তি। রদ্রিগো, এস্তেভাও এবং ওয়েসলির মতো কিছু ফুটবলার ইনজুরির কারণে স্কোয়াডে নেই। আবার আসরের মধ্যেই চোটে পড়েছেন রাফিনিয়া। তালিকাটি আরও দীর্ঘ হচ্ছে। জাপানের বিপক্ষে ম্যাচে ইনজুরিতে পড়েছেন ক্যাসেমিরো এবং লুকাস পাকেতা, এই দুই গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে রাউন্ড অব সিক্সটিনের মহারণে পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

যদিও, দেশের ফুটবল কিংবদন্তিরা সবসময় দলকে সাহস যোগাতে পাশে থাকছেন। অ্যানচেলত্তির দল যেখানে ম্যাচ খেলছে, সেখানে গ্যালারিতে দেখা যাচ্ছে রোনালদো নাজারিও, রোনালদিনিও, কাফু, কাকা, রিভালদো ও বেবেতোদের। নকআউটের কঠিন বস্তুগুলো পার হতে ভেন্যুগুলোতে দেখা হলে, ভিনিসিয়ুস ও কুনিয়াদের বিভিন্ন বুদ্ধি ও পরামর্শও নিশ্চয় দিচ্ছেন লিজেন্ডরা।

সেলেসাওদের মূল চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হচ্ছে স্কোরিং দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা। কঠিন প্রতিপক্ষে বেশ সমস্যা হচ্ছে ভিনি, কুনিয়া, মার্তিনেল্লিদের। এই সময়ে ব্রাজিলিয়ানরা সবচেয়ে বেশি মিস করছে রোনালদো নাজারিওকে।

শেষ ষোলতে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হিসেবে পরবর্তী ম্যাচে দেখা যাবে নরওয়েকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়লা বদলে কোটি টাকার বাণিজ্য!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ এম


ময়লা বদলে কোটি টাকার বাণিজ্য!

শান্তিনগরের কাওসার ভোর হলেই একের পর এক বাড়ির ময়লা ড্রাম ঘুরিয়ে ভ্যানে তোলেন। মাসে মাত্র সাত হাজার টাকায় বারো হাজার টাকার চাকরি করেন তিনি। কিন্তু যে ময়লা তিনি প্রতিদিন গন্তব্যে পৌঁছে দেন, সেই ময়লাই যে পথে পথে হাতবদল হয়ে কোটি টাকার বাণিজ্য গড়ে তোলে, সে সম্পর্কে কি তার জানা আছে?

ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২২টি থানার ৭৫টি ওয়ার্ডে বর্জ্য সংগ্রহের দায়িত্ব এখন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে রয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডের জন্য কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দরপত্রে প্রতিষ্ঠান বাছাই করা হয়। সেই কাজ পেতে সিটি করপোরেশনে অফেরতযোগ্য জামানত হিসেবে ১৫ থেকে ১৭ লাখ টাকা গুনতে হয়।

কিন্তু শর্ত একটাই—একটি ফ্ল্যাট থেকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকার বেশি নেওয়া যাবে না। অভিযোগ, যদিও কাগজে সেই নিয়ম উল্লেখ আছে, মাঠে আসলে চলছে উল্টো হিসাব। কোথাও ফ্ল্যাটপ্রতি ১২০ থেকে ২০০ টাকা, ছোট দোকান থেকে ৪০০-৫০০, আর রেস্টুরেন্ট থেকে দুই হাজার টাকারও বেশি আদায় করা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।

শুধু ঢাকা দক্ষিণ সিটি নয়, উত্তর সিটির দৃশ্যপটও আরও উদ্বেগজনক। অভিযোগ, বৈধতা ছাড়াই প্রভাবশালী একটি চক্র নিজেদের মধ্যে এলাকা ভাগ করে বর্জ্য সংগ্রহের কাজ পরিচালনা করছে। রসিদ দিয়ে টাকা উঠালেও মিলছে না নিয়মিত সেবা। কোথাও দিনের পর দিন ময়লা পড়ে থাকে, আবার কোথাও বাড়তি টাকা না দিলে ভ্যান আসে না।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, নির্ধারিত ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজনে পুরো ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হবে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, উত্তর সিটির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বললেন, বর্তমানে এ ধরনের কোনো টেন্ডার কার্যক্রম নেই।

প্রতিদিন হাজার হাজার টন বর্জ্য সরিয়ে শহরটিকে পরিচ্ছন্ন রাখা হচ্ছে। কিন্তু এই বর্জ্যকে ঘিরে অশুভ চক্রের অদৃশ্য বাণিজ্য চলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিচ্ছন্নতার আড়ালে সেবার নামে এমন বাণিজ্যে রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%