কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
১০:৪১ এম
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের আগ্রহ ও প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন হাফেজ মাওলানা ইমরান হোসাইন। তিনি পৌরসভার মিঠাপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মোহাম্মদ বাবু শেখের ছেলে।
কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে হাফেজ মাওলানা ইমরান হোসাইন বলেন, আমি ৮ নম্বর ওয়ার্ডেরই সন্তান। এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, সমস্যা ও নাগরিক অধিকারকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। নির্বাচিত হলে ওয়ার্ডের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেব।
তিনি আরও বলেন, আমি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, বরং এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সেবার মানসিকতা নিয়েই কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দল-মত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করতে চাই। এ জন্য ওয়ার্ডবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনের সময় গাজীপুরে আহত পোশাক শ্রমিক তৌফিক শেখ (২২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবিবর রহমান তবির পুত্র।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহফুজ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তৌফিকের মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছেছে। আগামীকাল বুধবার তার দাফন সম্পন্ন হবে।
কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তৌফিক মারা যান। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় ছয়ঘরিয়া গ্রামে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হবে।
স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, তৌফিক ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন।
বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে তৌফিক এক বন্ধুর মাধ্যমে গাজীপুরের পোশাক কারখানায় চাকরি গ্রহণ করেন। তিনি বাংলাবাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
তৌফিক শেখের বড় ভাই হারুন মিয়া সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন চলছিল। সোমবার আন্দোলনের সময় তৌফিক হামলার দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করার চেষ্টা করছিলেন।
তিনি বলেন, এ সময় হামলাকারীরা তার ওপর আক্রমণ করে এবং তাকে বেধড়ক মারপিট করে। এতে তৌফিক গুরুতর আহত হন। পরে আন্দোলনরত শ্রমিকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তিনি মারা যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ বিদেশি নাগরিকদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে, যারা অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটক হয়েছেন। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ৪৫ বাংলাদেশিসহ মোট ১৮২ জনকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তাদের প্রত্যাবাসন জোহর রাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে সম্পন্ন হয়।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে ৮৫ জন ইন্দোনেশিয়ার, ৪৫ জন বাংলাদেশের, ২৫ জন মিয়ানমারের, ১৫ জন পাকিস্তানের, তিনজন করে ভারত ও থাইল্যান্ডের, তিনজন কম্বোডিয়ার, দুজন শ্রীলঙ্কার এবং একজন চীনের নাগরিক।
আটক ব্যক্তিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-১ ও টার্মিনাল-২ ব্যবহার করে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। অধিকাংশের কাছে বৈধ পাসপোর্ট ছিল। যাদের পাসপোর্ট ছিল না, তাদের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় জরুরি ভ্রমণ নথি (ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট) সংগ্রহ করা হয়। এসব নথির ভিত্তিতে তাদের প্রত্যাবাসন সম্পন্ন করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ জানায়, প্রত্যেক ফেরত পাঠানো ব্যক্তিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার নির্ধারিত মেয়াদ অনুযায়ী, তারা ওই সময়ে মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
এদিকে, আটক ব্যক্তিদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া সহজতর করতে পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে বিশেষ সেবাকেন্দ্র চালু রয়েছে। সেখান থেকে বিমান টিকিট কেনা এবং প্রত্যাবাসনের প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা যায়। এ জন্য কোনো সেবামূল্য বা অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া হয় না।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য পেকান নেনাস ডিপোর রেকর্ড ও প্রত্যাবাসন ইউনিটের ০৭-৬৯৯৩৫৪০ নম্বরে যোগাযোগ করার অথবা অভিবাসন বিভাগের অনলাইন অনুসন্ধান ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযানও জোরদার করা হয়েছে। দেশটির অভিবাসন বিভাগের উপমহাপরিচালক (অপারেশন) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি গত ১৭ অক্টোবর জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশজুড়ে ১১ হাজারের বেশি অভিযানে ১ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি বিদেশির কাগজপত্র যাচাই করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৬৫ হাজারের বেশি বিদেশিকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৪৫ হাজারের বেশি ইতোমধ্যে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন সিনেটের ইতিহাসে একটি নতুন এবং অনন্য রেকর্ড তৈরি হতে যাচ্ছে। ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের বর্তমান লেফটেন্যান্ট গভর্নর জুলিয়ানা স্ট্র্যাটন সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর, আগামী জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো মার্কিন সিনেটে একই সঙ্গে তিনজন কৃষ্ণাঙ্গ নারী সিনেটর হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করার গৌরব অর্জন করবেন।
অ্যাক্সিওসের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ডন ট্রেসিকে পরাজিত করে ইলিনয় আসন থেকে মার্কিন সিনেটে জয়লাভ করেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জুলিয়ানা স্ট্র্যাটন।
জুলিয়ানা স্ট্র্যাটনের এই জয়ের ফলে মার্কিন সিনেটে একসাথে তিনজন কৃষ্ণাঙ্গ নারী দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি ডেমোক্র্যাট সিনেটর লিসা ব্লান্ট রচেস্টার (ডেলাওয়্যার) এবং অ্যাঞ্জেলা অলসুব্রুকস (মেরিল্যান্ড)-এর সাথে যুক্ত হচ্ছেন, যারা ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ইতিমধ্যেই ইতিহাস গড়েছেন।
মার্কিন সিনেটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর দীর্ঘ ২৩৫ বছরের ইতিহাসে আগে কখনো একসাথে একাধিক কৃষ্ণাঙ্গ নারী সদস্য ছিলেন না।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুলিয়ানা স্ট্র্যাটন হচ্ছেন মার্কিন সিনেটের ইতিহাসে ষষ্ঠ কৃষ্ণাঙ্গ নারী সদস্য। একই সাথে তিনি ইলিনয় অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত দ্বিতীয় কৃষ্ণাঙ্গ নারী। এর আগে ১৯৯২ সালে এই ইলিনয় থেকেই ক্যারল মোসলি ব্রাউন প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী হিসেবে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছিলেন।
পরবর্তীতে ২০১৬ সালে ডেমোক্র্যাট দল থেকে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস দ্বিতীয় কৃষ্ণাঙ্গ নারী সিনেটর হন। আর ২০২৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর কর্তৃক মনোনীত হয়ে ল্যাফনজা বাটলার তৃতীয় কৃষ্ণাঙ্গ নারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
জুলিয়ানা স্ট্র্যাটন জয়ী হওয়ার পর তার সহকর্মী সিনেটর ট্যামি ডাকওয়ার্থের সাথে ইলিনয় হবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম অঙ্গরাজ্য, যেখান থেকে একই সাথে দুজন কৃষ্ণাঙ্গ নারী মার্কিন সিনেটে প্রতিনিধিত্ব করবেন। আগামী বছরের জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন স্ট্র্যাটন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেমোক্র্যাট ক্রিস পাপাস নিউ হ্যাম্পশায়ারের সিনেট আসনে জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
জানুয়ারিতে, পাপাস যখন শপথ গ্রহণ করবেন, তখন তিনি মার্কিন সিনেটে নির্বাচিত প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী পুরুষ হিসেবে ইতিহাস গড়বেন।
২০১৩ সালে উইসকনসিনের সিনেটর ট্যামি বাল্ডউইন সংসদে নির্বাচিত প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী ব্যক্তি হিসেবে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন।
নিউ হ্যাম্পশায়ারে নিজের জয় উদযাপন করছেন ক্রিস পাপাস, যেখানে তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে একটি ভাষণে বলেন যে, রাজ্যের ভোটারদের জন্য ‘আমি লড়াই করতে প্রস্তুত’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ