ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিকেএসপি পরিচালনা বোর্ডের ৪০তম সভা অনুষ্ঠিত


বিকেএসপি পরিচালনা বোর্ডের ৪০তম সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) পরিচালনা বোর্ডের ৪০তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে প্রশিক্ষণের মান উন্নয়নের উদ্দেশ্যে বিদেশি বিশেষজ্ঞ কোচ নিয়োগ, দাবা নতুন ক্রীড়া বিভাগ হিসেবে অন্তর্ভুক্তি এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

রোববার বসেছিল সাভারের জিরানীতে বিকেএসপির প্রধান কার্যালয়ে এই সভা। সভাপতিত্ব করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিকেএসপি পরিচালনা বোর্ডের সভাপতি মো. আমিনুল হক।

সভায় ৩৯তম সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন করার পর এজেন্ডাভুক্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয় এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

আরও পড়ুন: জাপান বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চায়

সভায় বিকেএসপির জনবল কাঠামো শক্তিশালীকরণ, প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মানোন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ২০২১ সালের প্রশিক্ষণার্থী নীতিমালা হালনাগাদ করা হয়, পাশাপাশি চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করা হয়। নারীদের জন্য রাজশাহীতে স্বতন্ত্র আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন এবং বিভাগীয় ও আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন নীতিমালা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া, বিকেএসপির প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার জন্য বিদেশি বিশেষজ্ঞ কোচ অন্তর্ভুক্তি, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ বিকাশের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় গড়ে তোলার জন্য বিকেএসপির কার্যক্রম আরও গতিশীল ও যুগোপযোগী করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

সভায় স্পোর্টস ডিপ্লোমেসির অংশ হিসেবে চীনের পাশাপাশি জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্রীড়া ফেডারেশনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে প্রশিক্ষণ, কোচিং এবং প্রতিযোগিতা আয়োজনের বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: নির্বাচনের আগে ইসরায়েলে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহু ও সেনাপ্রধানের মধ্যে বিরোধ

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিকেএসপি পরিচালনা বোর্ডের সদস্য, মহাপরিচালক, পরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় বি আন্ওয়ার আহমদ স্মরণসভা ও ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


বগুড়ায় বি আন্ওয়ার আহমদ স্মরণসভা ও ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

বগুড়া লেখক চক্রের আয়োজনে কবি আন্ওয়ার আহমদ এর ৮৫তম জন্মদিন উপলক্ষে স্মরণসভা, স্মৃতিপদক প্রদান, কবিতা পাঠ ও ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় শহরের ম্যাক্স মোটেলে অনুষ্ঠিত স্মরণসভা এবং ফল উৎসবে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের উপদেষ্টা শিশু সংগঠক এ্যাড. পলাশ খন্দকার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ এবং প্রধান আলোচক ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা কবি প্রাবন্ধিক প্রফেসর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।

কবিকে নিয়ে স্মৃতিতর্পণ করেন সংগঠনের উপদেষ্টা কবি প্রাবন্ধিক প্রফেসর খৈয়াম কাদের, কবিপুত্র নাজিম আনওয়ার রুপম, রয়্যাল কেক এন্ড আর্ট এর সত্ত্বাধিকারী বায়েজিদ শেখ, কবি এমরান কবির, ছড়াকার আমির খসরু সেলিম এবং এস এম আনিছুর রহমান। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ইসলাম রফিক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজজাক বকুল।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন একতারা সম্পাদক কবি মতিয়ার রহমান, শিক্ষাবিদ ড. ত্বাইফ মামুন এবং কবি হাসান সিরাজ।। কবি আন্ওয়ার আহমদ এর কবিতা পাঠ করেন সাহাব উদ্দিন হিজল, মুনসুর রহমান তানসেন, সিকতা কাজল, প্রতত সিদ্দিক, শাহানূর শাহিন, মাহাবুব টুটুল, আবু রায়হান, সম্পা রাণী মোহন্ত, অনন্য রাসেল, শাহাদত হোসেন, মনোয়ারা মুন্নী, হাবীবুল্লাহ জুয়েল, আমিনুল ইসলাম রনজু, শাকিবুল শাকিল এবং সাহানা আক্তার।

স্মরণসভায় 'লেখমালা' সম্পাদক কবি মামুন মুস্তাফাকে 'কবি সম্পাদক আনওয়ার আহমদ স্মৃতিপদক ২০২৫' প্রদান করেন প্রধান অতিথি বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ। উক্ত অনুষ্ঠানে তাকে উত্তরীয় পরিয়ে দেয়া এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়। স্মরণসভায় রয়্যাল কেক এন্ড আর্ট এর পক্ষ থেকে প্রদত্ত কেক কাটেন প্রধান অতিথি। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয় দেশীয় ফল এবং রয়্যাল কেক এর মাধ্যমে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের স্বার্থে ডিএনসিসির সব সেবা কার্যক্রম চলমান থাকবে : প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩২ পি.এম


জনগণের স্বার্থে ডিএনসিসির সব সেবা কার্যক্রম চলমান থাকবে : প্রশাসক

প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, জনগণের স্বার্থে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সব সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বনানীর করাইল এরশাদ মাঠে জাতীয় ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব আব্দুর রহমান সানি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি শিশুদের ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক জানিয়েছেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ১০টি অঞ্চলে মোট ৫৪টি ওয়ার্ডে ১ হাজার ৯০৫টি স্থায়ী এবং ১০ হাজার ৮৯১টি অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুদের ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। এই কার্যক্রম আগামী তিন দিন চলবে।

তিনি আরও বলেন, দেশব্যাপী জেলা, উপজেলা, শহর, পাড়া-মহল্লা ও গ্রামাঞ্চলের প্রতিটি শিশুর কাছে ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাপসুল পৌঁছে দিতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সরকার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনও তার আওতাধীন সব শিশুকে এই সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। তবে কোনো প্রয়োজন হলে নাগরিকদের ডিএনসিসির সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বানও জানান তিনি।

ডিএনসিসি প্রশাসক উল্লেখ করেন, হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে ডিএনসিসির যে সফলতা রয়েছে, ঠিক একইভাবে অন্যান্য জনসেবামূলক কার্যক্রমও মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে সফলতা অর্জন করবে।

অনুষ্ঠানে বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিজ নিজ বাসাবাড়ি, ছাদ, বাগান, আঙিনা ও আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলমান রয়েছে। এই কার্যক্রম সফল করতে নগরবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানের শেষে ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব আব্দুর রহমান সানি শিশুদের ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত এমপির মেয়ের নামে সরকারি অনুদান, ব্যক্তিগত সচিব বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ পি.এম


জামায়াত এমপির মেয়ের নামে সরকারি অনুদান, ব্যক্তিগত সচিব বরখাস্ত

নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য 'র অনুকূলে ঐচ্ছিক তহবিল অনুদানের প্রকাশিত তালিকায় সংসদ সদস্যের মেয়েসহ তার নিকটাত্মীয়দের নাম থাকার কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। এরপর অভিযোগ ভিত্তিতে ব্যক্তিগত সহকারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এরজন্য দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী দলের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্য ও নড়াইল জেলা জামায়েতের আমির মো. আতাউর রহমানকে সতর্ক করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট ঘটনায় তাকে সতর্ক করা হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) দুপুরে জাতীয় সংসদের প্যাডে নড়াইল -২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তার ব্যক্তিগত সহকারী আবু সালেহ মোহাম্মদ গোফরানকে বরখাস্ত করা হয়। চিঠিটির অনুলিপি জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব, জেলা প্রশাসক নড়াইল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নড়াইল সদর ও লোহাগড়া এবং প্রেসক্লাব নড়াইল বরাবর পাঠানো হয়েছে। এমপি স্বাক্ষরিত চিঠিটি তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজ থেকেও প্রকাশ করা হয়েছে।

একই দিন বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী পক্ষ থেকে সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন, সম্প্রতি সংঘটিত একটি অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদের নড়াইল-২ আসনের বিরোধী দলের সদস্য মো. আতাউর রহমান বাচ্চুকে সতর্ক করা হয়েছে।

চলতি মাসের ১৪ জুন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের অর্থ শাখা-২ এর সিনিয়র সহকারী সচিব রাখী আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, নড়াইল -২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আতাউর রহমানের অনুকূলে ২০০২৫-২৬ অর্থ বছরের বরাদ্দকৃত ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বণ্টন করা হাস্তান্তর করার মঞ্জুরি প্রদান করা হয়েছে। এতে সংসদ সদস্যের দেয়া নামীয় তালিকার ২১ জনের জন্য বণ্টনের কথা বলা হয়েছে। ওই চিঠির ১ ও ৮ নং ক্রমিকে 'ফাইজা' নামটি এমপি আতাউর রহমানের মেয়ের নাম। এবং ঠিকানা হিসেবে নড়াইল সদরের হবোখালী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড উল্লেখ করা হয়। এছাড়া দুই ক্রমিকে 'ফাইজা' নামের বিপরীতে ১০ হাজার করে মোট ২০ হাজার টাকা বরাদ্দের অনুমোদনের কথা রয়েছে।

এমপি কর্তৃক অনুমোদনপ্রাপ্ত চিঠিতে, নড়াইল সদর উপজেলার ১০ জনের মধ্যে মোট ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দের অনুমোদন পাওয়া গেছে এবং লোহাগড়া উপজেলার ১১ জনের মধ্যে ১ লাখ ৩ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দের অনুমোদনও দেয়া হয়েছে।

সমালোচনা বেড়ে যাওয়ার পর ২৬ জুন নড়াইল -২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আতাউর রহমানের ঐচ্ছিক তহবিল অনুদানের মঞ্জুরিকৃত চিঠিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সংসদ সদস্য মো. আতাউর রহমান বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, 'একজন সংসদ সদস্যদের বার্ষিক ঐচ্ছিক তহবিলে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। আমি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর এই অর্থ বছরের বাকি সময়ের জন্য ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।' তিনি বলেন, 'এত মারাত্মক পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় জানলাম তারা নামের তালিকা বলছে।' তিনি যোগ করেন, 'টাকার বরাদ্দ হয়েছে এটা জানায়নি।'

তিনি বলেন, 'এটি ফেসবুকে দেখে প্রশ্ন করেছিলাম কেন আমার মেয়ের নাম এখানে।' তার ব্যক্তিগত সহকারী জবাব দেয়, 'অন্যান্য নাম যাচাই করে দিয়েছি।' তিনি বুঝতে পারেন, 'আগামীতে এই সমস্যা তৈরি হবে।' তিনি জানান, অনুদান পাবার যোগ্য তালিকা করেই দেওয়া হবে।

নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) টি. এম রাহসিন কবির বলেন, 'এমপির ডিও লেটার অনুযায়ী দেওয়া তালিকায় থাকা নাম থেকেই এই অনুদান আসে।' তিনি সতর্ক করেন যে তালিকায় সংশোধনী আনতে হলে তা সচিবালয় থেকেই করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রযুক্তিনির্ভর ও আনন্দমুখর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ পি.এম


প্রযুক্তিনির্ভর ও আনন্দমুখর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষাখাত সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ, মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকার ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ শিক্ষা বাজেট ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ডিজিটাল রূপান্তর এবং বৈষম্যহীন শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একাধিক যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা করতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা তুলে ধরেন। বক্তব্যের শুরুতেই শিক্ষামন্ত্রী বান্দরবানের দুর্গম থানচি উপজেলার তিন্দু এলাকার এক ব্যতিক্রমী প্রধান শিক্ষক বাম খিয়াং ম্ল্যাংকের সংগ্রামের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৫৬ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পরিবার দরিদ্র হওয়ায় নিয়মিত বেতন দিতে না পারায় বিদ্যালয় পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়টি টিকিয়ে রাখতে প্রধান শিক্ষক নিজেই ইঞ্জিনচালিত নৌকা চালিয়ে পর্যটক পরিবহন করেন। সেই আয়ের ৩০ হাজার টাকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ব্যয় করেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নজরে বিষয়টি এসেছে এবং তিনি ইতোমধ্যেই ওই বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের নির্দেশ দিয়েছেন। সংসদে প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তের বার্তা তুলে ধরেন। শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, এবারের বাজেটে শিক্ষাখাতে জিডিপির প্রায় ২ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ। তিনি জানান, শিক্ষা খাতে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তার সঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে শিক্ষা-সংক্রান্ত আরো অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কেও শিক্ষা উন্নয়নে ১০৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য অবকাঠামো নির্মাণ নয়, বরং শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি করা। শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় প্রতিটি শিক্ষককে ট্যাব সরবরাহ করা হবে এবং এর মাধ্যমে ২৫ হাজার মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ গড়ে তোলা হবে। এতে শিক্ষকরা ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহার করে পাঠদান করতে পারবেন এবং শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচির মাধ্যমে পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষা থেকে বেরিয়ে আনন্দময় শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। এর লক্ষ্যে ৩০ হাজার শিক্ষককে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে আরো ২০ হাজার মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের ৫০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম (জিআইএস) ম্যাপিং করা হবে, যাতে সামাজিক ও ভৌগোলিক বৈষম্য চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা যায়। এছাড়া ১৫ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য ইউনিক এডুকেশন আইডি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে, তিনি মনে করেন, জন্মের পর থেকেই যদি জাতীয় পরিচয়ভিত্তিক একটি স্থায়ী পরিচয় নম্বর চালু থাকত, তাহলে আলাদা শিক্ষা আইডির প্রয়োজন হতো না। পরিবেশ সংরক্ষণে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর মাধ্যমে বছরে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা তুলে ধরতে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে স্টার্টআপ ইনোভেশন শোকেস আয়োজন করা হচ্ছে। সেখানে দেশের তরুণদের নতুন উদ্ভাবন প্রদর্শিত হবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার শুধুমাত্র পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক শিক্ষা নয়, বরং সহশিক্ষা কার্যক্রমেও গুরুত্ব দিচ্ছে। অলিম্পিয়াড, বিতর্ক, স্কাউট, বিএনসিসি ও গার্লস গাইড কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণ করা হবে। আগামী বছর থেকে সারাদেশে ২৪ হাজার নতুন বিএনসিসি ইউনিট গঠনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রাথমিক পর্যায়ে খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা এবং পরে উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু করেছিলেন। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত উপবৃত্তির সেই ধারাবাহিকতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত উপবৃত্তি চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরে শিক্ষা খাতে একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিশেষ করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা (টিভিইটি)-কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে দেশের বিপুল জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা যায়।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া, সংস্কৃতি, পারিবারিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা, ধর্মীয় শিক্ষা এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই বিতর্ক, কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রী আরো জানান, বিদ্যালয়বহির্ভূত শিশুদের জন্য উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ড্রেস, জুতা-মোজা, ব্যাগ সরবরাহ এবং অপুষ্টি দূর করতে ধাপে ধাপে মিড-ডে মিল কর্মসূচি সারা দেশে চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, পূর্ববর্তী সরকারের নিয়োগ দেওয়া প্রায় ১৭ হাজার মাদ্রাসা শিক্ষকের বেতনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সাময়িক জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। তবে অর্থমন্ত্রী দ্রুত ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন এবং আগামী জুলাই মাসে বাকি অর্থও দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, ২০২২ সাল থেকে অবসর নেওয়া বহু শিক্ষক এখনও অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ পাননি। এ সমস্যা সমাধানে অর্থমন্ত্রী ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন বলে তিনি জানান। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও মানবিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে প্রতিটি শিশুর মেধা বিকাশ, দক্ষতা অর্জন এবং মূল্যবোধের চর্চা সমানভাবে নিশ্চিত হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রস্তাবিত শিক্ষা বাজেট বাস্তবায়িত হলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি নতুন যুগের সূচনা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%