মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৮ পি.এম
দেড় বছর আগে ‘ডেডলিফ্ট’ করার সময় ঘাড় ও পিঠে গুরুতর চোট পান অভিনেত্রী রকুলপ্রীত সিংহ। এরপর স্লিপ ডিস্কের সমস্যার কারণে তাকে টানা ৪০ দিন শয্যাশায়ী থাকতে হয়েছিল। দীর্ঘ ১৮ মাস পর আবার জিমে ফিরে এসেছেন এই অভিনেত্রী। তবে এবার তার লক্ষ্য হচ্ছে দ্রুত আগের অবস্থানে ফিরে যাওয়া নয়, বরং ধীরে ধীরে শরীরকে অনুশীলনের সঙ্গে মানিয়ে নেয়া।
সম্প্রতি রকুল নিজের ফিটনেসযাত্রার কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন। সেখানে দেখা যায়, ভারী ব্যায়ামে যাওয়ার আগে তিনি যোগাসন ও স্ট্রেচিং করে শরীর গরম করছেন। এরপর পেটের পেশিতে বাড়তি চাপ এড়াতে সাপোর্ট বেল্ট ব্যবহার করে ভারোত্তোলন, রেজিস্ট্যান্স ব্যান্ড স্কোয়াট ও বারবেল স্কোয়াটের মতো অনুশীলন শুরু করছেন।
রকুল জানান, দীর্ঘ বিরতির পর তার শরীরের পেশিগুলো যেন নতুন করে ব্যায়াম শিখছে। তিনি বলেন, আগে যে ২০ কেজির কেট্লবেল সহজে তুলে ফেলতেন, এখন সেটি তুলতে কিছুটা ভয় লাগছে।
দীর্ঘ বিরতির পর শরীরচর্চায় ফেরার সময় নিজের ওপর বাড়তি চাপ না দেয়ার গুরুত্বও তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী। তার মতে, শরীরকে সময় দেয়া অত্যন্ত জরুরি। তাই প্রতিদিন একটু একটু করে এগিয়ে যাওয়াই এখন তার মূল লক্ষ্য।
ভিডিওর ক্যাপশনে রকুল লিখেছেন, "কে জানত শরীরকে পুরনো কাজই নতুন করে শেখানোটা একটা চাকরির মতো, কখনো কথা শোনে, কখনো দোনামোনা করে, আবার কখনো মনে করিয়ে দেয়, কে আসলে ক্ষমতাবান। যাই হোক, রোজ আসি, কাজ করি এবং আবার পরদিন ফিরে আসি।"
১৮ মাস পর জিমে ফিরে রকুলের এই ফিটনেসযাত্রা শুধু ওজন তোলার গল্প নয়, বরং চোটের পর নিজের শরীরের ওপর আবার বিশ্বাস ফিরে পাওয়ার গল্প। যেখানে দ্রুত নয়, নিরাপদে এগিয়ে যাওয়াই এখন তার সবচেয়ে বড় সাফল্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, চক্রান্তকারীরা ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধনকে ধ্বংসের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, "আমাদের এই মাটির গভীরে রয়েছে দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ।" তিনি আরও বলেন, "হাজার বছর ধরে আমরা একই সমাজে ও মহল্লায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বসবাস করে আসছি। আমাদের এই অটুট বন্ধন যুগ যুগ ধরে টিকে থাকবে।"
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করার পর তিনি এ মন্তব্য করেন।
এসময় হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রিজভী বলেন, "হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ-এই তিন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের কল্যাণে আলাদা তিনটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের উপাসনালয়গুলো আরও সমৃদ্ধ ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করা এবং পূজারি ও ভক্তরা যেন নির্বিঘ্নে প্রার্থনা ও আরাধনা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এসব ট্রাস্টের পরিচালনা কমিটি কাজ করবে।
তিনি বলেন, "ট্রাস্টের দায়িত্বে যারা এসেছেন, তারা নিজ নিজ সম্প্রদায়ের অত্যন্ত যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিত্ব।" তারা আন্তরিকতার সঙ্গে উপাসনালয়গুলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করবেন, এমনটাই আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ দর্শনে প্রতিটি ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃ-গোষ্ঠীর সমান স্থান রয়েছে। "এখানে প্রত্যেকেই গর্বভরে নিজেদের বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিতে পারে।"
তিনি আরও বলেন, "দেশবিরোধী নানা চক্রান্তকারী দল আমাদের এই অটুট বন্ধনকে ভাঙার চেষ্টা করলেও দেশের মানুষ সব সময় একতাবদ্ধ থেকেছে।" তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা একে অপরের পূজা-পার্বণ কিংবা ঈদে আনন্দের অংশীদার হই।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট মহানগরজুড়ে পুলিশের চিরুনী অভিযানের ফলে ৩৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সিলেট মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। তারা উল্লেখ করেন যে, সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানের সময় কোতোয়ালী মডেল থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪ জন, জালালাবাদ থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে ১১ জন, এয়ারপোর্ট থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৮ জন, দক্ষিণ সুরমা থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪ জন, মোগলাবাজার থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে ১ জন এবং শাহপরাণ থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
সিলেট মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশের গণমাধ্যম শাখা। আটককৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, গ্যাসের সংকট দূর হলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের বিদ্যুৎ সংকটের পেছনে অন্যতম কারণ হলো গ্যাসের সংকট। গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতি উন্নত হলে লোডশেডিংয়ের বর্তমান অবস্থা আর থাকবে না, এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে, সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও দেশে লোডশেডিং ছিল। তবে ঢাকায় তা একেবারেই হয়নি। কারণ ঢাকার মানুষের ‘ভয়েস’ বেশি এবং সামাজিক পুঁজি (সোশ্যাল ক্যাপিটাল) বেশি। ফলে ঢাকার মানুষ লোডশেডিং না দেখায় তাদের মধ্যে একটি বিশেষ ধরনের ধারণা তৈরি হয়েছে।
লোডশেডিংয়ের পরিমাণ নিয়ে তুলনামূলক তথ্য উপস্থাপন করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের শেষ পূর্ণ বছর ছিল ২০২৩ সাল। ২০২৩ এবং ২০২৬ সালের জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসের গড় লোডশেডিংয়ের চিত্র তুলনা করলে দেখা যায়, জুন ও জুলাইয়ে ২০২৬ সালে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় কম ছিল।
তিনি আরও জানান, ২০২৩ সালের জুনে প্রতিদিন গড়ে লোডশেডিং ছিল ৯৬৯ মেগাওয়াট। ২০২৬ সালের জুনে তা ৭৪১ মেগাওয়াটে নেমে আসে। একইভাবে, ২০২৩ সালের জুলাইয়ে গড়ে লোডশেডিং ছিল ৬১৩ মেগাওয়াট, যা ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ৪৬০ মেগাওয়াটে দাঁড়ায়।
তবে আগস্টের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। জাহেদ উর রহমান বলেন, ২০২৩ সালের আগস্টে গড় লোডশেডিং ছিল ৩৬০ মেগাওয়াট। কিন্তু ২০২৬ সালের আগস্টে তা বেড়ে ১ হাজার ৫৬৫ মেগাওয়াটে পৌঁছায়।
‘আগস্টে কী সংকট হয়েছিল’ তা সবার জানা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই মাসে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ অনেক বেড়ে গিয়েছিল। তবে জুন ও জুলাইয়ে ২০২৬ সালের গড় লোডশেডিং ২০২৩ সালের তুলনায় কম ছিল।
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা জানিয়েছেন, গ্যাসের যে সংকট ছিল সেটি কেটে গেলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। ফলে বর্তমান সংকট আর এতটা প্রকট থাকবে না, এমন আশা প্রকাশ করেন।
ঢাকায় লোডশেডিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজধানীতেও কিছুটা সংকট সবাইকে মেনে নেওয়া উচিত। তবে ঢাকা দেশের সবচেয়ে বড় শহর এবং এখানে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি হওয়ায় বিদ্যুতের ক্ষেত্রে রাজধানী কিছুটা অগ্রাধিকার পেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের অবৈধ বসতিগুলোতে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান ও দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এখন শুধু সিদ্ধান্তটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করার অপেক্ষা।
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারেন। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে যুক্তরাজ্য সরকারের নীতিতে পরিবর্তনের অংশ হিসেবেই এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তর ও দক্ষিণ অংশকে বিচ্ছিন্ন করতে কৌশলগত ই-ওয়ান করিডর নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে ইসরায়েল। যুক্তরাজ্য দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছে। সম্প্রতি প্রকল্পটির কাজ আবার শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে—এমন খবরের পরই লন্ডন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কয়েক দিন আগে এক বক্তব্যে এড মিলিব্যান্ড ই-ওয়ান প্রকল্পকে ‘অগ্রহণযোগ্য ও ধ্বংসাত্মক’ বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলকে নিয়ে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দেন।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, নিরাপত্তার অজুহাতে ইসরায়েল এমন কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে, যেগুলো অপ্রয়োজনীয় এবং দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের জন্য হুমকি তৈরি করছে বলে মনে করে যুক্তরাজ্য।
এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে যে মামলা করেছে, তাতে বাদীপক্ষের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করছে যুক্তরাজ্য সরকার বলে দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
সোমবার পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের সাম্প্রতিক বৃদ্ধির নিন্দা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। তিনি বলেন, এ বিষয়ে শিগগিরই বিস্তৃত পদক্ষেপ নেবে তার সরকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ