০৬:০১ পি.এম
আফগান তালেবানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আফগান বাহিনী পাকিস্তানের বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠীর আস্তানায় বিমান হামলা চালিয়েছে। এটি হলো কাবুলের প্রথম বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ, যা কয়েক মাসের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে এবং এটি দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তানের ভেতরে থাকা কয়েকটি গোপন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়। তবে হামলাটি কিভাবে পরিচালিত হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আফগানিস্তানের কাছে কোনো যুদ্ধবিমান না থাকলেও তাদের কাছে অন্তত ছয়টি বিমান এবং ২৩টি হেলিকপ্টার রয়েছে। অতীতে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘর্ষে ড্রোন ব্যবহারের খবর পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন: এবার বিআরটি ভাঙতে ব্যয় হবে ৪৫ কোটি টাকা
তালেবান দাবি করেছে, এসব ঘাঁটি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের জন্য ব্যবহার করা হতো এবং এসব স্থান অতীতে বেশ কয়েকটি প্রাণঘাতী হামলার সঙ্গেও জড়িত ছিল। হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে কিছু জানানো না হলেও তালেবান বলেছে, তাদের অভিযানে নির্ধারিত প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত করা হয়েছে।
এদিকে পাকিস্তানের সামরিক ও তথ্য মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক ক্রমেই খারাপ হয়ে গেছে।
ইসলামাবাদ অভিযোগ করে আসছে যে, আফগানিস্তান পাকিস্তানবিরোধী সশস্ত্র যোদ্ধা আশ্রয় দিচ্ছে। অন্যদিকে, কাবুল এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, পাকিস্তানের নিরাপত্তা সমস্যা তাদের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়।
গত সপ্তাহে পাকিস্তানও আফগানিস্তানের ভেতরে বিমান হামলা চালায়। তালেবানের দাবি, ওই হামলায় ১১ শিশুসহ অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়। অন্যদিকে পাকিস্তান বলেছে, তাদের অভিযানে ২৬ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে।
আরও পড়ুন: স্পিকার: আওয়ামী লীগের নেতারা মদ খায়, কর্মীরাও খায়, সব বাটপারের কারখানা
তালেবানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, আফগানিস্তান তার নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে কোনো হুমকি আর সহ্য করবে না এবং প্রয়োজন হলে সব ধরনের সক্ষমতা ব্যবহার করে হুমকির উৎসকে মোকাবেলা করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন