মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:০১ পি.এম
মেহেরপুরের গাংনীতে বাসের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন আব্দুস শুকুর (৬৫) নামের এক ভ্যানচালক। সোমবার সকাল ৯টার দিকে মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের ছাতিয়ান ব্রিক ফিল্ড বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুস শুকুর গাংনী উপজেলার বাদিয়াপাড়া গ্রামের মৃত মনিরুদ্দিন মালিথার পুত্র। তিনি পেশায় পাখিভ্যানের চালক ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে আব্দুস শুকুর তার ভ্যান নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এই সময় কুষ্টিয়া থেকে মেহেরপুরের দিকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস সজোরে তার ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
বাসের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন ভ্যানচালক। স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বামন্দী আল-ফালা ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পথে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার মশান বাজার নামক স্থানে তার মৃত্যু ঘটে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। দুর্ঘটনার পর ঘাতক চালক ও হেলপার বাস ফেলে পালিয়ে যান। বাসটি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির মামলায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল উদ্দিন চৌধুরীসহ আট আসামিকে ১৪ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ রায় ঘোষণা করেন।
সরকারি আবাসন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে করা এ মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর আগেও একাধিক মামলা করেছে। পূর্বাচল প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে রাজউক ও গৃহায়ন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দসংক্রান্ত কয়েকটি দুর্নীতি মামলার রায়ে ঢাকার একটি বিশেষ আদালত রাজউক ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা নিয়েও কঠোর পর্যবেক্ষণ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনী, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলার ছাগলনাইয়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের জন্য আজ সকালে স্কাউটিং বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ কোর্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার উপজেলা অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ স্কাউটস ছাগলনাইয়া উপজেলা শাখা এই কোর্সের আয়োজন করে।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাগলনাইয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা ফারহানা পৃথা।
বাংলাদেশ স্কাউটস ছাগলনাইয়া উপজেলা কমিশনার মির্জার বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সামছুল আরিফ খন্দকার কাঞ্চনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. গোলাম কিবরিয়া এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অনিতা রানী দত্ত।
প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ স্কাউটস ফেনী জেলা কমিশনার এ.কে.এম. ফরিদ আহমেদ ও বাংলাদেশ স্কাউটস ফেনী জেলা সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন।
স্কাউটিং উদ্বুদ্ধকরণ কোর্সে অংশগ্রহণ করেন ছাগলনাইয়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ।
বাংলাদেশ স্কাউটস ফেনী জেলা কমিশনার এ.কে.এম. ফরিদ আহমেদ বাসস’কে জানান, এই কোর্সের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের স্কাউটিং সম্পর্কে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করা হয়। সরকারি নির্দেশনার আলোকে তাদের করণীয় সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। ফেনী জেলার সবকটি প্রতিষ্ঠানে স্কাউটিং আন্দোলন আরও জোরদার করার জন্য আমরা কাজ করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের ইতিহাসে উষ্ণতম বছর হিসেবে ২০২৬ সাল আবির্ভূত হতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা কোপার্নিকাসের পরিচালক কার্লো বুয়োনতেম্পো এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, যে প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী হয়ে ওঠা ‘সুপার এল নিনো’র প্রভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি জানান, অতীতের এল নিনোর ধরন অনুসরণ করলে ২০২৬ সালে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ২০২৭ সালেও নতুন রেকর্ড হওয়ার আশঙ্কা বিদ্যমান।
এল নিনো হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্রের উষ্ণ পর্যায়, যেখানে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পায়। এই অবস্থায় আবহাওয়ার ধরনে পরিবর্তন ঘটে, এবং খরা ও বন্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি, মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবও আরও তীব্র হতে পারে।
কোপার্নিকাস জানিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরের এল নিনো পর্যবেক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল নিনো ৩.৪-এ গত সেপ্টেম্বরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২৯ দশমিক ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। এটি ওই অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড। এর আগে ১৯৮২-৮৩, ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালের শক্তিশালী এল নিনো পর্বে এত বেশি তাপমাত্রা দেখা যায়নি।
চলতি বছরের জুন মাসে এল নিনোর বর্তমান পর্বটি শুরু হয়েছে। তবে, এটি কি ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো কিনা, তা বলার জন্য এখনো সময় আসেনি বলে জানিয়েছেন বুয়োনতেম্পো। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় সাম্প্রতিক এল নিনোর সঙ্গে অতীতের ঘটনাগুলোর তুলনা করা জটিল হয়ে উঠেছে।
অন্যদিকে, জাপানের আবহাওয়া সংস্থা শুক্রবার জানিয়েছে, এল নিনো পরিস্থিতি রেকর্ডে থাকা সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছেছে। তবে, বিভিন্ন পূর্বাভাসদাতা সংস্থা এল নিনোর তীব্রতা নির্ধারণে একই ধরনের সূচক ব্যবহার করে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে, দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে টানা আট দিন আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে।
এটি আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিকভাবে চলতে থাকবে। ছুটি শেষে ২৫ অক্টোবর সকাল থেকে পুনরায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সূত্রে জানা গেছে, ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্গাপূজার ছুটিতে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি থাকায় দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম মিলিয়ে টানা আট দিন বন্ধ থাকবে। ফলে ১৭ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ২৫ অক্টোবর সকাল থেকে পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে বাণিজ্য শুরু হবে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি আলহাজ মহসিন মিলন বলেন, "বেনাপোল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। এ বন্দর দিয়ে ভারত থেকে শিল্পকারখানার কাঁচামাল, খাদ্যপণ্য, ভোগ্যপণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করা হয়।" তিনি আরও জানান, "দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে বেনাপোল বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।" দীর্ঘ সময় বাণিজ্য বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সাময়িক স্থবিরতা দেখা দিতে পারে।
ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি করা বিভিন্ন ধরনের কাঁচামালের ওপর দেশের অনেক শিল্পকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম নির্ভরশীল। খাদ্যপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যও এ বন্দর দিয়ে আমদানি করা হয়। ফলে দীর্ঘ সময় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলে কাঁচামাল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে। পাশাপাশি আমদানি করা পণ্যের বাজারজাতকরণেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাঁদের মতে, বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়ার পর বন্দরে পণ্যবাহী ট্রাকের চাপ বেড়ে গেলে দ্রুত পণ্য খালাস ও পরিবহনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। তা না হলে পণ্যজট নিরসনে বাড়তি সময় লাগতে পারে, যা ব্যবসায়ীদের ব্যয়ও বাড়িয়ে দিতে পারে।
ভারতের পেট্রাপোল বন্দর ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চক্রবর্তী জানান, দুর্গাপূজার সরকারি ছুটির কারণে ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত পেট্রাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
অন্যদিকে বাংলাদেশে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি থাকায় দুই দেশের মধ্যে টানা আট দিন পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকবে। ছুটি শেষে ২৫ অক্টোবর সকাল থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে যথারীতি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন জানান, ভারতীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এবং দুই দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের পক্ষ থেকে ছুটির বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ১৮ ও ১৯ অক্টোবর বেনাপোল বন্দরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম ও কাস্টমসের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে। এ সময় আগে আমদানি করা পণ্য খালাস করা যাবে। একই সঙ্গে পণ্য খালাস শেষে ভারতীয় খালি ট্রাকগুলো নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবে।
তবে নির্ধারিত ছুটির কারণে নতুন করে পণ্য আমদানি-রপ্তানি ও সীমান্ত পারাপারের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ছুটি শেষে ২৫ অক্টোবর সকাল থেকে পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে বাণিজ্য শুরু হবে বলে জানান তিনি।
আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, দুর্গাপূজার সময় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রী চলাচল বাড়তে পারে। এ কারণে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ইমিগ্রেশন ডেস্কে অতিরিক্ত কর্মকর্তা নিয়োজিত করা হয়েছে। যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রাখতে এবং ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছুটির আগে ও পরে পণ্যবাহী ট্রাকের চাপ, পণ্য খালাসের গতি এবং বন্দরের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার ওপর বাণিজ্যিক কার্যক্রমের স্বাভাবিকতা অনেকাংশে নির্ভর করবে। তাই ছুটি শেষে পণ্যজট ও যানজট এড়াতে দ্রুত পণ্য খালাস এবং ট্রাক চলাচল স্বাভাবিক রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ