ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

এলপিজির চড়া দামে প্রশ্নের মুখে পাকিস্তানের ভোক্তা সুরক্ষা ব্যবস্থা


এলপিজির চড়া দামে প্রশ্নের মুখে পাকিস্তানের ভোক্তা সুরক্ষা ব্যবস্থা

পাকিস্তানের করাচিতে এলপিজির বাজারদর সরকারি নির্ধারিত মূল্যের প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের পারিবারিক ব্যয়ে চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সরকারের ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও সরকারি মূল্যতালিকা রয়েছে, বাজারে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না, ফলে ক্রেতাদের বাড়তি দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে।

এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করাচির বাজারে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ৫০ রুপি বেড়ে ৫৫০ রুপিতে পৌঁছেছে। এই দাম সরকারিভাবে নির্ধারিত হারের প্রায় দ্বিগুণ। ফলে সরকারি নিয়মকানুন এবং বাজারের বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে একটি বড় ধরনের ব্যবধান সৃষ্টি হয়েছে।

পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংযোগ নেই এমন পরিবারগুলোর জন্য এলপিজি কেনার বিকল্পও সীমিত। তাই চড়া দাম সত্ত্বেও তাদের বাধ্য হয়ে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, ইরান থেকে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে এবং কর্তৃপক্ষ কঠোর নজরদারি নিশ্চিত না করলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।

আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কার যুদ্ধবিধবা ও নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে নারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা

হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে খুচরা বিক্রেতারাও সংকটে পড়েছেন। দোকানদারদের দাবি, পাইকারি পর্যায়ে দাম বেড়ে যাওয়া এবং অন্যান্য খরচ সামাল দিতে গিয়ে তাদের বিক্রি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। ফলে বিক্রেতা এবং ক্রেতা—উভয় পক্ষই চাপের মধ্যে রয়েছে।

জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব শুধুমাত্র গ্যাস কেনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এলপিজির দাম বাড়লে পরিবহন ভাড়া, তন্দুর এবং বেকারি পণ্যের উৎপাদন খরচও বাড়তে পারে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের ওপর আরও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হবে। বাজার পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা, কার্যকর নজরদারি এবং নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপের অভাবে বিপণন সংস্থাগুলো অতিরিক্ত দাম নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে। এতে ভোক্তা অধিকার আরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানিতে জেন-জি বিক্ষোভ, পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪২ এম


জার্মানিতে জেন-জি বিক্ষোভ, পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ

ফ্রান্সের পর শিক্ষা ব্যবস্থার অবনতির কারণে, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবায় বাজেট কাটছাঁট, জীবনযাত্রার বাড়তি খরচ এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার বিরুদ্ধে জার্মানির বড় শহরগুলোতে হাজার হাজার তরুণ বিক্ষোভ করেছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) ‘জেন-জি রেগেল্ট’ সংগঠনের আহ্বানে বার্লিন, ফ্রাঙ্কফুর্ট ও মিউনিখসহ প্রায় ৩৪টি শহরে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

ইউরোপজুড়ে সম্প্রতি তরুণদের নেতৃত্বে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, তার ধারাবাহিকতায় জার্মানিতে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হলো। তবে, জার্মানির আর্থিক কেন্দ্র ফ্রাঙ্কফুর্টে বিক্ষোভের এক পর্যায়ে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে এবং টুপি পরিহিত দাঙ্গাকারীরা কয়েকটি দোকানে লুটপাট শুরু করে।

ফ্রাঙ্কফুর্ট পুলিশ সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) জানায়, শহরের কেন্দ্রস্থলে বেশ কয়েকটি দোকানের জানালা ভাঙচুর করা হয়েছে এবং জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের লক্ষ্য করে মলোটোভ ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সাধারণ জনগণকে শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানায়। হামবুর্গ শহরেও কিছু জায়গায় রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে আগুন জ্বালানোর ঘটনা ঘটেছে।

আয়োজক সংগঠনের মুখপাত্র লিনা ফ্রিডরিচ বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ বা বলপ্রয়োগের জন্য নয়, বরং শান্তি ও স্বাধীনতার পক্ষে লড়াই করতে এখানে এসেছি। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নত সহায়তা এবং সামরিক সেবার বিরোধিতাই আমাদের প্রধান দাবি।’

আয়োজকরা ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষের সমাগমের আশা করলেও পুলিশ জানিয়েছে, ফ্রাঙ্কফুর্ট, মিউনিখ ও বার্লিনে সবমিলিয়ে প্রায় ১৮ হাজার বিক্ষোভকারী অংশ নেন। এদিকে সম্ভাব্য সহিংসতা ও ভাঙচুরের আশঙ্কায় বার্লিনের বিলাসবহুল কুরফুর্স্টেনডাম শপিং বুলেভার্ডসহ বিভিন্ন এলাকার অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তাদের জানালা ঢেকে দেয় এবং দোকানপাট আগেভাগে বন্ধ রাখার পরিকল্পনা করে।

জার্মান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ‘চরমপন্থি’ গোষ্ঠীগুলোর পক্ষ থেকে এই আন্দোলনকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে ফ্রান্সের বিক্ষোভের চিত্র স্মরণ করে হেস রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমান পিসেখ জানান, ফ্রান্সের মতো ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি জার্মানিতে মডেল হতে পারে না।

বর্তমান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মেঞ্জের সরকারের বিরুদ্ধে তরুণদের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক বোঝা চাপানোর অভিযোগ তুলে বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ১০ মিনিটে হামলা করতে সক্ষম যুক্তরাষ্ট্র’ ট্রাম্পের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ এম


‘ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ১০ মিনিটে হামলা করতে সক্ষম যুক্তরাষ্ট্র’ ট্রাম্পের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির অবশিষ্ট অংশে নতুন সামরিক হামলার সম্ভাবনা সম্পর্কে কথা বলেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির অবশিষ্ট স্থাপনাগুলোতে মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে হামলা চালাতে সক্ষম।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে স্থানীয় সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এই দাবি করেন। খবরটি প্রকাশ করেছে জেরুজালেম পোস্ট।

ট্রাম্প বলেন, ইরানের এমন ‘এক বা দুটি স্থাপনা’ রয়েছে, যেগুলোতে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনও অন্তর্ভুক্ত। তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে এটি করতে পারি। এ জন্য আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে এবং খুব দ্রুত তা বাস্তবায়ন করতে পারি।"

ইরানের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। তিনি বলেন, "এখন কী হয়, তা দেখা যাবে। সবকিছু ভালোভাবেই এগোচ্ছে, তবে তাদের আসলে বিশ্বাস করা যায় না। তারা চুক্তিতে পৌঁছায়, আবার সেখান থেকে সরে আসে। তারা চুক্তি করতে চায়, এখন দেখা যাক শেষ পর্যন্ত তারা তাতে স্বাক্ষর করে কি না।"

এ ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে, ট্রাম্প ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে নতুন হামলা শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এর আগে, ট্রাম্প সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এ বৈঠকে সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন উপস্থিত ছিলেন।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে যুদ্ধের আশঙ্কা কমে এসেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহে পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম বাড়িয়েছে। একই সময়ে, ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলার ঝুঁকিতে থাকা ঘাঁটিগুলো থেকে কিছু সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এ পরিস্থিতির রাজনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে। আগামী মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনী প্রচারের শেষ পর্যায়ে রয়েছেন ট্রাম্প।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি রিপাবলিকান পার্টির জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনের শেষ সময়ে নিজের দলের প্রতি জনসমর্থন বাড়াতে চাইছেন ট্রাম্প।

এ কারণে, বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর সময় পিছিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে আলোচনার সময় দীর্ঘায়িত করছে ইরানও।

প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের ধারণা, সেন্টকম ও ইসরাইল ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিলেও নির্বাচনের আগে হোয়াইট হাউস সামরিক অভিযানের নির্দেশ দেবে না। তবে, ইরান আকস্মিক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে কোনো তথ্য পাওয়া গেলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রস্তুতি নিয়ে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বিভাগও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, হোয়াইট হাউস ইরানকে আলোচনায় ফেরার আরেকটি সুযোগ দিতে চাইছে।

প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা মনে করছেন, সপ্তাহের পর সপ্তাহ অবনতিশীল অর্থনৈতিক সংকটে থাকা ইরান এমন কোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে না, যার মাধ্যমে তাদের পুরো পারমাণবিক কর্মসূচি পরিত্যাগ করতে হবে। বিশেষ করে, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বন্ধ করার বিষয়ে তেহরান সম্মত হবে না। এসব ক্ষেপণাস্ত্র বর্তমানে ইউরোপের জন্যও হুমকি হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকার ন্যূনতম মজুরির দাবিতে অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ এম


মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকার ন্যূনতম মজুরির দাবিতে অবরোধ

পোশাক শ্রমিকরা ফের মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্ত্বর অবরোধ করেছেন, তাদের দাবি ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার।

রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ৯ টার দিকে, মিরপুরের বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা গোলচত্ত্বরে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ শুরু করেন।

এ কারণে মিরপুর-১০ গোল চত্ত্বর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে এবং এর ফলে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মিরপুর ট্রাফিক বিভাগ জানায়, তারা বিকল্প রাস্তায় ড্রাইভারশন দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে।

মিরপুর ট্রাফিক বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) আবুল বাসার মোল্ল্যা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, "পোশাক শ্রমিকরা আজও সড়ক অবরোধ করেছেন। বর্তমানে মিরপুর-১০ নম্বর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আমরা ড্রাইভারশন নিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি।"

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার ও শনিবার পোশাক শ্রমিকরা প্রায় ৫ ঘণ্টা করে মিরপুরের বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেছিলেন। তারা ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়ে শনিবার অবরোধ শেষে বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানা ও শপিং মলেও ভাঙচুর চালান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পূর্বধলায় কারিগরি শিক্ষায় বিপর্যয়, পাসের হার ৩৫.৭৭ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ এম


পূর্বধলায় কারিগরি শিক্ষায় বিপর্যয়, পাসের হার ৩৫.৭৭ শতাংশ

নেত্রকোনার পূর্বধলায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কারিগরি (বিএম) শাখায় ভরাডুবি হয়েছে। উপজেলার তিনটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২৩২ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৮৩ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ১৪৯ জন। ফলে এ শাখায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৭৭ শতাংশে।

গত ৩১ অক্টোবর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

ফলাফলে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছে ইকরা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র তিনজন। পাসের হার ৬ দশমিক ৮১ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির ৪১ জন পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে।

এ ছাড়া জটিয়াবর কলেজ থেকে ৪৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১০ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ২০ দশমিক ৪০ শতাংশ। অন্যদিকে তুলনামূলক ভালো ফল করেছে পূর্বধলা সরকারি কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১৩৯ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭০ জন। পাসের হার প্রায় ৫০ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

কারিগরি শিক্ষাকে কর্মমুখী ও দক্ষ জনশক্তি তৈরির অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হলেও পূর্বধলায় এ ধারার ফলাফল হতাশাজনক। বিশেষ করে ইকরা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাসের হার ৭ শতাংশের নিচে নেমে আসায় শিক্ষার মান ও পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও যথাযথ তদারকির অভাব এ ধরনের ফলাফলের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%