১০:৩৯ এম
সরকার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে নতুন দুটি কূপ খননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা দেশের গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এই প্রকল্পের জন্য ৫৯২ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে।
প্রকল্পটি বুধবার (৪ নভেম্বর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) কূপ দুটি থেকে দৈনিক প্রায় ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
‘তিতাস গ্যাসফিল্ডে ২টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বিজিএফসিএল। সরকারি অর্থায়ন হিসেবে ৪৫৪ কোটি টাকা এবং সংস্থাটির নিজস্ব তহবিল থেকে ১৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।
আরও পড়ুন: জানাজা থেকে ফেরার পথে গ্রেপ্তার ইউপি চেয়ারম্যান, অসন্তোষ জানালেন প্রতিমন্ত্রী
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রত্যাশা করছেন, প্রথম বছরের মধ্যে একটি কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু করা সম্ভব হবে। দেড় বছরের মধ্যে উভয় কূপ উৎপাদনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. আবুল কাসেম খান জানিয়েছেন, কূপ দুটি থেকে দৈনিক ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের পাশাপাশি প্রায় ১৮ ব্যারেল কনডেনসেট পাওয়া যাবে। উৎপাদিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।
প্রকল্পের আর্থিক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, ১০ বছরের মধ্যে কূপ দুটি থেকে প্রায় ১০০ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের সম্ভাবনা রয়েছে। ভোক্তা পর্যায়ের মূল্য বিবেচনায় এর সম্ভাব্য দাম প্রায় ৬ হাজার ৫২৩ কোটি টাকা।
খননকাজে বিদেশি ঠিকাদার এবং দেশি-বিদেশি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাইপলাইন নির্মাণের মাধ্যমে উত্তোলিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
আরও পড়ুন: মিয়ানমারে পাচারের সময় ৪৯২ বস্তা সারসহ ৮ পাচারকারী আটক
জ্বালানিবিশেষজ্ঞ ম তামিমের মতে, নতুন কূপ খনন গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে সহায়ক হবে। তবে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে অনুসন্ধান ও খনন কার্যক্রমে যুক্ত করা প্রয়োজন, শুধুমাত্র দেশীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর না করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন