ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চলনবিলে ৫০ মণ মাছের পোনা অবমুক্ত


চলনবিলে ৫০ মণ মাছের পোনা অবমুক্ত

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার চলনবিল-অধ্যুষিত উন্মুক্ত জলাশয়ে ৫০ মণ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

প্রাকৃতিক জলাশয়ে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং মৎস্যসম্পদ সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে রবিবার (৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। তাড়াশ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাজিব আহমেদ মাসুমের ব্যক্তিগত অর্থায়নে আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ভিপি মো. আয়নুল হক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, "বাঙালির যেমন ভাত ছাড়া চলবে না, ঠিক তেমনই আবার মাছ ছাড়াও চলবে না। এজন্য আমাদের বলা হয় মাছে-ভাতে বাঙালি।" তিনি জানান, প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার ফলে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষিত হবে এবং মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এটি তাড়াশ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাজিব আহমেদ মাসুমের উদ্যোগ, যা প্রশংসার দাবিদার। তিনি আরও বলেন, "আমি খুবই খুশি হয়েছি। এ ধরনের উদ্যোগ সবার মাঝে অব্যাহত থাকলে দেশের প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ আরও সমৃদ্ধ হবে।"

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে অপহরণ ও ডাকাতির মামলায় পুলিশ কনস্টেবলসহ গ্রেপ্তার ৪, উদ্ধার ৩ মোটরসাইকেল

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মো. নাজিম উদ্দিন ফকির, তাড়াশ পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার সাইফুল ইসলাম, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি গোপাল চন্দ্র ঘোষ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শুকুর মির্জা ও মো. মিলন খান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মো. সাইফুল খান, আট ইউনিয়নের যুবদলের নেতা-কর্মীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের একাধিক শ্রেণি-পেশার মানুষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্নীতির মামলায় এস আলম-পি কে হালদারদের বিরুদ্ধে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


দুর্নীতির মামলায় এস আলম-পি কে হালদারদের বিরুদ্ধে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

দুর্নীতির মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ওরফে এস আলম এবং রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে। এই মামলায় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ৩৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে মোট ১৪ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে এবং গত রবিবার (৯ অগাস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এই সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষীদের মধ্যে আভিভা ফাইনান্স লিমিটেডের এমডি ও সিইও মোহাম্মদ মোদাচ্ছের হাসান, যৌথমূলধন কম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের সহকারী নিবন্ধক অন্তত কুমার পাল, এবং ডিপোজিট অপারেশনসের এভিপি মিদহাত আজিজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের স্ট্রেনোগ্রাফার সোহানুর রহমান জানান, ‘সাক্ষীদের মধ্যে মিদহাত আজিজের জেরা শেষ হয়েছে। অপর দুই জনের জেরা হয়নি। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর অপর দুই সাক্ষীর জেরার দিন ধার্য করা হয়েছে।’ মামলাটির অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ৮ আগস্ট দুটি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৪ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন ও বিতরণের অভিযোগ রয়েছে। এই টাকা এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়। মামলাটি গত বছরের ২ জুলাই দায়ের করা হয় এবং ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে ১৬ অক্টোবর অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ক্ষমায় ২ ঘণ্টা পরই দায়িত্বে ফিরলেন সিভিল সার্জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ক্ষমায় ২ ঘণ্টা পরই দায়িত্বে ফিরলেন সিভিল সার্জন

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনের সময় জলাতঙ্কের টিকা (র‌্যাবিস ভ্যাকসিন) এবং নরমাল স্যালাইন না পাওয়ায় সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনকে তাৎক্ষণিকভাবে বদলির নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। কিন্তু প্রায় দুই ঘণ্টার ব্যবধানে, সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিভিল সার্জনকে ক্ষমা করার সিদ্ধান্ত নেন।

রবিবার (৯ আগস্ট) সকালে সাড়ে ১০টার দিকে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখার পাশাপাশি সেবার মান ও ওষুধের মজুত সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেন।

কিছু সময় পর হাসপাতালটিতে প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকটের বিষয়টি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নজরে আসে। বিশেষ করে, প্রায় এক মাস ধরে র‌্যাবিস ভ্যাকসিন এবং নরমাল স্যালাইন (এনএস) না থাকার বিষয়টি তাকে জানানো হয়। এরপর হাসপাতাল থেকেই মন্ত্রণালয়ে ফোন করে চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে উত্তরবঙ্গের কোনো জেলায় বদলির নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ফোনালাপে তিনি বলেন, ‘চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে একেবারে উত্তরবঙ্গের দিকে দেবেন। আর অন্য একজন সিভিল সার্জন দেন এখানে।’

পরে দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে যান। সেখানে তিনি হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে তত্ত্বাবধায়ক, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন।

বৈঠকে সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি আলোচনা হয়। তবে র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট নিয়ে ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছিল বলে মন্ত্রীকে জানানো হলে তিনি পূর্বের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। একই সঙ্গে সিভিল সার্জনকে ক্ষমা করার কথা জানান।

ফলে সকালে আকস্মিক পরিদর্শনের ক্ষোভ থেকে দেওয়া বদলির নির্দেশ দুপুরের বৈঠকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

প্রায় দুই ঘণ্টার ব্যবধানে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ঘটনায় স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেউ কেউ ২৯ বছর বয়সেই রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে মরিয়া: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


কেউ কেউ ২৯ বছর বয়সেই রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে মরিয়া: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, কিছু মানুষ ২৯ বছর বয়সে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের জন্য ব্যাকুল হয়ে আছে।

রোববার (৯ আগস্ট) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাইয়ে চিকিৎসকদের অবদান শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেছেন।

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী বলেন, অনেকে বলেন জুলাই ৩৬ দিনের। কিন্তু জুলাই ১৭ বছরের আন্দোলনের ফল। যারা জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করছে, তাদের উচিত শিক্ষা নেওয়া।

তিনি আরো বলেন, জুলাইয়ের কৃতিত্ব নিয়ে বিভিন্ন লোকের বক্তব্য ভিন্ন। ৫ আগস্ট, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও বিদেশি অতিথিদের সামনে দেশকে কলঙ্কিত করা হয়েছে চক্রান্তমূলকভাবে। যদি ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তির মাঝে বিভাজন ঘটে, তাহলে মৌলবাদীরা এর সুযোগ নেবে।

মন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের গাফিলতির বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, হাজার হাজার জুলাই যোদ্ধা গেজেটের অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

এ সময়, তিনি জানান, বিগত ১৭ বছরের আন্দোলনে যারা গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের জন্য শীঘ্রই নতুন অধিদফতর চালু করতে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতা থাকতে পারে। তবে হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদানে বাধা দেয়ার কালচার থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। যারা রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে জুলাইয়ে চিকিৎসা না দিয়ে কর্তব্যে অবহেলা করেছেন, তাদের শনাক্ত করে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

তিনি আরো বলেন, জুলাই জনগণের উত্থান। কৃতিত্ব গ্রহণের চেয়ে, জুলাইকে ঘিরে আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি উৎসে বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


জ্বালানি উৎসে বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৃহৎ অবকাঠামো পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।

রবিবার কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে অবস্থিত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মাতারবাড়ী আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে তিনি হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রের হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন। পরে তিনি প্রকল্পের প্রশাসনিক ভবনে যান। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং গ্রহণ করেন তিনি।

ব্রিফিংয়ের সময় প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিচালন কার্যক্রম, উৎপাদন সক্ষমতা, জ্বালানি সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা, প্ল্যান্টের পরিচালন দক্ষতা, রক্ষাণাবেক্ষণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো সম্পর্কে অবহিত করেন। একই সঙ্গে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তার সামনে তুলে ধরা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সামনে এটি জানানো হয় যে, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রটি শতভাগ দেশীয় প্রকৌশলী ও জনবল দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এতে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি দেশীয় প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দক্ষতা ও সক্ষমতার প্রশংসা করেন এবং তাদের উৎসাহ দেন। এ সময় তিনি প্রকল্প এলাকায় একটি স্মারক নিমগাছের চারা রোপণ করেন।

মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দুটি ৬০০ মেগাওয়াট ইউনিটের সমন্বয়ে মোট ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন। বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে আধুনিক আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি কয়লা পরিবহনের জন্য বন্দর সুবিধা, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোড এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ঋণ সহায়তা দিয়েছে।

দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে ব্রিফিং শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে বের হন। দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে তিনি প্রস্তাবিত ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের স্থান পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং ১২টা ২৯ মিনিটে সেখানে পৌঁছান। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাকে প্রস্তাবিত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য উৎপাদন সক্ষমতা সম্পর্কে অবহিত করেন।

একই এলাকায় প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাবিত এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প এবং নতুন রিফাইনারির জন্য নির্ধারিত স্থানও দেখানো হয়।

এরপর প্রধানমন্ত্রী এলপিজি, এলএনজি ও কয়লা টার্মিনাল-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। এসব প্রকল্পের পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ ব্যবহার সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মতামত ও দিক-নির্দেশনা দেন।

পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী কোল জেটি পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে তিনি মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন। কয়লা পরিবহণ ও খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় বন্দর অবকাঠামো এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে এর সমন্বিত কার্যক্রম সম্পর্কেও তাকে অবহিত করা হয়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত অস্থায়ী এলপিজি জেটি এবং ভবিষ্যতে ৩ ও ৪ নম্বর কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব প্রকল্পের সম্ভাব্য পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত বিষয় তার সামনে তুলে ধরেন।

দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষ করেন। এরপর তিনি হেলিপ্যাডের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ও দক্ষ ব্যবহার, প্রকল্প পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত জ্বালানি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী মাতারবাড়িকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প অবকাঠামোর সমন্বিত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন। এসব অবকাঠামোর পরিকল্পিত ও কার্যকর ব্যবহার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মাতারবাড়ি প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য দেশের স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা। বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি কয়লা পরিবহনের বন্দর, সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোডসহ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো এই বৃহৎ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী নিরাপত্তা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল شামসুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, বিশেষ রাজনৈতিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধাসহ অনেকেই।

পরিদর্শন শেষে দুপুর ১টা ৫ মিনিটের পর প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ি ত্যাগ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%