প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বের ইতিহাসে উষ্ণতম বছর হিসেবে ২০২৬ সাল আবির্ভূত হতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা কোপার্নিকাসের পরিচালক কার্লো বুয়োনতেম্পো এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, যে প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী হয়ে ওঠা ‘সুপার এল নিনো’র প্রভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি জানান, অতীতের এল নিনোর ধরন অনুসরণ করলে ২০২৬ সালে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ২০২৭ সালেও নতুন রেকর্ড হওয়ার আশঙ্কা বিদ্যমান।
এল নিনো হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্রের উষ্ণ পর্যায়, যেখানে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পায়। এই অবস্থায় আবহাওয়ার ধরনে পরিবর্তন ঘটে, এবং খরা ও বন্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি, মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবও আরও তীব্র হতে পারে।
কোপার্নিকাস জানিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরের এল নিনো পর্যবেক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল নিনো ৩.৪-এ গত সেপ্টেম্বরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২৯ দশমিক ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। এটি ওই অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড। এর আগে ১৯৮২-৮৩, ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালের শক্তিশালী এল নিনো পর্বে এত বেশি তাপমাত্রা দেখা যায়নি।
চলতি বছরের জুন মাসে এল নিনোর বর্তমান পর্বটি শুরু হয়েছে। তবে, এটি কি ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো কিনা, তা বলার জন্য এখনো সময় আসেনি বলে জানিয়েছেন বুয়োনতেম্পো। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় সাম্প্রতিক এল নিনোর সঙ্গে অতীতের ঘটনাগুলোর তুলনা করা জটিল হয়ে উঠেছে।
অন্যদিকে, জাপানের আবহাওয়া সংস্থা শুক্রবার জানিয়েছে, এল নিনো পরিস্থিতি রেকর্ডে থাকা সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছেছে। তবে, বিভিন্ন পূর্বাভাসদাতা সংস্থা এল নিনোর তীব্রতা নির্ধারণে একই ধরনের সূচক ব্যবহার করে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন