০৫:১০ পি.এম
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশের কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ১৫ হাজার ৮৪৪টি অনুমোদিত শিক্ষক পদের বিপরীতে বর্তমানে ৮ হাজার ৪৮৬টি শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে।
উল্লেখ্য, তিনি রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদের বৈঠকে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উভয় সংসদ সদস্যের লিখিত পৃথক প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান।
প্রশ্নোত্তর পর্বে এহছানুল হক মিলন আরো বলেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৫ হাজার ৮৪৪টি শিক্ষক পদের মধ্যে বর্তমানে ৭ হাজার ৭৪ জন কর্মরত আছেন। তাহলে বোঝা যায় যে ৮ হাজার ৪৮৬টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে।
আরও পড়ুন: সাগর-রুনি হত্যায় ট্রাইব্যুনালের তথ্য যাচাই করছে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স
তিনি বলেন, বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইনস্ট্রাক্টর (৯ম গ্রেড) ও জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর (১০ম গ্রেড) পদে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে বিসিএস (ক্যাডার ও নন-ক্যাডার) পরীক্ষার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে ২ হাজার ২০৪টি শূন্য পদে নিয়োগের সুপারিশ চেয়ে পিএসসিতে রিকুইজিশন পাঠানো হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ৪৫তম বিসিএসে পিএসসি ৯৭ জন ক্যাডার এবং ৩৪৯ জন নন-ক্যাডার শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেছে। তবে, পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষে তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে।
এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, পদোন্নতির মাধ্যমেও শূন্য পদ পূরণ করা হয়ে থাকে। কিন্তু, ধারণা করা হচ্ছে যে পদোন্নতিযোগ্য ৪ হাজার ১৩১টি শিক্ষক ও কর্মচারীর পদে কর্মরত জনবল না থাকায় সেসব পদে পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন