বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৪৯ এম
ফিলিপাইনে আয়োজিত আসিয়ান সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইরানের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ ও সেখান দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে টোল আদায়ের বিষয়ে ইরানের যে দাবি, তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে পূর্বে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের বিষয়ে তেহরানের ব্যাখ্যাকেও ভিত্তিহীন ও ত্রুটিপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আসিয়ান সম্মেলনের এই বক্তব্যের পর কাতারস্থ জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির রাজনৈতিক বিশ্লেষক পল মাসগ্রেভ আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই অবস্থানের বিশ্লেষণ করেন। তিনি বলেন, 'রুবিওর বক্তব্যটি ছিল অত্যন্ত বাকপটু, তবে তা কিছুটা গতানুগতিক বা নিস্তেজ শোনাক না কেন—এর কূটনৈতিক গুরুত্ব অনেক।' কাতার ও পাকিস্তানের মতো মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত এড়াতে জোরালো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর অবস্থান শান্তি আলোচনাকে কঠিন করে তুলছে।
পল মাসগ্রেভ উল্লেখ করেন, 'সবাই চায় আন্তর্জাতিক কূটনীতি সফল হোক এবং শান্তি ফিরে আসুক।' তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স্পষ্ট বক্তব্য হলো—ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের কোনো আস্থা নেই। মার্কিন প্রশাসন মনে করে, তেহরানের সঙ্গে নতুন কোনো চুক্তি হলেও শেষ পর্যন্ত তারা তা মেনে চলবে কিংবা চুক্তি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে এমন নিশ্চয়তা দেওয়া অসম্ভব।
তিনি আরও যোগ করেন, একদিকে বিশ্ব সম্প্রদায় ও মধ্যস্থতাকারীরা যখন কূটনীতির পথ সচল রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছে, অন্য দিকে ওয়াশিংটন থেকে একের পর এক বিরূপ মন্তব্য ও বানোয়াট অভিযোগ ছুড়ে দেওয়া হচ্ছে।
একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে মাসগ্রেভ জানান যে, আন্তর্জাতিক এসব জটিল ইস্যুতে সাধারণত তিনি খুব একটা আশাবাদী হতে পারেন না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওর এমন বক্তব্যের পর বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে তার সংশয় ও আশঙ্কাই যেন আরও ঘনীভূত হলো।
সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুরে জ্বালানি তেলের সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়ার কারণে তিনটি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকদের ভিড় ও হুড়োহুড়ির ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানিয়ে বলেছেন, উপজেলায় জ্বালানি তেলের কোন সংকট নেই।
তাদের দাবি, বর্তমানে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় চলছে। গুজবের কারণেই এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার(২২ জুলাই) সন্ধ্যায় আক্কেলপুর ফিলিং স্টেশনে ছবি তুলে দেখা মেলে, স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় সেখানে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি।
অনেক চালক একসঙ্গে তেল নিতে এসে অপেক্ষা করছেন এবং কেউ কেউ প্রয়োজনের অতিরিক্ত পরিমাণ তেল কিনে রাখার চেষ্টা করছেন। ফলে কিছু সময়ের জন্য স্টেশনটিতে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এজন্য উপজেলার তিলকপুরের তুষার ফিলিং স্টেশন ও রায়কালীর সরদার ফিলিং স্টেশনেও মোটরসাইকেল চালকদের হুড়োহুড়ির সংবাদ পাওয়া গেছে।
আক্কেলপুর ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে তাদের কাছে ৭ হাজার লিটার পেট্রল, ৬ হাজার ২০০ লিটার অকটেন এবং ২১ হাজার লিটার ডিজেল মজুদ রয়েছে। নিয়মিতভাবেই জ্বালানি তেলের সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে।
তেল নিতে আসা কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক জানিয়েছেন যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও পরিচিতদের কাছ থেকে বিভিন্ন স্থানে তেল সংকটের খবর শুনে তারা দ্রুত ফিলিং স্টেশনে আসেন। তারা পরে এসে জানতে পারেন যে প্রকৃতপক্ষে কোন সংকট নেই।
মোটরসাইকেল চালক হাসান আলী মন্তব্য করেন, “পরিচিত কয়েকজনের কাছ থেকে শুনলাম তেলের সংকট হতে পারে। তা ছাড়া বিষয়টি ফেসবুকেও ছড়িয়ে পড়েছে।
তাই আমি ঝুঁকি না নিয়ে তেল নিতে চলে এসেছি। কিন্তু পাম্পে এসে জানতে পারলাম পর্যাপ্ত তেল রয়েছে। আসলে গুজবের কারণেই এত ভিড় হয়েছে।”
আক্কেলপুর ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার জিল্লুর রহমান বলেন, “আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেলের মজুদ রয়েছে। সরবরাহও স্বাভাবিক আছে। গুজবের কারণে হঠাৎ অনেক মানুষ একসঙ্গে তেল নিতে আসায় ভিড় হয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।”
ফিলিং স্টেশনের মালিক বজলুর রশিদ মন্টু কবিরাজ উল্লেখ করেন, “জ্বালানি তেলের সংকটের কোনো তথ্য নেই। আমরা ডিপো থেকে নিয়মিত ও পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল পাচ্ছি। সাধারণ মানুষকে গুজবে কান না দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী তেল নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।”
আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিক-উর-রহমান জানান, “উপজেলায় জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। কেউ যেন গুজব ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে। গুজবে কান না দিয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার অনুরোধ জানাচ্ছি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত শাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি, পুঞ্চ, কাঠুয়া, ডোডা, বাদগাম, কুলগামসহ বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টিপাত ও মেঘ ভাঙা বৃষ্টির কারণে আকস্মিক বন্যায় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শত শত স্থানীয় বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অনুরূপভাবে, সরকার বুধবার নতুন করে সতর্কতা জারি করে সাধারণ মানুষকে নদীতটের কাছাকাছি না যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কাশ্মীরকে ভারতের বাকি অংশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী প্রধান মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে গ্রীষ্মকালীন ছুটির মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টির কারণে পীর পাঞ্জালের পার্বত্য এলাকায় নদী ও স্থানীয় ঝর্ণার জল উপচে পড়েছে। মুষলধারে বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে ওঠে। আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে ওই অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যার বিষয়ে আগেই সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার রাতে রাজৌরি শহরের কেন্দ্রস্থল দিয়ে বয়ে যাওয়া দরহালি নদীর জল বিপদসীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় কাছের প্রতিরক্ষামূলক বেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। বন্যার জল আশপাশের আবাসিক এলাকায় প্রবেশ করে এবং বাড়ি-ঘর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই এলাকায় বসবাসকারী ৫০টির বেশি পরিবারকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বন্যার ফলে শুধু রাজৌরিই নয়, থানা মান্ডি, দরহাল এবং মঞ্জাকোটের মতো প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও ভূমিধস হয়েছে এবং অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কাশ্মীর উপত্যকার বুদগাম জেলার বেরওয়াহ তহসিলে বেশ কিছু দোকান ও বেসরকারি অফিস নিয়ে তৈরি একটা শপিং কমপ্লেক্স ধসে পড়েছে। তবে পুলিশ ও প্রশাসনের তরফে স্থানীয় বাসিন্দাদের আগেই অন্যত্র স্থানান্তরিত করার কারণে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আগামী তিনদিন বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়ে বন্যার সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি গুজব প্রতিরোধে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল তিনটায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই সভাটি召开 হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। সভাটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সবুর আলী। সভায় রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (এসএ শাখা) অভিজিত সরকার, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (নেজারত শাখা এবং ব্যবসা ও বাণিজ্য শাখা) বোরহান উদ্দিন অন্তর, জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পের মালিক, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি তেলের সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি সকলকে বলেছেন যে কোনো ধরনের গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল কেনা বা মজুদ করার প্রয়োজন নেই। তাই গুজবে কান না দিয়ে সরকারি ও নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সঠিক তথ্য জেনে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি। জেলা প্রশাসক আরো জানান, অযৌক্তিকভাবে জ্বালানি তেল কেনা বা মজুদ করা হলে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হতে পারে, যা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়াবে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং বাজারের স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রাখতে সহযোগিতা করতে হবে। সভায় জ্বালানি তেলের বর্তমান সরবরাহব্যবস্থা, বাজার পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যতে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় পেট্রোল পাম্পের মালিক, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরেন। সভা শেষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের প্রতি গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার, সঠিক তথ্য জানার এবং অতিরিক্ত জ্বালানি তেল কেনা বা মজুদ না করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে আতঙ্ক নয়, সচেতনতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলারও আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী জেলার মোহনপুর উপজেলায় কৃষক স্মার্ট কার্ড তথ্য সংগ্রহের কাজ বর্তমানে চলছে। এর ধারাবাহিকতা হিসেবে মোহনপুরে কৃষক স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) আমরাইল ব্লকের কৃষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং ডিজিটাল এন্টি করার কাজ চলছে।
মোহনপুর উপজেলার আমরাইল ব্লকে কৃষক স্মার্ট কার্ড তৈরির জন্য তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রাজশাহী অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো: আজিজুর রহমান, রাজশাহী জেলার উপ-পরিচালক মো: নাসির উদ্দিন, পার্টনার প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার আব্দুল লতিফ, উপজেলা কৃষি অফিসার কামরুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আব্দুল মতিন এবং শুভ ভৌমিক, কৃষি তথ্য সার্ভিসের রাজশাহীর আঞ্চলিক তথ্য অফিসার ফরিদা ইয়াসমিন।
আমরাইল ব্লকে এখন পর্যন্ত ১৪০৭ জন কৃষক পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এটি মোট লক্ষ্যমাত্রার ৭৪.২৫%। উপজেলা কৃষি অফিসার কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে কৃষক ও কৃষানীর স্বামী-স্ত্রীর এনআইডি কার্ডের মূল কপি, নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর এবং জমির মালিকানা কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে। স্মার্ট কার্ডধারীরা সরাসরি আর্থিক প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে সার ও বীজ, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ এবং ডিজিটাল কৃষি পরামর্শ পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ