ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মহাখালী থেকে সরানো হচ্ছে বাস ডিপো


মহাখালী থেকে সরানো হচ্ছে বাস ডিপো

মহাখালী থেকে বাস ডিপো সরানো হচ্ছে, এ তথ্য জানিয়েছেন উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

তিনি জানিয়েছেন, মহাখালীতে রাস্তার ওপরে যেন বাস উপস্থাপন না থাকে, সেই উদ্দেশ্যে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া পূর্বাচলে বাস ডিপো স্থাপন করা হবে। এ প্রক্রিয়ায় সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করবে।

সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন নিয়ে তৃতীয় সভা শেষ হওয়ার পর ডিএনসিসি প্রশাসক এসব জানান।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ৬ নতুন বাস রুটের উদ্বোধন, কমছে মোট রুট সংখ্যা

তিনি বলেন, সায়দাবাদ বাস টার্মিনালকে একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে আনা হবে এবং কাঁচপুরে আন্তঃজেলা টার্মিনাল দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। গুলিস্তান থেকে টার্মিনাল সরানোর ব্যবস্থা করার বিষয়েও নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

ডিএনসিসি’র প্রশাসক আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, হকার উচ্ছেদও করা হবে না এবং বিশৃঙ্খলার মধ্যে হকারদের ছেড়ে দেয়ারও উদ্যোগ নেওয়া হবে না। বরং দ্রুত হকার ব্যবস্থাপনা করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু

ভারত হয়ে নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের নতুন একটি মৌসুমী চক্র শুরু হয়েছে।

একটি ত্রিপক্ষীয় সহযোগিত চুক্তির আওতায় গত মধ্যরাত থেকে ভারতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের মাধ্যমে বাংলাদেশে এই আন্তঃসীমান্ত জলবিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়।

ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারী রোববার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “আজ মধ্যরাত থেকে বিদ্যুৎ বাণিজ্যের নতুন মৌসুম শুরু হতে যাচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, মধ্য-জুন থেকে মধ্য-নভেম্বর পর্যন্ত নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আসবে। এই সময়কালটি বাংলাদেশে বিদ্যুতের উচ্চ চাহিদার মৌসুম এবং নেপালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পিক সিজন।”

এই অংশীদারিত্বের আনুষ্ঠানিক সূচনাকে একটি ‘আনন্দদায়ক মুহূর্ত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন নেপালী রাষ্ট্রদূত। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে উচ্চ চাহিদার মৌসুমে ভারত হয়ে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ সরবরাহের একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। সে বছর পরীক্ষামূলকভাবে মাত্র একদিনের জন্য এই বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা হয়।

পরবর্তীতে, ২০২৫ সালে এই সরবরাহ ব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গ রূপ পায় এবং মধ্য-জুন থেকে মধ্য-নভেম্বর পর্যন্ত পুরো মৌসুম জুড়েই বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখা হয়। তারই ধারাবাহিকতায়, চলতি মৌসুমেও নেপাল বাংলাদেশকে ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ সরবরাহ করবে।

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা এবং নেপালের বিশাল বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভাবনার তুলনায় ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খুবই সামান্য। তবে এর কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম।

রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারী বলেন, “বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা এবং নেপালের জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনার তুলনায় ৪০ মেগাওয়াট একেবারেই কিছু নয়। তবে এটি প্রতীকী হলেও একটি বড় মাইলফলক। কারণ উপ-অঞ্চলে এ ধরনের উদ্যোগ এটাই প্রথম এবং আমরা আশাবাদী যে ভবিষ্যতে এর পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে।”

এদিকে, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিমাণ আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনা চলছে। নেপালের একজন কূটনীতিক জানিয়েছেন, বাংলাদেশে অতিরিক্ত আরও ২০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে উভয় দেশই সম্মত হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে মোট সরবরাহের পরিমাণ দাঁড়াবে ৬০ মেগাওয়াটে। এই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সঞ্চালনের প্রস্তাবটি বর্তমানে ভারতের বিবেচনাধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতার আপিলের রায় ৩০ জুন নির্ধারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতার আপিলের রায় ৩০ জুন নির্ধারণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা এবং স্থগিত থাকা ভোটের ফলাফল প্রকাশ করা যাবে কি না, এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য ৩০ জুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের শুনানি শেষে সোমবার (১৫ জুন) এই দিন ধার্য করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতার বিরুদ্ধে করা আপিলের ওপর রায় ঘোষণা করার জন্য ৩০ জুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আপিল বিভাগ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ ফেব্রুয়ারি। চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আসলাম চৌধুরী এই নির্বাচনে অংশ নেন। তবে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ আদালতের সিদ্ধান্তের কারণে স্থগিত রয়েছে।

নির্বাচনের পূর্বে হাইকোর্টের আদেশে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল ছিল। তবে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বজায় রাখার হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন একই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এনায়েত সিদ্দিকী। তিনি ঋণখেলাপির অভিযোগ করে এই আবেদন করেন।

জামায়াতের প্রার্থীর করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে গত ৩ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেন আপিল বিভাগ। আদেশে বলা হয়, আসলাম চৌধুরী যদি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সফল হন, তাহলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হয়নি পর্যন্ত (যতটুকু প্রার্থী হিসেবে তার জন্য প্রযোজ্য) এ সংশ্লিষ্ট আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

লিভ টু আপিল মঞ্জুর হওয়ার পর জামায়াতের প্রার্থী এনায়েত সিদ্দিকী গত ৩১ মার্চ আলাদা আপিল করেন। এই আপিলের শুনানির জন্য গত ২৮ এপ্রিল আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে নির্ধারণ করেন।

আগের ধারাবাহিকতায় শুনানির জন্য আপিলটি গত ১৪ মে আদালতের কার্যতালিকায় ওঠে। আপিলের সঙ্গে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথের জন্য বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর করা আবেদনও সেদিন আদালতের কার্যতালিকায় উঠেছিল।

অপেক্ষাকৃত গতকাল মঙ্গলবার, ১৪ মে আপিল শুনানির জন্য একটি নির্ধারিত দিন নির্ধারণ করেছিলেন। পাশাপাশি ভোটের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথের জন্য বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর করা আবেদনও নথিতে রাখা হয়।

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহালের হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি একটি লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে। যমুনা ব্যাংক পিএলসিও হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে একটি আবেদন করে।

জামায়াতের প্রার্থী এনায়েত সিদ্দিকীর করা আপিলের সঙ্গে ব্যাংক এশিয়া পিএলসির করা লিভ টু আপিল ও যমুনা ব্যাংক পিএলসির করা আবেদন একসঙ্গে শুনানির জন্য আজকের কার্যতালিকায় ওঠে। এর পূর্বে ৯ ও ১০ জুন শুনানি হয়।

আসলাম চৌধুরী প্রার্থিতা নিয়ে আপিল শুনানিতে ১০ জুন আপিল বিভাগ অ্যামিকাস কিউরি (আইনি সহায়তাকারী) হিসেবে মতামত দিতে জ্যেষ্ঠ দুই আইনজীবীর নাম ঘোষণা করেন। আজ তার ওপর (১৫ জুন) এই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

আদালতে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম কামরুল হক সিদ্দিকী ও প্রবীর নিয়োগী শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষ থেকে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির শুনানি করেন। এছাড়া আসলাম চৌধুরীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী তার সঙ্গে আইনজীবী রোকন উদ্দিন মো. ফারুককে নিয়ে উপস্থিত হন। ব্যাংক এশিয়ার পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামাল উল আলম এবং যমুনা ব্যাংকের পক্ষে আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির শুনানি করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি মানতে বাধ্য নয় ইসরায়েল: বেন-গভির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৭ পি.এম


ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি মানতে বাধ্য নয় ইসরায়েল: বেন-গভির

ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তিকে একপ্রকার উড়িয়েই দিয়েছেন।

সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বেন-গভির সাফ উল্লেখ করেন, ইসরায়েলের নিরাপত্তাসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ওয়াশিংটনে নয়, জেরুজালেমেই নেওয়া হবে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তির আলোচনার মধ্যে ইসরায়েল না থাকলেও দেশটিকে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, চুক্তি অনুযায়ী লেবাননে হামলা বন্ধ করতে হবে এবং লেবাননের ভূখণ্ড থেকে সম্পূর্ণভাবে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে বেন-গভির লিখেছেন, "ট্রাম্পের এই চুক্তি আমাদের ওপর বাধ্যতামূলক নয়। ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের অধীন নয়, বরং আমরা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে ভালোবাসি এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞ। তবুও ইসরায়েল কোনও বানানা রিপাবলিক নয়।"

দীর্ঘ বিবৃতিতে কট্টর ডানপন্থী এই মন্ত্রী আরও লিখেছেন, "ইসরায়েলের নাগরিক, আইডিএফের (ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী) সৈন্য এবং ইহুদি জনগণের প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। একই সঙ্গে, হাজার বছরের নির্বাসনকালে নির্যাতিত ও নিহত ইহুদিদের প্রতি আমাদের ঐতিহাসিক দায়িত্ব হলো ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ইহুদিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।"

আন্তর্জাতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করার আহ্বান জানিয়ে বেন-গভির দাবি করেন, অতীতের বিভিন্ন কূটনৈতিক সমঝোতা ইসরায়েলের নিরাপত্তা অবস্থানকে দুর্বল করেছে। তার ভাষায়, "প্রতিবারই যখন আমরা ইসরায়েলের নিরাপত্তার বিনিময়ে আন্তর্জাতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছি, তখন সুদে-আসলে রক্তের মূল্য দিতে হয়েছে।"

এই সময় তিনি অসলো চুক্তি, ২০০৬ সালের লেবানন চুক্তি এবং গাজায় অতীতের ‘সংযম নীতির’ উদাহরণ তুলে ধরেন।

যদি এটি ইসরায়েল সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হয়ে থাকে, তাহলে আগামীর ধারাবাহিকতা ট্রাম্পের সঙ্গে তাদের বৈরিতা অবশ্যম্ভাবী। কারণ ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং বারবার ইসরায়েলকে লেবাননে হামলা বন্ধ করতে বলেছেন। ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তির আলোচনার শেষ পর্যায়ে ইসরায়েল বৈরুতে হামলা চালানোর কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘বিচার-বিবেচনাহীন মানুষ’ আখ্যা দেন ট্রাম্প।

সূত্র: সিএনএন, ইন্ডিয়া টুডে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণ ও জাতীয় স্বার্থ নিয়ে তিনটি বার্তা দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


জনগণ ও জাতীয় স্বার্থ নিয়ে তিনটি বার্তা দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (X)-এ জনগণ, ময়দান এবং জাতীয় স্বার্থ বিষয়ক পৃথক তিনটি পোস্ট প্রকাশ করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, দেশের প্রতিরক্ষা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যারা মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন, সরকার তাদের সমর্থন করার বিষয়টিকে নিজের কর্তব্য মনে করে।

সোমবার ভোরে প্রকাশিত ইরনার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পেজেশকিয়ান প্রথম বার্তায় বলেছিলেন: “আমরা কোনো শক্তির সামনে মাথা নত করব না। তবে ইরানের জনগণ এবং তাদের ন্যায্য দাবির প্রতি নিজেদের দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক মনে করি। অবশ্য জনগণ বলতে আমরা সমগ্র ইরানের জনগণকে বুঝি, কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক ধারাকে নয়।”

প্রেসিডেন্ট দ্বিতীয় বার্তায় বলেন: “দেশের প্রতিরক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তার জন্য যারা মাঠে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের সমর্থন করা সরকার নিজের কর্তব্য বলে মনে করে। যারা মাতৃভূমির রক্ষায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত, তাদের কাছ থেকে দৃঢ় অবস্থান আশা করা যায় না যদি তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা, সুযোগ-সুবিধা ও চাহিদাগুলো উপেক্ষা করা হয়।”

তৃতীয় বার্তায় তিনি জোর দিয়ে বলেছেন: “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে, যারা সরকারি দায়িত্বের আওতায় এবং দেশের জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা রক্ষার লক্ষ্যে কাজ করছেন, তাদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বা ‘দেশবিক্রেতা’ ইত্যাদি তকমার মুখোমুখি হতে হয়। সমালোচনা সমাজের স্বাভাবিক ও ন্যায্য অধিকার; কিন্তু আইনসম্মত দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের ধ্বংসাত্মকভাবে আক্রমণ করা ন্যায়বিচার ও মানবিকতার পরিপন্থী।” সূত্র : ইরনা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%