প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পিরোজপুরের মঠবাড়ীয়া উপজেলার সাপলেজা বাজারে অবস্থিত শাপলা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে আবু হোরায়রা নামে এক কথিত চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও প্রয়োজনীয় সনদ ও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন ২০২৬) সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীব দেবনাথ আকস্মিকভাবে শাপলা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানটিতে কর্তব্যরত আবু হোরায়রা (পিতা: মো. মিজানুর রহমান, গ্রাম: পশ্চিম ভাওলকর, জেলা: বরগুনা) নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিলেও তার দাবির পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য সনদ, নিবন্ধন বা প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে পারেননি।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসক পরিচয়ে রোগী দেখার পাশাপাশি তিনি নিজের নামের আগে “ডাঃ” উপাধি ব্যবহার করে আসছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে তার চিকিৎসক হিসেবে বৈধ পরিচয়ের কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় আদালত তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং পরে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ রয়েছে, চিকিৎসক পরিচয় ব্যবহার এবং নামের আগে “ডাঃ” উপাধি সংযুক্ত করার মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী আরও কঠোর শাস্তির বিধান থাকলেও ভ্রাম্যমাণ আদালত সর্বনিম্ন সাজা প্রদান করেছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল অবৈধ ও ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, ভুয়া চিকিৎসকদের কারণে সাধারণ মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়ে এবং এ ধরনের প্রতারণার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে এবং স্বাস্থ্যসেবার নামে কোনো ধরনের প্রতারণা বরদাশত করা হবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন