ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আদ্‌-দ্বীনের পাশে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, হাসপাতাল চালুর দাবি জরুরি


আদ্‌-দ্বীনের পাশে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, হাসপাতাল চালুর দাবি জরুরি

কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আদ্‌-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাশ্রয়ী মূল্যে স্বল্প আয়ের মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তি ব্যাহত হচ্ছে। এই ঘটনার পর হাসপাতালটির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। একই সঙ্গে দরিদ্র মানুষের চিকিৎসাসেবার ধারাবাহিকতা রক্ষায় রোগীবান্ধব সুবিধাসম্পন্ন এই হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম অতিদ্রুত শুরু করার জন্য সংস্থাটি আহ্বান জানিয়েছে।

রোববার (২১ জুন) গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চেয়ারপারসন শিরীন পারভিন হকের সই করা একটি চিঠির মাধ্যমে এই সংহতি প্রকাশ করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল সীমিত ও স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। এই হাসপাতালের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে লাখ লাখ দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত মানুষ স্বল্পমূল্যে সুচিকিৎসা পেয়ে আসছেন। সম্প্রতি হাসপাতালে ঘটে যাওয়া একটি দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকার মগবাজারের আদ্‌-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং সুবিবেচনাপ্রসূত নয় বলেই গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র মনে করে।

আরও পড়ুন: তেলের দাম কমবে কবে: রুশ উপপ্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের চিকিৎসাসেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের এই কঠিন সময়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র পাশে আছে। সংশ্লিষ্ট সব মহল তাদের প্রজ্ঞা, সহনশীলতা ও দূরদর্শিতা দিয়ে এই অচলাবস্থা নিরসনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, সীমিত আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে একটি রোগীবান্ধব হাসপাতাল হিসেবে আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম আইনসিদ্ধভাবে অতিদ্রুত শুরু হওয়া প্রয়োজন। মানবসেবায় হাসপাতালটির অঙ্গীকার অটুট থাকবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালদ্বীপে বিশেষ সম্মাননা প্রাপ্ত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ আহমেদ মুত্তাকী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৪ পি.এম


মালদ্বীপে বিশেষ সম্মাননা প্রাপ্ত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ আহমেদ মুত্তাকী

মালদ্বীপের শিক্ষাখাতে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে অসামান্য অবদান, প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব, শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রাখার জন্য বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ ও মিয়াঞ্জ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আহমেদ মুত্তাকী।

শনিবার (২১ জুন) রাজধানী মালের ইমাজউদ্দিন স্কুল অডিটোরিয়ামে মিয়াঞ্জ কলেজের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তার হাতে এ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন মালদ্বীপের ফার্স্ট লেডি সাজিধা মোহাম্মদ।

মালদ্বীপের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নসহ দক্ষ মানবসম্পদ গঠন এবং উচ্চশিক্ষার প্রসারে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে, বলে সময় সংবাদকে জানান প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ আহমেদ মুত্তাকী।

এই অনুষ্ঠানে মালদ্বীপের ফার্স্ট লেডি সাজিধা মোহাম্মদসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফার্স্ট লেডি সাজিধা মোহাম্মদ বলেছেন, ‘মিয়াঞ্জ কলেজ স্বল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে, যা একটি জ্ঞানভিত্তিক, দায়িত্বশীল ও দক্ষ প্রজন্ম গঠনে প্রতিষ্ঠানটির অবদান মালদ্বীপের জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে।’ এজন্য শিক্ষাকে ব্যক্তি ও সমাজ রূপান্তরের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে তিনি যোগ করেছেন।

সম্মাননা গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় আহমেদ মুত্তাকী বলেন, ‘এই স্বীকৃতি শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি মালদ্বীপে কর্মরত সমগ্র বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের জন্য গর্ব ও মর্যাদার বিষয়। একজন বাংলাদেশি হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এমন সম্মান অর্জন করতে পেরে আমি গভীরভাবে আনন্দিত ও সম্মানিত।’

উল্লেখ্য, আহমেদ মুত্তাকীর দেশের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে। ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি মালদ্বীপে বসবাস করেছেন। প্রবাস জীবনের শুরুতে মালদ্বীপের সরকারি স্কুলের শিক্ষকতা দিয়ে শুরু করলেও এখন তিনি একজন বাংলাদেশি শিক্ষা উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। রাজধানী মালেসহ বিভিন্ন দ্বীপে প্রতিষ্ঠিত মিয়াঞ্জ কলেজের মোট ১৭টি শাখার পাশাপাশি মালদ্বীপে বাংলাদেশি খাদ্য ও কৃষিপণ্যের বড় আমদানিকারকের খ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বদলি ও পদায়নের নামে টাকা আদায়, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:২০ পি.এম


বদলি ও পদায়নের নামে টাকা আদায়, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

বদলি ও পদায়নের কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকা আদায়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নীলুফার সুলতানাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

রোববার (২১ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মুহাম্মদ আবদুল্যাহ আল জাবেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গত ১৮ জুন প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নীলুফার সুলতানার বিরুদ্ধে রমনার থানার এক মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক প্রমাণাদি পাওয়া গেছে। এর পরবর্তী সময়ে, ডিএমপি ডিবি থেকে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য আবেদন করা হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা থেকে ২২ মে মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তারের অনুমতি দেওয়া হয়।

এছাড়া, প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে পুলিশ নীলুফার সুলতানাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয়। রিমান্ড মিটে গেলে তাকে আদালতে পাঠানো হয় এবং বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন। সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী, নীলুফার সুলতানাকে গ্রেপ্তারের তারিখ অর্থাৎ ২২ মে থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতা পাবেন।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ নীলুফার সুলতানাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত আরেকজন হলেন এম আমিনুর রহমান শান্ত।

গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ডিএমপি কমিশনার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ প্রদান করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ব্যবহার করে একটি চক্র সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদায়ন ও পদোন্নতির প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা করছে। একসাথে, বিভিন্ন ব্যক্তি ও রাজনৈতিক মহলের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ কমিটি ও পদ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

অভিযোগের ভিত্তিতে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের এক পর্যায়ে, ২১ মে রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে রাজধানীর পশ্চিম রামপুরা এলাকা থেকে এম আনিসুর রহমান শান্ত নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে শান্ত প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পরে, তার হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা বিশ্লেষণ করে চক্রের আরেক সদস্য নীলুফার সুলতানার তথ্য পাওয়া যায়, যিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত।

ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আরও জানান, অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্তে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে বদলি ও পদায়ন নিয়ে কথোপকথন, বায়োডাটা সংগ্রহ এবং সম্ভাব্য বদলি আদেশের কপি আদান-প্রদানের তথ্যে পাওয়া গেছে।

শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রায় ২০ থেকে ২২ পৃষ্ঠার বিভিন্ন কথোপকথনের তথ্য পেয়েছি। সেখানে দেখা গেছে তারা একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং কোথায় পদায়ন করে দিলে কত টাকা দেওয়া হবে এ ধরনের কথাবার্তাও রয়েছে।

যাই হোক, এখন পর্যন্ত কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। তিনি আরও যোগ করেন, ডিভাইসগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে। তদন্তে যেই জড়িত থাকুক না কেন, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোদির বিস্ফোরক মন্তব্য দেশভাগ নিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:২২ পি.এম


মোদির বিস্ফোরক মন্তব্য দেশভাগ নিয়ে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন, "দেশভাগের সময় অবিভক্ত বাংলাকে পাকিস্তানের অংশ করার একটি সুনির্দিষ্ট ষড়যন্ত্র হয়েছিল।" একই সাথে তিনি বাংলাদেশ অঞ্চলের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, "রক্তপাত ও দেশভাগের পরও বাংলা তার নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ঐতিহ্যকে কখনো ধ্বংস হতে দেয়নি।" এই খবরটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট জানিয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) পশ্চিমবঙ্গ দিবসের রাজ্য পর্যায়ের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ইতিহাস ও রাজনীতির প্রসঙ্গ একসঙ্গে তুলে ধরেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টির আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিকে বিশেষ কৃতিত্ব দেন এবং বলেন যে, "পরবর্তী সরকারগুলোর বিরুদ্ধে সেই গৌরবময় উত্তরাধিকারকে আড়াল করার অভিযোগ উঠে।"

দেশভাগের আগের পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে মোদি অভিযোগ করেন, "তৎকালীন সময়ে পুরো অবিভক্ত বাংলাকে পাকিস্তানের অংশ করার একটি গভীর চক্রান্ত হয়েছিল।" সেই সময় কংগ্রেস ‘ষড়যন্ত্রকারী শক্তির’ কাছে পুরোপুরি নতি স্বীকার করেছিল এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি এর বিরুদ্ধে তীব্র সোচ্চার হন।

মোদি বলেন, "মুখার্জি ‘বাঙালি হিন্দু হোমল্যান্ড’ আন্দোলন শুরু করেছিলেন এবং এই প্রস্তাবটির বিরুদ্ধে জোরালো জনমত গড়ে তুলেছিলেন।" এই আন্দোলনে বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা, ইতিহাসবিদ আর সি মজুমদার ও যদুনাথ সরকার, ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি যুক্ত হয়েছিলেন। এছাড়া বিশিষ্ট শিল্পপতি জিডি বিড়লা এবং মতুয়া নেতা পি আর ঠাকুরও এই আন্দোলনে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছিলেন।

মোদি আরও দাবি করেন, "এই আন্দোলনের ফলে ভারতবিরোধী শক্তিগুলো শেষ পর্যন্ত বুঝতে পেরেছিল যে পুরো বাংলাকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব নয় এবং পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে থেকে যায়।" বর্তমান বাংলাদেশ অঞ্চলের ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে তিনি বলেন, ১৯৪৬ সালের কলকাতার সহিংসতা ও নোয়াখালীর দাঙ্গায় বহু নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। তবে এত রক্তপাত ও দেশভাগের চরম ট্র্যাজেডির পরও বাংলা তার নিজস্ব অনন্য সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে পেরেছে।

পশ্চিমবঙ্গ দিবসের গুরুত্ব বারবার নতুন করে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, "নতুন প্রজন্মের জানা উচিত সেই সময় কী ঘটেছিল।" তার ভাষায়, "২০ জুন কেবল ক্যালেন্ডারের একটি সাধারণ দিন নয়, এটি বাংলার ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের স্মারক।"

কংগ্রেস, বামফ্রন্ট ও তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করে মোদি অভিযোগ করেন, "রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ইতিহাস ও গুরুত্বকে ইচ্ছাকৃতভাবে খাটো করা হয়েছে।" তার দাবি, "দেশভাগের সময় যে কংগ্রেস বাংলা ত্যাগ করতে প্রস্তুত ছিল, পরবর্তীতে তারাই রাজ্যে তুষ্টিকরণের রাজনীতি করেছে।" এছাড়া দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অব্যবস্থাপনা পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে দুর্বল করেছে এবং অনুপ্রবেশকে উৎসাহিত করেছে বলেও দাবি করেন নরেন্দ্র মোদি।

তিনি অভিযোগ করেন, "বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান চলে গেছে, ছোট ব্যবসা বন্ধ হয়েছে, কর্মসংস্থান কমেছে এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা সম্পদের ওপর দখল নিয়েছে।" কংগ্রেস, বাম ও তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গকে গড়ে তোলার পরিবর্তে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নিরাপদ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে তিনি অতীতের ভুল পুনরাবৃত্তি না করার এবং নতুন ইতিহাস গড়ার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জামিন পেয়েছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:২৬ পি.এম


অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জামিন পেয়েছেন

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায়, দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজাওয়ানুর ইসলাম জামিন পেয়েছেন।

রোববার (২১ জুন) বগুড়ার সদর আমলি আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তানজিম আল মেজবা জানান, দুপুরে জামিন আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত রেজাওয়ানুর ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেন। সেই সময় তিনি কারাগারে ছিলেন।

এর আগে, ১৮ জুন রাতে বগুড়া জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার নথি অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের ফলে গত ১৫ জুন মামলাটি দায়ের করেন বগুড়া প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও দ্য নিউ নেশন পত্রিকার উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিনিধি তানভীর আলম রিমন। মামলায় পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, বার্তা সম্পাদক, প্রতিবেদকসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিককে আসামি করা হয়।

এজাহারে অভিযোগ রয়েছে, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করে প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন।

তবে ঘটনার পর, গত শুক্রবার রাতে এক বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, তাঁকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেছেন, তার নাম ব্যবহার করে বা তার পক্ষে দাবি করে কেউ যেন ব্যক্তিগতভাবে কোনো মামলা, বিবৃতি কিংবা অন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন, কারণ এসব উদ্যোগে তার কোনো অনুমোদন বা নির্দেশনা নেই।

বিবৃতিতে তিনি অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের দ্রুত মুক্তির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, মামলার বাদীও একজন সাংবাদিক এবং বগুড়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত কোষাধ্যক্ষ, তাই এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক সমাজে যেন কোনো ধরনের বিভ্রান্তি, ভুল বোঝাবুঝি বা উত্তেজনা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%