বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:৩৩ পি.এম
তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) গোলাম কিবরিয়ার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ।
একই সঙ্গে তাকে স্বপদে বহাল করা হয়েছে এবং বরখাস্তকালীন সময়ের সব আর্থিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি কর্পোরেশন-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-৭-এর নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) এবং মার্কেট নির্মাণ সেলের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগসমূহ তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।
অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে, তাকে পূর্বের পদে বহাল করা হয়েছে।
এর আগে, গত ১ জুন স্থানীয় সরকার বিভাগ গোলাম কিবরিয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করে আদেশ জারি করেছিল।
অভিযোগ তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় পূর্বের আদেশ বাতিল করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত আদেশে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে গোলাম কিবরিয়ার বরখাস্তকালীন সময়ের সব বেতন-ভাতা ও অন্যান্য প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা পরিশোধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যা ছয়টা নাগাদ একটি জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে ফোনে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করার সুযোগ পান। প্রায় দুই মিনিটের সেই ফোনালাপে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের গুঞ্জন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগের প্রসঙ্গে আলোচনা করেন।
পদত্যাগের বিষয়ের ওপর প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রপতি সংক্ষেপে বলেন, ‘দেখতে পাবেন... প্রশ্নটা বিব্রতকর।’
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগ করতে চান, তার স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে। বর্তমানে স্পিকার দেশের বাইরে রয়েছেন—এই বিষয়টি উল্লেখ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার জানা নেই স্পিকার দেশে আছেন কি না। এটা আমার জানার কথা না।’
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথনের যে অভিযোগ উঠেছে, রাষ্ট্রপতি তা ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘এটা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কারও যদি মাথা খারাপ হয়, সে এ ধরনের কথা বলতে পারে।’
নিজের শারীরিক অবস্থার সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি তখন মৃতপ্রায়, চিকিৎসাধীন ছিলাম। এটা একেবারে ভিত্তিহীন ও বানানো কথা, এটাই বলতে পারি।’
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে একাধিক সূত্রের ভিত্তিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রচারিত হয় যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন। রিপোর্টগুলোতে বলা হয়েছে, চিকিৎসাজনিত কারণে লন্ডন সফরকালে তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতি সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের বিষয়ে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিকভাবে বা স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করতে চাইলে তার সেই সুযোগ রয়েছে।’
শেখ হাসিনার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির কথোপকথনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে কোনো আলাপ করেছেন কি না, আমার জানা নেই।’
সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে তাকে পদত্যাগের বিষয়ে কিছু বলা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকারের কাছেই পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া-মোনাজাত করেছেন কমিটির নেতৃবৃন্দ।
ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ বলেছেন, "আমরা রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছি এবং তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছি।" তিনি যোগ করেছেন, "দেশ ও জাতির কল্যাণে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের সাফল্য কামনা করে দোয়া করা হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হয়ে উঠবে। এদিকে, পদবঞ্চিত নেতাদের মূল্যায়নের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে—এটাই প্রত্যাশা।
সংগঠনটির সদস্য সচিব রাফিজ আহমেদ মন্তব্য করেছেন, "শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ, দেশপ্রেম, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আত্মত্যাগ আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস।" তিনি আরো বলেন, "সেই আদর্শ ধারণ করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা ও শৃঙ্খলাভিত্তিক রাজনীতি এবং নিরাপদ ও শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে, ইনশাআল্লাহ।"
নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মাসুদ রুমী মিথুন বলেন, "ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে গণতন্ত্রের অগ্রদূত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া করেছি।" তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, "বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ জাতীয়তাবাদী আদর্শে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠুক—এটাই প্রত্যাশা।"
তিনি আরও জানান, "জাতীয়তাবাদী আদর্শ শক্তিশালী করতে আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমানের নীতি ও আদর্শ বাস্তবায়নে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সবসময় বদ্ধপরিকর।"
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নেতৃবৃন্দ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মাসুদ রুমী মিথুন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ, সদস্য সচিব রাফিজ আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক নুর উদ্দিন, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. সাব্বির হোসাইন, রাকিব হাসান স্বাক্ষর, তৌহিদুল ইসলাম, মো. আল আমিন, রিফাত হোসাইন, আরিফুর ইসলাম জনি, মো. আসাদ তৌফিক, নয়ন হোসেন, সৈয়দ মোহাম্মদ আলী ও সানভীর অনিক।
এছাড়া কমিটির সদস্য কে. এম আবিদুজ্জামান, সাহরিয়ার রশিদ নিলয়, রিয়াজ উদ্দিন, আশিক ইকবাল, মো. মেহমুদ হাসান উৎস, মো. সজিব হোসাইন, রেজাউল ইসলাম, ইসমাম হোসেন তন্দ্রা, মাহফুজা খাতুন, জয়নব ফেরদৌস জিনিয়া, নকিবুল ইসলাম অংকন, এনামুল হক পুলক, মো. সাইফুল্লাহ, আলীনুর রহমান, আব্দুল্লাহ আল নোমান, শাহিনুর রহমান শুভ, রবিন মিয়া ও রুবায়েত আহমেদ লিমন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সদ্য বিদায়ী আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে দুর্দান্ত বিক্ষোভ একই সঙ্গে নতুন এক আলোচনার পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। হাজারো শিক্ষার্থীর স্লোগানে মুখরিত হয়ে রয়েছে দিল্লীর রাজপথ। টানা চলেছে বিক্ষোভের ধারা। আর এই আন্দোলনস্থলে দেখা যাচ্ছে এক ভিন্নতা। হঠাৎ করেই পৌঁছে যাচ্ছে সমুচা, চা, ঠান্ডা পানীয় ও নানা ধরনের খাবারের প্যাকেট। মজার বিষয় হলো, খাবার নিতে সেখানে হাজির হচ্ছেন না কোনো ক্রেতা। বরং ডেলিভারি কর্মীদের বলা হচ্ছে, আন্দোলনকারীদের মধ্যে এই খাবারগুলো বিলিয়ে দিতে হবে। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, কারা পাঠাচ্ছেন এইসব খাবার? কেন বিদেশ থেকেও আসছে এসব খাবারের অর্ডার?
আন্দোলনকারীদের প্রতি সংহতি জানাতে দেশ ও বিদেশের অনেক মানুষ বেছে নিয়েছেন অভিনব এই কৌশল। অনলাইনে খাবার অর্ডার করে তারা সেগুলো সরাসরি আন্দোলনস্থলে পাঠাচ্ছেন। বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, অনলাইনে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সুইগি ও জোম্যাটোর মতো অ্যাপের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে পাঠানো হচ্ছে খাবার ও পানীয় আন্দোলনকারীদের জন্য। এরপর ডেলিভারি কর্মীদের বলা হচ্ছে, যাদের প্রয়োজন তাদের মধ্যে খাবারগুলো বিনামূল্যে বিতরণ করতে।
সুইগির ডেলিভারি কর্মী প্রদীপ কুমার সিং ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন, যন্তর মন্তর এখন তার কাছে হয়ে উঠেছে নিয়মিত ডেলিভারি গন্তব্য। তিনি বলেন, অর্ডার দেওয়ার পর গ্রাহকরা তাকে ফোন করে শুধু বলেন, আন্দোলনকারীদের মধ্যে খাবারগুলো বিলিয়ে দিতে। সেখানে কেউ খাবার নিতে আলাদাভাবে আসেন না। তিনি আরও জানান, একদিন তার কাছে সমুচার একটি বড় অর্ডার এসেছিল। তাকে শুধুমাত্র বলা হয়েছিল, যাদের প্রয়োজন তাঁদের হাতে সেটি তুলে দিতে হবে।
শুধু ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই নয়, বিদেশ থেকেও আন্দোলনকারীদের জন্য খাবার পাঠানো হচ্ছে। আরেক ডেলিভারি কর্মী মহেন্দ্র কুমার জানান, তিনি এক বিদেশি গ্রাহকের পাঠানো চায়ের অর্ডার নিয়ে এসেছিলেন যন্তর মন্তরে। তবে তিনি জানেন না, ওই অর্ডারটি কে দিয়েছে। তাকে শুধু নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, আন্দোলনরত ভাইদের হাতে চা পৌঁছে দিতে হবে।
অন্যদিকে, জোম্যাটো ও জেপ্টোর এক ডেলিভারি কর্মী এই উদ্যোগটিকে ‘স্টুডেন্ট সার্ভিস’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষায়, প্রেরকের পরিচয় পুরোপুরি গোপন রাখা হয়েছে। তাকে শুধু নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সব খাবার আন্দোলনকারীদের মধ্যে বিতরণ করতে।
এদিকে, এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশ এখনও পর্যন্ত ১০টি এফআইআর দায়ের করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় চারটি, কনট প্লেস থানায় তিনটি এবং মন্দির মার্গ, বারাখাম্বা রোড ও কর্তব্য পথ থানায় একটি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও আন্দোলনস্থলে পৌঁছে যাওয়া এসব খাবার ও পানীয় যেন দিয়ে যাচ্ছে আরেকটি বার্তা। কেউ পরিচয় প্রকাশ না করেও নিজেদের সমর্থনের কথা জানিয়ে দিচ্ছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে পুলিশের অভিযান চলাকালে এক মাদক কারবারির বাড়িতে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, চার রাউন্ড গুলি, ছুরি, এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায়, উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব আলাদাদপুর গ্রামের রমজান আলী মোক্তার বাড়িতে আবুল হোসেনের ছেলে সাকিব হোসেনের ঘরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালায়।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রব জানিয়েছেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, চিহ্নিত মাদক কারবারি সাকিব হোসেনের কাছে অস্ত্র রয়েছে এবং পরে তার বাড়িতে অভিযান চালানোর সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যান।
ওসি আরও জানান, তার ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, চার রাউন্ড গুলি, বিভিন্ন ধরনের ছুরি এবং মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, "এ ঘটনায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।" পাশাপাশি, পলাতক সাকিব হোসেনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ওসি আরো জানান, সাকিব হোসেনের বিরুদ্ধে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং চন্দ্রগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মোট ছয়টি মামলা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ