প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনের সময় জলাতঙ্কের টিকা (র্যাবিস ভ্যাকসিন) এবং নরমাল স্যালাইন না পাওয়ায় সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনকে তাৎক্ষণিকভাবে বদলির নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। কিন্তু প্রায় দুই ঘণ্টার ব্যবধানে, সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিভিল সার্জনকে ক্ষমা করার সিদ্ধান্ত নেন।
রবিবার (৯ আগস্ট) সকালে সাড়ে ১০টার দিকে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখার পাশাপাশি সেবার মান ও ওষুধের মজুত সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেন।
কিছু সময় পর হাসপাতালটিতে প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকটের বিষয়টি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নজরে আসে। বিশেষ করে, প্রায় এক মাস ধরে র্যাবিস ভ্যাকসিন এবং নরমাল স্যালাইন (এনএস) না থাকার বিষয়টি তাকে জানানো হয়। এরপর হাসপাতাল থেকেই মন্ত্রণালয়ে ফোন করে চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে উত্তরবঙ্গের কোনো জেলায় বদলির নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ফোনালাপে তিনি বলেন, ‘চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে একেবারে উত্তরবঙ্গের দিকে দেবেন। আর অন্য একজন সিভিল সার্জন দেন এখানে।’
পরে দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে যান। সেখানে তিনি হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে তত্ত্বাবধায়ক, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন।
বৈঠকে সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি আলোচনা হয়। তবে র্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট নিয়ে ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছিল বলে মন্ত্রীকে জানানো হলে তিনি পূর্বের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। একই সঙ্গে সিভিল সার্জনকে ক্ষমা করার কথা জানান।
ফলে সকালে আকস্মিক পরিদর্শনের ক্ষোভ থেকে দেওয়া বদলির নির্দেশ দুপুরের বৈঠকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
প্রায় দুই ঘণ্টার ব্যবধানে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ঘটনায় স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন