জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৯:৫৪ পি.এম
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর বাজারে খাদ্যে ভেজাল করে বাজারজাত করার অভিযোগে দুই তিল ব্যবসায়ীকে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত এ জরিমানা করেছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) পরিচালিত অভিযানে দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন জামালপুর বাজারের তিল ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম বিশ্বাস (৬২) ও আব্দুল হাই বিশ্বাস (৫৫)।
জানা গেছে, ওই দুই ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফার জন্য সাদা তিলে রাসায়নিক রং ব্যবহার করে কালো তিল হিসেবে বাজারজাত করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়। এ সময় শহীদুল ইসলাম বিশ্বাসের প্রতিষ্ঠান থেকে রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে রং করা ১৯ বস্তা তিল জব্দ করা হয়।
অভিযানের একপর্যায়ে অপর ব্যবসায়ী আব্দুল হাই বিশ্বাসের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সেখানে তিল রং করার কাজে ব্যবহৃত এক বোতল রং এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
পরে জব্দকৃত ১৯ বস্তা তিল বহরপুর বাজারে মাসুম মণ্ডলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে নিয়ে আসা হয়। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সামনে অভিযুক্ত দুই ব্যবসায়ী নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেন।
অপরাধ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে ৩ লাখ টাকা করে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে প্রত্যেককে তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
ব্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের রাজস্ব ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সিদ্দিক এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ড. আসিকুর রহমান।
অভিযানে সহযোগিতা করেন রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা আসিফুর রহমান, বালিয়াকান্দি উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ও স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় খাদ্যে ভেজালবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলতে পারে এমন কোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার চিনির পটল গ্রামের মৃত্যু নইম উদ্দিনের ছেলে নবীর শেখ( ৬০) গত ১৬ জুন সকাল অনুমানিক ৮টার সময় তার নিজ পালিত গরুর গুঁতোয় মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সকালে কৃষক নবির হোসেন তার নিজের গরুটি বাড়ির পাশের জমিতে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে যান। এ সময় গরুটি হঠাৎ করেই তাকে লক্ষ্য করে সজোরে গুঁতো দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। গরুর শিংয়ের আঘাতে তার মুখ ও মাথা ফেটে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্বজনেরা উদ্ধার করে দ্রুত সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিজের পালিত গরুর আঘাতে এভাবেম কৃষকের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার ও পুরো চিনিরপটল গ্রাম এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের মঠবাড়ীয়া উপজেলার সাপলেজা বাজারে অবস্থিত শাপলা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে আবু হোরায়রা নামে এক কথিত চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও প্রয়োজনীয় সনদ ও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন ২০২৬) সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীব দেবনাথ আকস্মিকভাবে শাপলা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানটিতে কর্তব্যরত আবু হোরায়রা (পিতা: মো. মিজানুর রহমান, গ্রাম: পশ্চিম ভাওলকর, জেলা: বরগুনা) নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিলেও তার দাবির পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য সনদ, নিবন্ধন বা প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে পারেননি।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসক পরিচয়ে রোগী দেখার পাশাপাশি তিনি নিজের নামের আগে “ডাঃ” উপাধি ব্যবহার করে আসছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে তার চিকিৎসক হিসেবে বৈধ পরিচয়ের কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় আদালত তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং পরে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ রয়েছে, চিকিৎসক পরিচয় ব্যবহার এবং নামের আগে “ডাঃ” উপাধি সংযুক্ত করার মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী আরও কঠোর শাস্তির বিধান থাকলেও ভ্রাম্যমাণ আদালত সর্বনিম্ন সাজা প্রদান করেছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল অবৈধ ও ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, ভুয়া চিকিৎসকদের কারণে সাধারণ মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়ে এবং এ ধরনের প্রতারণার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে এবং স্বাস্থ্যসেবার নামে কোনো ধরনের প্রতারণা বরদাশত করা হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০১৬ সালের ১৬ জুন, সকাল সাড়ে ১০ টায় সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ‘জলবায়ু সহনশীল সবজি ও ফুলের ভ্যালু চেইন শক্তিশালীকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। হেইফার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সহায়তায় নওয়াবেঁকী গণমূখী ফাউন্ডেশন (এনজিএফ) এই অবহিতকরণ সভার আয়োজন করে।
এনজিএফ’র পরিচালক (মাইক্রোফিন্যান্স) মো. আলমগীর কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মিলন সাহা প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, 'কৃষিখাত বাংলাদেশের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। দেশের উন্নয়ণে কৃষির বিকল্প নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সাথে এই খাতে নানাবিধ সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। এ সব সংকট দূর করতে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। সরকারি দপ্তরের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাকেও যথাযথ ভূমিকা পালনের জন্য আহ্বান জানান তিনি।'
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনজিএফ’র হেড অব মনিটরিং এন্ড ইভালুয়াশেন এসএম মাহবুব আলম। প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য উপস্থাপন করেন প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর শেখ তরিকুল ইসলাম। উন্মুক্ত আলোচনায় উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন হেইফার ইন্টারন্যাশনাল এর রিজিওনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার মনিরা সুলতানা। অবহিতকরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন হেইফার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম) ডেভিড গোমেজ, জেলা মৃত্তিকা অধিদপ্তরের সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার শামসুন নাহার রত্না, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার দে, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অর্ণা চক্রবর্তী, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মানবিকা শীল, সমাজসেবা কর্মকর্তা শাকিল আহম্মেদ, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন, উপজেলা সাংবাদিক ফোরামের সহ-সভাপতি শেখ শরিফুল ইসলাম, ধলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান গাজী শওকাত হোসেন, কুশলিয়া ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান তাহমিনা পারভীন, উপজেলার সমবায় অফিসের সহকারী পরিদর্শক শেখ মিজানুর রহমান, কৃষ্ণনগর ইউপি’র মেম্বার নূর হোসেন প্রমুখ।
সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে যে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলার ১২ ইউনিয়নের ৮ হাজার প্রান্তিক সমবায়ী কৃষককে নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এটি পরবর্তীতে আরও সম্প্রসারিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৬ জুন, ২০২৬, কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও স্থায়ী কমিটির সদস্যদের অংশগ্রহণে ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য বিষয়ক ৩ দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১০ টায় উপজেলা প্রাণী সম্পদের সম্মেলন কক্ষে এই প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়। সিএনআরএসের বিফরআরএল প্রকল্পের সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে ইউনিয়ন পরিষদের ১৩ টি স্থায়ী কমিটির সভাপতির পাশাপাশি ৩০ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন কয়রা সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এস এম লুৎফর রহমান। এই সময় উপস্থিত ছিলেন সিএনআরএসের বিফরআরএল প্রকল্পের সাইট অফিসার মোঃ নুরুজ্জামান, ইউপি সদস্য মাসুম বিল্লাহ,
আবু হুরাইরা খোকন, শেখ আবুল কালাম, হরেন্দ্রনাথ সরকার, শেখ সোহরাব হোসেন, নাজমুছ সাদাত, মিজানুর রহমান কোহিনূর, এস এম শফিকুল ইসলাম, মুর্শিদা খাতুন, জাহানারা জামাল, সেলিনা আক্তার লাইলী, সমাজসেবক মোস্তাফিজুর রহমান, আনারুল ডাবলু, এস এম মুনছুর রহমান সানা, বিএম আঃ রাজ্জাক, মাওলানা নুরুল ইসলাম, প্রকল্পের মাঠ সহায়ক তুহিন হোসেন, শাহ পরান প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ