বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:৩৯ পি.এম
জেলার বোয়ালখালীতে পানিবন্দী অসহায় ২৫০ পরিবারের মধ্যে শুকনো খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ।
আজ বৃহস্পতিবার, দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার চরখিজিরপুর, পশ্চিম গোমদণ্ডীসহ নদীর তীরবর্তী এলাকার অসহায় পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্য সহায়তা তুলে দেন তিনি।
এসময় এরশাদ উল্লাহ বলেন, গত ১০ বছরে এমন বৃষ্টি হয়নি। নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ বৃষ্টির কারণে বেশি আক্রান্ত হয়েছে। তিনি জানান, এই সরকার মানবিক সরকার, তাই অসহায় পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক কর্তব্য। এদিন প্রায় ২৫০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়।
খাদ্য বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কামরুল হোসাইন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, বিএনপি নেতা শহীদুল্লাহ চৌধুরী ও কপিল উদ্দিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক বর্ণাঢ্য পরিপাটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে সাজানো গোছানো আয়োজন তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু, সেখানে কোথাও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি দেখা যায়নি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের অনেকেরই এ বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সাভার থেকে আসা পরিবেশকর্মী সোলায়মান নিলয় মন্তব্য করেছেন, ‘এটা খুবই দৃষ্টি আকর্ষণ হওয়ার মতো ঘটনা। আজকের অনুষ্ঠানে ব্যানারে প্রধানমন্ত্রীর কোনো ছবি নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুইদিন আগে পত্রিকায় একটি নিউজ দেখেছিলাম যে, প্রধানমন্ত্রী নিজেই নির্দেশ দিয়েছেন সরকারি অনুষ্ঠানে তার ছবি যেন ব্যবহার না করা হয়। তার এই নির্দেশনার প্রতিফলন আজকের অনুষ্ঠানে আমি দেখছি। আগে দেখা যেত, অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর একটি বড় ছবি থাকতো, কিন্তু আজকে তা নেই। সত্যি এটি অসাধারণ ব্যাপার।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ সংক্রান্ত নির্দেশনা গত ৫ জুন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি পরিপত্র জারি করে। ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকারি অনুষ্ঠান উপলক্ষে তৈরি করা সমস্ত ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে (থ্রি ডি বা অন্য কোনো আঙ্গিকে) সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সরকারি অনুষ্ঠানে ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড প্রস্তুতের সময় বিষয়বস্তুকে প্রাধান্য দিয়ে প্রয়োজনীয় ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করতে হবে। ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডের নকশা এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য, বার্তা ও বিষয়বস্তু সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা এবং জাতীয় বৃক্ষ রোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলা-২০২৬ উপলক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটির প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে বৃহৎ সম্মেলন কেন্দ্রের মূল মঞ্চে এবং চার পাশে দেয়ালে টানানো হয়েছিল পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন শ্লোগান সম্বলিত ২০টি ব্যানার-ফেস্টুন।
এই ব্যানার-ফেস্টুনে পরিবেশ রক্ষা, প্রাণীকূল, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, গাছ রোপণ ও গাছের পরিচর্যা বিষয়ক পরামর্শ ও নির্দেশনা বিষয়ক তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ (সালেহ শিবলী) বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমান রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের যে কথা বলেছেন, তা এই ধরনের ঘটনা তারই উন্মোচন।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আফরোজা রোজা মন্তব্য করেছেন, ‘অতীতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রী তার ছবির প্রচারের প্রবণতা। ফলে, মূল অনুষ্ঠানের বিষয় বোঝা যেত না এবং অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য আড়াল হয়ে যেত।
তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই সংস্কৃতি থেকে সরে আসার উদ্যোগ নিয়েছেন, যা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখেন- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই নির্দেশ সবার মনের কথার প্রতিফলন। এর জন্য আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে চাই।’
অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনীতিক, সরকারি ও বেসরকারি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র : বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিগ টিকিট লটারিতে ১০ লাখ আমিরাতি দিরহাম বিজয়ী হয়েছেন এক বাংলাদেশি প্রবাসী। এই অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকারও বেশি। তার সাথে ভারতের চার প্রবাসীও লটারিতে সমপরিমাণ অর্থ পুরস্কার পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) আরব আমিরাতের ইংরেজি দৈনিক গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিগ টিকিটের ২৮৮তম সিরিজে বাংলাদেশ ও ভারতের পাঁচজন প্রবাসী বিপুল অঙ্কের অর্থ বিজয়ী হয়েছেন। এখানে পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেকে ১ মিলিয়ন করে মোট ৫ মিলিয়ন আমিরাতি দিরহাম জিতে নিয়েছেন। লটারিজয়ীদের তালিকায় যেমন রয়েছেন দীর্ঘদিনের আশাবাদী অংশগ্রহণকারী, যারা বছরের পর বছর ধরে প্রতি মাসে টিকিট কিনেছেন, তেমনই আছেন এমন একজন ভাগ্যবান, যিনি প্রথমবার অংশ নিয়েই বাজিমাত করেছেন।
বিজয়ীরা জানিয়েছেন, এই পুরস্কারের অর্থ তাদের জীবনের বড় বড় স্বপ্ন পূরণে সাহায্য করবে। তারা লটারিতে পাওয়া এই অর্থ দিয়ে দেশে থাকা পরিবারকে আর্থিক সহায়তা, ঋণ পরিশোধ এবং ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করার পরিকল্পনা করেছেন।
আরব আমিরাতের বিগ টিকিট লটারিতে ১০ লাখ আমিরাতি দিরহাম বিজয়ী হওয়া বাংলাদেশি প্রবাসীর নাম মোহাম্মদ আতিক হাসান। তার টিকিট নম্বর ৩৫৯৬৮৫। বিগ টিকিট লটারির ড্রতে তিনি এক মিলিয়ন দিরহাম বিজয়ী হয়েছেন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকার বেশি।
অন্যদিকে ভারতের কেরালা রাজ্যের বাসিন্দা ও আমিরাত প্রবাসী উপেন্দ্রন সিজু দীর্ঘ প্রায় এক দশক চেষ্টা করার পর অবশেষে এই ১০ লাখ দিরহামের পুরস্কার জিতেছেন। ৪০ বছর বয়সী সিজু একজন অপারেশনস ইন-চার্জ। তিনি গত ২০ বছর ধরে আরব আমিরাতে বসবাস করছেন। বন্ধুদের পরামর্শ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রথম তিনি বিগ টিকিটের খোঁজ পান। গত ৯ বছর ধরে ২০ জনের একটি দলের সাথে প্রতি মাসে এই লটারিতে অংশ নিচ্ছেন।
পুরস্কার জেতার মুহূর্ত স্মরণ করে সিজু বলেন, ‘লটারি জয়ের ফোন পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও ভীষণ আশ্চর্যে হয়ে গিয়েছিলাম।’ বিগ টিকিটে এটিই তার জীবনের প্রথম জয়। সিজুর পরিবার বর্তমানে ভারতে রয়েছে। পুরস্কারের নিজের অংশ দিয়ে তিনি ব্যক্তিগত ঋণ শোধ করার পরিকল্পনা করেছেন।
আরেক বিজয়ী শিবপ্রসাদ রবীন্দন দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে আরব আমিরাতে বসবাস করছেন এবং গত ১২ বছর ধরে বিগ টিকিটে অংশ নিচ্ছেন। কেরালার বাসিন্দা ৫০ বছর বয়সী এই তেল ও গ্যাস কোম্পানির সুপারভাইজার ২৭ জনের একটি বড় দলের সাথে প্রতি মাসে লটারির টিকিট কিনতেন। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর রবীন্দন তার প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছেন। উচ্ছ্বসিত রবীন্দন বলেন, ‘আমি খুব খুশি। পুরস্কারের টাকা আমাদের দলের সবার মধ্যে ভাগ করে নেওয়া হবে। আমার ভাগে যে অর্থ আসবে, তা দিয়ে আমি দেশের পরিবারকে সাহায্য করব। বিশেষ করে আমার মেয়েকে, যে বর্তমানে কেরালায় পড়াশোনা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের পীরগঞ্জে ঝড়ে উপড়ে পড়া সরকারি একটি মূল্যবান রেইনট্রি গাছ পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে স্থানীয় সাংবাদিকদের তৎপরতা ও উপজেলা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে।
পরবর্তীতে উদ্ধার করা গাছের গুঁড়ি উপজেলা পরিষদে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৮ জুলাই) রাতে পীরগঞ্জ–মাদারগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে একটি বড় রেইনট্রি গাছ ঝোড়ো বাতাসে উপড়ে পড়ে। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গাছটি কেটে সড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।
পরে গাছের গুঁড়ি উপজেলা পরিষদে নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও সেগুলো কয়েকটি ভ্যানে করে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এই সময়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে ওই পথ দিয়ে ফেরার সময় কয়েকজন স্থানীয় সাংবাদিক বিষয়টি দেখে সন্দেহ করেন।
তারা অবিলম্বে ভ্যানটির পিছু নেন। পরে মিরপুর এলাকার একটি করাতকলে গাছের গুঁড়ি নেওয়া হলে সাংবাদিকদের উপস্থিতি এবং প্রশ্নের মুখে পড়েন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
পরে সাংবাদিকেরা তাৎক্ষণিকভাবে পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসানকে জানান। তার নির্দেশনায় গাছের গুঁড়িগুলো উদ্ধার করে উপজেলা পরিষদে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা সরকারি গাছ পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে এ ঘটনায় কারা জড়িত এবং কীভাবে সরকারি গাছটি উপজেলা পরিষদে নেওয়ার পরিবর্তে অন্যত্র নেওয়া হচ্ছিল—সে বিষয়টি প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য সাবিকুন্নাহার মন্তব্য করেছেন যে, বাজারে মাদকের মধ্যে কোনো ভেজাল না থাকলেও নিত্যদিনের খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল থাকাটা বড়ই আশ্চর্যজনক। জাতীয় সংসদে খাদ্যমন্ত্রীকে সম্পূরক প্রশ্ন রাখার সময় এই ক্ষোভ ও বিস্ময় তিনি প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি জানতে চান, জনগণ যাতে ভেজালমুক্ত খাবার পেতে পারে, সেজন্য সরকারের পক্ষ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২২তম দিনের বৈঠক। অধিবেশনের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে সাবিকুন্নাহার ফলের মৌসুমে বাজারে ফরমালিন ও ভেজালের আধিক্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে ফলের মৌসুমে বাজারে প্রচুর ফল থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে। কোন ফলটি কিনবে, কোনটি ফরমালিনমুক্ত এবং কোনটি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী- তা নির্ধারণ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি খাদ্যের মান সংরক্ষণের বিষয়ে এবং ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে সরকারের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
জামায়াত এমপির এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী ভেজালের ভয়াবহতার ব্যাপারে স্বীকার করে একে একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন। মন্ত্রী জানান, খাদ্যদ্রব্যে ভেজালের কারণে দেশে ক্যান্সার ও কিডনি রোগের মতো মারাত্মক ব্যাধি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে এবং প্রধানমন্ত্রী নিজে এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গতদিনই মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাদ্যদ্রব্যকে ভেজালমুক্ত করতে এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার লক্ষ্যে জনপ্রশাসন উপদেষ্টার নেতৃত্বে একটি বিশেষ কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
খাদ্যমন্ত্রী আরও জানান, ইতোমধ্যে সেই কমিটির প্রথম বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে এবং সেখান থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সম্মিলিতভাবে এই অপতৎপরতা রোধে মাঠে নামবে। প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী খাদ্যদ্রব্য পুরোপুরি ভেজালমুক্ত করতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। বর্তমান সরকার সব ক্ষেত্রেই জবাবদিহিতা ও সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছে উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধের এই লড়াইয়ে সরকার অবশ্যই সফল হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ